ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ ২০ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বিএনপিপন্থী ৩ ইবি শিক্ষকের পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:১৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপিপন্থী ৩ ইবি শিক্ষকের পদত্যাগ
ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বিএনপিপন্থী ৩ জন সিনিয়র শিক্ষক বিভিন্ন দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন। রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর পৃথক তিনটি পদত্যাগ পত্রে ৬ টি দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন এ ৩ জন শিক্ষকরা।

জানা যায়, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় মহাসচিব এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন পদত্যাগ করেন ইসলামিক হেরিটেজ ও কালচার সেন্টারের পরিচালক পদ হতে। ইবি সাদা দলের আহ্বায়ক ও লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মতিনুর রহমান 'সেন্টার ফর পলিসি এন্ড গভর্নেন্স স্টাডিজ' -এর পরিচালক, মীর মশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবনের কক্ষ পুর্নবণ্টন উপ-কমিটির আহবায়ক এবং ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস ২০২৫ এবং ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উদযাপন কমিটির আহবায়ক পদ হতে পদত্যাগ করেন। 

এছাড়াও ইবি ইউট্যাবের সভাপতি এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক  ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেন ইবির আইআইইআর গভর্নিং বডির সদস্য এবং ইবির পরিবহন পরিচালক পর্ষদের আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো কাজে ভিসি স্যার একটি বিশেষ দলের পরামর্শে কাজ করছেন। দলের স্বার্থে আমরা উক্ত পদগুলোতে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছি না, এজন্যই এই সিদ্ধান্ত। 

অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন বলেন, 'কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছি না। তাই পদত্যাগ করলাম।' তবে তিনি কলা অনুষদের ডিন হিসেবে এখনও দায়িত্ব পালন করছেন এবং এ পদ থেকে পদত্যাগ করেননি বলে জানাননি তিনি।

এবিষয়ে অধ্যাপক ড. মতিনুর রহমান বলেন, ‘যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে না জানিয়ে প্রশাসন আগাচ্ছে। যা জুলাই বিপ্লবের সাথে সম্পৃক্ত আছে বলে মনে হয় হচ্ছে না।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    প্রশাসনের অসহযোগিতায় ব্রাকসু নির্বাচন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, উত্তপ্ত বেরোবি ক্যাম্পাস

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:৪০
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    প্রশাসনের অসহযোগিতায় ব্রাকসু নির্বাচন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, উত্তপ্ত বেরোবি ক্যাম্পাস

    রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) নির্বাচনের সকল কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার (০১ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশন জানায়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা না পাওয়া এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভুল তথ্য সরবরাহের কারণে সুষ্ঠু নির্বাচনি প্রক্রিয়া পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সব কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।

    স্থগিত ঘোষণা আসার পরপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ এই ক্যাম্পাসে সাবেক সমন্বয়ক, সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন প্যানেলের সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে ছাত্রদল নেতারা। প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের কাছেই এ ঘটনা ঘটে ফলে পরিস্থিতিকে আরও তীব্র করে তোলে।

    এদিকে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, "যথা সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোথায় সমস্যা হয়েছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি।" নির্বাচনে অসহযোগিতার দায় কার জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও রেজিস্ট্রার অফিসের কাছে জানতে হবে। তিনি আরও বলেন, ভোটার তালিকা নিয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছে তা সমাধানে প্রশাসন দ্রুত কাজ করছে।

    নির্বাচন কমিশনের স্থগিত ঘোষণা ও পরবর্তী অস্থিরতা ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান ও নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনের আয়োজন প্রত্যাশা করছে।
     

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে পাকিস্তান উচ্চশিক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

      অনলাইন ডেস্ক
      ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫৫
      অনলাইন ডেস্ক
      ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে পাকিস্তান উচ্চশিক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

      পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা কমিশনের (এইচইসি) প্রকল্প পরিচালক জেহানজেব খানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সোমবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

      উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

      বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম চালুর সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্ব সহকারে মতবিনিময় হয়। জেহানজেব খান এ ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

      উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রতিনিধিদলকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, বর্তমান শিক্ষা কার্যারিকুলাম এবং গবেষণা কার্যক্রমের সাম্প্রতিক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব ও নেটওয়ার্ক বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

      বৈঠক শেষে উপাচার্য প্রতিনিধিদলের সদস্যদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা এবং শিক্ষা-গবেষণা কার্যক্রমের প্রতি আগ্রহ প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ জানান।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইবির গ্রীণ ফোরামের আলোচনা সভা

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ৭ নভেম্বর, ২০২৫ ২১:৪১
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইবির গ্রীণ ফোরামের আলোচনা সভা
        ছবি: সংগৃহীত

        কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) জুম্মা নামাজ শেষে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মতত্ত্ব অনুষদের সভাকক্ষে জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন গ্রীণ ফোরামের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।

        অনুষ্ঠানে গ্রীণ ফোরামের সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে সংগঠনটির সহ-সভাপতি ও হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সিনা। এসময় আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাছির উদ্দীন মিঝি, শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি মাহমুদুল হাসান ও সেক্রেটারি ইউসুব আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা ও শিবিরের অন্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

        এসময় শাখা শিবির সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ভোটাধিকার ও মানুষের কথার অধিকার আদায়ের জন্য এটি জাতীয় বিপ্লব। এর মূল লক্ষ্য ১৭ বছর ভুলুন্ঠিত হয়েছে। তবে জাতীয় বিপ্লবকে যেমন হাইলাইট করছে একটা শ্রেণী, জুলাই বিপ্লবকে তেমন হাইলাইট করছে না। একই বয়ান তৈরি করছে। আইনি ভিত্তি দিতে চায় না, গণভোট চায় না। এইটা না হলে বিপ্লবীদের জীবন বিপন্ন হবে৷ আমরা চাই সকল বিপ্লবকে যেন সকলে ধারণ করি।

        গ্রীণ ফোরামের সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতা অর্জন করেছি, ১৯৭৫ সালে দেশে পরিবর্তন এসেছে, এরপর বিপ্লব প্রতিবিপ্লবের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর দেশকে রক্ষার জন্য মুক্তিকামী মানুষ জেগেছে, জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বহুদলীয় গণতন্ত্র এসেছে, বাকশাল বাদ দিয়ে সর্বজনীন রাজনীতি প্রতিষ্ঠা হয়েছে। বিগত ১৭ বছর এ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন হয় নি। ২৪শের জুলাই আন্দোলনের পর তা আবার সারাদেশে পালিত হচ্ছে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান থেকেও অনেকে এ দিবসকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।  জুলাই সনদকে স্বীকৃতি না দিয়ে ক্ষমতায় গেলে আবার একটা পরিস্থিতি আসতে পারে। নির্বাচনের আগে অবশ্যই সনদ স্বীকৃতি দিতে আহ্বান জানাই।

        প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আবু সিনা বলেন, আমরা ৭১ কে স্বীকার করি, ৩৬ জুলাই অভ্যুত্থানকে স্বীকার করি। কিন্তু আমাদের কিছু বন্ধু আছে যারা এর মর্মার্থ উপলব্ধি করতে পারছে না। তারা বিভিন্ন খোঁড়া যুক্তি দিয়ে যেনতেন ভাবেই ক্ষমতা দখল করলেই হয়, এই হলো তাদের অবস্থা। অথচ ৩৬ জুলাই সনদের আইন আগে পাশ করিয়ে জাতীয় নির্বাচন করাই যুক্তিযুক্ত। এটা করতে না পারলে যারা অপরাধী তাদের বিচার হবে না। 

        প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত সিপাহী-জনতা বিপ্লবের স্মরণে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হয়। কর্নেল (অবঃ) আবু তাহেরের নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থান জেনারেল খালেদ মোশাররফের ৩ দিনব্যাপি সামরিক অভ্যুত্থানের পতন ঘটায়। এই বিপ্লবের ফলশ্রুতিতে জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দীদশা থেকে মুক্তি পান, এবং পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের আমলে মূলত ৭ই নভেম্বর বাংলাদেশে সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইবিতে সাংবাদিক মারধর ঘটনায় ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার, ৯ জনকে সতর্কবার্তা

          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          ৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫
          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          ইবিতে সাংবাদিক মারধর ঘটনায় ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার, ৯ জনকে সতর্কবার্তা
          ছবি: সংগৃহীত

          কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী কর্তৃক কর্মরত সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহে বাঁধা ও মোবাইল কেড়ে নিয়ে দফায় দফায় মারধরের ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে ৩ শিক্ষার্থীকে ২ সেমিস্টার করে বহিষ্কার এবং ৯ জন শিক্ষার্থীকে সতর্ক করা হয়েছে।

          বুধবার (৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা গেছে।

          অফিস আদেশ সূত্রে, গত ১১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে অর্থনীতি বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল বিভিন্ন পত্রিকার সংবাদ প্রতিবেদকের (শিক্ষার্থীদের) মধ্যে সংঘটিত অপ্রীতিকর ঘটনার বিষয় তদন্তের জন্য উপাচার্য কর্তৃক গঠিত কমিটির সুপারিশ এবং গত ৩০ অক্টোবর (২০২৫) অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ২৭১তম (সাধারণ) সভার প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত ৩৮-এ অর্থনীতি বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাহিদ হাসান (রোল ৭০৭৮) সাংবাদিককে তলপেটে লাথি মারে এবং সাংবাদিকের মোবাইল রিসেট দেয়া অবস্থায় মেডিকেল সেন্টারে ফেলে রাখার দায়ে এবং তার বিভাগে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বরাতে প্রক্টর বরাবর মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করার কারণে তাকে (নাহিদ হাসান) ৪র্থ বর্ষে ২ (দুই) সেমিস্টারের জন্য সর্বপ্রকার একাডেমিক কার্যক্রম হতে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই বর্ষের শিক্ষার্থী রিয়াজ মোর্শেদ (রোল ৭০২০) অপরাধ সংঘটনে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা এবং আফসানা পারভীন তিনা (রোল ৭০৫১) মোবাইল কেড়ে নিয়ে উস্কানিতে জড়িত ছিল বলে প্রমাণিত হওয়ায় একই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।  

          এছাড়া অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম (রোল ৭০০৪), মিল্টন মিয়া (৭০২৫),  মশিউর রহমান (৭০১৩), রাকিব হোসেন (৭০১৬) ও ২০২০-২০২১ বর্ষের সৌরভ দত্ত (৭০১৪) মিনহাজুল আবেদীন (৭০০৮), সাব্বির হোসেন (৭০০২) সৌরভ হোসেন সজীব (৭০১৩) এবং ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের ফরিদুল আলম পান্নাকে সতর্ক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

          বহিষ্কৃত তিন শিক্ষার্থীর আবাসিকতার বিষয়ে জুলাই-৩৬ হলে প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. শামছুল হক ছিদ্দিকী বলেন, ”আমরা শনিবারে এ বিষয়ে হল প্রশাসন মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিবো। তবে সে যেহেতু বর্তমানে বৈধ শিক্ষার্থী না সেহেতু হলে না থাকার সিদ্ধান্ত আসতে পারে।”

          শহীদ আনাস হলের প্রভোস্ট ড. মো. আব্দুল কাদের বলেন, “যেহেতু তারা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে এবং ছাত্রত্ব নেই সেহেতু অফিসিয়ালি চিঠি পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নিবো।”

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত