শিরোনাম
শহীদ সাজিদের স্মৃতিচারণে জবি শিক্ষার্থীদের টুর্নামেন্ট ও ঐক্য সফরের আয়োজন
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বীর শহীদ ইকরামুল হক সাজিদের আত্মত্যাগ এবং স্বৈরাচারের মূল উৎপাটনে তার অমূল্য অবদানকে স্মরণ করে "শহীদ ইকরামুল হক সাজিদ স্পোর্টস টুর্নামেন্ট এবং ঐক্য সফর ২০২৫" আয়োজন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ব্রাদারহুড। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান রুমি এই আয়োজন করেন।
মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্টে, মুন্সিগঞ্জ ১২ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) এ আয়োজন করা হয়।
এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল শহীদ সাজিদের স্মৃতিকে অম্লান রাখা এবং তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করা। বক্তারা শহীদ সাজিদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, "জীবন দিয়ে হলেও আমরা এই সংগ্রামে কাজ করে যাবো, যাতে আগামী প্রজন্ম স্বাধীন ও সমান অধিকারভুক্ত সমাজে বাঁচতে পারে।"
এই আয়োজনের মূল বক্তব্য ছিল "ঐক্যই শক্তি ঐক্যই মুক্তি"।
উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ এর অধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পুরুষ শিক্ষার্থীদের জন্য ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং নারী শিক্ষার্থীদের জন্য চেয়ার সিটিং এর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এছাড়াও উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীদের জন্য রেফেল ড্র এবং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও বৈষম্যহীন, শিক্ষার্থী বান্ধব ক্যাম্পাস বিনির্মানে শিক্ষার্থীদের মতামত ও অতিথিদের দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, "শহীদ ইকরামুল হক সাজিদ আমাদের গর্ব, আমাদের সাহস এবং দৃঢ়তার প্রতীক। তাঁর আত্মত্যাগ ইতিহাসের পাতায় চির অম্লান হয়ে থাকবে। তার স্মৃতিই আমাদের পথ প্রদর্শক, আমাদের সংগ্রামের অনুপ্রেরণা।"
তিনি আরও বলেন, "আজ আমরা তাঁর স্মৃতিতে এই আয়োজন করছি। শহীদ সাজিদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ। তিনি বৈষম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে জীবন দিয়েছেন, যেন একটি বৈষম্যহীন, শিক্ষার্থী বান্ধব ক্যাম্পাস এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা যায়।"
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান আসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রনেতা ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাফর মাহমুদ, যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান মোল্লা সহ প্রায় ৩৫০ এর অধিক নেতা কর্মী।
জাকসু নির্বাচন
পরাজয় নিশ্চিত জেনে ছাত্রদলের ভোট বর্জন: শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনেই ছাত্রদল ভোট বর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী আরিফ উল্লাহ আদিব। তিনি বলেছেন, তবে নির্বাচন বয়কট করলেও এর প্রভাব সার্বিক নির্বাচনে পড়বে না।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বেগম সুফিয়া কামাল হলের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে ছাত্রদলের নির্বাচন বর্জনের এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী বলেন, ২০২৪-পরবর্তী বাংলাদেশের মানুষ চায় দেশের সুষ্ঠু ধারার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। সেজন্য ডাকসুতে শিবির সমর্থিত প্যানেল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো ভিত্তিহীন। ডাকসুর মতো জাকসুতেও পুরো প্যানেল নিয়ে জয়লাভের প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ওএমআর মেশিন নিয়ে যে ভুয়া তথ্য প্রচার করেছে ছাত্রদল, সেই প্রতিষ্ঠানের মালিক আসলে বিএনপির লোক বলে দাবি করেন শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও জ্বালানি উপদেষ্টার সাথে রাবিপ্রবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়।
সৌজন্যে সাক্ষাতে উপদেষ্টাদের কাছে রাবিপ্রবির শিক্ষা, গবেষণা, উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। এ সময় রাবিপ্রবি স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের চলমান উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি ও বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়াও তিনি রাবিপ্রবিকে সামনে এগিয়ে নিতে উপদেষ্টাবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করেন।
রাবিপ্রবির অগ্রগতি, উন্নয়ন, শিক্ষা ও গবেষণায় যুগান্তকারী পরিবর্তনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এ দুই উপদেষ্টা। পাশাপাশি রাবিপ্রবিকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন পরামর্শ দেন তারা।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
রেজাল্ট না দেওয়ায় আরবী বিভাগে ২য় বারের মতো তালা দিল শিক্ষার্থীরা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আরবী বিভাগের চতুর্থবর্ষের প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষা শেষ হওয়ার প্রায় ৩ মাস পার হলেও রেজাল্ট না দেওয়ায় দ্বিতীয় বারের মতো অফিসরুমে তালা দিয়েছে বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।
সোমবার ( ৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ কলা ভবনের ৩য় তলার দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে ২৫ আগস্ট ফলাফল দিতে দেরি হওয়ায় বিভাগের অফিস ও গেটে তালা দেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। পরে ৩ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার (২৮ই আগস্ট) এর মধ্যে রেজাল্ট দেওয়ার আশ্বাসে তালা খুলে দেন শিক্ষার্থীরা। এ রেজাল্ট না হওয়ার কারণে ৪র্ষ বর্ষের সেকেন্ড সেমিস্টারের পরীক্ষা হচ্ছে না বলে জানান শিক্ষার্থীরা। এবং বিভিন্ন চাকুরির সার্কুলারের জন্য আবেদনও করতে পারছেন না বলে জানান তারা।
বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, "রেজাল্ট নিয়ে শিক্ষকরা শুধু আমাদেরকে আশ্বাসেই দিয়ে যাচ্ছে। ২ সপ্তাহ আগে যখন রেজাল্টের জন্য তালা দেই তখন মৌখিক আশ্বাস দিয়েছিল যে আমাদের বৃহস্পতিবার মধ্যে রেজাল্ট দেবে এবং স্যার আমাদেরকে এটাও বলেছিল যদি বৃহস্পতিবার দেওয়া না হয় তাহলে আমি নিজেই তোমাদের আন্দোলনে শরিক হবো।
এতদিন পার হলেও এখনো উনারা রেজাল্ট
নিয়ে বসেই নেই পযন্ত। রেজাল্ট নিয়ে আমাদের সঙ্গে টালবাহানা করছে।"
তারা আরো অভিযোগ করে বলেন, "আজকে আবার সেই মৌখিক আশ্বাস দিচ্ছে যে কালকের মধ্যে বসবে এ সপ্তাহে রেজাল্ট দিয়ে দিবো। কিন্তু এর আগেও এ কথা ৩-৪ বার বলেছে। যে শিক্ষকের রেজাল্ট দেয়নি এখনও উনি আমাদেরকে ফোন দিতেছিল এবং বলেছিল যে কালকের মধ্যে রেজাল্ট দিবে কিন্তুু তিনিও ইতিপূর্বে অনেকবার এ কথা বলেছেন। "
রেজাল্ট দেরি হওয়ার বিষয়ে পরীক্ষা কমিটির সভাপতি আরবী বিভাগে অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন বলেন, "সংশ্লিষ্ট শিক্ষক সঙ্গে এর আগেও আমরা কথা বলছি। উনিও ছাত্র সঙ্গে কথা বলেছেন। আমরা রেজাল্ট নিয়ে কালকে বসবো দিনরাত খেটেও হলেও আমরা আশা করছি এ সপ্তাহের মধ্যে রেজাল্ট দিয়ে দিবো। "
আরবী বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম বলেন, "পরীক্ষা কমিটির শিক্ষকরা উনারের সঙ্গে কথা বলেছেন, আমিও বলেছি। এ সপ্তাহের মধ্যে রেজাল্ট হয়ে যাবে।"
পরবর্তী পরীক্ষায় রেজাল্ট দেরি হলে এবার ব্যবস্থার নেওয়ার বলে তিনি আবার বলেন, "গত সপ্তাহে আমরা একাডেমিক মিটিং ছিল এই বিষয়ে আলোচনা করেছি। এবার থেকে কেউ পরীক্ষা রেজাল্টের নম্বর দিতে দেরি করে তাহলে আমরা তাকে শোকজ করবো দরকার হলে পরীক্ষা কমিটি বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে জানাবো। রেজাল্টটা হয়ে গেলে আবার এরকম ঘটনায় আমরা পরবর্তীতে কঠোর সিদ্ধান্ত নেবো।"
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও আরবী বিভাগের অধ্যাপক ইফতিখারুল ইসলাম মাসঊদ ফোন দেওয়া হলে তিনি জানা, "আমি এখনো খবরটি জানিনা। পরে কথা বলি আগে আমি দেখি ব্যাপারটা।"
এ আগেও এ বিষয়ে সাংবাদিকরা ফোন দিলে একই কথা বলেন উনি ব্যস্ত আছেন এ বিষয়ে পরে কথা বলবেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন বলেন, "এক দুইজন এক্সামিনার খাতা জমা না দেওয়ার কারণেই রেজাল্ট দিতে হচ্ছে বলে আমি বিভাগের সভাপতি ও পরীক্ষা সভাপতি কাছ থেকে তথ্য পেয়েছি। ফল প্রকাশ একটা টিপওয়ার্ক কাজ একজন খাতা জমা না দিলে রেজাল্ট হয়না দেরি হয়।
তিনি আরো বলেন, "ডিপার্টমেন্টেের বিষয়গুলোতে সাধারণ আমরা হস্তক্ষেপ করিনা। একাডেমিক মিনিং এবং পরীক্ষা কমিটি বিষয়গুলো দেখে। যে সকল এক্সামিনের কারণে অচল অবস্থা হয় তাহলে আমরা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেব। "
খুবিতে প্রথম বাঁধন অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত
স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের উদ্যোগে ‘প্রথম বাঁধন অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ০৭ সেপ্টেম্বর (রবিবার) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অলিম্পিয়াড আয়োজিত হয়।
অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে ৬ শতাধিক শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেন। এর মধ্যে ১৮০ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। অলিম্পিয়াডে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিস ডিসিপ্লিনের মো. খায়রুল আলম খান চ্যাম্পিয়ন, ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের শেখ নাফিউল আলম রাব্বি প্রথম রানার-আপ এবং ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের মো. মাসরুনুল হাসান তানজিম দ্বিতীয় রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এছাড়া আরও ১২ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, রক্তের সাথে মানুষের জীবন মৃত্যুর সম্পর্ক। বাঁধনের কর্মীরা মানুষের জরুরি রক্তের প্রয়োজনে এগিয়ে আসে। বাংলাদেশে রক্তদানকে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে বাঁধন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু থেকে তারা কাজ করে যাচ্ছে। এই সংগঠন মানবসেবার জন্য কাজ করে, তারা কখনো হারাবে না।
তিনি আরো বলেন, থ্যালাসেমিয়ার মতো জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য নিয়মিত রক্তদানের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাঁধনের কার্যক্রম আরও জোরদার করতে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ফান্ড তৈরির আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত এবং বাঁধন কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা ও খান বাহাদুর আহছানউল্লা হলের প্রভোস্ট প্রফেসর শরিফ মোহাম্মদ খান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন বাঁধন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম কামরুজ্জামান কাফি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈফ নেওয়াজ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মিকাইল হোসেন।
বাঁধন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি হৃদয় সাহার সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম। আরও বক্তব্য রাখেন লুমিনএজ এর প্রতিনিধি উজ্জ্বল সাহা।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য