ঢাকা, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ২ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

আওলাই ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার—জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত ফজলুর রহমান সাইদের গণসংযোগ

জেলা প্রতিনিধি
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪২
জেলা প্রতিনিধি
আওলাই ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার—জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত ফজলুর রহমান সাইদের গণসংযোগ

মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার ,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জয়পুরহাট-১ (জয়পুরহাট সদর-পাঁচবিবি) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী মোঃ ফজলুর রহমান সাইদ পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছেন।

গণসংযোগকালে তিনি আওলাই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও বাজার এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে ন্যায়ভিত্তিক, সৎ ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রতি সমর্থন ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।

ফজলুর রহমান সাইদ বলেন, “জনগণের অধিকার রক্ষা, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকই হতে পারে সঠিক পছন্দ।” তাঁর বক্তব্যে সাধারণ মানুষ আশাবাদী হয়ে ওঠেন এবং পরিবর্তনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

গণসংযোগ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জয়পুরহাট জেলা সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম কিবরিয়া মন্ডল, পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, পাঁচবিবি উপজেলা জামায়াতের আমীর ডাঃ মোঃ সুজাউল করিম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু সুফিয়ান মুক্তার, আওলাই ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর নূর হোসেন আকন্দ বাবু, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা শহিদুল ইসলামসহ  অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

গণসংযোগ শেষে আওলাই ইউনিয়নের সর্বত্র উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    কিশোরগঞ্জে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় বিএনপির আরও ১৭ নেতাকে বহিষ্কার

    জেলা প্রতিনিধি
    ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
    জেলা প্রতিনিধি
    কিশোরগঞ্জে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় বিএনপির আরও ১৭ নেতাকে বহিষ্কার

    কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির আরও ১৭ জন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    কিশোরগঞ্জ–৫(বাজিতপুর–নিকলী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত ও বহিউ স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে বিএনপির আরও ১৭ জন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করার পাশাপাশি তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

    এর আগে গত (২১জানুয়ারি) শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে এক‌ই কারণে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়াও দলীয় নীতি,আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জ–৫ আসনে দ্বিতীয় দফায় বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন।

    তবে পরে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিলে দলীয় সিদ্ধান্তে ইকবালের পরিবর্তে হুদাকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। 
    এছাড়াও গত (২২ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সৈয়দ এহসানুল হুদার আনুষ্ঠানিক যোগদান সম্পন্ন হয়।

    এরপর পর‌ই দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেন এবং মাঠে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেন। তার এই সিদ্ধান্তকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করে তার বিরুদ্ধে প্রথমে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    পরবর্তীতে দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে চুড়ান্ত ভাবে বহিস্কার আদেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।
    প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বহিষ্কৃত নেতারা হলেন— বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আমিনুল হক, দিঘীরপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহরিয়ার শামীম, বলিয়ারদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ফিরোজ খান, নিকলী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মানিক মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, জারইতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুল ইসলাম, ছাতিরচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পরশ মাহমুদ, দামপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো.আলী হোসেন, সিংপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশীদ, গুরুই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তাহের, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, ছাতিরচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মুক্তার, কারপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন, সিংপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. তোফায়েল আহমেদ তপু, গুরুই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান এবং নিকলী উপজেলা বিএনপির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনির হোসেন।

    দলীয় সূত্র আরো জানা যায়, এখন থেকে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কোনো নেতা-কর্মী বহিষ্কৃত প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া বা বিদ্রোহী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এখন থেকে বিএনপি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে থাকবে বলে জানান।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      দুধ দিয়ে গোসলের মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রায় ৩শত নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

      জেলা প্রতিনিধি
      ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০
      জেলা প্রতিনিধি
      দুধ দিয়ে গোসলের মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রায় ৩শত নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

      পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় আলোচিত এক রাজনৈতিক ঘটনায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার।
      রোববার (২৬ জানুয়ারী-২০২৬) রাত আটটার দিকে বগা ইউনিয়নে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামিতে যোগ দেন।

      জানা যায়, জালাল হাওলাদারের সঙ্গে একই ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফ, বগা ইয়াকুব শরীফ কলেজের প্রচার সম্পাদক রাকিব খান, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস এম আমিনুল ইসলাম, ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য নিজাম মৃধাসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলত্যাগ করে জামায়াতে ইসলামিতে যোগদান করেন।
      অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। এ সময় প্রতীকীভাবে তিনি জালাল হাওলাদারকে এক কলস দুধ দিয়ে গোসল করান। পরে বগা ১২১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত যোগদান সভায় বক্তব্য রাখেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।

      তিনি আরও বলেন, “আজ যারা আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।”
      যোগদানকারী জালাল হাওলাদার বলেন, দীর্ঘদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও ন্যায় ও সততার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য জামায়াতে ইসলামিকেই সবচেয়ে উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম মনে করেছেন। সে কারণেই তিনি স্বেচ্ছায় এই দলে যোগ দিয়েছেন।

      অনুষ্ঠানে স্থানীয় জামায়াত ও ১০ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        দিনভর লিফলেট বিতরণ-ব্যাপক গণসংযোগ করলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনে এবি পার্টি প্রার্থী

        জেলা প্রতিনিধি
        ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৫
        জেলা প্রতিনিধি
        দিনভর লিফলেট বিতরণ-ব্যাপক গণসংযোগ করলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনে এবি পার্টি প্রার্থী

        ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে কুড়িগ্রাম-২ আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টি এবি পার্টি প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খান (ডাঃ নজরুল) সংসদীয় আসনের বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন।

        সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দিনভর কুড়িগ্রাম সদর ও ফুলবাড়ী উপজেলার পাখির হাট বাজার, খোলার হাট বাজার, আনছার বাজার, বড়লই মিয়াজীপারা, বড়লই কাচারী বাজার, সারডোব আরডিআরএস বাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও ব্যাপক গণসংযোগ করেন এ প্রার্থী।

        এসময় তিনি সাধারণ মানুষ, খেটেখাওয়া, দিনমজুর, ব্যবসায়ী, দোকানী ও পথচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।  পাশাপাশি এবি পার্টির নীতি, আদর্শ এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ করে ঈগল প্রতীকের জন্য দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।

        গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন, এবি পার্টির কুড়িগ্রাম জেলা সদস্য সচিব মোঃ জাহিদুল ইসলাম জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর হোসেন, সদর উপজেলা আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম লিটন, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সালাম, ফুলবাড়ী উপজেলা আহ্বায়ক ফজর আলী সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।  

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          কেশবপুরে হাতপাখার প্রার্থী গাজী সহিদুল ইসলামের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন

          থানা প্রতিনিধি
          ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:২০
          থানা প্রতিনিধি
          কেশবপুরে হাতপাখার প্রার্থী গাজী সহিদুল ইসলামের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন

          যশোর-৬ কেশবপুর আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকের গাজী সহিদুল ইসলামের নির্বাচনী কার্যক্রম জোরদার করতে কেশবপুর উপজেলার ৭ নম্বর পাজিয়া ইউনিয়নে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে।

          গতকাল বিকেলে পাজিয়া ইউনিয়নে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর-৬ কেশবপুর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী গাজী সহিদুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতার রাজনীতির জন্য নয়, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন করছে। দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এগিয়ে যাব।”

          অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেশবপুর থানা শাখার সভাপতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মোঃ মুরাদ খান, আয়ুব মিয়া, শামীম, মোঃ আব্দুল হামিদসহ স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

          বক্তারা বলেন, কেশবপুরে হাতপাখা প্রতীকের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। জনগণের নৈতিক ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশই একমাত্র বিকল্প শক্তি।

          উদ্বোধন শেষে নেতাকর্মীরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন এবং হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়ে প্রচারণা চালান। নেতারা আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেশবপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঐতিহাসিক ফলাফল অর্জন করবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত