শিরোনাম
একটি দল নির্বাচনের আগেই মানুষ ঠকাচ্ছে; সিলেটে তারেক রহমান
নির্বাচনের আগেই একটি দল মানুষ ঠকাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, তারা নির্বাচনের পরে কেমন ঠকাবে এবার বোঝেন। শুধু ঠকাচ্ছে না, যারা মুসলমান তাদের শিরক করাচ্ছে তারা।
আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নিজের প্রথম নির্বাচনী সমাবেশে এসব কথা বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান বলেন, এখন আমি আপনাদের সামনে একটি প্রশ্ন করতে চাই, এখানে কারা (মাঠে উপস্থিত) ওমরা বা হজ করে এসেছেন, হাত তোলেন। এ সময় মাঠে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি হাত তোলেন। তাদের মধ্যে একজনকে মঞ্চে ডেকে আনেন তারেক রহমান এবং তাকে জিজ্ঞাসা করেন- আপনি কাবা শরীফে গেছেন? কাবা শরীফের মালিক কে? তখন ওই ব্যক্তি বলেন, আল্লাহ। তারেক রহমান বলেন, আমরা সবাই মুসলমান। এই দিন-দুনিয়ায় যা দেখি, এই পৃথিবীর মালিক কে? হজকারী ব্যক্তি বলেন আল্লাহ।
তারেক রহমান প্রশ্ন রাখেন এই সূর্য, নক্ষত্র যা দেখি তার মালিক কে? বেহেশতের মালিক কে? আপনারা সবাই সাক্ষী দিলেন- দোজখ, বেহেশতের মালিক আল্লাহ। এই পৃথিবী, কাবার মালিক আল্লাহ। আরে ভাই যেটার মালিক আল্লাহ, সেটা কি অন্য কেউ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে? রাখে না। তাহলে কী দাঁড়াল? নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দেবো, ওই দেবো বলছে, টিকেট দেবো, বলছে না? যেটার মালিক মানুষ না, সেটার কথা যদি সে বলে, তাহলে কি শিরক করা হচ্ছে না? যার মালিক আল্লাহ, যার অধিকার শুধু মাত্র আল্লাহর। কাজেই আগেই তো আপনাদের ঠকাচ্ছে। নির্বাচনের পরে কেমন ঠকাবে এবার বোঝেন। শুধু ঠকাচ্ছে না, যারা মুসলমান তাদের শিরক করাচ্ছে, নাউজুবিল্লাহ।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধে লক্ষ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে আমরা এই দেশ স্বাধীন করেছি। সেই সময় অনেকের ভূমিকা আমরা দেখেছি। যাদের ভূমিকার কারণে লাখ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছে। মা-বোনেরা সম্ভ্রম হারিয়েছে।
বিএনপির শীর্ষ এই নেতা বলেন, এই হঠকারিতার বিরুদ্ধে, এই মিথ্যার বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করেছি। এখন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
মব করে বর্তমানে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা দেশে একটা শান্তিপূর্ণ সুষ্ঠু নির্বাচন চাই, যেখানে জনমতের প্রতিফলন ঘটবে, ভয়ভীতির পরিবেশ থাকবে না। মানুষ স্বস্তির সঙ্গে ভোট দেবে এমন নির্বাচনই চায় জামায়াতে ইসলামী।
তিনি বলেন, মানুষ এখন অনেক সচেতন, এখন মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ। সবাই জনগণের কাছে যাবে, দলের অঙ্গীকার, বক্তব্য, নিজের চরিত্র নিয়ে যাবে, নিজেদের কার্যক্রম নিয়ে যাবে। জনগণ অতীত-বর্তমান বিবেচনা করে কার ওপরে আস্থা রাখবে সেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কল্যাণপুরে ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মিরপুরে আহত নেতাকর্মীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়া শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যদি দলের (জামায়াতের) কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন, তা দেখার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ আছে। তাদেরকে জানাবেন। তারা তাদের মতো উদ্যোগ নেবেন, আমাদের জানাবেন। আরও অনেক পদক্ষেপ আছে, তারা সেটা নিতে পারেন। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা দলের কোনো ধরনের এখতিয়ার নেই কোনো ধরনের মব সৃষ্টি করার। আমরা এই নোংরা মবের নিন্দা জানাই। আমরা দেখতে চাই, এই মব যেন এখানেই শেষ হয়।
তিনি ৩০০ আসনে যারা অংশ নিচ্ছেন তাদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, দয়া করে জনগণের প্রতি আস্থা রাখুন। জনগণকে শান্তিপূর্ণভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পছন্দমতো প্রতীক বাক্সে ফেলার সুযোগ দিন। ভোটারকে সহযোগিতা করা সব দলের প্রার্থীদের দায়িত্ব।
জামায়াত আমির বলেন, আমাদের অঙ্গীকার স্পষ্ট, আমরা দুর্নীতি-দুঃশাসনমুক্ত ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়তে চাই। সেই সমাজে আর ফ্যাসিজম ফিরবে না। আমরা দুটো নির্বাচনে অংশ নেব। জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখনই যদি সেই সাড়ে ১৫ বছরের কায়দায় নির্বাচনী ময়দানকে ওলটপালট করে দেওয়া হয়, তাহলে জাগ্রত যুবসমাজ কাউকে ক্ষমা করবে না। কারণ তারাই তো বুকের রক্ত দিয়ে পরিবর্তন এনেছে। আমরা দেশবাসী সঙ্গে ছিলাম, ওরাই (যুবসমাজ) নেতৃত্ব দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘তোমার ভোট আমি দেব, তোমারটাও আমি দেব’ কায়দায় যদি কেউ ভোটের মাঠে নামেন তাহলে যুবসমাজ ভোটের মাধ্যমে ব্যালটের মাধ্যমে সমুচিত জবাব দেবে। সুতরাং আসুন শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থেকে, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সহযোগিতা করি। এ ব্যাপারে জামায়াতে ইসলামী অঙ্গীকারবদ্ধ।
গতকাল (মঙ্গলবার) অত্যন্ত বেদনাদায়কভাবে বিএনপির লোকেরা জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, গতকাল শুধু ভাইদের গায়ে নয়, আমাদের মা-বোনদের গায়েও হামলা করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। ওরা কি মায়ের পেট থেকে জন্ম নেয় নাই? তাদের ঘরে কি মা-বোন নেই? আমরা আর এ ধরনের নোংরা অবস্থা দেখতে চাই না।
নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শুধু ঢাকা-১৫ আসনে না, এখানে, ওখানে টুকটাক শুনতে পাচ্ছি। আপনারা (নির্বাচন কমিশন) যে অঙ্গীকার নিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করতে হলে, আপনাদের দায়িত্ব পালন করুন। সবার জন্য সমতল মাঠ অবশ্যই দিতে হবে। যারাই সন্ত্রাস ও দুর্বৃত্তপনা করবে তাদের মুখের দিকে না তাকিয়ে দায়িত্ব ও আইনের দিকে তাকিয়ে ব্যবস্থা নেবেন। আমরা এখনই মামলা-মোকদ্দমার দিকে যাচ্ছি না, এটা সমাধানও নয়। তবে আমাদের বাধ্য করবেন না। আমরা সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে এসবের মোকাবিলা করব।
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, মায়েদের গায়ে হাত দিলো, মসজিদের ভেতর ঢুকে অপমান-গালিগালাজ করল, মানুষের মোবাইলগুলো কেড়ে নিলো আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকিয়ে তাকিয়ে দেখল। তাহলে কীভাবে হবে সুষ্ঠু নির্বাচন?
জামায়াত আমির বলেন, আমরা এর আর পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না। আমরা চাই যার যার যে নাগরিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব সেটি পালন করবেন। আমরা কথা দিচ্ছি, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব কিছু দিয়ে সহযোগিতা করব ইনশাআল্লাহ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মাথা কখন গরম হয়, যখন চোখে অন্ধকার দেখা যায়। আমরা জনগণের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখি। আমরা বিশ্বাস করি মানবিক বাংলাদেশ, যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার মা-বোনদের নিরাপত্তার বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার জামায়াতে ইসলামী দিচ্ছে। সেটিই যদি মাথা গরমের কারণ হয়, তাহলে তাদের বলব, আরও ভালো কিছু কর্মসূচি নিয়ে আসেন। আপনাদেরটা জনগণ গ্রহণ করলে আমরা খুশি। কিন্তু আমাদের কর্মসূচিতে বাধা দেবেন না মেহেরবানি করে। আশা করি সবাই নিজেদের সীমার মধ্যে থাকবেন।
কড়াইল বস্তির বাসিন্দাদের ফ্ল্যাট দেওয়ার আশ্বাস তারেক রহমানের
কড়াইল বস্তির বাসিন্দারা যাতে মর্যাদার সঙ্গে মাথা গোঁজার ঠাঁই পায়, সেজন্য সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণ করে ছোট ছোট ফ্ল্যাট বানিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি কলোনিতে কড়াইলবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিলে তারেক রহমানের সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা আপনাদের জন্য রাজনীতি করি। এর আগেও আমাদের দল যতবার দেশ পরিচালনা করেছে, মানুষের কাছে যে জবান দিয়েছে, আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি সেই জবান রক্ষা করার জন্য।’
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকে আপনাদের সামনে একটি কথা বলতে চাই– জানি না এটা নির্বাচনী আচরণবিধিতে পড়বে কি না বা কেউ ষড়যন্ত্র করবে কি না। কিন্তু আমি যা করতে চাই, আল্লাহর রহমত নিয়ে করতে চাই। আপনাদের যদি দোয়া থাকে, তবে আমি কয়েকটি কাজ করতে চাই। প্রিয় কড়াইলবাসী, আমি শুনেছি আপনারা এখানে থাকার জন্য অনেক কষ্ট করছেন। সেই কষ্টের সমস্যার সমাধান আমরা ধীরে ধীরে করতে চাই। এখানে উঁচু উঁচু বড় বড় বিল্ডিং করে দিতে চাই।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘এখানে যারা থাকেন, তাদের নাম রেজিস্ট্রি করে আমরা প্রত্যেকটি ছোট ছোট ফ্ল্যাট করব এবং সেই ফ্ল্যাটগুলো তাদের নামেই দিতে চাই। এখানকার আদিবাসী বা যারা বহু বছর ধরে আছেন, তাদের কাছে এগুলো হস্তান্তর করতে চাই যাতে ঢাকা শহরের মতো জায়গায় এই এলাকার মানুষের একটি মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়।’
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে নিজের ভাবনার কথা তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনাদের সন্তানরা যাতে লেখাপড়া, খেলাধুলা ও চিকিৎসার সুযোগ পায়, আমরা সেই ব্যবস্থা করতে চাই। বিএনপির একটি পরিকল্পনা হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া। কড়াইল এলাকার মধ্যেই ক্লিনিক ও হাসপাতাল থাকবে। এভাবে আমরা এলাকাটিকে সাজিয়ে তুলতে চাই।’
নারীদের অর্থনৈতিক সচ্ছলতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মা-বোনদের ফ্রি শিক্ষার ব্যবস্থা দেশনেত্রী খালেদা জিয়া করে দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা তাদের অর্থনৈতিকভাবেও সচ্ছল করতে চাই। সে জন্য মা-বোনদের কাছে আমরা “ফ্যামিলি কার্ড” পৌঁছে দিতে চাই। তবে সব কিছু নির্ভর করবে রাব্বুল আলামিনের রহমতের ওপর।’
ব্যক্তিগত আবেগ জড়িয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা এই এলাকায় যুগ ধরে বসবাস করছেন। আমি কিন্তু আপনাদের এলাকারই সন্তান। আগে থাকতাম ক্যান্টনমেন্টে। আপনারা জানেন স্বৈরাচারের সময় কীভাবে সেই বাড়ি ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়েছে। এখন আমি গুলশানে থাকি, আপনাদের আরও কাছাকাছি প্রতিবেশী। ইনশাআল্লাহ যতদিন বেঁচে থাকব, সাধ্যমতো কড়াইলবাসীর বিপদে-আপদে পাশে থাকব।’
দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা ইব্রাহিম বিন আলী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন– বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারসহ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা।
টাঙ্গাইলে ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র ৯জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মঙ্গলবার(২০ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে প্রার্থীরা স্ব স্ব মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারকারীরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী শাকিলুজ্জামান; টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. হোসনী মোবারক; টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হাসানাত আল আমিন; টাঙ্গাইল-৬(নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. কবীর হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুর রহমান ও মো. শরীফুল ইসলাম; টাঙ্গাইল-৭(মির্জাপুর) আসনে খেলাফত মজলিসের মো. আবু তাহের, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এটিএম রেজাউল করিম আলরাজী, টাঙ্গাইল-৮(বাসাইল-সখীপুর) আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম।
এদিকে, টাঙ্গাইল-১ আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, টাঙ্গাইল-৩ আসনে বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৪ আসনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম মিয়া, টাঙ্গাইল-৫ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল মনোয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় এসব আসনের বিএনপি প্রার্থীরা ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতা মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।
জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম জানান, স্ব স্ব প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
জামায়াত আমিরসহ শীর্ষ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির শীর্ষ সাত নেতাকে উপযুক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সম্প্রতি ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এ সংক্রান্ত একটি চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবকে পাঠানো হয়েছে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর একটি আবেদন করেছিলেন।
সেই আবেদনে দলটির সাতজন শীর্ষ নেতা এবং সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের জন্য যথাযথ নিরাপত্তার অনুরোধ জানানো হয়। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই কমিশন পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছে।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী জামায়াতের যে সাত নেতা বিশেষ নিরাপত্তা পাচ্ছেন তারা হলেন— ডা. শফিকুর রহমান, আমির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী; ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, নায়েবে আমীর (সাবেক এমপি); এ টি এম আজহারুল ইসলাম, নায়েবে আমীর; অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সেক্রেটারি জেনারেল; অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, নায়েবে আমির; ড. হামিদুর রহমান আযাদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল (সাবেক এমপি) ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের চলাচল ও প্রচারণায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির অংশ। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নির্দেশনা কার্যকর করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য