ঢাকা, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ২ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

কড়াইল বস্তির বাসিন্দাদের ফ্ল্যাট দেওয়ার আশ্বাস তারেক রহমানের

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:২
নিজস্ব প্রতিবেদক
কড়াইল বস্তির বাসিন্দাদের ফ্ল্যাট দেওয়ার আশ্বাস তারেক রহমানের

কড়াইল বস্তির বাসিন্দারা যাতে মর্যাদার সঙ্গে মাথা গোঁজার ঠাঁই পায়, সেজন্য সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণ করে ছোট ছোট ফ্ল্যাট বানিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি কলোনিতে কড়াইলবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দোয়া মাহফিলে তারেক রহমানের সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা আপনাদের জন্য রাজনীতি করি। এর আগেও আমাদের দল যতবার দেশ পরিচালনা করেছে, মানুষের কাছে যে জবান দিয়েছে, আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি সেই জবান রক্ষা করার জন্য।’

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকে আপনাদের সামনে একটি কথা বলতে চাই– জানি না এটা নির্বাচনী আচরণবিধিতে পড়বে কি না বা কেউ ষড়যন্ত্র করবে কি না। কিন্তু আমি যা করতে চাই, আল্লাহর রহমত নিয়ে করতে চাই। আপনাদের যদি দোয়া থাকে, তবে আমি কয়েকটি কাজ করতে চাই। প্রিয় কড়াইলবাসী, আমি শুনেছি আপনারা এখানে থাকার জন্য অনেক কষ্ট করছেন। সেই কষ্টের সমস্যার সমাধান আমরা ধীরে ধীরে করতে চাই। এখানে উঁচু উঁচু বড় বড় বিল্ডিং করে দিতে চাই।’

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘এখানে যারা থাকেন, তাদের নাম রেজিস্ট্রি করে আমরা প্রত্যেকটি ছোট ছোট ফ্ল্যাট করব এবং সেই ফ্ল্যাটগুলো তাদের নামেই দিতে চাই। এখানকার আদিবাসী বা যারা বহু বছর ধরে আছেন, তাদের কাছে এগুলো হস্তান্তর করতে চাই যাতে ঢাকা শহরের মতো জায়গায় এই এলাকার মানুষের একটি মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়।’

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে নিজের ভাবনার কথা তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনাদের সন্তানরা যাতে লেখাপড়া, খেলাধুলা ও চিকিৎসার সুযোগ পায়, আমরা সেই ব্যবস্থা করতে চাই। বিএনপির একটি পরিকল্পনা হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া। কড়াইল এলাকার মধ্যেই ক্লিনিক ও হাসপাতাল থাকবে। এভাবে আমরা এলাকাটিকে সাজিয়ে তুলতে চাই।’

নারীদের অর্থনৈতিক সচ্ছলতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মা-বোনদের ফ্রি শিক্ষার ব্যবস্থা দেশনেত্রী খালেদা জিয়া করে দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা তাদের অর্থনৈতিকভাবেও সচ্ছল করতে চাই। সে জন্য মা-বোনদের কাছে আমরা “ফ্যামিলি কার্ড” পৌঁছে দিতে চাই। তবে সব কিছু নির্ভর করবে রাব্বুল আলামিনের রহমতের ওপর।’

ব্যক্তিগত আবেগ জড়িয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা এই এলাকায় যুগ ধরে বসবাস করছেন। আমি কিন্তু আপনাদের এলাকারই সন্তান। আগে থাকতাম ক্যান্টনমেন্টে। আপনারা জানেন স্বৈরাচারের সময় কীভাবে সেই বাড়ি ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়েছে। এখন আমি গুলশানে থাকি, আপনাদের আরও কাছাকাছি প্রতিবেশী। ইনশাআল্লাহ যতদিন বেঁচে থাকব, সাধ্যমতো কড়াইলবাসীর বিপদে-আপদে পাশে থাকব।’

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা ইব্রাহিম বিন আলী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন– বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারসহ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    টাঙ্গাইলে ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

    জেলা প্রতিনিধি
    ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৪৩
    জেলা প্রতিনিধি
    টাঙ্গাইলে ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র ৯জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মঙ্গলবার(২০ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে প্রার্থীরা স্ব স্ব মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।

    মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারকারীরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী শাকিলুজ্জামান; টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. হোসনী মোবারক; টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হাসানাত আল আমিন; টাঙ্গাইল-৬(নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. কবীর হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুর রহমান ও মো. শরীফুল ইসলাম; টাঙ্গাইল-৭(মির্জাপুর) আসনে খেলাফত মজলিসের মো. আবু তাহের, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এটিএম রেজাউল করিম আলরাজী, টাঙ্গাইল-৮(বাসাইল-সখীপুর) আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম।

    এদিকে, টাঙ্গাইল-১ আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, টাঙ্গাইল-৩ আসনে বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৪ আসনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম মিয়া, টাঙ্গাইল-৫ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল মনোয়নপত্র  প্রত্যাহার না করায় এসব আসনের বিএনপি প্রার্থীরা ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতা  মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।

    জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম জানান, স্ব স্ব প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জামায়াত আমিরসহ শীর্ষ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির

      অনলাইন ডেস্ক
      ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৬
      অনলাইন ডেস্ক
      জামায়াত আমিরসহ শীর্ষ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির

      আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির শীর্ষ সাত নেতাকে উপযুক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

      সম্প্রতি ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এ সংক্রান্ত একটি চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবকে পাঠানো হয়েছে।

      ইসি সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর একটি আবেদন করেছিলেন।

      সেই আবেদনে দলটির সাতজন শীর্ষ নেতা এবং সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের জন্য যথাযথ নিরাপত্তার অনুরোধ জানানো হয়। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই কমিশন পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছে।

      ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী জামায়াতের যে সাত নেতা বিশেষ নিরাপত্তা পাচ্ছেন তারা হলেন— ডা. শফিকুর রহমান, আমির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী;  ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, নায়েবে আমীর (সাবেক এমপি); এ টি এম আজহারুল ইসলাম, নায়েবে আমীর; অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সেক্রেটারি জেনারেল; অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, নায়েবে আমির; ড. হামিদুর রহমান আযাদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল (সাবেক এমপি) ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।

      চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের চলাচল ও প্রচারণায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির অংশ। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নির্দেশনা কার্যকর করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        আশ্বস্ত হয়ে ইসি ছাড়ল ছাত্রদল

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৬
        অনলাইন ডেস্ক
        আশ্বস্ত হয়ে ইসি ছাড়ল ছাত্রদল

        পোস্টাল ব্যালটে অনিয়ম ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তারসহ তিন অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সামনে থেকে সরে গেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

        সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

        তিনি বলেন, আমরা আমাদের অভিযোগ তিনটির বিষয়ে ইসি থেকে আশ্বস্ত হয়েছি। আমরা আরও আশ্বস্ত হতে চাই। তারা আমাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছে যেন আমরা আজকের মতো কর্মসূচি এখানে স্থগিত করি। সেজন্য ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আমরা সাময়িকভাবে এই কর্মসূচি এখানেই সমাপ্ত ঘোষণা করছি।

        ছাত্রদল সভাপতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি আবারও কোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠী কিংবা কোনো ছাত্র সংগঠন এখানে প্রবেশ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা চালায়, কিংবা নির্বাচন চলাকালীন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে এদেরকে বাধ্য করে, তাহলে ছাত্রদল কী করতে পারে তা দুই দিনে দেখিয়েছে। আমাদেরকে বাধ্য করবেন না, আমাদের হুমকি দেবেন না। আপনাদের যা করার করেন, আমাদের কাজ আমরা করব।

        রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করবে। আমরা সেই ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে প্রস্তুত থাকব, যাদের কারণে আমাদের এই দুই দিন এখানে অবস্থান করতে হলো। যদি সে ধরনের কোনো প্রচেষ্টা আবারও চালানো হয়, আমরা আজকের এই অবস্থান কর্মসূচি সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে বলে দিচ্ছি— আবারও যদি কোনো ষড়যন্ত্রমূলক সিদ্ধান্ত আসে, তবে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নতুন কর্মসূচি নিয়ে হাজির হব।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          প্রশাসন বিএনপির দিকে হেলে পড়লে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে: জামায়াত

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫১
          অনলাইন ডেস্ক
          প্রশাসন বিএনপির দিকে হেলে পড়লে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে: জামায়াত

          দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন।

          রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের।

          তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

          ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সরকারের অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও প্রটোকল দেওয়ার প্রবণতা নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতির সরাসরি লঙ্ঘন।

          তিনি বলেন, কারো নিরাপত্তা বা প্রটোকলে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু একটি প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের প্রতিও একই ধরনের আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এটি পক্ষপাতমূলক আচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

          জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি এ ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জাতি একে পক্ষপাতমূলক অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করবে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।

          ডা. তাহের জানান, এসব বিষয় তারা সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন যথাযথ ভূমিকা না নিলে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

          তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে প্রধান উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চান। তবে তার আশপাশে থাকা কিছু উপদেষ্টা তাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ তুলে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আহ্বান জানান জামায়াতের নায়েবে আমির।

          এদিকে, দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডা. তাহের। তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে মন্ত্রিপরিষদ পর্যায়ে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

          জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, যদি সত্যিই প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়, তাহলে এটিকে একটি উল্লেখযোগ্য ও ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে আমরা দেখব। এ কারণে প্রধান উপদেষ্টাকে আগাম ধন্যবাদ জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত