শিরোনাম
টাঙ্গাইলে ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র ৯জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মঙ্গলবার(২০ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে প্রার্থীরা স্ব স্ব মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারকারীরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী শাকিলুজ্জামান; টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. হোসনী মোবারক; টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হাসানাত আল আমিন; টাঙ্গাইল-৬(নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. কবীর হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুর রহমান ও মো. শরীফুল ইসলাম; টাঙ্গাইল-৭(মির্জাপুর) আসনে খেলাফত মজলিসের মো. আবু তাহের, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এটিএম রেজাউল করিম আলরাজী, টাঙ্গাইল-৮(বাসাইল-সখীপুর) আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম।
এদিকে, টাঙ্গাইল-১ আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, টাঙ্গাইল-৩ আসনে বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৪ আসনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম মিয়া, টাঙ্গাইল-৫ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল মনোয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় এসব আসনের বিএনপি প্রার্থীরা ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতা মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।
জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম জানান, স্ব স্ব প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
জামায়াত আমিরসহ শীর্ষ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির শীর্ষ সাত নেতাকে উপযুক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সম্প্রতি ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এ সংক্রান্ত একটি চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবকে পাঠানো হয়েছে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর একটি আবেদন করেছিলেন।
সেই আবেদনে দলটির সাতজন শীর্ষ নেতা এবং সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের জন্য যথাযথ নিরাপত্তার অনুরোধ জানানো হয়। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই কমিশন পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছে।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী জামায়াতের যে সাত নেতা বিশেষ নিরাপত্তা পাচ্ছেন তারা হলেন— ডা. শফিকুর রহমান, আমির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী; ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, নায়েবে আমীর (সাবেক এমপি); এ টি এম আজহারুল ইসলাম, নায়েবে আমীর; অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সেক্রেটারি জেনারেল; অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, নায়েবে আমির; ড. হামিদুর রহমান আযাদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল (সাবেক এমপি) ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের চলাচল ও প্রচারণায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির অংশ। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নির্দেশনা কার্যকর করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আশ্বস্ত হয়ে ইসি ছাড়ল ছাত্রদল
পোস্টাল ব্যালটে অনিয়ম ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তারসহ তিন অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সামনে থেকে সরে গেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি বলেন, আমরা আমাদের অভিযোগ তিনটির বিষয়ে ইসি থেকে আশ্বস্ত হয়েছি। আমরা আরও আশ্বস্ত হতে চাই। তারা আমাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছে যেন আমরা আজকের মতো কর্মসূচি এখানে স্থগিত করি। সেজন্য ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আমরা সাময়িকভাবে এই কর্মসূচি এখানেই সমাপ্ত ঘোষণা করছি।
ছাত্রদল সভাপতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি আবারও কোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠী কিংবা কোনো ছাত্র সংগঠন এখানে প্রবেশ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা চালায়, কিংবা নির্বাচন চলাকালীন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে এদেরকে বাধ্য করে, তাহলে ছাত্রদল কী করতে পারে তা দুই দিনে দেখিয়েছে। আমাদেরকে বাধ্য করবেন না, আমাদের হুমকি দেবেন না। আপনাদের যা করার করেন, আমাদের কাজ আমরা করব।
রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করবে। আমরা সেই ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে প্রস্তুত থাকব, যাদের কারণে আমাদের এই দুই দিন এখানে অবস্থান করতে হলো। যদি সে ধরনের কোনো প্রচেষ্টা আবারও চালানো হয়, আমরা আজকের এই অবস্থান কর্মসূচি সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে বলে দিচ্ছি— আবারও যদি কোনো ষড়যন্ত্রমূলক সিদ্ধান্ত আসে, তবে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নতুন কর্মসূচি নিয়ে হাজির হব।
প্রশাসন বিএনপির দিকে হেলে পড়লে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে: জামায়াত
দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের।
তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।
ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সরকারের অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও প্রটোকল দেওয়ার প্রবণতা নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতির সরাসরি লঙ্ঘন।
তিনি বলেন, কারো নিরাপত্তা বা প্রটোকলে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু একটি প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের প্রতিও একই ধরনের আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এটি পক্ষপাতমূলক আচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি এ ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জাতি একে পক্ষপাতমূলক অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করবে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।
ডা. তাহের জানান, এসব বিষয় তারা সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন যথাযথ ভূমিকা না নিলে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে প্রধান উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চান। তবে তার আশপাশে থাকা কিছু উপদেষ্টা তাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ তুলে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আহ্বান জানান জামায়াতের নায়েবে আমির।
এদিকে, দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডা. তাহের। তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে মন্ত্রিপরিষদ পর্যায়ে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, যদি সত্যিই প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়, তাহলে এটিকে একটি উল্লেখযোগ্য ও ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে আমরা দেখব। এ কারণে প্রধান উপদেষ্টাকে আগাম ধন্যবাদ জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ইসি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বেশ কিছু কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি অভিযোগ করেছেন, অনেক ক্ষেত্রে কমিশন পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে, যা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে অন্তরায় হতে পারে। তবে বিদ্যমান ত্রুটিগুলো দ্রুত সমাধান করলে এই কমিশনের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করতে ইসিতে আসেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ ও ইসির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব মোহাম্মদ জকরিয়া। বৈঠক শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ভোটারদের কাছে পৌঁছানো পোস্টাল ব্যালটগুলো ত্রুটিপূর্ণ। নির্দিষ্ট একটি দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই ব্যালট তৈরি করা হয়েছে। অনতিবিলম্বে প্রতীক সংবলিত সঠিক ব্যালট পেপার সরবরাহ করতে হবে। এছাড়া ভোটারদের এনআইডি, বিকাশ নম্বর এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহের তীব্র সমালোচনা করে তিনি এর উদ্দেশ্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন।
প্রচারণার ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আচরণবিধি ভঙ্গ করে একতরফা প্রচারণা চালানো হচ্ছে। আমরা এই বিষয়ে বারবার অভিযোগ দিলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পরিকল্পিতভাবে ভোটার স্থানান্তর করা হয়েছে। কারা এবং কেন এই স্থান পরিবর্তন করেছে, তাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা চেয়েছি আমরা।
কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, যেসব কর্মকর্তা পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। ব্যালট পেপারসহ নির্বাচন প্রক্রিয়ার সব কারিগরি ত্রুটি দ্রুত সমাধান করতে হবে।
আমরা মনে করি এই কমিশন দিয়েই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, তবে এর জন্য কমিশনকে তাদের ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং নিরপেক্ষতা প্রমাণ করতে হবে বলেও জানান মির্জা ফখরুল।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য