ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ২৭ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

এনসিপিসহ ৩ দলের ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’র আত্মপ্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৫৭
অনলাইন ডেস্ক
এনসিপিসহ ৩ দলের ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’র আত্মপ্রকাশ

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন- তিনটি দলের সমন্বয়ে গঠিত নতুন রাজনৈতিক জোটের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই জোটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট।’

রোববার ( ৭ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলন করে এ জোটের ঘোষণা দেওয়া হয়। দলগুলোর পক্ষ থেকে এই জোটকে বলা হচ্ছে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অঙ্গীকার রক্ষা ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বিনির্মাণে আগ্রহীদের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ঐক্য৷’

সংবাদ সম্মেলন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ভবিষ্যতে যাতে আর স্বৈরাচারের আবির্ভাব না হয় সে কারণেই আমরা এক হচ্ছি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সিটের লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন দলের অনেককেই নানা জোটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যেসব অফার আসছে, আমরা সাদরে তা প্রত্যাখ্যান করি। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো। শুধু নির্বাচনী জোট নয়, এটা একইসাথে রাজনৈতিক জোট। একসাথে একইমার্কায় জোটবদ্ধ নির্বাচন করবো।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, এই বাংলাদেশে যদি কেউ মনে করে গায়ের জোরে ভোট আদায় করে, অথবা ধর্মের নামে মানুষকে প্রতারণা করে ভোট আদাই করে তারা উভয়েই পরাজিত হবে।

তিনি বলেন, পুরনো দলগুলোর সাথে সংস্কার প্রক্রিয়ায় থেকে আমরা ভুল করেছিলাম। আমরা এখন থেকে নতুনদের সাথে থাকবো। নতুন করে আরও দল ক্রমান্বয়ে যুক্ত হবে।

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন-এর  সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, চব্বিশের অভ্যুত্থান টিকবে কি না, তা সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা কতটুকু বাস্তবায়ন হলো তার উপর নির্ভর করছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    এনসিপিসহ ৩ দলের নতুন জোটের ঘোষণা বিকেলে

    অনলাইন ডেস্ক
    ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:২৭
    অনলাইন ডেস্ক
    এনসিপিসহ ৩ দলের নতুন জোটের ঘোষণা বিকেলে

    জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) তিন দলের সমন্বয়ে গঠিত নতুন রাজনৈতিক জোট আজ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে।

    রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এই আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান হবে। জোটের অন্য দুটি দল হলো- রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।

    এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও মিডিয়া সেল সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    বার্তায় বলা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানের অঙ্গীকার রক্ষা ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বিনির্মাণে আগ্রহীদের ‘রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ঐক্য’ প্রসঙ্গে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে তিন দলের নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ইসি

      অনলাইন ডেস্ক
      ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:৫৭
      অনলাইন ডেস্ক
      নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ইসি

      ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো প্রায় সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন ভোট আয়োজনের চূড়ান্ত পদক্ষেপ নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল কবে ঘোষণা করা হবে, তা নির্ধারণে বৈঠকে বসেছে ইসি।

      রোববার (৭ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বৈঠকটি শুরু হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব আখতার আহমেদ এতে উপস্থিত রয়েছেন।

      বৈঠকে তফসিল, তফসিল-পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্যক্রম, গণভোট আয়োজন, নির্বাচনের সর্বশেষ প্রস্তুতি এবং মাঠ পর্যায়ে সমন্বয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

      নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছিলেন, আজকের বৈঠকে নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। পরে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তা চূড়ান্ত করা হবে। তফসিল ঘোষণার সঙ্গেই রিটার্নিং অফিসারদের নাম প্রকাশ করা হবে।

      ইসি সূত্র বলছে, আজকের বৈঠকে ভোটগ্রহণের সময়, ভোটকক্ষের সংখ্যা বৃদ্ধি, বাজেট, মনোনয়ন দাখিলের সময়সীমা ও ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। ভোটের সার্বিক অগ্রগতি ও পোস্টাল ব্যালট পরিবহনের সময়সূচিও নির্ধারিত হবে।

      ইসির কর্মকর্তারা জানান, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে চূড়ান্ত বৈঠকও সম্পন্ন হয়েছে। ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেয়া হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়াকে

        অনলাইন ডেস্ক
        ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:২৪
        অনলাইন ডেস্ক
        চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেয়া হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়াকে
        ছবি: সংগৃহীত

        রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

        আজ বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করছেন ।

        তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য কাল শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা করতে পারেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। কাতার সরকারের দেয়া এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে যাত্রা করতে পারেন বলেও জানান তিনি। 

        এর আগে গত ২৯ নভেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কাতারের কাছে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সাহায্য চেয়ে একটি চিঠি লেখেন। এরপর কাতার প্রত্যুত্তরে জানায়, বেগম জিয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দিতে প্রস্তুত আছে দেশটি। কাতারের পক্ষ থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। এবার সেই অ্যাম্বুলেন্সে করেই লন্ডনে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে তাকে।

         

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          রাজাকার-আলবদরদের জন্য আওয়ামী লীগই ঠিক ছিল: মির্জা আব্বাস

          অনলাইন ডেস্ক
          ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:২৮
          অনলাইন ডেস্ক
          রাজাকার-আলবদরদের জন্য আওয়ামী লীগই ঠিক ছিল: মির্জা আব্বাস

          মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা আলবদর ও রাজাকার হিসেবে পরিচিত ছিল, তাদের জন্য আওয়ামী লীগই ঠিক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী বালুর মাঠে আয়োজিত এক মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

          মির্জা আব্বাস বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে কিছু রাজনৈতিক দল ধর্মকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। কারও কারও বক্তব্য এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ভোট না দিলে জান্নাত-জাহান্নামের কথা বলা হচ্ছে এবং এমনকি কুপিয়ে মারার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।’

          বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা আল বদর ও রাজাকার হিসেবে পরিচিত ছিল, তারা স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশের জনগণ ও নারীদের পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিল। আজ তারাই আবার ভোট চাইছে এবং বড় বড় কথা বলছে। তারা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিল?’

          তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এটা অসভ্য দল। তাদের (রাজাকার-আলবদর) জন্য আওয়ামী লীগই ঠিক ছিল। কারণ তারা সভ্যদের সঙ্গে চলতে পারে না। আমরা আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করতে পারি না বলেই ওদের কণ্ঠস্বর এত উঁচু। বাস্তবে আওয়ামী লীগ একটি অভদ্র দল এবং তারাও একটি অসভ্য ও ধর্ম বিকৃতকারী দল। এরা মওদুদীবাদে বিশ্বাস করে, ইসলামের প্রকৃত চেতনায় বিশ্বাস করে না। শুধু মুসলমানের লেবাস আছে।’

          দেশবাসীকে এসব দলের কার্যক্রম থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি জনগণকে অনুরোধ করব, এসব মানুষের হাত থেকে বাঁচুন।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত