ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ১ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

এবার বিএনপিতে যোগ দিলেন রেজা কিবরিয়া!

অনলাইন ডেস্ক
৬ নভেম্বর, ২০২৫ ০:৩৭
অনলাইন ডেস্ক
এবার বিএনপিতে যোগ দিলেন রেজা কিবরিয়া!

আওয়ামী লীগ আমলে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা প্রয়াত অর্থমন্ত্রী সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএসএম কিবরিয়াপুত্র রেজা কিবরিয়া আবারও দল পাল্টালেন। গণফোরাম, গণঅধিকার পরিষদ হয়ে এবার বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি হবিগঞ্জ-১ আসন থেকে ধানের শীষে নির্বাচন করতে পারেন বলে জানা গেছে।

তবে আনুষ্ঠানিকভাবে শিগগিরই বিএনপিতে যোগ দেবেন বলে নিজেই জানিয়েছেন রেজা কিবরিয়া।

এদিকে রেজা কিবরিয়া যে আসন থেকে নির্বাচন করেন সেই আসন এখন পর্যন্ত ফাঁকাও রেখেছে বিএনপি। সোমবার ঘোষিত ২৩৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও ওই আসনসহ ৬৩ আসন ফাঁকা রেখেছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) গণমাধ্যমকে রেজা কিবরিয়া বলেন, ইতোমধ্যে আমি বিএনপিতে যোগদান করেছি। প্রাথমিক সদস্য ফরমও পূরণ করেছি। কয়েকদিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করব। অবশ্যই আমি ধানের শীষে নির্বাচন করব আমার এলাকায়। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে আমি হবিগঞ্জ-১ থেকে ধানের শীষে নির্বাচন করেছি।

২০১৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গণফোরামে যোগ দেন রেজা। সেই ঐক্যফ্রন্টের ব্যানার থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনও করেন। তবে তিনি পরাজিত হন। পরে সাবেক ডাকসু ভিপি নুরের নেতৃত্বে গণঅধিকার পরিষদে যোগ দিয়ে আহ্বায়কও হন তিনি। কিছুদিন না যেতেই নুরের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। এ বিরোধের একপর্যায়ে রেজা কিবরিয়া কিছুটা নিজেকে গুটিয়ে নেন রাজনীতি থেকে।

পরবর্তীতে গণঅধিকার পরিষদ দুগ্রুপে ভাগ হয়ে যায়। একটি অংশের নেতৃত্বে নুর, অন্য অংশের নেতৃত্বে রেজা কিবরিয়া। বর্তমানে রেজা কিবরিয়া রাজনীতিতে সক্রিয় নেই। ছেড়ে দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের পদও।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বিএনপিতে যোগ দিলেন মীর মুগ্ধের ভাই, ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক
    ৫ নভেম্বর, ২০২৫ ৬:০
    অনলাইন ডেস্ক
    বিএনপিতে যোগ দিলেন মীর মুগ্ধের ভাই, ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন তারেক রহমান

    ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নিহত মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দিয়েছেন।

    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে সদস্যপদ ফরম পূরণের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। এ সময় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন সদস্য ফরম গ্রহণ করেন।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক এবং মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধের পিতা মোস্তাফিজুর রহমান।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      শাপলা কলি, হ্যান্ডশেক ও কাঁচি পেল তিন দল

      অনলাইন ডেস্ক
      ৪ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:১৭
      অনলাইন ডেস্ক
      শাপলা কলি, হ্যান্ডশেক ও কাঁচি পেল তিন দল

      নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন পেতে যাওয়া নতুন তিনটি রাজনৈতিক দল ইসির প্রতীক পেয়েছে। দাবি-আপত্তি শেষে দলগুলো চূড়ান্ত নিবন্ধন পেলে এই প্রতীকগুলো দলীয় প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করবে এই তিন দল।

      মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

      বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টিকে হ্যান্ডশেক, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলকে (মার্কসবাদী) কাঁচি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টিকে শাপলা কলি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

      রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বিষয়ে কারও কোনো আপত্তি থাকলে প্রয়োজনীয় দলিলসহ এর কারণ উল্লেখপূর্বক ১২ নভেম্বরের মধ্যে সচিবের নিকট লিখিতভাবে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        একই আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা নিয়ে লড়বেন আপন ২ ভাই

        অনলাইন ডেস্ক
        ৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:২৮
        অনলাইন ডেস্ক
        একই আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা নিয়ে লড়বেন আপন ২ ভাই

        আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন আপন দুই ভাই। তাদের মুখোমুখি নির্বাচনী লড়াই নিয়ে স্থানীয় রাজনীতি ও বিভিন্ন মহলে বইছে আলোচনার ঝড়।

        কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৪১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭১১, নারী ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৯২ এবং তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) ভোটার ৯ জন। আসনটি গঠিত হয়েছে রৌমারী, রাজিবপুর ও চিলমারী উপজেলা নিয়ে।

        এর আগে সোমবার (৩ নভেম্বর) বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম ২৩৭টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এর মধ্যে কুড়িগ্রাম-৪ আসনেবিএনপির প্রার্থী হিসেবে আজিজুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়। অপরদিকে, একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছেন আজিজুর রহমানের আপন ছোট ভাই মোস্তাফিজুর রহমান।

        দুই ভাইয়ের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন স্থানীয় চায়ের দোকান, হাট-বাজার থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছ।

        স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কুড়িগ্রাম-৪ আসনটি ঐতিহাসিকভাবে বিএনপি ও জামায়াত—উভয় দলেরই শক্ত ঘাঁটি। আসনটিতে দুই ভাইয়ের মুখোমুখি লড়াইয়ে মানুষের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের জন্ম দিয়েছে।

        স্থানীয় ভোটাররা বলেন, রৌমারী, রাজিবপুর ও চিলমারীর ইতিহাসে ভাইয়ের বিপরীতে ভাইয়ের এমন লড়াই আগে দেখা যায়নি। এটি নির্বাচনী মাঠে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে।

        তবে কেউ কেউ মনে করছে, ভোটের ফল নির্ভর করবে দুই দলের সাংগঠনিক শক্তি, প্রার্থীদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার ওপর।

        বিএনপিপ্রার্থী আজিজুর রহমান বলেন, ‘আমাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণার ফলে জনগণ আমাকে ভোট দিবেন এবং জয়ী করবেন।’

        অন্যদিকে জামায়াতপ্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, ‘আমার বড় ভাই বিএনপি থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হয়েছেন। তিনি মনোনয়ন পেলেও আমাকে হারাতে পারবেন না। জনগণ আমেকে ভোট দিয়ে জয়ী করবেন। জামায়াতের জনপ্রিয়তা এখন অনেক বেড়েছে।’

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বিএনপির প্রার্থী তালিকায় তারুণ্যের প্রতীক রওনকুল ইসলাম

          অনলাইন ডেস্ক
          ৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৩৯
          অনলাইন ডেস্ক
          বিএনপির প্রার্থী তালিকায় তারুণ্যের প্রতীক রওনকুল ইসলাম

          আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঘোষিত বিএনপির ২৩৭টি আসনের প্রার্থীদের তালিকায় বিশেষভাবে নজর কাড়ছেন কাজী রওনকুল ইসলাম (শ্রাবণ)। তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে তিনি এখন আলোচনায়। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এই তরুণ নেতা এবার যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী।

          গতকা সোমবার বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের পক্ষ থেকে ২৩৭ আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন। সেখানেই যশোর-৬ আসনে কাজী রওনকুল ইসলামের নাম আসে আনুষ্ঠানিকভাবে।

          দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রওনকুল ইসলামই সবচেয়ে কম বয়সী প্রার্থী। বয়স ৪০ হলেও রাজনীতিতে তাঁর পথচলা প্রায় দুই দশকের।

          যশোরের কেশবপুর উপজেলার চিংড়া গ্রামের সন্তান রওনকুল ইসলাম ২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগে সান্ধ্য কোর্সে (স্নাতকোত্তর) অধ্যয়ন শুরু করেন। এখানেই ছাত্ররাজনীতির মাটিতে নিজের অবস্থান গড়ে তোলেন তিনি।

          ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন রওনকুল ইসলাম। ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং দ্রুতই সহপাঠীদের কাছে ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। ২০২২ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। তবে ২০২৩ সালের আগস্টে ‘অসুস্থতার কারণ’ দেখিয়ে তাঁকে সেই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর অল্পদিন পর, একই বছরের অক্টোবর মাসে তাঁকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

          মনোনয়ন পাওয়ার পর গণমাধ্যম-কে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় রওনকুল ইসলাম বলেন, “এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। কেশবপুর আসনটি দীর্ঘদিন ধানের শীষের দখলে ছিল না। আমি জনগণের ভোটে এই আসন পুনরুদ্ধার করতে চাই। দল আমার ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছে, তার প্রতিদান দিতে চাই জনগণের সেবার মাধ্যমে।”

          নিজেকে বিএনপির সবচেয়ে তরুণ প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “বিএনপির ৩১ দফায় তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের অঙ্গীকার রয়েছে। আমি নির্বাচিত হলে বিশেষ করে কেশবপুরের তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, তাঁদের মাদক থেকে দূরে রেখে ক্রীড়া ও সংস্কৃতিচর্চায় যুক্ত করা, এবং তাদের ক্যারিয়ার উন্নয়নে কাজ করা—এসব হবে আমার অগ্রাধিকার।”

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত