ঢাকা, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ২০ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

সরি না বললে তুষারের ভিডিও ছেড়ে দেওয়ার হুমকি নীলা ইস্রাফিলের

অনলাইন ডেস্ক
১০ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:৩৬
অনলাইন ডেস্ক
সরি না বললে তুষারের ভিডিও ছেড়ে দেওয়ার হুমকি নীলা ইস্রাফিলের

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারের ‘গোপন ভিডিও’ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন দলটির সাবেক নেত্রী নীলা ইস্রাফিল।


শনিবার (৯ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে লাইভে এসে তিনি এ হুমকি দেন।


নীলা বলেন, আমি বারবার বলছি- যদি আমি আন্তরিক ক্ষমা বা অনুশোচনা প্রকাশ না পাই, তাহলে আমি তুষারের নগ্ন ভিডিওটি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে বাধ্য হবো।

এনসিপির সাবেক এই নেত্রী বলেন, তুষার ও এনসিপির যারা আমাকে নিয়ে নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে, তাদের উদ্দেশে আমি বলতে চাই- ‘আপনারা যদি মিথ্যা প্রচারণা থেকে বিরত না থাকেন, তাহলে আমি বাধ্য হবো- তুষার আমার সাথে নেপালে বসে যেসব ভিডিও আমাকে পাঠিয়েছে, যেসব নগ্ন জিনিস আমার কাছে আছে, সেগুলো আমি প্রকাশ করতে বাধ্য হবো। তখন কোথায় গিয়ে আপনারা প্রিটেন্ড (মিথ্যা নালিশ) করবেন আমি কিন্তু জানি না। আমি ওয়ার্ন (সতর্ক) করছি- তুষার যেন জনসম্মুখে আমাকে সরি বলে। এই যে যা কিছু আমি প্রকাশ করছি- সেগুলো কিন্তু বানোয়াট কিছু না’।



এর আগে, ফেসবুকে এক পোস্টে নীলা জানান, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় তার অনুমতি ছাড়াই ভর্তি ফরমে স্বামীর নামের জায়গায় সারোয়ার তুষারের নাম বসানো হয়। এ ঘটনাকে জালিয়াতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে দাবি করেন তিনি।

নিজের ফেসবুক পোস্টে রোগীর একটি ভর্তি ফরম যুক্ত করে নীলা লেখেন, ‌‌‘ওই দিন আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম, সম্পূর্ণ অজ্ঞান অবস্থায়। আমার নিজের নাম, পরিচয়, জীবনের সিদ্ধান্ত— সবকিছুর ওপর তখন আমার কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। আর ঠিক সেই সুযোগেই সারোয়ার তুষার আমার স্বামীর নামের জায়গায় নিজের নাম বসিয়ে দিয়েছে। এটা কোনো ভুল নয়, এটা আইনগতভাবে জালিয়াতি।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য নথিতে মিথ্যা তথ্য প্রদান ও তা ব্যবহার করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া কারো ব্যক্তিগত তথ্য পরিবর্তন করাও অপরাধ।’

নীলা বলেন, ‘আমার অনুমতি ছাড়া আমার পারিবারিক পরিচয় বিকৃত করা মানে শুধু আমার সামাজিক সম্মানকে আঘাত করা নয়, এটি আমার মানবাধিকার লঙ্ঘন। ইউডিএইচআর-এর ধারা ৩, ৫, ১২ ও ২২ অনুযায়ী আমার ব্যক্তিগত মর্যাদা, গোপনীয়তা এবং আইনি নিরাপত্তার অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে। হাসপাতালের নথিতে এই ভুয়া তথ্য ভবিষ্যতে আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার হতে পারে, যা আমার সামাজিক ও আইনগত নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।’

ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি দাবি করেন, ‘অবিলম্বে ঘটনার তদন্ত করা। দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনের সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া। তার প্রকৃত তথ্য পুনঃস্থাপন করা। রোগীর অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে যারা এমন অপরাধ করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা। এটা শুধু আমার লড়াই নয়, এটা প্রতিটি মানুষের নিজের পরিচয়, মর্যাদা এবং অধিকারের জন্য লড়াই’।


প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ফাঁস

    ‘গাজীপুর স্টাইলে’ ৫ সাংবাদিককে হত্যার পরিকল্পনা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের

    অনলাইন ডেস্ক
    ১০ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:২৬
    অনলাইন ডেস্ক
    ‘গাজীপুর স্টাইলে’ ৫ সাংবাদিককে হত্যার পরিকল্পনা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের

    গাজীপুরের মতো ফেনীতে পাঁচ সাংবাদিকের ওপর হামলার পরিকল্পনা করার অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে করা তাদের পরিকল্পনা গোয়েন্দা তৎপরতায় ফাঁস হয়েছে। জানা গেছে, ‘একতাই শক্তি’ নামে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এ হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল।


    শনিবার (৯ আগস্ট) রাতে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ফেনী সংবাদদাতা ও দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন ফেনী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বিষয়টি থানার ওসি মোহাম্মদ সামছুজ্জামান নিশ্চিত করেছেন।


    জানা গেছে, ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ফেনীর পাঁচ সাংবাদিককে টার্গেট করা হয়। তারা হলেন—মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার আরিফুর রহমান, দৈনিক ফেনীর সময় এর প্রধান প্রতিবেদক আরিফ আজম, এখন টিভি প্রতিনিধি সোলায়মান হাজারী ডালিম এবং এনটিভি অনলাইন রিপোর্টার জাহিদুল আলম রাজন।


    জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পাওয়া যায় যে ‘একতাই শক্তি’ নামে গ্রুপে কয়েকজন ব্যক্তি এই সাংবাদিকদের ওপর ‘গাজীপুর স্টাইলে’ হামলার পরিকল্পনা করছে।


    গ্রুপে সাইফ উদ্দিন লিখেছেন—


    ‘আমাদের উচিত গাজীপুরের মতো মিডিয়ার ট্রায়ালটার চান্স নেওয়া। এই চান্সে ফেনীর সময় এর শাহাদাত, আরিফ আজম, আরিফ, রাজন—এদের যে কারও বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়া দরকার। এখন বিএসএল নিয়ে আসবে না, সব বিএনপির ওপর যাবে।’


    অন্য এক সদস্য সাহেদ অভি মন্তব্য করেন—


    ‘আরিফ আজম ও শাহাদাত হোসেনদের পা চাটতো আমাদের নেতারা। কিন্তু এই আরিফ আজম নোবেলদের মিছিলের ছবি প্রকাশ করেছে। সম্পাদক শাহাদাতেরও ছাড় নেই—১০ বছর পরে হলেও মাটির নিচ থেকে তুলে আনব। এনটিভির রাজন, যমুনা টিভির আরিফ—সবাইকে দেখব।’


    অভিযোগে বলা হয়, এই গ্রুপে আচমকা হামলা চালিয়ে সাংবাদিকদের কোপানোর বা তাদের বাড়িঘরে রাতের আঁধারে অগ্নিসংযোগের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল।


    এই গ্রুপে অ্যাডমিনরা হলেন—জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তোফায়েল আহাম্মদ তপু, সাধারণ সম্পাদক নুর করিম জাবেদ, সহসভাপতি সাহেদ আকবর অভি, আশিক হায়দার রাজন হাজারী, রনি চন্দ্র দাস, পৌর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত তুষার, ফেনী কলেজ ছাত্রলীগের সাইফ উদ্দিন মানিক।


    এছাড়া গ্রুপে যুক্ত আছেন—শওকত কিরণ, জিমান শুভ, এ এইচ তুষার, জোবায়েদ আকাশ, তৌফিক চৌধুরী, হৃদয় ভূঁঞা, আকাশ আহাম্মেদ, মো. রাকিব, দিলারা সুলতানা মিলা, নিজাম পাটোয়ারী, নাছির উদ্দিন মিয়াজী, ইকবাল হোসেন বাবলু, লিও চৌধুরী, মো. রোমান, রবিউল হক ভূঁঞা রবিন, এখলাছ উদ্দিন খন্দকার, রাকিব অর্ণব, ইয়াছিন আরাফাত রাজু, রায়হান হাবিব খান শাকিল, রাকিব আহাম্মদ তাহান, মামুন আড্ডা, মো. রিয়াদ হোসেন রিয়াদসহ আরও অনেকে।

    জিডির কপি


    ফেনীর প্রবীণ সাংবাদিক এ কে এম আবদুর রহীম বলেন, ‘এ ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’


    সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক) ফেনী জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ হোসেন নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘ফেনীর গণহত্যায় জড়িতরা পলাতক থেকে নাশকতার পরিকল্পনা করছে। সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের ষড়যন্ত্র অগ্রহণযোগ্য।’


    সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, ‘সাংবাদিকদের টার্গেট করে হামলার হুমকি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্বের জন্য সরাসরি হুমকি। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের উচিত অপরাধী যেই হোক তার বর্ণ পরিচয় না জেনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। না হলে গণমাধ্যম হুমকির মুখে পতিত হবে, যা কারও জন্য সুফল বয়ে আনবে না।’


    ওসি সামছুজ্জামান জানান, ‘বিষয়টি আমরা আগেই গোয়েন্দা নজরদারিতে পেয়েছি। সাংবাদিকদের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সাইবার সেলের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গ্রুপের প্রায় সবাই বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি।’


    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ১৬ বছর পর রাজশাহীতে বিএনপির সম্মেলন শুরু

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১০ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:২০
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৬ বছর পর রাজশাহীতে বিএনপির সম্মেলন শুরু

      দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর পর আজ রাজশাহীতে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জেলা সম্মেলন। আজ রবিবার (১০ আগষ্ট) দুপুর ২ টায় নগরীর শাহমখদুম ঈদগাহ মাঠের পাশে প্রশস্ত সড়কের ওপর বিএনপির এই দ্বিবার্ষিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলন কে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই দলীয় নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।


      সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সম্মেলন কে সামনে রেখে বেশ জোরালো প্রস্তুতি নিয়েছে মহানগর বিএনপি। সম্মেলন কে ঘিরে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে বঞ্চিত নেতাকর্মীদের মাঝেও।

      এবারের সম্মেলন গুরুত্ব পাচ্ছে দলের নেতাকর্মীদের কাছে। একদিকে যেমন সম্মেলন নিয়ে উচ্ছ্বাস অন্যদিকে হতাশা এবং আশঙ্কাও কাজ করছে দলের অনেক নেতাকর্মীর মাঝে। এছাড়াও সম্মেলন শেষে দলটির মহানগর পর্যায়ে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানা গেছে।


      উল্লেখ্য রাজশাহী মহানগর বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৯ সালে। সেখানে মিজানুর রহমান মিনু সভাপতি ও শফিকুল হক মিলন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে এই কমিটি ২০১৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিল। এর পর আর কোনো সম্মেলন ও কাউন্সিল করার সুযোগ পায়নি দলটি।


      /মুজাহিদুল ইসলাম 



      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        হাসপাতালে ভর্তি ফর্মে স্বামীর জায়গায় তুষারের নাম, যা বললেন নীলা

        অনলাইন ডেস্ক
        ৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:১
        অনলাইন ডেস্ক
        হাসপাতালে ভর্তি ফর্মে স্বামীর জায়গায় তুষারের নাম, যা বললেন নীলা

        জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী নীলা ইস্রাফিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় তার অনুমতি ছাড়াই ভর্তিফর্মে স্বামীর নামের জায়গায় দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারের নাম বসানো হয়। এ ঘটনাকে জালিয়াতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে দাবি করেছেন এই নেত্রী। শনিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে রোগীর একটি ভর্তি ফর্ম যুক্ত করে নীলা এ দাবি করেন। 


        May be an image of ‎ticket stub and ‎text that says '‎বাংেলাদেশররণ বাংলাদেশ মরম 9809 রোগী ভর্তির ফরম G রোগ বৃস্তান্ত 29 clflat রেজিিঃ मংও জবিগ mTT হাসপাতালের নাম Dmest บมาหญ পুরুখ/মহিলা স্থায়ী حتاملة আব্রীয়ের নিকট নিকট/স্থানি ফিকানা م ভর্তির ভারিশ রোগ ... 20 ....----- ছাড়িয়া দেওয়ার তারিখ বিভাগে ওয়ার্ডে ভাড়ায়া ভাড়ায় এর অধীনে ভর্তি করা হইল। NID/BIRTH NID/BIRTHREG.NO. REG MOECO 11881838232 কেৰিন/শয্যা নম্য় পদবী সংক্ষিথতইতিহাস: সংক্িন্ত ইতিহাস To EMo need Cabin bed This pt P/2 do needful โค-112 Mnsiden Colege HaKca OЛaxa‎'‎‎


        নীলার পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-


        ‘আমি নীলা ইস্রাফিল। ওইদিন আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম, সম্পূর্ণ অজ্ঞান অবস্থায়। আমার নিজের নাম, পরিচয়, জীবনের সিদ্ধান্ত সবকিছুর ওপর তখন আমার কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। আর ঠিক সেই সুযোগেই সারোয়ার তুষার আমার স্বামীর নামের জায়গায় নিজের নাম বসিয়ে দিয়েছে। এটা কোনো “ভুল” নয়, এটা আইনগতভাবে জালিয়াতি। বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য নথি মিথ্যা তথ্য দিয়ে তৈরি করা এবং তা ব্যবহার করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।


        এছাড়া বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে অনুমতি ছাড়া কারো ব্যক্তিগত তথ্য পরিবর্তন করাও অপরাধ। আমার অনুমতি ছাড়া আমার পারিবারিক পরিচয় বিকৃত করা মানে শুধু আমার সামাজিক সম্মানকে আঘাত করা নয় এটা আমার মানবাধিকার লঙ্ঘন। UDHR-এর (Universal Declaration of Human Rights) ধারা ৩, ৫, ১২ ও ২২ অনুযায়ী আমার ব্যক্তিগত মর্যাদা, গোপনীয়তা এবং আইনি নিরাপত্তার অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। হাসপাতালের নথিতে এ ভুয়া তথ্য ভবিষ্যতে আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার হতে পারে, আমার সামাজিক ও আইনগত নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।


        আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং দাবি করছি


        অবিলম্বে ঘটনার তদন্ত করা হোক


        দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনের সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হোক, আমার প্রকৃত তথ্য পুনঃস্থাপন করা হোক


        এবং রোগীর অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে যারা এমন অপরাধ করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হোক এটা শুধু আমার লড়াই নয়, এটা প্রতিটি মানুষের নিজের পরিচয়, মর্যাদা এবং অধিকারের জন্য লড়াই।’


        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বিগত নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে

          দেশবাসীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব

          অনলাইন ডেস্ক
          ৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:১৯
          অনলাইন ডেস্ক
          দেশবাসীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব
          জাতীয় পার্টির মহাসচিব (একাংশ) মুজিবুর রহমান চুন্নু

          আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বে-আইনি কাজ করেননি বলে দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব (একাংশ) মুজিবুর রহমান চুন্নু। তিনি বলেন, আমরা দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে কোনো বে-আইনি কাজ করিনি। যদি নৈতিকভাবে কোনো ভুল হয়ে থাকে, কোনো ভ্রান্তি হয়ে থাকে তাহলে এই কাউন্সিলে দাঁড়িয়ে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে আমরা নিঃশর্ত ক্ষমা চাই।


          আজ শনিবার (৯ আগস্ট) ইমানুয়েল পার্টি সেন্টারে জাতীয় পার্টির ১০তম জাতীয় কাউন্সিলে তিনি এসব কথা বলেন।


          চুন্নু বলেন, ‘গত প্রায় চার বছর আমি জাতীয় পার্টির মহাসচিব হিসেবে ছিলাম। ভুলভ্রান্তি আমার থাকতে পারে। যে সমস্ত ভুল ভ্রান্তি ছিল, সেগুলো আপনারা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। জাতীয় পার্টির মহাসচিব হিসেবে আমি দেশবাসীর কাছে একটি কথাই বলব, আমরা রাজনীতি করতে গিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে সব সময় হয়তো সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি।


          আমরা বিগত অনেকগুলো নির্বাচন করেছি। অনেক সময় অনেকে আমাদের বিভিন্নভাবে কটূক্তি করেন, বিভিন্ন দলের সহযোগী বা স্বৈরাচার সহযোগী হিসেবে আমাদের আখ্যায়িত করেন।’


          জাতীয় পার্টির (একাংশ) মহাসচিব বলেন, ‘আমরা সব রাজনৈতিক দলকে অনুরোধ করব। জাতীয় পার্টি শান্তিপূর্ণভাবে রাজনীতি করার দল, জাতীয় পার্টি একটি আধুনিক গণতন্ত্রমনা মডার্ন ডেমোক্রেটিক পার্টি।


          আমরা দেশের মানুষকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। সব নিয়ম-কানুন মেনে আমরা এই কাজগুলো করব। সেই জন্য বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দল, সরকারসহ সবার কাছ থেকে সহযোগিতা চাই।’


          জাতীয় কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। কাউন্সিলের সভাপতিত্ব করেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।


          এছাড়া জাতীয় পার্টির ১০তম জাতীয় কাউন্সিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দলের কো চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন, মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, কো চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ প্রমুখ।


          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত