ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

নারীকে লাথি, সেই আকাশ চৌধুরী গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
১ জুন, ২০২৫ ১৭:১৩
অনলাইন ডেস্ক
নারীকে লাথি, সেই আকাশ চৌধুরী গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের কর্মসূচিতে এক নারীকে লাথি মেরে ভাইরাল হওয়া বহিষ্কৃত জামায়াতকর্মী আকাশ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (১ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে নগরের কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

আকাশ চৌধুরী চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নেচার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর ছেলে। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। 

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন, ‘আকাশ চৌধুরীকে কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে বিকেল পৌনে ৩টার দিকে আটক করেছি। গত বুধবার গণতান্ত্রিক জোটের কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় হওয়া মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হবে।’

এর আগে, ২৮ মে  বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাসের প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে হামলা চালায় ‘এন্টি শাহবাগ মুভমেন্ট’ নামে সদ্য গজিয়ে ওঠা একটি সংগঠন। হামলায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। 

ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে এক ছাত্রসহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। পরে দ্রুত বিচার আইনে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করে। সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

হামলার পরপরই ভাইরাল হওয়া ১৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে ‘এন্টি শাহবাগ মুভমেন্ট’ কর্মীদের অতর্কিত হামলার পর প্রেসক্লাবের সংলগ্ন চট্টগ্রাম ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের সামনে আশ্রয় নেন গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের নেতা-কর্মীরা। সেখানে একজন পুলিশ সদস্যকেও দেখা গেছে। আকাশ পুলিশের চোখ এড়িয়ে নেতা-কর্মীদের পেছন যান। সেখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ একজনকে লাথি মারেন তিনি। এরপর ঘুরে আবার আরেক নারীকে লাথি মারেন। 

লাথি মারার ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয় এবং সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরপর জামায়াতে ইসলামী আকাশ চৌধুরীকে নিজেকে ‘কর্মী’ স্বীকার করে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

নারীকে লাথি মারা সেই আকাশ ‘ঈমানী দায়িত্ব’ পালনে গিয়েছিলেন সেখানে!

অনলাইন ডেস্ক
১ জুন, ২০২৫ ১৬:৫৭
অনলাইন ডেস্ক
নারীকে লাথি মারা সেই আকাশ ‘ঈমানী দায়িত্ব’ পালনে গিয়েছিলেন সেখানে!
নারীকে লাথি মেরে আলোচনায় আসা আকাশ চৌধুরী

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব এলাকায় গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের কর্মসূচিতে নারীকে লাথি মেরে আলোচনায় আসা আকাশ চৌধুরী এবার মুখ খুলেছেন। ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে একজন মুসলমান হিসেবে ঈমানী দায়িত্বের জায়গা থেকে শাহবাগী, বাম, ইসকন, ইসলামবিদ্বেষীদের প্রতিহত করতে তিনি সেদিন সেখানে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

শনিবার (৩১ মে) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। এতে তিনি গত বুধবারের ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

দীর্ঘ স্ট্যাটাসের শুরুতে তিনি লেখেন, ‘গত দু-একদিন আগে প্রেস ক্লাবের ঘটনাটিতে আমি গিয়েছিলাম শুধু একজন মুসলমান হিসেবে ঈমানী দায়িত্বের জায়গা থেকে শাহবাগী, বাম, ইসকন, ইসলামবিদ্বেষীদের প্রতিহত করতে। এখানে ইসকনকে টেনে আনার অন্যতম কারণ যারা সেদিন মিছিল করতে গিয়েছিলো অধিকাংশই ইসকনের সদস্য দুই-একজন ছাড়া। আর ইসকন সদস্যরা আমার পেছনে লেগে আছে ইসকন জঙ্গি চিন্ময়ের জামিনের প্রতিবাদে কোর্ট বিল্ডিং চত্বরে মিছিল করার পর থেকেই।

‘শুরুতেই প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের কথা হয় আমরা আমাদের অবস্থান ক্লিয়ার করি, আমরা বলি আমাদের তরফ থেকে ততক্ষণ উশৃঙ্খলমূলক কিছু করা হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না ওরা নিজ থেকে কিছু করে এবং প্রশাসনকে অনুরোধ করি ওনাদের চলে যেতে বলেন। এটা একটা দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে রায় এসেছে এটিএম আজহারুল ইসলাম সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত, এটার বিরুদ্ধে কথা বলা মানে আদালতকে অবমাননা করা।’

dhakapost
স্টাটাসের অংশবিশেষ

‘প্রশাসন অনেক চেষ্টা করেছে ওদের বুঝানোর জন্য কিন্তু ওরা কথার গুরুত্বই দিল না, একপর্যায়ে আমাদের থেকে প্রতিনিধিরা কথা বলার জন্য যায়, কিন্তু তারা প্রথমেই ‘আ তে আজহার তুই রাজাকার তুই রাজাকার’ এইভাবে ব্যঙ্গাত্মকমূলক স্লোগান দিয়ে আমার ভাইদের কলার ধরে টানা হেঁচড়া করে, এরপর থেকে শুরু হয় ঝামেলা, আমিও দৌড়ে গেলাম প্রথমে আমাকে তিন-চার জন মহিলাসহ ধরে টানা হেঁচড়া করে গায়ে হাত তুলে, অকথ্য ভাষায় আমার মাকে ধরে গালি গালাজ করে। আপনারা জানেন আমার মা মারা গেছে। আমি আমার মাকে ধরে গালি দেওয়াটাকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনি। এরপর আমি আত্মরক্ষার জন্য ওদের প্রতিহত করি এবং একপর্যায়ে ওরা ওখান থেকে পালাতে শুরু করে। এরপর বাসায় আসতে না আসতেই মিডিয়ায় কাটছাঁট করে আমি মারছি ওটা দেখালো, আমাকে যে তারা প্রথমে হাত তুলেছিল সেটা দেখালো না।’

দীর্ঘ স্ট্যাটাসের শেষের দিকে তিনি লেখেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে নারীর ওপর আঘাত করা আমার ভুল ছিল। আমি ওনার নিকট ক্ষমা চাই এবং এটা নিয়ে আমি লজ্জিত। কিন্তু ওই নারীর নীতি বা আদর্শ, যে কারণে ওনারা সেখানে সমবেত হয়েছিল তা আমি ব্যক্তিগতভাবে ঘৃণা করি, তাদের এই নীতি আদর্শকে আমি ঘৃণা করি। আর তা প্রতিহত করা আমার ঈমানী দায়িত্ব বলে আমি মনে করি। আর আমি আমার প্রাণের সংগঠনের সিদ্ধান্ত মেনে নিলাম এবং এটা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ছিল, সংগঠনের কোনো ভুল ছিল না।

dhakapost
গত বুধবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামেনর ঘটনা।

জানা যায়, গত বুধবার (২৮ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব এলাকায় জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির প্রতিবাদ এবং রাজশাহীতে ছাত্রজোটের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের ডাকা মানববন্ধনে হামলা চালায় শাহবাগবিরোধী ঐক্য। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। এদিন একজন নারীকে লাথি মারতে দেখা যায় আকাশ চৌধুরীকে। পরবর্তীতে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

আকাশ চৌধুরীর প্রকৃত নাম সিবগাতুল্লাহ। তিনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পৌরসভা এলাকার জামায়াত নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর নেছার আহদের ছেলে। আকাশ চৌধুরী ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম মহানগরের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা ছিলেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতের কর্মী বলে জানায় সংগঠনটি। এর আগে আকাশ চৌধুরীর বিরুদ্ধে নগরের মুরাদপুরে সুন্নিদের কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগ ছিল। 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফিরিয়ে দিতে আপিল বিভাগের নির্দেশ

    অনলাইন ডেস্ক
    ১ জুন, ২০২৫ ১১:২৫
    অনলাইন ডেস্ক
    জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফিরিয়ে দিতে আপিল বিভাগের নির্দেশ

    রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

    তবে দলটির প্রতীক দাঁড়িপাল্লার বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি আদালত। আপিল বিভাগ প্রতীকের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন।

    রোববার (০১ জুন) সকালে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৪ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় বাতিল করে দেশের সর্ব্বোচ আদালত এ রায় দেন।

    আদালতে জামায়াতের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিক, ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিক, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন, ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম।

    আদালতে জামায়াত নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- দলটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাসুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, মোবারক হোসেন, জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিনসহ অনেকে।

    এর আগে গত ১৪ মে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ও প্রতীক ফিরে পেতে আপিলের শুনানি শেষ হয়। এ বিষয়ে রায় ঘোষণার জন্য ১ জুন দিন ধার্য করা হয়।

    গত ১২ মার্চ রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরে পেতে আপিল শুনানি শুরু হয়। গত বছরের ২২ অক্টোবর রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরে পেতে খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত করে দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ। এর ফলে নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ফিরে জামায়াতের আইনি লড়াই করার পথ খুলে যায়।

    প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে জামায়াতের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান এ. সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড আলী আজম।

    গত ১ সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরে পেতে খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদনের শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করা হয়। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালত এ দিন ধার্য করেন। আদালতে জামায়াতের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

    এর আগে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরে পেতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে খারিজ হওয়া আপিলটি পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    এক রিট আবেদন নিষ্পত্তি করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। এরপর ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরবর্তীতে হাইকোর্টে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে জামায়াতে ইসলামী। তবে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানিতে জামায়াতের মূল আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় গত বছরের নভেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বিভাগ ‘ডিসমিস ফর ডিফল্ট’ বলে আপিল খারিজের আদেশ দেন। ফলে রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল থাকে।

    এদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে গত ১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে শেখ হাসিনার সরকার। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮(১) ধারায় জামায়াত, ছাত্রশিবিরসহ তাদের অন্যান্য অঙ্গসংগঠনকে নিষিদ্ধ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে। তবে গত ২৮ আগস্ট জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      নারীকে লাথি মারা সেই জামায়াত নেতাকে বহিষ্কার

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩১ মে, ২০২৫ ১৭:৫১
      অনলাইন ডেস্ক
      নারীকে লাথি মারা সেই জামায়াত নেতাকে বহিষ্কার

      মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা এটিএম আজহারের মৃত্যুদণ্ড বাতিলের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সমাবেশে নারীকে লাথি দিয়ে আলোচনায় আসা আকাশ চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার রাতে দলের চট্টগ্রাম মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

      বিবৃতিতে আকাশ চৌধুরীকে জামায়াত কর্মী হিসেবে উল্লেখ করে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় দল হিসেবে জামায়াতের কোনো দায় থাকার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে।

      ঘটনাটির নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ওই কর্মসূচি সম্পর্কে তারা অবগত ছিলেন না। সেদিন সংঘটিত ঘটনার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তাই এই ঘটনার কোনো দায়দায়িত্ব জামায়াতে ইসলামী বহন করবে না।

      দলটির ভাষ্য, ‘সেদিনের অনভিপ্রেত ঘটনার দায় কেবলমাত্র সেখানে উপস্থিত দায়ী ব্যক্তিদের ওপরই বর্তায়। বিশেষ করে আকাশ চৌধুরী ঊর্ধ্বতনদের অনুমতির বাইরে যে কাজ করেছে, তা চরম নিন্দনীয়।’

      এর আগে গত বুধবার নগরের জামালখান এলাকায় বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর জোট গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, শাহবাগবিরোধী ঐক্যের ব্যানারে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালান। ওই ঘটনায় ১২ জন আহত হন। 

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ৫ আগস্টের পর যারা রাজনীতিতে এসেছে, তারা নির্বাচন চায় না: আমীর খসরু

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩১ মে, ২০২৫ ১৪:৪৫
        অনলাইন ডেস্ক
        ৫ আগস্টের পর যারা রাজনীতিতে এসেছে, তারা নির্বাচন চায় না: আমীর খসরু

        প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, জাতি যখন সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায়, তখন এ ধরনের বক্তব্য দুঃখজনক।

        শনিবার (৩১ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

        আমীর খসরু বলেন, গণতান্ত্রিক ৫২টি দল ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চায়। আর ৫ আগস্টের পর যারা রাজনীতিতে এসেছে, তারা নির্বাচন চায় না।

        তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই একটি দেশের মূলশক্তি। দেশ গড়তে সবাইকে কাজ করতে হবে। ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। বিএনপি সরকার গঠন করলে তা হবে জবাবদিহিমূলক সরকার।

        নির্বাচনের সময়সীমা প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, গণতন্ত্রের পথ কেউ যদি রুদ্ধ করতে চায়, শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া কেউ যদি বাধাগ্রস্ত করতে চায়, জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের রুখে দেওয়া হবে। ডিসেম্বরের মধ্যেই হতে হবে নির্বাচন।

        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত