শিরোনাম
সাতক্ষীরার পালাতক যুবলীগ নেতা কাজী ফিরোজ হাসানের আশার প্রদীপ কাজী তাজউদ্দীন
সাতক্ষীরা পৌরসভা সুলতানপুরে পালাতক কাজী ফিরোজ হাসানের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে কাজ শুরু করছে তাজ স্যার ক্ষ্যাত কাজী তাজউদ্দীন ওরফে তাজ। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মেয়াদ নিয়ম অনুযায়ী এখনো বাকি ৮ মাস। তবে এখনই নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাস্ত এক প্রার্থী।
এলাকাবাসী ও একাধিক গোপন সূত্র জানাই যে, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসাবে কাজী ফিরোজ হাসানের ঘনিষ্ট সহযোগী প্রভাষক কাজী তাজউদ্দীন কে পলাতক অবস্থায় বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে ।
জানা যায় ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতার বিপ্লবের পরে দুর্নীতির দায়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান স্থানীয় কাউন্সিলর ও সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত মেয়র নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগ নেতা কাজী ফিরোজ হাসান। এমতাবস্থায় তার অনুপস্থিতিতে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফিরোজ হাসানের বিশ্বস্ত সহচর কাজী তাজউদ্দিন কে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে বলেছেন। ইতিমধ্যে সে এলাকায় গণসংযোগ শুরু করে দিয়েছে।
কাজী তাজউদ্দীন এর সাথে এ বিষয়ে কথা হয়। তিনি জানান, ‘সাবেক কাউন্সিলর ফিরোজ হাসানের মৌন সমর্থন আছে আমার প্রতি। আমি আগামী নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী হতে চাই সেজন্য এখন থেকে কাজ শুরু করে দিয়েছি।’
এদিকে একাধিক গোপন সূত্র প্রতিবেদককে জানান দুর্নীতি ও সাতক্ষীরা পৌরসভার অর্থ আত্মসাৎ মামলা সহ একাধিক মামলার আসামি নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা যুবলীগের নেতা সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র কাজী ফিরোজ আহসান ৫ই আগস্ট থেকে পলাতক আছেন। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগরে দলিয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন কে সামনে রেখে তার প্রতিনিধি কাজী তাজউদ্দিন ওরফে তাজ নির্বাচনী প্রচারণার আড়ালে স্থানীয় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে একাধিক গোপন বৈঠক করেছে। নির্বাচনের নামে তাদেরকে সংঘটিত করছে। জানা যায়, এ সকল কাজ করার জন্য তাজউদ্দীন কে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছে কাজী ফিরোজ হাসান।
স্বৈরাচারের সহযোগী দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজ কাজী ফিরোজ হাসানের ঘনিষ্ঠ সমর্থকরা এখন কাজী তাজউদ্দীন মাস্টারের পিছনে ঘুরছে এবং তাকে মেম্বার বলে ডাকছে। বিষয়টি নিয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাসকিন আহমেদ চিশতী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমার জানা নাই। তিন আরো বলেন কোন নিষিদ্ধ সংগঠন যদি নির্বাচনের নামে গোপন বৈঠাক করে থাকে তাহলে প্রশাসনের দায়িত্ব তাদেরকে আইনের আওতায় আনা।
এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির ৪নং ওয়ার্ড আমীর প্রভাষক আব্দুল কালের জানান বিষয়টি আমি লোকমুখে শুনেছি। উক্ত বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
হাসিনার পতনের পর রাজধানীতে প্রথম বড় সমাবেশে করতে যাচ্ছে জামায়াত
স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের পর রাজধানী ঢাকায় প্রথম বড় সমাবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আগামী ২১ জুন রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাছে আবেদন করেছে দলটি।
শনিবার (৩১ মে) জামায়াতের কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আগামী ২১ জুন বেলা ২টায় রাজধানীতে আমরা জনসভা করবো। প্রাথমিকভাবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জন্য ডিএমপির কাছে আবেদন করা হয়েছে। সমাবেশে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি সমমনা রাজনৈতিক দলের নেতাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।’
আরও পড়ুন
প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এরপর রাজধানীতে একাধিক সমাবেশ করে বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে রাজধানীতে বড় কোন সমাবেশ করতে দেখা যায়নি।
সম্প্রতি আপিল বিভাগের রায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের সাজা থেকে খালাস পেয়ে মুক্তি পান দলটির সিনিয়র নেতা নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম। তাৎক্ষণিকভাবে শাহবাগ মোড়ে সমাবেশ করে এ নেতাকে সংবর্ধনা দেয় জামায়াত।
কী আছে জামায়াতের ভাগ্যে, জানা যাবে কাল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের রায়ের জন্য আগামীকাল রোববার (১ জুন) দিন ধার্য করা হয়েছে। আপিল বিভাগের রোববারের জন্য প্রকাশিত কার্যতালিকায় মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এক নম্বর ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর আগে, ১৪ মে চতুর্থ দিনের শুনানি শেষে রায়ের জন্য ১ জুন দিন ধার্য করা হয়েছিল। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক এবং আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম।
শুনানির দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিন প্রমুখ।
২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর জামায়াতে ইসলামীকে সাময়িক নিবন্ধন দেওয়া হয়। পরের বছর বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, জাকের পার্টির তৎকালীন মহাসচিব মুন্সি আবদুল লতিফ, সম্মিলিত ইসলামী জোটের প্রেসিডেন্ট মাওলানা জিয়াউল হাসানসহ ২৫ জন ব্যক্তি জামায়াতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন।
জি এম কাদেররা এখনও কীভাবে প্রকাশ্যে ঘোরে, প্রশ্ন সারজিসের
জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের দোসর ও সুবিধাবাদী ভণ্ড আখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। জাতীয় পার্টিকে প্রতিহতের ডাকও দিয়েছেন সারজিস। তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টি বিরোধী দলে থেকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে এবং আওয়ামী লীগকে সরকারি দলের বৈধতা দিয়েছে।
লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলায় পথসভা ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম শেষে বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাত ১০টার দিকে জেলা শহরের মিশন মোড়ে পথসভায় এ কথাগুলো বলেন সারজিস আলম।
সারজিস আলম বলেন, ‘জাতীয় পার্টির সবচেয়ে বড় ভণ্ডদের মধ্যে একজন হচ্ছেন জি এম কাদের। এই জি এম কাদের ইলেকশনের ১৫ থেকে ২০ দিন আগে ইন্ডিয়া যেত, ক্ষমতার নেগোসিয়েশন করত, অর্থের নেগোসিয়েশন করত। বাংলাদেশে এসে বিড়ালের মতো চুপ হয়ে যেত, ইলেকশন হতো, ডামি ইলেকশনে জাতীয় পার্টি বিরোধী দল হতো, আওয়ামী লীগকে তারা সরকারি দলের সমর্থন দিত।’
তিনি বলেন, ‘এই জি এম কাদেররা এখনো কীভাবে প্রকাশ্যে ঘোরে? এই জাতীয় পার্টি, এই যে ডামি আওয়ামী লীগ যারা, তারা এখনো কীভাবে বাইরে?’
অসৎ পথে উপার্জন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে এনসিপি নেতা সারজিস বক্তব্যে বলেন, ‘আপনি বিভিন্নভাবে লাখ টাকা, কোটি টাকা অসৎভাবে উপার্জন করেন। পরে দেখেন, আপনার সন্তান আর পড়াশোনা পারে না। তাকে পড়াতে হচ্ছে মাসে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে এই মিডিয়ামে, সেই মিডিয়ামে, তা–ও পাস করে না। আপনি দেখবেন একজন রিকশাচালক চাচাকে, মাসে একবারও হাসপাতালে যেতে হয় না, বছরে একবারও পুরো শরীর চেক আপ করতে হয় না। আর আপনার পেটে একবার শব্দ হলে সিঙ্গাপুরে যেতে হচ্ছে চিকিৎসার জন্য। এই যে মানসিক অশান্তি, এর চেয়ে রিকশাচালক চাচার মানসিক শান্তি অনেক বেশি।’
এর আগে গতকাল রাত পৌনে ৯টার দিকে রংপুর নগরের সেনপাড়ায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাড়িতে হামলা হয়। হামলাকারীরা জি এম কাদেরের বাড়ি দ্য স্কাই ভিউয়ের জানালার কাচ ভাঙচুর ও একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করে। জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমানের অভিযোগ, এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা এই হামলার সঙ্গে জড়িত।
দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক সব দল ডিসেম্বরেই নির্বাচন চায় : ১২ দলীয় জোট
১২ দলীয় জোটের নেতারা বলেছেন, এ বছরের ডিসেম্বরে কেবল একটি দল নয়, দেশের সব দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল নির্বাচন চায়। একটি অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই দেশের মুক্তি ও উন্নতির অভিমুখ নিশ্চিত করে। বারবার তা প্রমাণিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ১২ দলীয় জোট নেতারা এ কথা বলেন।
জাপানের নিক্কেই ফোরামে যোগ দিতে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ডিসেম্বরে মাত্র একটি দল নির্বাচন চায়।’ এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বলেন, এক কথায় নিরেট মিথ্যাচার করেছেন নোবেলজয়ী অধ্যাপক ইউনূস। কেবল একটি দলই নয়, দেশের সব গণতন্ত্রপন্থি দলগুলো স্পষ্টভাবে গত ৯ মাস ধরে ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলে এসেছে। বরং তিনি নিজেই কিছু মৌলবাদী, জনসমর্থনহীন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনৈতিক দলকে পাশে নিয়ে নির্বাচনের প্রশ্নটিকে বিলম্বিত করার চেষ্টা করেছেন, করছেন।
জোট নেতারা বলেন, আমরা ১২ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে দফায় দফায় এ বছরের জুনের মধ্যেই নির্বাচনের কথা বলেছি। দেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলো সভা, সমাবেশ, সেমিনার, বক্তব্য, বিবৃতি এবং প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বারবার এই কথা উচ্চারণ করেছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস হয়তো ভুলে যাচ্ছেন তিনি কথার মারপ্যাঁচ দিয়ে তার গদি রক্ষা করতে পারবেন না। পদত্যাগের নাটক করেও পারবেন না। বাংলাদেশের জনগণ তার নাটকবাজি বুঝে গেছেন।
আরও পড়ুন
সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ডক্টর ইউনূস যেসব রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই স্বৈরাচারী সরকারের পদলেহনকারী এবং স্বৈরাচারী হাসিনার আচলের নিচে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। আমি, তুমি ও ডামি নির্বাচন প্রতিরোধে তাদের ন্যূনতম কোনো ভূমিকা ছিল না ভোট বর্জনের ব্যাপারেও তারা ছিলেন নীরব। এমনকি জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না। নিজের পায়ে চলতে পারে না এমন অনেক জনসম্পর্কবিহীন নেতৃত্বকে ডেকে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এবং গণঅভ্যুত্থনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণকারী দল ও নেতাদের অপমান করেছেন, অবজ্ঞা করেছেন। তার এই অশোভন আচরণে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত দল এবং নেতারা ব্যথিত এবং দুঃখিত।
বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে, ১৯৯০ সালে, এমনকি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে জীবনক্ষয়ী সংগ্রাম করেছে, তার মূলে ছিল ভোট ও নির্বাচন উল্লেখ করে ১২ দলীয় জোট নেতারা বলেন, তিনি কূটকৌশলে ক্ষমতা প্রলম্বিত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হবে, তিনি ভিন্ন কোনো কিছু অর্জনের উদ্দেশে ভোট ও নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে চাইছেন। আর তার সঙ্গে রয়েছেন কয়েকজন উপদেষ্টা।
জোট নেতারা বলেন, আগামী ডিসেম্বরের আগেই নির্বাচন করা সম্ভব। দেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও নানাভাবে বিষয়টি সামনে এসেছে। আমরা চাই দেশের জনগণের দীর্ঘদিনের চাওয়া তিনি পূরণ করবেন। তাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তী কাজ করার জন্য, স্থায়ী কোনো কাজ নয়। সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া, ন্যূনতম সংস্কার করে নির্বাচন করতে হবে। আগে প্রয়োজন নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা। পাশাপাশি চলবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিচার। ইতোমধ্যে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার মধ্য দিয়ে এ প্রক্রিয়া চলমান হয়েছে।
অবিলম্বে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করে দেশ মহাসংকটের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানান ১২ দলীয় জোট নেতারা। তারা বলেন, অন্যথা দেশের মানুষই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তখন তিনি মৌলবাদী ও জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দলকে পাশে পাবেন না। তার পরিণতি যেন আফগানিস্তানের পালিয়ে যাওয়া মোহাম্মদ আশরাফ গনি আহমদজাইয়ের মতো না হয়।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, জোটের মুখপাত্র বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, জোটের সমন্বয়ক বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপার) সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, কল্যাণ পার্টি চেয়ারম্যান শামসুদ্দীন পারভেজ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রকিব, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এমএ মান্নান, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল (পিএনপির) চেয়ারম্যান ফিরোজ মো. লিটন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য