ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

চলে গেলেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক

অনলাইন ডেস্ক
৪ মে, ২০২৫ ১৭:২
অনলাইন ডেস্ক
চলে গেলেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

রোববার (৪ মে) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

 আব্দুর রাজ্জাক ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির জানান, আব্দুর রাজ্জাক ধানমন্ডিতে ইবনে সিনা হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। সেখানে আজ বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান।
 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    পিতা হত্যার বদলা নিতে গিয়ে হাসিনা দেশ ও জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছেন : টুকু

    অনলাইন ডেস্ক
    ৪ মে, ২০২৫ ১৬:২৫
    অনলাইন ডেস্ক
    পিতা হত্যার বদলা নিতে গিয়ে হাসিনা দেশ ও জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছেন : টুকু

    বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে পিতা হত্যার বদলা নিতে গিয়ে দেশ ও জাতিকে শেষ করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় আসা মানেই ইতিহাস বিকৃতি শুরু করা।

    তিনি আজ শনিবার বিকেল ৪টায় জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের তৃতীয় তলার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মেমোরিয়াল লাইব্রেরী মিলনায়তনে সিরাজগঞ্জের সূধীজনদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। 

    তিনি বলেন, জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী আওয়ামী লীগ প্রথম ক্ষমতায় এসে মাত্র পাঁচদিনে দেড় হাজার মানুষ হত্যা করেছিল। সিরাজগঞ্জে মানুষ মারার জন্য আওয়ামী লীগ নেতারা সাতটি ক্যাম্প তৈরি করেছিল। সেসব ক্যাম্পে নির্বিচারে নিরীহ মানুষ হত্যা করেছে।

    টুকু আরো বলেন, কেউ কেউ বলে আওয়ামী লীগ যা করেছে বিএনপি ক্ষমতায় এলে তাই করবে- এমন কথা বিএনপির বেলায় মানায় না। 

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপির তুলনা যারা করে তারা বিএনপির জনপ্রিয়তাকে ভয় পায়।

    আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে যত জঘন্য কাজ করেছে, বিএনপি ক্ষমতায় থেকে তার ছিটেফোঁটাও করেনি। আওয়ামী লীগের নেতারাই বলেছিল, ক্ষমতাচ্যুত হলে আওয়ামী লীগের লাখ লাখ লোক মারা যাবে। ৫ আগস্টের পরে বিএনপির হাতে একজন  লোকও মরে নাই। কারণ আমরা শান্ত থেকেছি। আমরা শান্তিপ্রিয়। 

    আওয়ামী লীগের নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে টুকু বলেন, বেগম খালেদা জিয়া পায়ে হেটে জেলে গিয়েছিলেন, হুইল চেয়ারে বেরিয়ে এসেছেন। 

    জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দারের (রফিক সরকার) সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির গ্রাম সরকার বিষয়ক সহ- সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিশির এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু। 
    এসময় বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, আইনজীবিসহ সর্বস্তরের পেশাজীবি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নারী কমিশনের রিপোর্ট বাতিল হলে অন্যগুলোও বাতিলযোগ্য: উমামা ফাতেমা

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৩ মে, ২০২৫ ২৩:৫৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    নারী কমিশনের রিপোর্ট বাতিল হলে অন্যগুলোও বাতিলযোগ্য: উমামা ফাতেমা

    নারী সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন বাতিল করা হলে অন্য কমিশনগুলোর রিপোর্টও বাতিলযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা।

    শনিবার (৩ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

    উমামা ফাতমা লিখেছেন, ‘জুলাই এর পর মেয়েদের সাইডে বসায় দিয়ে এখন রাজনৈতিক পাড়ায় নারী অধিকার নিয়ে সালিশ বসছে দেখছি। হায়রে নাটক! সরকার তো একটা ঐকমত্য কমিশন বানালো সংস্কার নিয়ে আলাপ করার জন্য। সবগুলো সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট ঘেঁটে দেখলেই অনেক অবাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাবনা চোখে পড়বে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রায়োরিটি বেসিসে সংস্কার প্রস্তাবনার পক্ষে/বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারবে।’

    জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম পরিচিত এ মুখ বলেন, ‘এর মধ্যে নারী সংস্কার কমিশনের রিপোর্টে সর্বস্তরের নারীদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রস্তাবনা ঠিক মনে না হলে মত-দ্বিমতের সুযোগ রয়েছে। সেটা না করে পুরো কমিশন বাতিলের কথা তোলা হচ্ছে কোন উদ্দেশ্যে?! আর নারীদের কতটুকু অধিকার থাকবে সেটা নিয়ে তো নারীদের তুলনায় পুরুষদের মাথাব্যথা বেশি। এই কমিশনের রিপোর্ট বাতিল হলে বাকি সব সংস্কার কমিশনের রিপোর্টও বাতিলযোগ্য।’

    উমামা লিখেছেন, ‘নারীরা কোনো ব্যবহারের বস্তু না যে আপনার গদি সিকিউর করে রান্নাঘরে ফিরে যাবে। অভ্যুত্থানের পর দেশের ৫০ শতাংশ জনগণের অধিকারের প্রশ্ন যাদের কাছে উটকো ঝামেলা লাগে তারা আসলে কোন ধরনের রাজনীতি করতে চায় তারাই জানে। নারী সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে দ্বিমত থাকতে পারে কিন্তু জনসম্মুখে সভা-সমাবেশ করে যে সকল বক্তৃতা ঝাড়া হচ্ছে তাতে আপনাদের বিরোধের পরিবর্তে নারীবিদ্বেষটাই বেশি প্রকাশ পায়।’

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র বলেন, ‘স্পষ্ট করেই বলতে চাই, নারীদের অধিকার, সুযোগ সুবিধার প্রশ্ন বাদ দিয়ে বাংলাদেশে কোনো রাজনীতি মেইনস্ট্রিম হবে না। জুলাই অভ্যুত্থানে তা পরিষ্কারভাবেই বোঝা গেছে। স্টেজে গলাবাজি করে, চোখ রাঙানি দিয়ে নারীদের প্রান্তিক করা সম্ভব না।’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      রাবি শিবির সভাপতির বক্তব্যে ছাত্রদলের নিন্দা; শিবিরের দুঃখ প্রকাশ

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ৩ মে, ২০২৫ ২৩:৩
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      রাবি শিবির সভাপতির বক্তব্যে ছাত্রদলের নিন্দা; শিবিরের দুঃখ প্রকাশ

      রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (রুয়া)-এর নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত আন্দোলনে শাখা শিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদের "আন্দোলন অহিংস থেকে সহিংস হবে" এক বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে ছাত্রদল অপর দিকে অসাবধানতাবশত প্রদত্ত বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা।

      শুক্রবার (২মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক সদস্য (দাপ্তরিক দায়িত্বে) আতিক শাহরিয়ার আবির এবং শাখা ছাত্রশিবির প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মোঃ নওসাজ্জামানের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিন্দা ও দুঃখ প্রকাশ করে এ দুই ছাত্রসংগঠন। 

      গত ১মে এডহক কমিটির জরুরী সভায় সংখ্যাগরিষ্ট সদস্যদের মতামতের প্রেক্ষিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আগামী ১০ মে রুয়া'র কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছেনা বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন। বিকেল ৪টায় রুয়া নির্বাচন স্থগিত হওয়ার প্রতিবাদে ভিসির বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেন রুয়া'র পদপ্রত্যাশী প্রার্থীরা।এসময় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে, দাবি না মানা হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিতে গিয়ে "১০ তারিখে রুয়া নির্বাচন না হলে আন্দোলন অহিংস থেকে সহিংস হবে।" বলেন।

      রাবি শিবিরের এ বক্তব্যে নিন্দা প্রকাশ করে  শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, "রাবি শিবির সভাপতির বক্তব্য তাদের পুরনো অতীতকেই মনে করিয়ে দেয়। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে আর কোনো সন্ত্রাসবাদের রাজনীতি চলতে দেওয়া হবে না। ক্যাম্পাসে মুক্ত ও জ্ঞানচর্চার পরিবেশ বজায় রাখতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনকে বন্ধুপ্রতীম হয়ে কাজ করার আহ্বান জানাই।"

      এবিষয়ে শাখা শিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, "রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (RUAA) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের একটি স্বীকৃত প্ল্যাটফর্ম। এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা ও একাডেমিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে অবদান রাখার সুযোগ পেয়ে থাকেন।

      দুঃখজনক হলেও সত্য, বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলের মতো বর্তমানেও দলীয় প্রভাব ও কর্তৃত্ববাদী মানসিকতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও গণতান্ত্রিক পরিমণ্ডলকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের বঞ্চিত করার ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি RUAA নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে, যা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার খর্ব করার শামিল। একটি রাজনৈতিক চক্র নির্বাচন স্থগিত করতে প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে দিয়ে কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করানো, নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ইফতিখারুল আলম মাসুদ স্যারের বাসায় ককটেল বিস্ফোরণের মতো নিন্দনীয় ঘটনা ঘটিয়েছে।"

      তিনি আরো বলেন, " সাবেক শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার রক্ষার আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানানো আমার নৈতিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমি গতকাল RUAA নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত আন্দোলনে অংশগ্রহণ করি। গণমাধ্যমে প্রদত্ত বক্তব্যে, দাবি না মানা হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত 'সহিংস আন্দোলন' শব্দটি উচ্চারণ করে ফেলি। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ ব্যবহারের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। ভবিষ্যতে আমি আমার বক্তব্য ও শব্দচয়নের ক্ষেত্রে আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল থাকার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।"

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মধ্যরাতে সরিয়ে দেওয়া হলো খালেদা জিয়ার ফ্লাইটের দুই কেবিন ক্রুকে

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩ মে, ২০২৫ ১৬:৪১
        অনলাইন ডেস্ক
        মধ্যরাতে সরিয়ে দেওয়া হলো খালেদা জিয়ার ফ্লাইটের দুই কেবিন ক্রুকে

        সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সোমবার (৫ মে) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লন্ডন থেকে দেশে ফিরবেন। ওই ফ্লাইটে দায়িত্ব পালনের কথা ছিল এমন দুই কেবিন ক্রুকে শুক্রবার মধ্যরাতে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন আল কুবরুন নাহার কসমিক ও মো. কামরুল ইসলাম বিপোন।

        বিমান সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সূত্র জানায়, নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

        রোববার (৪ মে) সন্ধ্যায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ২০২ ফ্লাইটটি। ফ্লাইটে খালেদা জিয়া, তার পরিবারের সদস্য ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা থাকবেন।

        আগাম প্রস্তুতি হিসেবে শুক্রবার (২ মে) দুপুরে ওই ফ্লাইটে চিফ পার্সার নিশি, ফ্লাইট পার্সার আল কুবরুন নাহার কসমিক, ফ্লাইট পার্সার মো. কামরুল ইসলাম বিপোন এবং জুনিয়র পার্সার রিফাজের নাম চূড়ান্ত করে বিমানের ফ্লাইট সার্ভিস বিভাগের সংশ্লিষ্ট ইউনিট। তবে গোয়েন্দা তথ্যে তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং ভিআইপি যাত্রীর নিরাপত্তার সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা উঠে আসায় শুক্রবার মধ্যরাতে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে দুজনের নাম বাতিল করা হয়।

        ফ্লাইট সার্ভিস বিভাগ তাদের নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ ও পরে ফ্লাইট থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, ফ্লাইটে কসমিক ও বিপোনের পরিবর্তে শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট পার্সার ডিউক এবং ফ্লাইট স্টুয়ার্ডেস আনহারা মারজানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

        বিমান বাংলাদেশ সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে আল কুবরুন নাহার কসমিক নিয়মিত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার ফ্লাইট পরিচালনা করতেন। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের নেতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে সরকারি সুবিধা ভোগের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। চাকরি জীবনে তিনি ১৮ বার কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছেন। শাস্তি হিসেবে একাধিকবার গ্রাউন্ডেড হয়েছেন।

        অপরদিকে, জুনিয়র পার্সার কামরুল ইসলাম বিপোন দীর্ঘদিন ধরে সরকারি দলের নানা কার্যক্রমে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতি বছর ১৫ আগস্ট পালনের জন্য নিয়মিত ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফুল দেওয়া, শেখ কামালের জন্মদিনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা এবং বিমানে শেখ রাসেল দিবস পালনের অন্যতম উদ্যোক্তা তিনি।

        বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, তাদের সরানো হয়েছে এমন তথ্য আমার কাছে আসেনি। বিমানের সংশ্লিষ্ট বিভাগ নানা কারণে কাউকে ডিউটি নাও দিতে পারে কিংবা রিশিডিউলিং হতে পারে, এটা খুবই স্বাভাবিক।

        গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গোয়েন্দা প্রতিবেদনের কারণে অনেক সময় অনেককে সরানো হতে পারে; শত শতজনকে সরানো হয়। তেমন বড় কিছু না হলেও কিংবা সামান্য কিছু পেলেই প্রতিবেদন দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে তাদের সরিয়ে দিতে বলা হয়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত