ঢাকা, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৩ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

‘আমাদের কাজের কারণেই ফ্যাসিবাদের ফেরার আশঙ্কা বেড়ে গেছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ নভেম্বর, ২০২৪ ১৭:৪২
নিজস্ব প্রতিবেদক
‘আমাদের কাজের কারণেই ফ্যাসিবাদের ফেরার আশঙ্কা বেড়ে গেছে’

ডেস্ক রিপোর্ট: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেছেন, আজকে আমরা দুর্ভাগ্যজনকভাবে এমন কতগুলো কাজ করছি, যে কাজগুলোর মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে জাতীয় কবিতা পরিষদ আয়োজিত ‘রাষ্ট্র পুনর্গঠনে লেখক-শিল্পীদের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ফ্যাসিবাদ পরাজিত হয়েছে। ফ্যাসিবাদ যেকোনও সময় আবার ফিরে আসতে পারে। আমরা সেই রাস্তা যেন তৈরি করে না দেই। আজকে আমরা দুর্ভাগ্যজনকভাবে এমন কতগুলো কাজ করছি, যে কাজগুলোর মধ্য দিয়ে কিন্তু ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে গেছে। আমাদের এখন ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময়।

তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে তুলে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক সংস্কার করে, একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করা নিঃসন্দেহে একটি জটিল কাজ, আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে। এই কাজটি আমাদের করতে হবে। এই কাজটি করার পেছনে আমাদের সবচেয়ে বেশি যেটা প্রয়োজন— যারা আমরা মনে করেছি, ফ্যাসিবাদের পতন হওয়া দরকার, ফ্যাসিবাদকে সরিয়ে সত্যিকার অর্থে জনমানুষের উপযোগী একটি রাষ্ট্র, সমাজ নির্মাণ দরকার, তাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আজকে কষ্ট হয়, দুঃখ হয়। এখানে (মতবিনিময় সভা) আসার আগে মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা তার ভাইকে নিয়ে আমার বাসায় এসেছিল। এসে বলছে, ‘স্যার, আজকে মন খুব খারাপ।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন? বললো, ‘গত কয়েক দিন ধরে যা দেখছি, তাতে করে আমার মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এই এতদিন ধরে যে কষ্ট যে পরিশ্রম, ত্যাগ, প্রিয় মানুষগুলোর চলে যাওয়া, সব কিছু ছাড়িয়ে কেমন যেন একটা ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হচ্ছে।’ আমার (মির্জা ফখরুল) মনে হয়, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই অবস্থা সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং সেটা করছে কথিত ফ্যাসিবাদ।

ফখরুল আরও বলেন, আমরা যারা ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে ছিলাম, লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি, আমরা কেন এখানে বিভাজন সৃষ্টি করছি? আজকে বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন কথা শুনলে রীতিমতো ভয় হয়। আজকে আমরা পুরো আন্দোলনকে একটা ভিন্ন দিকে নেওয়ার চেষ্টা করছি। আমাদের তো এখন লক্ষ্য একটাই হওয়া উচিত। সেটা হলো, একটি সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের জন্য যে সংস্কারগুলো প্রয়োজন, সেগুলো করে একটি নির্বাচন করে পার্লামেন্টে যাওয়া।

বিএনপির শীর্ষস্থানীয় এই নেতা বলেন, আমাদের সবার উচিত, অনৈক্য সৃষ্টি না করে ঐক্যের মধ্যে থেকে আমরা যে সুযোগটা পেয়েছি, সেটি কাজে লাগিয়ে কিছুটা হলেও সামনে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু দুর্ভাগ্য, ৫৩ বছর হয়ে গেছে, আমরা এখন পর্যন্ত পিসফুল ট্রান্সফার অব পাওয়ার করতে পারিনি। আমরা সবসময় যুদ্ধ করছি, লড়াই করছি, ভাই ভাইয়ের রক্ত ঝরাচ্ছি।

তরুণদের উদ্দেশে মহাসচিব বলেন, আপনারা অনেকে দায়িত্বে এসেছেন। এই দায়িত্বটাকে দায়িত্বশীলভাবে পালন করতে হবে। গোটা জাতিকে সামনে রেখে পালন করতে হবে। আমরা এমন কিছু করবো না, এমন কোনও হ্ঠকারিতা করবো না, যে হ্ঠকারিতার মধ্য দিয়ে আমরা আবার অন্ধকারের মধ্যে চলে যাবো।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    উপ-সহকারী ৩০ কৃষি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিলো বিনা

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৮ নভেম্বর, ২০২৪ ১৭:২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    উপ-সহকারী ৩০ কৃষি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিলো বিনা

    বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিনা) " বিনা উদ্ভাবিত সম্প্রসারণযোগ্য জাতসমূহের চাষাবাদ পদ্ধতি, বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ কলাকৌশল" শীর্ষক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অবস্থিত বিনার সেমিনার কক্ষে ওই কর্মশালার আয়োজন করে ফলিত গবেষণা ও সম্প্রসারণ বিভাগ। বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় এটি আয়োজিত হয়।

    জানা যায়, প্রশিক্ষণে ময়মনসিংহের বিভিন্ন উপজেলার ৩০ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অংশ নেন। প্রশিক্ষণে বিনা উদ্ভাবিত সকল জাতের উপর আলোচনা করা হয়। দেশের কৃষির উন্নয়নে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল ও টেকসই জাতের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ২৫০০ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    এসময় উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শামীমা বেগম বিনা উদ্ভাবিত ১২টি ফসলের ১০৮ টি জাতের চাষাবাদ, বীজ উৎপাদন এবং সংরক্ষণ কলাকৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।

    প্রশিক্ষণে কর্মশালায় বিনার প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক ড. শরিফুল হক ভূঞার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন (ভার্চুয়ালি) ময়মনসিংহ অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. সালমা লাইজু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিনার বোর্ড অব ম্যানেজমেন্টের সদস্য মো. শফিকুল আলম সোহেল, বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. মাহবুবুল আলম তরফদার, উপ-প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান। কো-অর্ডিনেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফলিত গবেষণা ও সম্প্রসারণ বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শামীমা বেগম।

    বক্তব্যে বিশেষ অতিথিরা বলেন, জাত সম্প্রসারণে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ভূমিকা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তারাই কৃষকদের নতুন জাত চাষে উদ্বুদ্ধ করেন। নতুন জাত সম্পর্কে কৃষকদের প্রথম জানান তারাই। এজন্যে তাদের বেশি বেশি প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। আপনারা প্রশিক্ষিত হলে কৃষকদের মাঝে জাত সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত হবে।

    প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সালমা লাইজু বলেন, বাংলাদেশের কৃষির উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিনার উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল ও টেকসই জাতসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে থাকেন। তাই তাদের সঠিক প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান সরবরাহ করা কৃষি উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।

    তিনি আরও বলেন, নতুন জাতের চাষাবাদ পদ্ধতি, বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করবে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আপনারা কৃষকদের আরও কার্যকরভাবে সহায়তা করতে পারবেন এবং দেশের কৃষি উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ববি উপাচার্য কার্যালয় তালাবদ্ধ, নেম প্লেট খুলে নিয়েছে শিক্ষার্থীরা

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৮ নভেম্বর, ২০২৪ ১৬:৪৯
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ববি উপাচার্য কার্যালয় তালাবদ্ধ, নেম প্লেট খুলে নিয়েছে শিক্ষার্থীরা

      মেহরাব হোসেন, ববি প্রতিনিধি: আল্টিমেটাম শেষে উপাচার্য পদত্যাগ না করায় পুনরায় আন্দোলন শুরু করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

      বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ডফ্লোরে দুপুর ১টায় তারা পুনরায় ভিসি ড. শুচিতা শরমিনের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে।

      এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ভিসি কার্যালয়ে তালাবদ্ধ করে মোম দিয়ে সিলগালা করে দেন এবং তারা ভিসির নেইম প্লেট খুলে নেন।

      এবিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ভূমিকা সরকার বলেন, টানা ৩৬ দিন আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা যে স্বৈরাচার সরকারকে হটিয়ে স্বাধীনতা পেয়েছি। সেই স্বৈরাচারের দোষরকে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই আমরা আমাদের কাম্পাসে চাই। আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত পদত্যাগের আল্টিমেটাম থাকলেও তিনি পদত্যাগ করেননি। তিনি যদি স্ব-ইচ্ছায় পদত্যাগ না করেন তাহলে আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো তিনি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত।

      বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এটিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে উপাচার্যের কার্যালয় তালাবদ্ধ করেছে বিষয়টি আমরা অবগত আছি।

      বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনকে এই বিষয়ে কথা বলার জন্য মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

      জুলাই বিপ্লবের স্পিরিট ধারণ না করা এবং বারবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে বিতর্কিত আওয়ামী দোসরদের পুনর্বাসন করার অভিযোগ তুলে উপাচার্যের বুধবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয় পদত্যাগের আল্টিমেটাম দেয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বেরোবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি সোহেল রানা ও সেক্রেটারি সুমন সরকার

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৭ নভেম্বর, ২০২৪ ২৩:২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বেরোবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি সোহেল রানা ও সেক্রেটারি সুমন সরকার

        বেরোবি প্রতিনিধি: সম্প্রতি বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও সেক্রেটারির পরিচয় প্রকাশ পাওয়ার পর এবার প্রকাশ্যে আসলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শিবিরের সভাপতি ও সেক্রেটারির নাম।

        জানা যায়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি মোঃ সোহেল রানা ও সেক্রেটারি মোঃ সুমন সরকার। সভাপতি মোঃ সোহেল রানা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক(সম্মান) ১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে সেক্রেটারি মোঃ সুমন সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের স্নাতক (সম্মান) ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী। আজ বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর আড়াই টায় জাতীয় ছাত্র সংহতি সপ্তাহ পালন উপলক্ষে ও জুলাই গনহত্যার বিচার দাবিতে রংপুর মহানগর ছাত্রশিবির কর্তৃক আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি বক্তব্য রাখেন। মিছিলটি লালবাগ থেকে শুরু হয়ে মডার্ন মোড়ে অবস্থান নেয়।

        উক্ত সমাবেশে বেরোবি ছাত্রশিবির সভাপতি মোঃ সোহেল রানা বলেন, জাতীয় ছাত্র সংহতি সপ্তাহ থেকে আমরা বলতে চাই, আমাদের ছাত্র সমাজ ন্যায়বিচার মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং যেকোনো অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থাকবে। আমাদের ছাত্রসমাজ দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের একতাবদ্ধ থাকবে। গত জুলাই বিপ্লবে ছাত্র সমাজ তাদের ঐক্য শক্তি দেখিয়েছে। আগামীতে ছাত্র সমাজ ফ্যাসিবাদী দোসরদের যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেবে।

        তিনি আরো বলেন, জুলাইয়ের গণহত্যা ইতিহাসের একটি কলঙ্ক অধ্যায়। গণহত্যায় জড়িত সকলকে বিচারের আওতায় আনতে হবে৷ আমরা লক্ষ্য করছি ফ্যাসিবাদী সরকার শ্রমিক লীগ, রিক্সালীগ, ইসকন লীগ হয়ে ফিরে আসছে। তারা যে রূপে ফিরে আসুক না কেন তাওহিদী ছাত্রসমাজ সেটা রুখে দেবে। আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের বিচার করতে হবে । সন্ত্রাসী সংগঠন ইসকনকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইসকন নিষিদ্ধ, আমরাও আমাদের দেশে সন্ত্রাসী সংগঠন ইসকনকে দেখতে চাই না।

        ছাত্রশিবির সভাপতি মোঃ সোহেল রানার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি রাইজিং ক্যাম্পাসকে জানান, আমরা সব সময় ছাত্রদের পাশে থেকে ন্যায়বিচার ও নৈতিকতা নিয়ে কাজ করতে চাই। আমরা ছাত্রদের যেকোনো সমস্যায় পাশে থাকবো।আমরা ছাত্রদের নিয়ে ঐক্যের শক্তি হিসেবে কাজ করে যাবো।

        উল্লেখ্য সভাপতি মোঃ সোহেল রানার বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী এবং সেক্রেটারি মোঃ সুমন সরকারের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাহাড় কাটা বন্ধের নির্দেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৭ নভেম্বর, ২০২৪ ২০:৪৬
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাহাড় কাটা বন্ধের নির্দেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

          কুবি সংবাদদাতা: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় পরিবেশগত নিয়ম লঙ্ঘনের প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উন্নয়ন কাজের পরিবেশবান্ধব বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে অবিলম্বে পাহাড় কাটা বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে গাছ লাগিয়ে ল্যান্ডস্কেপ রেস্টোরেশন কার্যক্রম শুরু এবং উন্নয়ন কাজের পরিবেশগত দিকসমূহ নিশ্চিত করার জন্য একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

          বুধবার (২৭ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব আহমেদ শিবলী স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগে ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান কর্তৃক প্রেরিত এক আধাসরকারি পত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানায়।

          পরিবেশ উপদেষ্টা প্রেরিত আধা-সরকারি পত্রে উল্লেখ করা হয় যে, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই পাহাড় মৌজার ১৯৪.১৯ একর ভূমি অধিগ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ শুরু হলেও, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই পাহাড় কাটার মতো কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করে।

          পত্রে আরও বলা হয়, সরকারি প্রকল্পের আওতায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড ব্যক্তি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত তৈরি করে। প্রকৃতির অমূল্য সম্পদ পাহাড় একবার ধ্বংস হলে তা পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। বিশেষত, লালমাই পাহাড় দেশের জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ এবং এর ধ্বংস পরিবেশের পাশাপাশি প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।

          উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) ১১তম সভায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের জন্য ১ হাজার ৬৫৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০২১ সালের ১১ মার্চ ওই প্রকল্প বাস্তবায়নে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ব্যাটালিয়ন ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত