ঢাকা, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬ ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ঢাবিতে ছাত্রীদের আন্তঃহল ক্রিকেট প্রতিযোগিতা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৯:৪৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাবিতে ছাত্রীদের আন্তঃহল ক্রিকেট প্রতিযোগিতা শুরু

ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ‘৯ম আন্তঃহল (ছাত্রী) ক্রিকেট প্রতিযোগিতা’ শুরু হয়েছে।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী ম্যাচে রোকেয়া হল ৫২ রানে কবি সুফিয়া কামাল হলকে পরাজিত করে। রোকেয়া হল টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ১২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে হালিমাতুস সাদিয়া ৪৮ বলে ৯৩ রান করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে কবি সুফিয়া কামাল হল নির্ধারিত ১২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৭৬ রান করতে সক্ষম হয়। রোকেয়া হলের হালিমাতুস সাদিয়া প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন।

শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক এসএম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট কমিটির সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ মাহবুব কায়সারসহ বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, আবাসিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    হামলায় মোল্লা কলেজের ৭০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে : অধ্যক্ষ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৯:১১
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    হামলায় মোল্লা কলেজের ৭০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে : অধ্যক্ষ

    ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সোহরাওয়ার্দী কলেজসহ বেশ কয়েকটি কলেজের শিক্ষার্থীদের হামলায় ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজে (ডিএমআরসি) প্রায় ৭০ কোটি টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ওবায়দুল্লাহ নয়ন।

    সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে কলেজ ক্যাম্পাসে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য তুলে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

    অধ্যক্ষ ওবায়দুল্লাহ নয়ন বলেন, রাজধানীর টপ টেন কলেজের একটি মোল্লা কলেজ। এই কলেজটিকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করবে ভাবতেও পারিনি। শিক্ষার্থীরা এমন করতে পারে আমরা ভাবিনি। আমাদের সব ধ্বংস করে দিয়েছে।’ এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দ্বন্দ্ব-সংঘাত থেকে ফেরাতে শিক্ষার্থীদের কলেজমুখী করার বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের পুঁজি করে কুচক্রি মহল কাজ করছে। এটা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দেশ অন্যদিকে চলে যাবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা আমরা চাই না।

    ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৬০-৭০ কোটির মতো উল্লেখ করে অধ্যক্ষ নয়ন বলেন, শিক্ষার্থীদের হামলায় আমাদের ১২ তলা ভবনের কোনো কাচ আর অক্ষত নেই। ৫টি লিফট, কম্পিউটার ও সায়েন্স ল্যাব ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হামলাকারী শিক্ষার্থীরা নগদ টাকা, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, সার্টিফিকেট, ৩০০-এর বেশি ফ্যান, প্রায় ৩০টির মতো ল্যাপটপ, অসংখ্যা কম্পিউটারসহ মূল্যবান ও প্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিস লুট করেছে। এতে করে প্রায় ৬০-৭০ কোটির মতো ক্ষতি হয়েছে।

    এ ছাড়া হামলা ও সংঘর্ষে মোল্লা কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হছেন বলেও জানান তিনি। এ সময় তিনি ঘটনার জন্য ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি রয়েছে বলেও দাবি করেন।

    হামলার সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী যথাযথ ভূমিকা রাখেনি বলেও অভিযোগ করে তিনি বলেন, সকাল থেকেই পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু হামলার সময় তারা দূরে থেকে পরিস্থিতি দেখেছেন। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি।

    এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইউসিবি নামের একটি গ্রুপ থেকে হামলার উসকানি ও ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মোল্লা কলেজের অধ্যক্ষ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ৩ শিক্ষার্থী নিহতের দাবি থেকে সরে এলো মোল্লা কলেজ কর্তৃপক্ষ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৮:৫৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৩ শিক্ষার্থী নিহতের দাবি থেকে সরে এলো মোল্লা কলেজ কর্তৃপক্ষ

      ডেস্ক রিপোর্ট: ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজে হামলার ঘটনায় ৩ শিক্ষার্থী নিহতের দাবি থেকে সরে এসেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

      সোমবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের অধ্যক্ষ ওবায়দুল্লাহ নয়ন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

      ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজে নৃশংস হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ গভীর শোক ও ক্ষোভের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, আজ আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে। সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য কলেজের ছাত্র, বহিরাগত একদল সন্ত্রাসী প্রবেশ করে কলেজ ভবনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

      প্রাথমিকভাবে জানা যায়, এ হামলায় শতাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর, যাদের মধ্যে কয়েকজনকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ হামলায় সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এবং ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের কিছু ছাত্র নামধারী ব্যক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। হামলাকারীদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী নয়, বরং সন্ত্রাসী কার্যক্রমে লিপ্ত ব্যক্তি।

      বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হামলাকারীরা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, সম্পদ ও শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট, ব্যক্তিগত মালামাল লুট করেছে। এ ছাড়া কলেজ ভবনের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে তারা অধ্যক্ষের কার্যলয়সহ বিভিন্ন কক্ষ ভাঙচুর করে। এতে আনুমানিক প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়। পাশাপাশি একই ভবনে অবস্থিত ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা ইনন্সিটিউট অব সায়েন্স আন্ড টেকনোলজির ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কলেজ কর্তৃপক্ষ বারবার প্রশাসনের স্থানীয় ও সর্বোচ্চ পর্যায়ে সহযোগিতার আবেদন করলেও এ পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ অবস্থায় আমাদের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও শিক্ষার পরিবেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

      হামলার প্রকৃত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান; শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে কলেজে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার; লুটকৃত সম্পদ উদ্ধার ও ক্ষতিগ্রস্ত নথি পুনরুদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে আহ্বান জানান কলেজ কর্তৃপক্ষ । একই সঙ্গে সব শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের ধৈর্য ও সংহতি বজায় রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানন।

      এর আগে বিকালে মোল্লা কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফ সামীর সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ৩ শিক্ষার্থী নিহতের দাবি করা হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের অধ্যক্ষ ওবায়দুল্লাহ নয়ন কালবেলাকে জানান, আমাদের আগের বিজ্ঞপ্তিতে সঠিক তথ্য ছিল না, অফিসিয়াল পেজ থেকে যেটা দিয়েছি এটা সঠিক। ৩ শিক্ষার্থী নিহতের তথ্য এখনো পাইনি। এজন্য আমরা কারেকশন করে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জরুরি সভা ডেকেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৮:৪৬
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        জরুরি সভা ডেকেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

        ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সব ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনকে নিয়ে জরুরি সভা ডেকেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সোমবার প্লাটফর্মটির নির্বাহী কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

        সোমবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অফিসে ছাত্রসংগঠনগুলোর সঙ্গে এ সভা হবে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাদের ফোন করে ডাকা হয়েছে বলে সমকালকে একাধিক ছাত্রসংগঠনের নেতারা জানিয়েছে।

        এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মূখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেছেন, দেশব্যাপী চলমান আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক দ্বন্দ্ব ও সামগ্রিক সমস্যা নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা সভা আহ্বান করেছে। ইনশাআল্লাহ অতিদ্রুতই সব ছাত্রসংগঠনের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় দেশের মানুষ একটি সুন্দর সমাধান দেখতে পাবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড দেশটাকে অস্থির করে রেখেছে: উপদেষ্টা মাহফুজ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৮:৩৬
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড দেশটাকে অস্থির করে রেখেছে: উপদেষ্টা মাহফুজ

          ডেস্ক রিপোর্ট: সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

          পোস্টে তিনি লিখেন, বাম এবং ডান মানসিকতার কতিপয় নেতৃত্ব বা ব্যক্তি গণ অভ্যুত্থানে, এবং পরবর্তীতে সরকারে নিজেদের শরিকানা নিশ্চিত না করতে পেরে উন্মত্ত হয়ে গেছেন। তাদের উন্মত্ততা, বিপ্লবী জোশ এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড দেশটাকে অস্থির করে রেখেছে।

          পোস্টে তিনি লিখেন, মুক্তিযুদ্ধের পরের দশ-পনের বছরের ইতিহাস মুক্তিযোদ্ধাদের একে অপরকে হত্যার ইতিহাস। যারা চায়নি বাংলাদেশ শক্ত ভিতের উপর দাঁড়াক, তারা মুক্তিযোদ্ধাদের একে অপরকে দিয়ে হত্যা করিয়েছে। তাদের নিজেদের ভুল ছিল না তা নয়, কিন্তু আমাদের মুক্তিযোদ্ধাগণের একের পর এক হত্যা বাংলাদেশকে কিভাবে পিছিয়ে দিল, তা ইতিহাস একদিন বলবে।

          এবারের আন্দোলন সাহসী ছাত্র তরুণদের নেতৃত্বে জনগণের আন্দোলন। কিন্তু, একটি দল এবং দেশী বিদেশী সুযোগ সন্ধানী এস্টাবলিশমেন্ট গত ৩ মাসে ছাত্রদের ভিলিফাই করেছে, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন দিয়ে ছাত্রদের মধ্যে বিভেদ ঘটিয়েছে, অন্য একটি তরুণ দলকে লেলিয়ে দিয়েছে ছাত্রদের বিরুদ্ধে, তদুপরি ছাত্রদের সাথে সম্মান জনকভাবে ডিল তো করেই নি, বরং ছাত্রদের তারা শত্রু গণ্য করেছে। তার পরিণতি কি ভালো হচ্ছে, বা হবে?

          তিনি আরও লিখেন, মনে রাখতে হবে, বিদেশি শক্তির কোন সাধ্য নাই এ দেশের মানুষকে পদানত করার। কিন্তু, গোলামির মানসিকতার কিছু গাদ্দার আর হঠকারীর এ শক্তি আছে। তারা গত তিন মাসে তা দেখাল।

          ছাত্রদের আজ সংঘাতের মুখে ঠেলে দিয়ে হত্যার মাধ্যমে ছাত্রদের বৈধতার সঙ্কট হলে, যারা যারা লাভবান হবে, তারা সবাই এ উসকানি এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার সাথে জড়িত। ধীরে ধীরে আমরা সবই বলব। অথবা, আপনারা চোখ খুললেই দেখতে পাবেন।

          মাহফুল লিখেন, এদিকে, বাম এবং ডান মানসিকতার কতিপয় নেতৃত্ব বা ব্যক্তি গণ অভ্যুত্থানে, এবং পরবর্তীতে সরকারে নিজেদের শরিকানা নিশ্চিত না করতে পেরে উন্মত্ত হয়ে গেছেন। তাদের উন্মত্ততা, বিপ্লবী জোশ এবং উসকানিমূলক কর্মকান্ড দেশটাকে অস্থির করে রেখেছে।

          অনেক মিত্রই আজ হঠকারীর ভূমিকায়। আমরা আমাদের ব্যর্থতা স্বীকার করি। আমরা শিখেছি এবং ব্যর্থতা কাটানোর চেষ্টাও করছি। আমরা আরো চেষ্টা করব সবাইকে নিয়ে এগুনোর। কিন্তু, হঠকারিতা এবং ছাত্রদের অন্যায্যতার চেষ্টা এ জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

          হঠকারিতা, উসকানি, ছাত্র-তরুণদের মধ্যে বিভেদ ও বিরোধ তৈরি, অভ্যুত্থানের শক্তিকে প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলার অপচেষ্টা—সবই ব্যর্থ করে দেয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।

          আমরা ৫ আগস্টের সকালের মতন ঐক্যবদ্ধ হওয়ার দিকে অগ্রসর হচ্ছি। এবারের সাংগঠনিকভাবে গড়ে ওঠা ঐক্য দীর্ঘস্থায়ী মুক্তির সুযোগ তৈরি করবে, ইনশাআল্লাহ।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত