শিরোনাম
জবি বাংলা বিভাগ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে তুষার-অর্জুন
রিদুয়ান ইসলাম, জবিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের বাংলা বিভাগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের তুষার মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অর্জুন বিশ্বাস মনোনীত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহীম ফরাজি ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
এই কমিটিতে অন্যান্যরা হলেন; সহ-সভাপতি মাহমুদুল হক সামি, মো. তরিকুল ইসলাম, মাহমুদুজ্জামান পাভেল, পাপুন চন্দ্র অধিকারী, জুনাঈদ হুসাইন রায়িন। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. হাসিবুল হাসান প্রিন্স, মো. ফয়সাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল-ইমরান, মো. শাহিন সুমন, মো. সজীব হোসেন, নাঈম হোসাইন, কার্তিক চন্দ্র রায়, মো. সাফিউল্লাহ সায়েম। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আফসানা মীমী ও ফারহানা জেসমিন।
অনুভূতি প্রকাশ করে তুষার বলেন, "সাধারণ শিক্ষার্থী ও মুক্তিকামী মানুষের পাশে থেকে তাদের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করে যাচ্ছে সেটি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে তরান্বিত করতে আমি সর্বদা বদ্ধ পরিকর।"
এর আগে, গত ২৫ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি অনুষদ, বিভাগ এবং ইনস্টিটিউটের পদপ্রত্যাশীদের সিভি জমা নেয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সম্মেলন
নাজমুস সাকিব আদিব, ঢাবিঃ দীর্ঘ চার বছর ৭ মাস পর ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নিউক্লিয়াস হিসেবে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রলীগের সম্মেলন।
শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এ সম্মেলন শুরু হয়।
সম্মেলনের উদ্ধোধন করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এসময় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
বিকেল তিনটায় সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সম্মেলনের উদ্ধোধক ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় দেরি করে আসায় বিকেল তিনটা ২৭ মিনিটে সম্মেলন উদ্ধোধন করা হয়।
সম্মেলন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত আছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস। আর সঞ্চালনা করছেন সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।
সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ১৮টি হল শাখার নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন অনুষদ, ইনস্টিটিউটের নেতাকর্মীরা যোগ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয় গত ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিলে। পরে ওই বছরের ৩১ জুলাই সনজিত চন্দ্র দাসকে সভাপতি ও সাদ্দাম হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়। গত ২১ নভেম্বর মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বহুল কাঙ্ক্ষিত এ সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়।
ইবিতে শাপলা ফোরামের নির্বাচন আগামীকাল
ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের ২০২২ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন আগামীকাল রবিবার অনুষ্ঠিত হবে । এ দিন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মমতাজ ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ ভোটগ্রহণ চলবে।
বুধবার দুপুরে কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের আহ্বায়ক ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর ড. দেবাশীষ শর্মা এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এ বছর শাপলা ফোরামের নির্বাচনে ৩০ জনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫২ জন শিক্ষক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তাদের প্রত্যক্ষ ভোটে ১৫ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ নভেম্বর নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহী শিক্ষকদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়। ২৯ নভেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। আগামী ৪ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে ঐ দিনই ফল প্রকাশ করা হবে। পরবর্তীকালে সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত ১৫ প্রতিনিধির মধ্য থেকে আলোচনাসাপেক্ষে সভাপতি, সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষসহ ১৫টি পদ বণ্টন করে কমিটি ঘোষণা করা হবে।
সার্বিক বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর ড. দেবাশীষ শর্মা বলেন, আমরা প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। বিধি অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা করা হবে।
জবির পরিসংখ্যান বিভাগ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে সাকিব-শাহীন
মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ, জবি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পরিসংখ্যান বিভাগ ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ওই বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল রাফি সাকিবকে সভাপতি ও মো. শাহীন আলমকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহীম ফরাজি ও সাধারণ সম্পাদক এস. এম. আকতার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগামী এক বছরের জন্য এ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।
এছাড়া কমিটিতে আবির মাহমুদ, জারিফ তাজওয়ার, শাহ নাবিল হোসেন তানিম ও রকিবুল ইসলামকে সহ-সভাপতি করা হয়েছে। অন্যদিকে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে আসাদুজ্জামান সিফাত, মাঈনুল হক সাকিব, ওমর ফারুক জয়, রিফাত চোধুরী সজল, শরিফুল হক তানজীম, তৌফাতুল ফেরদৌসী ঝিলিক ও আয়শা ইশরাতকে মনোনীত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে আব্দুল্লাহ আল রাফি সাকিব বলেন, আমাকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, পরিসংখ্যান বিভাগ শাখা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর সভাপতি পদে নির্বাচিত করায় আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধু ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রশ্নে আপোষহীন ছাত্রনেতা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহীম ফরাজী ভাই এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন ভাইয়ের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে আমি আমার মেধা ও দক্ষতার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর হাত কে শক্তিশালী করার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকবো। সেইসাথে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে আজীবন কাজ করে যাবো।"
তিনি আরও বলেন, "সাধারণ শিক্ষার্থী ও মুক্তিকামী মানুষের পাশে থেকে তাদের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করে যাচ্ছে সেটি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে তরান্বিত করতে আমি সর্বদা বদ্ধ পরিকর।"
এবিষয়ে পরিসংখ্যান বিভাগ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলম বলেন, প্রায় ১ যুগ পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহীম ফরাজি ভাই এবং সাধারণ সম্পাদক আমার নেতা এস. এম. আকতার হোসাইন ভাইয়ের নেতৃত্বে বিভাগ ভিত্তিক ছাত্রলীগের কমিটি দেয়া হয়েছে। আমাকে বিভাগ ইউনিটের যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তার প্রতিদান দিব। আমি আমার সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
উল্লেখ্য যে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের কমিটি দেওয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে চারটি বিভাগের কমিটির অনুমোদন দেয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
চবিতে ছাত্রলীগের দু`গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১৫
সাইফুল মিয়া, চবি: চিকা মারাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুই উপ-পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ ছাত্রলীগকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ভাঙচুর করা হয়েছে আবাসিক হলের প্রায় ১০টি কক্ষ। শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হলে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষে জড়ানো পক্ষ দুটি হলো- শাখা ছাত্রলীগের বগি ভিত্তিক উপগ্রুপ বিজয় ও ভার্সিটি এক্সপ্রেস (ভিএক্স)। বিজয় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেল ও ভিএক্স নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।
জানা গেছে, চবির এ এফ রহমান হলের দেয়ালজুড়ে বিজয় গ্রুপের চিকা মারা হয়েছে বছরখানেক আগে। হলটিতে বিজয় গ্রুপ একক আধিপত্য বিস্তার করলেও ভিএক্সের অনুসারীরা বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দিনভর চিকা মেরে নিজেদের অবস্থান জানান দেয়। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে দিনভর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায়। পরে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে এ এফ রহমান হলে সংঘর্ষে জড়ায় পক্ষ দুইটি। এতে আহত হয় প্রায় ১৫ জন কর্মী। তবে তাৎক্ষণিক আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। এদিকে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ভিএক্সের কর্মীরা ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে বিজয় গ্রুপের কর্মীদের হল থেকে বের করে দেয়। পরে বিজয় গ্রুপ আলাওল হলের মাঠে অবস্থান নিয়ে পাল্টা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে।
অন্যদিকে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় বিবাদে জড়ায় উভয়পক্ষ।
বিজয় গ্রুপের একাংশের নেতা আল আমিন বলেন, 'ভিএক্সের কর্মীরা বহিরাগতদের নিয়ে ফায়ার করেছে। এরপর মুখ ঢাকা অবস্থায় হলে প্রবেশ করে বিজয়ের ছাত্রদের রুম ভাংচুর করছে। অনেকেই হলের রুমে আটকা পড়ছে। আমরা এর বিচার চাই।'
ভিএক্স গ্রুপের নেতা ও ছাত্রলীগের সহ সভাপতি প্রদীপ চক্রবর্তীকে জানান, 'গতকাল ভোররাতে বিজয়ের ছেলেরা আমাদের চিকা মুছে দেয়। ভিএক্সের কর্মীরা এটার প্রতিবাদ করলে সংঘর্ষ বাঁধে। এখন ভিএক্সের কর্মীরা এ এফ রহমান হলে অবস্থান করছে আর বিজয়ের কর্মীরা হলের বাইরে আছে।'
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য