ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

মারধরের শিকার চবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নামিউল

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ অক্টোবর, ২০২২ ২২:৪৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
মারধরের শিকার চবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নামিউল

মো:সাইফুল মিয়া, চবি প্রতিনিধি:মারধরের শিকার হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সর্বকনিষ্ঠ সহ-সভাপতি নামিউল হক তোফায়েল। তিনি শাখা ছাত্রলীগের ১১৮ জন সহ-সভাপতির মধ্যে সবচেয়ে কনিষ্ঠ।

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ঝুপড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নামিউল হক তোফায়েল চবির অর্থনীতি বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী।

মারধরকারীরা ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক উপগ্রুপ ভিএক্স অনুসারী ও পদবঞ্চিত নেতাকর্মী বলে জানা গেছে। জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িত না থেকেই সহ-সভাপতি হওয়ার জের ধরে তোফায়েলকে মারধর করা হয়।

এ সময় খবর পেয়ে অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ঝুলন ধরসহ কয়েকজন শিক্ষক তাকে উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে জানতে ভুক্তভোগী নামিউল হক তোফায়েলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ঝুলন ধর বলেন, তোফায়েল অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র। আজ দুপুরে পরীক্ষা শেষে তোফায়েলকে কয়েকজন শিক্ষার্থী জোর করে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি তাদের বাধা দিলে তারা তোফায়েলের সঙ্গে কথা বলবে বলে নিয়ে যায়। পরে তাকে মারধর করেছে বলে শুনেছি। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে আমরা কয়েকজন শিক্ষক তোফায়েলকে ঝুপড়ি থেকে নিয়ে আসি। পরে শিক্ষক-বাসে করে শহরের মুরাদপুরে তাকে নামিয়ে দিই।

শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও ভিএক্সের নেতা সাদেক হােসাইন টিপু বলেন, রাজনীতি না করে সে কীভাবে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পদ পায়? অথচ যারা ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন রাজনীতি করছে, তারাও অনেকে পদ পায়নি। তোফায়েলের রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়েও প্রশ্ন আছে। এজন্য আমাদের জুনিয়ররা তার সঙ্গে কথা বলেছে। তাকে মারধর করা হয়নি।

সহকারী প্রক্টর অরূপ বড়ুয়া বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। দুইজন সহকারী প্রক্টর ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তখন কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের ৩১ জুলাই ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র না মেনে চবি ছাত্রলীগের ৪২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে ১১৮ জনকে সহ-সভাপতি করা হয়। যেখানে সর্বোচ্চ ২০০৮-০৯ সেশন থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন ২০১৮-১৯ সেশন পর্যন্ত সহ-সভাপতি পদ দেওয়া হয়। এ ছাড়া কমিটি ঘোষণার পর থেকে কমিটিতে অছাত্র, বিবাহিত ও নিষ্ক্রিয় কর্মীদের পদায়নের অভিযোগ ও বর্ধিত কমিটির দাবিতে কয়েক দফায় আন্দোলন করেন ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইবিতে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রকল্যাণের নতুন কমিটি

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৮ অক্টোবর, ২০২২ ১০:২৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ইবিতে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রকল্যাণের নতুন কমিটি

    ইবি প্রতিনিধি:ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সামিউল ইসলাম সামী এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ সানি মনোনীত হয়েছেন।

    বুধবার ( ২৬ অক্টোবর ) সদ্য সাবেক সভাপতি হাসিবুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন আগামী ১ বছরের জন্য এই কমিটির অনুমোদন দেন।

    কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ, হারাধন মোদক, মোসাদ্দিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান, সোহানুর রহমান ইমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদরুল আমিন পিয়াস, মরিয়ম আক্তার মুক্তা, নুরুল ইসলাম, ওবায়দুর রহমান আনাস, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহমেদ, রিমন আহমেদ, পিয়েল হাসান ইয়াসিন, সালমান বিন আরিফ খান, অর্থ সম্পাদক শামসুত তাবরীজ, সহ-অর্থ সম্পাদক একে এম আবদুল্লাহ মেহেদী, দপ্তর সম্পাদক তাহসীন বিন আল হাসান বাপ্পী, উপ-দপ্তর সম্পাদক রিপন মিয়া, প্রচার সম্পাদক তানভীর হাসান, উপ-প্রচার সম্পাদক আশিকুর রহমান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মিযানুর রহমান, সহ শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক রাফিউল ইসলাম রাফি, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ফুয়াদ হাসান, উপ সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক শিহাব আহমেদ।

    এছাড়া ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ সোহাগ, উপ-ক্রীড়া সম্পাদক মোকছেদুল আলম শামীম, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদীকা মাইমুনা জান্নাত ঐশী, উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদীকা আইরিন হাসান, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোর্শেদ আলম, সহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মিযানুর রহমান অপূর্ব, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মামুন, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান সাহারাত, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জুনায়েদ খান, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক দ্বীন ইসলাম, গণযোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম সিয়াম, পাঠাগার ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক রুবাইয়াত হাসান তানিয়া। সদস্য হিসেবে আছেন নূর হোসাইন আল রিফাত, মিযানুর রহমান মিযান, জান্নাতুল মাওয়া, অর্পি আরা অর্থী, আশরাফুল ইসলাম, সিয়াম আহমেদ সিফাত, তুফফাহুল জান্নাত, তানজিল হাসান পলাশ, খালিদ সাইফুল্লাহ তাহমীদ।

    সদ্য সভাপতি সামিউল ইসলাম সামী বলেন, ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ যেভাবে এগিয়ে চলেছে, তার সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব কমিটির বাকি সকলকে সাথে নিয়ে। আশা করি এর ধারা আরও বেগবান করার জন্য সকলকেই পাশে পাবো।

    উল্লেখ্য, পরিষদের উপদেষ্টামণ্ডলী হিসেবে আছেন অধ্যাপক ড. আবু রায়হান, অধ্যাপক ড. মিন্নাতুল করিম, হাসিবুল হাসান, দেলোয়ার হোসেন ও ওবায়দুল হক

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      নতুন নেতৃত্ব পেল কুবির শেখ হাসিনা হল শাখা ছাত্রলীগ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২০ অক্টোবর, ২০২২ ২১:৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      নতুন নেতৃত্ব পেল কুবির শেখ হাসিনা হল শাখা ছাত্রলীগ

      হেদায়েতুল ইসলাম নাবিদ, কুবি প্রতিনিধি:কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শেখ হাসিনা হল শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন কাজী ফাইজা মাহজাবিন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জেবুন নেসা বিনতে জামান সিসিলি৷

      বুধবার (১৯ অক্টোবর ) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ এবং সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

      কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন তাহরিমা আক্তার তৃষা, সামিয়া তাসনিম স্বর্ণা, ওয়াসিকা কাদের রাফা ও মৃধুলা সরকার রূপা৷ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আতেফা নাহার লিয়া, রাবিনা ঐশি ও জান্নাতুল মাওয়া৷ সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন শারমিন আক্তার পায়েলও শারমিন আক্তার মেঘলা৷

      কুবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, শেখ হাসিনা হল আমাদের নতুন সাংগঠিনক ইউনিট। ইউনিটটির কার্যক্রম গতিশীল করতে আমরা হল ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছি।এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে। তিনি আরও বলেন কমিটির কারো বিষয়ে কোন বির্তক থাকলে আমরা অবশ্যই সাংগঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

      উল্লেখ্য, বিজ্ঞপ্তিতে আগামী ১ মাসের মধ্যে পুর্নাঙ্গ কমিটি জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়৷ এছাড়া, এ কমিটি আগামী ১ বছর দায়িত্ব পালন করবে৷

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বিএনপি উল্টাপাল্টা স্বপ্ন দেখলে খালেদা জিয়াকে কারাগারে ফেরতের কথা ভাবতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১০ অক্টোবর, ২০২২ ১৯:৫৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বিএনপি উল্টাপাল্টা স্বপ্ন দেখলে খালেদা জিয়াকে কারাগারে ফেরতের কথা ভাবতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

        তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি উল্টাপাল্টা স্বপ্ন দেখলে খালেদা জিয়াকে কারাগারে ফেরতের কথা ভাবতে হবে।

        আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন হাছান মাহমুদ।

        বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানের সাম্প্রতিক মন্তব্য ‘১০ ডিসেম্বরের পর খালেদা জিয়ার কথায় দেশ চলবে’ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমান উল্লাহ আমান সাহেব সম্ভবত এ ধরনের কোনো কিছু স্বপ্নে দেখেছেন। অথচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কৃপা-বদান্যতাতেই বেগম খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে আছেন।’

        আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেশ পরিচালনার বিষয়ে আমান উল্লাহ আমান সাহেবরা যদি উল্টাপাল্টা স্বপ্ন দেখতে থাকেন, তাহলে সরকারকে ভাবতে হবে বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বদান্যতা দেখিয়েছেন, সেটির আদৌ প্রয়োজন আছে, নাকি তাঁকে আবার কারাগারে পাঠাতে হবে।’ মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামালকে নিয়ে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর মন্তব্য সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সুলতানা কামালের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, তিনি একজন মানবাধিকারকর্মী, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী এবং তাঁর অনেক বক্তব্যের সঙ্গে আমি নিজেও একমত নই। তাঁর বেশির ভাগ বক্তব্যই সরকারের বিরুদ্ধে। তাই বলে তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে কথা বলা শালীনতা ও শিষ্টাচারবিবর্জিত।’ তথ্যমন্ত্রী বলেন, যাঁরা এ ধরনের মানবাধিকারকর্মী বা সমালোচক, তাঁরা নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গিতেই বিষয়গুলো দেখেন, তাঁদের বক্তব্যের সমালোচনা হতে পারে কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ হওয়া সমীচীন নয়। হাছান মাহমুদ বলেন, ‘রিজভী সাহেব সুলতানা কামালের ব্যাপারে বক্তব্য দিতে গিয়ে যেভাবে তাঁকে আওয়ামী লীগের দালাল বলেছেন, কখন যে রিজভী সাহেব মির্জা ফখরুল সাহেবকেও আওয়ামী লীগের দালাল বলে বসেন, আমি সেই শঙ্কার মধ্যে আছি।’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ‘পাকিস্তানই ভালো ছিল’ মন্তব্যের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেবের বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে তার অর্থ দাঁড়ায়—বাংলাদেশ হওয়াটা সঠিক হয়নি। অর্থাৎ তাঁর মতে, জিয়া মেজর থাকলেই ভালো ছিল। কারণ, বাংলাদেশের সৃষ্টি না হলে জিয়া তো মেজরই থাকতেন, মেজর জেনারেল হতে পারতেন না।’ তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে মির্জা ফখরুল সাহেব আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সবার প্রতি অবমাননা করেছেন এবং তিনি বাংলাদেশে রাজনীতি করার অযোগ্য হওয়া উচিত। অন্য কোনো দেশ হলে তাঁর বিরুদ্ধে নানা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতো এবং তিনি সেই দেশে রাজনীতি করার অযোগ্য হতেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এ নিয়ে যেভাবে কথাবার্তা ও বিশ্লেষণ হওয়া দরকার ছিল, সেটি আমি দেখতে পাচ্ছি না।’

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          আপনারা চমকের জন্য প্রস্তুত থাকতে পারেন'

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২ অক্টোবর, ২০২২ ২১:১২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          আপনারা চমকের জন্য প্রস্তুত থাকতে পারেন'

          নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে যুগপৎ আন্দোলন নিয়ে কল্যাণ পার্টির সঙ্গে সংলাপ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

          আজ রোববার গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই সংলাপ হয়। কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেন।

          সংলাপ শেষে মির্জা ফখরুল বলেন, 'বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আন্দোলনের দাবিগুলোর বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি।'

          'প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে আমরা নির্বাচনের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ব্যাপারে একমত হয়েছি। আমরা এই সরকারের পদত্যাগের ব্যাপারে একমত হয়েছি। সংসদ বিলুপ্ত করার ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। একই সঙ্গে আমরা খালেদা জিয়াসহ সব নেতা-কর্মীর মুক্তি এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের বিষয়েও একমত হয়েছি।'

          বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিএনপির চলমান সংলাপের ব্যাপারে মির্জা ফখরুল বলেন, 'প্রথম দফা সংলাপে আমরা যুগপৎ আন্দোলনে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে নীতিগতভাবে একমত হয়েছিলাম।'

          'দ্বিতীয় দফা সংলাপে আমরা কোন কোন দাবিতে বা কোন কোন ইস্যুতে আন্দোলনটা করব সেই বিষয়ে আলোচনা করে ঐকমত্যে এসেছি।'

          তিনি জানান, দ্বিতীয় দফায় আওয়ামী লীগ ছাড়া সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হবে।

          কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, 'আমাদের সকল সদস্য এই আলোচনা অংশ নিয়েছেন এবং আমরা বলেছি যে, যুগপৎ আন্দোলন কবে? তবে আমরা একমত হয়েছি তারিখটা প্রকাশ না করার জন্যে।'

          তিনি বলেন, 'বাংলা শব্দ বলতে পারি, চমক আছে। আপনারা তার জন্যে প্রস্তুত থাকতে পারেন।'

          বিএনপি মহাসচিব প্রথম দফায় ২০ দলীয় জোট, গণতন্ত্র মঞ্চের মোট ২৩টি দলের সঙ্গে সংলাপ করেছেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত