শিরোনাম
চাকরি ফিরে পেয়ে ৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বললেন আলোচিত দুদক কর্মকর্তা শরীফ
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে বরখাস্ত হওয়া মো. শরীফ উদ্দিনকে পুনরায় চাকরিতে বহাল করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি, তার সব বকেয়া বেতন ও প্রাপ্য সুবিধাও পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।
বুধবার (০৯ জুলাই) বিচারপতি রেজাউল হাসান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের রায়ের পর শরীফ উদ্দিন তিনবার আলহামদুলিল্লাহ শব্দ উচ্চারণ করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন। এ সময় শরীফ বলেন, তিন বছরের আইনি লড়াই শেষে হাইকোর্ট থেকে ন্যায় বিচার পেয়েছি। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান না হলে হয়তো এই ন্যায়বিচার পেতাম না। চাকরি হারানোর পর অনেক কষ্টে জীবন যাপন করেছি। আজ থেকে সব দুঃখ কষ্ট মুছে গেল। আর কোনো দুঃখ নেই।
হাইকোর্টের রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সব সুযোগ সুবিধা দিয়ে তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে বলা হয়েছে। আদালতে শরীফের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন।
আদালতের রায়ের পর এক প্রতিক্রিয়া বরখাস্ত হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন বলেন, আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পর আজকের যে প্রেক্ষাপট। এই প্রেক্ষাপট আমাকে ন্যায় বিচার পেতে সহায়তা করেছে। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।
এর আগে ২০২২ সালের ১৩ মার্চ চাকরি ফেরত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন দুদকের সাবেক উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন। শরীফের পক্ষে ব্যারিস্টার মিয়া মোহাম্মদ ইশতিয়াক রিটটি দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনকে দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ সই করা এক প্রজ্ঞাপনে অপসারণ করা হয়।
আলোচিত দুদক কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিনের চাকরি জ্যেষ্ঠতাসহ পুনর্বহালের নির্দেশ
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে চাকরিচ্যুত উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনের চাকরি ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে ফেরত দিতে বলা হয়েছে পাওনা সকল বেতন ও সুযোগ সুবিধাও। চাকরিচ্যুতির বৈধতা নিয়ে শরীফ উদ্দিনের করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় দেওয়া হয়।
বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার এ রায় দেন।
তিন বছর আগে ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি শরীফ উদ্দিনকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। কোনো ধরনের কারণ দর্শানো ছাড়াই কোনো কর্মীকে চাকরি থেকে অপসারণ-সংক্রান্ত দুদক কর্মচারী বিধিমালার ৫৪ (২) বিধির বৈধতা নিয়ে ও চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়ে একই বছরের ১৩ মার্চ শরীফ রিট করেন।
প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে দুদকের উপসহকারী পরিচালক পদ থেকে শরীফ উদ্দিনকে চাকরিচ্যুতির আদেশ কেন বেআইনি হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে বেতন, সব সুবিধাসহ তাঁকে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা–ও জানতে চাওয়া হয় রুলে। দুদকসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
রুলের ওপর গতকাল মঙ্গলবার শুনানি শেষে আদালত আজ রায়ের জন্য দিন রেখেছিলেন। রুল যথাযথ (অ্যাবসলিউট) ঘোষণা করে আজ রায় দেওয়া হলো।
রায়ের সময় শরীফ উদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম কার্যালয়ে কর্মরত থাকাকালে বেশকিছু বড় দুর্নীতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মো. শরীফ উদ্দিন। এরপরই একাধিক মহলের রোষানলে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে।
সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি পরিবারসহ হত্যার হুমকি পান শরীফ। পরিবারসহ হত্যার হুমকি পাওয়ায় কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আইয়ুব খান চৌধুরী ও তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে সিসি টিভির ফুটেজসহ চট্টগ্রামের খুলশী থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেন।
দুদকের মামলায় খালাস পেলেন হানিফ পরিবহনের মালিক
সম্পদের হিসাব দাখিল না করার অভিযোগে দুদকের করা মামলায় হানিফ পরিবহনের মালিক হানিফ মিয়াকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৭ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় দেন। এদিন রায় ঘোষণার সময় হানিফ মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. বেলাল হোসেন খালাসের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা না দেওয়ায় ২০২১ সালে ৪ এপ্রিল দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এর উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি মো. হানিফ মিয়া নিজ নামে ৩ কোটি ৩ লাখ ৫৬ হাজার ১৬৩ টাকা টাকার স্থাবর সম্পদ ও ১ কোটি ৮০ হাজার ২০৯ টাকা অস্থাবর সম্পদসহ মোট চার কোটি ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৩৭২ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। এই সম্পদের মধ্যে জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত ১ কোটি ৭৫ লাখ ৩৬ হাজার ৭০৭ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(১) ধারার বিধান মতে দুর্নীতি দমন স্থায়ী কমিশন ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারি করা হয়। একই বছরে ৯ ডিসেম্বর নোটিশ তামিল হয়। পরবর্তীতে তিনি ওই সময়ের মধ্যে জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হন।
২০২৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় আওয়ামী লীগের এক জনসভায় গ্রেনেড হামলা হয়। হামলায় ২৪ জন নিহত এবং তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাসহ অনেকে আহত হন। ওই মামলায় রায়ে তাকে ফাঁসির দণ্ড প্রদান করা হয়। তিনি পলাতক থাকা অবস্থায় ওই রায় ঘোষণা করেন আদালত। পরবর্তীতে উচ্চ আদালত ওই রায় বাতিল করে সব আসামিকে খালাস প্রদান করেন।
ছাত্রদের 'রাজাকারের বাচ্চা' বলেননি শেখ হাসিনা : ট্রাইব্যুনালে আইনজীবী
গত বছরের জুলাই মাসে হওয়া কোটাবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের রাজাকার বলেননি শেখ হাসিনা। এটির অপব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনজীবী মো. আমির হোসেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানিতে সোমবার (৭ জুলাই) এমন মন্তব্য করেন রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। এদিন জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল।
এদিন জুলাই-আগস্টে সারাদেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দেওয়া মামলায় হাসিনার অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন এই আইনজীবী।
আদালতে শেখ হাসিনার আইনজীবী দাবি করেন, গত বছরের ১৪ জুলাই সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের রাজাকার বলে আখ্যায়িত করেননি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এ বক্তব্যটির অপব্যাখ্যা করা হয়েছে। এছাড়া আসামিরা নির্দোষ। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অতএব, মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার তাদের হক রয়েছে।
শুনানিতে রাষ্ট্রের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম। শুনানি শেষে এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ১০ জুলাই দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে, ১ জুলাই এ মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন। ওইদিন আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগ তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলজুড়েই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। পরিমাণে, সংখ্যায় ও স্থানের দিক দিয়ে এ অপরাধ ছিল বিস্তৃত-ব্যাপক। অপরাধ ছিল সিস্টেমেটিক বা পদ্ধতিগত।
ট্রাইব্যুনালকে তাজুল ইসলাম বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এসব সংঘটিত হয়েছে। তার নির্দেশের চেইন অব কমান্ড অনুসারে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সব জায়গায় একই পদ্ধতিতে অপরাধ সংঘটন করেছে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী। এছাড়া সারাদেশে একই পদ্ধতিতে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। সুতরাং এসব অপরাধ মানবতাবিরোধী বলে প্রমাণিত হয়।
আদালত অবমাননা :
শেখ হাসিনার ৬ মাসের কারাদণ্ড
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনাকে ৬ মাসের এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের শাকিল আকন্দ বুলবুলকে দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করা, মামলার বাদী ও সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানো এবং হুমকি দেওয়ায় ট্রাইব্যুনাল আইনে এই সাজা দেওয়া হয়েছে।
আজ (বুধবার) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মোহিতুল হক চৌধুরী ও বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ।
তারা আদালতে আত্মসমর্পণের পর বা যেদিন গ্রেপ্তার হবেন, সেদিন থেকে এই সাজা কার্যকর হবে। এই প্রথম কোনো মামলায় শেখ হাসিনাকে সাজা দিলেন বাংলাদেশের কোনো আদালত। দেশের পট পরিবর্তনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এটাই প্রথম সাজার রায়।
আদালতে শেখ হাসিনা ও শাকিলের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন। অ্যামিক্যাস কিউরি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ ওয়াই মশিউজ্জামান। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর তানভীর জোহা।
এর আগে গত ১৯ জুন ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে যাওয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা মামলার বিচারের স্বচ্ছতার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ ওয়াই মশিউজ্জামানকে অ্যামিক্যাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) নিয়োগ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের বাকি দুই সদস্য হলেন— বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হওয়া আদালত অবমাননার মামলার শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। এই মামলার অপর আসামি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের শাকিল আকন্দ বুলবুল ওরফে মো. শাকিল আলম (৪০)।
‘২২৬ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি’, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া এমন একটি অডিও বক্তব্য শেখ হাসিনার উল্লেখ করে তিনিসহ দুজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
গত ৩০ এপ্রিল এ-সংক্রান্ত শুনানিতে দুই আসামিকে ২৫ মে ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। ধার্য তারিখে তারা হাজির হননি। কিংবা আইনজীবীর মাধ্যমে ব্যাখ্যাও দেননি। সেদিন ট্রাইব্যুনাল দুই আসামিকে সশরীরে হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দিতে নির্দেশ দেন। পরদিন দুটি সংবাদপত্রে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞপ্তিতে দুজনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য