ঢাকা, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
 
শিরোনাম

চোখ ওঠা সমস্যায় যেসব খাবার উপকারী

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৩:৩৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
চোখ ওঠা সমস্যায় যেসব খাবার উপকারী

চোখ ওঠার সমস্যা সাধারণ মনে হলেও এটি ভীষণ যন্ত্রণাদায়ক। এই সমস্যার কারণে চোখ লাল হয়ে যায়, সেইসঙ্গে থাকে ব্যথা ও খচখচে ভাব। চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়তে থাকে। এটি হতে পারে ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়ার কারণে। আমাদের অপরিষ্কার জীবনযাপন হতে পারে এক্ষেত্রে দায়ী। কনজাঙ্কটিভার রক্তনালিগুলো প্রদাহের কারণে ফুলে বড় হয়ে যায়। যে কারণে বেড়ে যায় রক্তপ্রবাহ। ফলে চোখ ওঠা সমস্যা দেখা দেয়।

চোখ ওঠার লক্ষণ

* ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ আঠালো লাগা

* চোখের ভেতর কিছু একটা পড়েছে এমন অনুভূতি

* চোখ চুলকানো এবং জ্বালাপোড়া

* আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি

* সবকিছু ঘোলা দেখা

* চোখ দিয়ে পানি পড়া

* চোখের কোণে ময়লা জমা

* চোখ ফুলে যাওয়া।

চোখ ওঠার সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চলতে পারলে সবচেয়ে ভালো। তবে শুধু ওষুধ নয়, সেরে ওঠার জন্য কিছু খাবারও খেতে হবে। আমাদের পরিচিত কিছু খাবার আছে যেগুলো চোখ ওঠাসহ চোখের নানা সমস্যায় উপকারী। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক চোখ ওঠা সমস্যায় কোন খাবারগুলো উপকারী-

বিট লবণ

চোখ ভালো রাখতে বিশেষভাবে কাজ করে এই লবণ। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বিট লবণ চোখের জন্য ভালো। এই লবণে আছে এমন কিছু উপাদান যা চোখের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে কাজ করে। তাই চোখ ওঠার সমস্যা দেখা দিলে খাবারে বিট লবণ যোগ করতে পারেন। তবে তা অতিরিক্ত খাবেন না। কারণ অতিরিক্ত লবণ খেলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

​ত্রিফলা

ত্রিফলা মানে তিন ফল। আমলকী, হরীতকী ও বহেরা থাকে এতে। এই ত্রিফলা নানা রোগ দূরে রাখতে কার্যকরী। চোখ ওঠাসহ চোখের আরও অনেক সমস্যা দূর করতে কাজ করে এটি। এর সঙ্গে সম পরিমাণ মধু ও ঘি মিশিয়ে খাবেন। তবে ত্রিফলা চূর্ণ করে বেশিদিন রেখে খাবেন না।

​আমলকী

মুখের স্বাদ বাড়ানো থেকে শুরু করে আরও অনেক কাজে লাগে আমলকী। এই ফলে থাকে প্রচুর ভিটামিন সি। চোখ ওঠা থেকে শুরু করে রেটিনার কোষ ঠিক করে দিতে পারে এই ফল। তাই শুধু চোখ ওঠা সমস্যায়ই নয়, নিয়মিত খান আমলকী। এতে সব সময়ই উপকারিতা পাবেন।

​কিশমিশ

কিশমিশে থাকে পর্যাপ্ত পলিফেনলস। নিয়মিত কিশমিশ খেলে তা শরীর থেকে ফ্রি র্যাডিকেলস দূর করে। সেইসঙ্গে এটি চোখের মাসলের উন্নতিতেও সাহায্য করে। চোখ ভালো রাখতে চাইলে তাই নিয়মিত কিশমিশ খেতে হবে। রাতে কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি খেলেও উপকার পাবেন।

​মধু ও ঘি

মধু কিংবা ঘিয়ের স্বাদ পছন্দ করেন না এমন মানুষ কমই আছে। এই দুই খাবারই চোখের জন্য ভীষণ উপকারী। চোখ ওঠা সমস্যায় এই দুই খাবার দ্রুত কাজ করে। মধুতে থাকে প্রয়োজনীয় অনেক ভিটামিন ও মিনারেল যা চোখকে সুস্থ রাখতে কাজ করে। সেইসঙ্গে ঘি খেলেও উপকার মেলে দ্রুত।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    করোনার পর এবার বাদুড় থেকে ছড়াচ্ছে নতুন এক ভাইরাস

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৩:৩৪
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    করোনার পর এবার বাদুড় থেকে ছড়াচ্ছে নতুন এক ভাইরাস

    করোনাভাইরাস ও তার প্রভাবে সৃষ্ট মহামারির ধকল এখনও চলছে বিশ্বে, তার মধ্যেই এই ভাইরাসটির সমগোত্রীয় নতুন একটি ভাইরাসের সন্ধান পেয়েছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। নতুন এই ভাইরাসটির নাম রাখা হয়েছে খোস্টা-২।

    প্রাথমিক গবেষণায় জানা গেছে, মূল করোনাভাইরাস বা সার্স-কোভ ২ এবং নতুন এই খোস্টা-২ একই ভাইরাস পরিবারের সদস্য। সেই ভাইরাস পরিবারের নাম সার্বেকোভাইরাস।

    আরও সাদৃশ্য রয়েছে দু’টি ভাইরাসের মধ্যে; যেমন— দুই ভাইরাসেরই প্রধান পোষক বা বাহক প্রাণীর নাম বাদুড়। ২০১৯ সালে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরের সি ফুড মার্কেট থেকে বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়িয়েছিল করোনাভাইরাস, আর খোস্টা ২ ভাইরাসের অস্তিত্ব প্রথম শনাক্ত হয়েছে রাশিয়ার বাদুড়ের দেহে।

    মার্কিন বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সার্স-কোভ ২ ভাইরাসের মতোই খুব সহজে এটি মানবদেহের কোষে প্রবেশ করে বংশবিস্তারের মাধমে গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যুঝুঁকি তৈরিতে সক্ষম; এবং উদ্বেগের ব্যাপার হলো— করোনার টিকায় এই ভাইরাসের কোনো ক্ষতি হয় না।

    সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের টাইম ম্যাগাজিনে নতুন এই ভাইরাসটির ওপর একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাশিয়ার বাদুড়দের দেহে খোস্টা ২’র সমধর্মী নামের আরও একটি ভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। সেই ভাইরাসটির নাম দেওয়া হয়েছে খোস্টা ১।

    তবে এই ভাইরাসটি বাদুড় ও অন্যান্য প্রাণীর দেহে যত সহজে প্রবেশ করতে পারে, মানবদেহে পারে না। ফলে খোস্টা ২’র তুলনায় খোস্টা ১ মানুষের জন্য অনেক কম ঝুঁকিপূর্ণ।

    মার্কিন এই গবেষক দলের অন্যতম সদস্য মাইকেল লেটকো দেশটির সাময়িকী নিউজউইককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, বাদুড়ের দেহে শনাক্ত হলেও করোনাভাইরাসের মতো প্যাঙ্গোলিন, র‌্যাকুন, পাম সিভেটের মতো অন্যান্য প্রাণীদেহকেও পোষক হিসেবে ব্যবহার করার ক্ষমতা আছে খোস্টা ২’র।

    নিউজউইককে তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের মতো এই ভাইরাসটিও বিশ্বজুড়ে মহামারি উস্কে দেবে কিনা— তা গবেষণার এই পর্যায়ে আমরা এখনই বলতে পারছিনা। তবে উদ্বেগের ব্যাপার হচ্ছে—সার্স- কোভ ২ ভাইরাসের সমধর্মী ভাইরাস হলেও ভাইরাসটি করোনা টিকা প্রতিরোধী এবং যদি করোনার সঙ্গে মিলিতভাবে এই ভাইরাসটি কোনোভাবে মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে, সেক্ষেত্রে গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দেওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      দুই মিনিটেই দূর হবে মেদ-ভুড়ি!

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৯:২৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      দুই মিনিটেই দূর হবে মেদ-ভুড়ি!

      চীনে প্রাচীন চিকিৎসাশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে মাত্র দুই মিনিট ম্যাসাজেই পেটের মেদ-ভুড়ি দূর হয়।

      জনপ্রিয় লাইফস্টাইল সাইট মেকআপ অ্যান্ড বিউটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বিশেষ সেই পদ্ধতির কথা।

      প্রতিদিন মাত্র দুই মিনিট পেটের ওপর ম্যাসাজ করলেই কমে যাবে পেটের চর্বি। মেদ বা চর্বি কমাতে যা করতে হবে:

      • মেঝেতে একটি মাদুর বিছিয়ে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ুন

      • দুটি হাতের পাতা পরস্পরের সঙ্গে ঘঁষতে থাকু‌ন যতক্ষণ না হাতের পাতা দুটি গরম হয়ে ওঠে

      • পেটের ওপর থেকে কাপড় সরিয়ে নিন

      • একটি হাতের পাতা রাখুন নাভির ওপরে। খেয়াল রাখবেন, হাতের আঙুল যেন ভাঁজ না হয়ে যায়

      • এবার অন্য হাত দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পেটে ম্যাসাজ করুন।

      মেদহীন আকর্ষণীয় পেট পেতে আজ থেকেই শুরু করুন, সময় তো লাগছে মাত্র তো দুই মিনিট।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        হঠাৎ বাড়ছে চোখ ওঠা রোগী, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৮:১৮
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        হঠাৎ বাড়ছে চোখ ওঠা রোগী, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

        রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হঠাৎ প্রকোপ বাড়ছে চোখ ওঠা রোগের। প্রায় প্রতিটি ঘরেই কেউ না কেউ এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, ভাইরাসজনিত রোগটি শীত ও গরমের মাঝামাঝি বেশি হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এ রোগকে কনজাংটিভাইটিস বলা হয়। রোগটি ছোঁয়াচে হওয়ার কারণে দ্রুত অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ৭ থেকে ১০ দিন পর চলে যায়। তাই আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

        এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামস মোহাম্মদ নোমান বলেন, চোখ ওঠা একটি ভাইরাল ইনফেকশন। সাধারণত যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, যেমন- বয়স্ক ও শিশুদের বেশি হচ্ছে। রোগটি একই সময়ে বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন কমিউনিটিতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

        ৭ থেকে ১০ দিন ভোগার পর এটি ধীরে ধীরে নিরাময় হয় জানিয়ে তিনি বলেন, যেখানে মানুষের ভিড় বেশি সেখানে রোগটি বেশি ছড়ায়। এটি একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ায়। বছরের যে কোনো সময়, যে কারো এটি হতে পারে। তবে নির্দিষ্ট সময় শেষে রোগী সুস্থ হয়ে যায়।

        লক্ষণ

        চোখের নিচের অংশ লাল হয়ে যাওয়া।

        চোখে ব্যথা, খচখচ করা ও অস্বস্তি অনুভব করা।

        প্রথমে এক চোখ আক্রান্ত হয়, পরে অন্য চোখে ছড়িয়ে পড়ে।

        চোখ থেকে পানি পড়তে থাকে।

        চোখ ফুলে লাল হয়ে যায়।

        চোখ চুলকাতে থাকে। চোখে আলো পড়লে খুব অস্বস্তি লাগে।

        প্রতিরোধের উপায়

        অসুস্থ ব্যক্তিকে পরিবারের অন্য সদস্যদের থেকে আলাদা থাকতে হবে জানিয়ে ডা. শামস মোহাম্মদ বলেন, যার চোখ ওঠা সমস্যা দেখা দিবে, সে পরিবারের অন্যদের থেকে সে আলাদা থাকবে। অসুস্থতার মধ্যে অন্য ইনফেকশন হলে রোগীর জটিলতা তৈরি হয়। এজন্য এ সময়ে আলাদা জীবন-যাপন করলে নিজে এবং অন্যরা ভালো থাকবে।

        অসুস্থ অবস্থায় সবাইকে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়ে এ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেন, শিশুর কনজাংটিভ হলে বিদ্যালয়ে না পাঠানো, কর্মজীবী হলে কর্মস্থলে না যাওয়া। এতে দ্রুত পরিত্রাণ মিলবে।

        জনবহুল স্থানে দ্রুত ছড়ায়

        জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের গ্লুকোমা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ইফতেখার মো. মুনির বলেন, চোখ ওঠা রোগকে ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস বলা হয়। এটা সিজনাল একটি রোগ। ঋতু পরিবর্তনের ফলে ভাইরাল ইনফেকশন হচ্ছে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে হিউমিডিটির (বাতাসে থাকা পানির মাত্রা) পরিবর্তন হয়। হিউমিডিটি বেশি হলে ভাইরাল রোগগুলো বেশি ছড়িয়ে পড়ে। এটি ছোঁয়াচে রোগ। বাংলাদেশের মতো জনবহুল ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশে এ রোগে কেউ আক্রান্ত হলে দ্রুত অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে।

        তিনি আরও বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র অন্যজনে ব্যবহার করার কারণে সংক্রমণ বেড়ে যায়। যেমন- বাসার তোয়ালে, বালিশ এগুলো একে অন্যেরটা ব্যবহার করে। স্কুলে বাচ্চারা একেবারে গাদাগাদি করে বসে। ফলে একজন আক্রান্ত হলে অন্যরা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ সংক্রমণটি দ্রুত ছড়ায়। তবে এটি বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না।

        আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়ে এ চক্ষু বিশেষজ্ঞ বলেন, এ রোগে আক্রান্ত হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কম বেশি সকলের এ রোগ হয়ে থাকে। যেহেতু এটি ভাইরাল রোগ, তাই নির্দিষ্ট জীবন চক্র শেষে ভাইরাসটি শেষ হয়ে যায়।

        সর্তকতা

        আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত তোয়ালে, বালিশ, খাবারের প্লেট ও পানির গ্লাস আলাদা করতে হবে।

        চোখে যাতে সরাসরি আলো না পড়ে, এজন্য সানগ্লাস ব্যবহার করতে হবে।

        চোখে ঠাণ্ডা শেক দিতে পারেন।

        চোখ চুলকাবেন না।

        এক চোখে সমস্যা দেখা দিলে অন্য চোখকে সংক্রমণ থেকে নিরাপদে রাখতে হবে।

        আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ পরিহার করতে হবে।

        হ্যান্ডশেকের মাধ্যমেও অন্যরা আক্রান্ত হতে পারেন। তাই হ্যান্ডশেক করার পর দ্রুত হাত ধুয়ে ফেলুন। নোংরা হাতে কখনোই চোখে হাত দেবেন না।

        সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চোখে পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

        চোখে সাবধানে টিস্যু বা নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হবে। ব্যবহার করা সেই টিস্যু বা কাপড় সাবধানে নিরাপদ স্থানে ফেলতে হবে, যাতে এ রোগ অন্য কারো না হয়।

        চিকিৎসা

        চোখের নিচের অংশ লাল হয়ে গেলে, চোখে ব্যথা করলে, খচখচ করা বা অস্বস্তি লাগলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. ইফতেখার মুনির। সেই সঙ্গে দিয়েছেন, নিম্নোক্ত চিকিৎসার পরামর্শ।

        এন্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহার করতে হবে, যাতে অন্যকোন ব্যাকটেরিয়া না ঢুকতে পারে।

        ঘনঘন ড্রপ দিলে চোখের ময়লা বের হয়ে যাবে, এতে রোগীর আরাম লাগবে।

        ব্যথা থাকলে পেইন কিলার হিসেবে প্যারাসিটামল খাবেন।

        একই বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হাসান বলেন, এ রোগটি সিজন পরিবর্তনের সময় বেশি হয়। সিজনটা যেহেতু পরিবর্তন হচ্ছে, তাই এ সময় চোখে যাতে ধুলাবালি প্রবেশ না করে, ধোঁয়া না লাগে ও কেমিক্যাল না ঢুকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

        এ রোগ নিরাময়ে ওষুধের তেমন প্রয়োজন হয় না জানিয়ে তিনি বলেন, বারবার চোখ পরিষ্কার করতে হবে। যদি ইনফেকশন হয়, তাহলে এন্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। সাধারণত কিছু দিন পর রোগটি এমনিতেই সেরে যায়। তবে চোখে দেখতে অসুবিধা হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ‘৩ অক্টোবরের পর করোনার প্রথম-দ্বিতীয় ডোজ বন্ধ’

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৪:৩৭
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ‘৩ অক্টোবরের পর করোনার প্রথম-দ্বিতীয় ডোজ বন্ধ’

          আগামী ৩ অক্টোবরের পর থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

          শনিবার দুপুর ১২টায় রাজধানীর হোটেল র‌্যাডিসন ব্লুতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

          স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এখনো প্রথম ডোজ ও দ্বিতীয় ডোজ নেননি, তারা ৩ অক্টোবরের পর আর ভ্যাকসিন (টিকা) পাবেন না। অনেক ভ্যাকসিন শেষ হয়ে গেছে, অনেক ভ্যাকসিনের মেয়াদ শেষ।’

          স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ বন্ধ করার আগে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত একটি ক্যাম্পেইন করা হবে। এর মাধ্যমে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজ গণহারে সবাইকে দেওয়া হবে। এর পর আর দেওয়া যাবে না। এর পর প্রথম ডোজ টিকা আর পাওয়াই যাবে না। আর দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়াও সম্ভব হবে না।

          তিনি বলেন, এখনো ৩৩ লাখ মানুষ প্রথম ডোজ নেননি। ৯৪ লাখ দ্বিতীয় ডোজ নেননি। আমরা এখন পর্যন্ত ৩০ কোটি ডোজ টিকা দিয়েছি। এ ছাড়া ১০ লাখ শিশুকে টিকাদান হয়ে গেছে। তবে এখনো সোয়া ২ কোটি শিশুকে টিকা দিতে হবে। তার মানে ৪ কোটির বেশি টিকা দেওয়া এখনো প্রয়োজন। আমরা মাত্র শুরু করেছি। শিশুদের টিকা কার্যক্রম আরও অনেক বাকি আছে।

          তিনি আরও বলেন, করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেলে আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হবে। অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে। সংক্রমণ আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের মাস্ক পরতে হবে, যাতে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে বিশেষ ক্যাম্পেইন, চলবে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত