ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

খালি পেটে কুসুম গরম পানি খেলে কী হয়?

অনলাইন ডেস্ক
১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৯:৬
অনলাইন ডেস্ক
খালি পেটে কুসুম গরম পানি খেলে কী হয়?

অনেকেই ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করেন। এর উপকারিতা জেনে করেন বা নাইবা জেনে করেন। খালি পেটে পানি পানের অভ্যাস অনেকেরই আছে। কিন্তু সেই পানিটা যদি হয় কুসুম গরম তাহলে বেশকিছু রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে এক থেকে দুই গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কুসুম গরম পানি পানে হজম ক্ষমতা ও রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। এ ছাড়া গরম পানি পানে আরও কিছু শারীরিক উপকার পাওয়া যায়।

আসুন জেনে নিই সকালে কুসুম গরম পানি পানের উপকারিতা-

১. কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ব্যথা, গ্যাস ও অম্বলের সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য গরম পানি খুব ভালো কাজ করে। সকালে খালি পেটে গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস এসব সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে।

২. হজমের সমস্যা হলে প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস করে কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন। এতে করে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায় ও সহজেই খাবার হজম হয়।

৩. পিরিয়ডের ব্যথায় আরাম পেতে কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন। এই সময় গরম পানি পান করলে জমাট বাঁধা রক্ত ভেঙে সহজে বের হয়ে যায়। এতে উপকার পাওয়া যায়।

৪. শরীরের প্রতিটি স্নায়ুকে সচল রাখে ও গিঁটে ব্যথাসহ শরীরের বিভিন্ন ব্যথা দূর করে।

৫. অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে কুসুম গরম পানি।

৬. কুসুম গরম পানি ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।

৭. সর্দি ও নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে মুক্তি পেতে কুসুম গরম পানি পান করলে উপকার পাওয়া যায়।

৮. সারা শরীরের ছড়িয়ে থাকা বিষাক্ত পদার্থ বেরিয়ে যাবে যদি নিয়মিত কুসুম গরম পানি পান করেন।

৯. মাথা ব্যথার সমস্যা থাকলেও গরম পানি পান করতে পারেন।

১০. গরম পানি গলার সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয়। গলা শুকিয়ে আসলে সামান্য গরম পানি পান করুন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    এস্তোনিয়া: ইউরোপের লুকানো রত্ন, স্থায়ী বসবাসের আবেদন করবেন যেভাবে

    অনলাইন ডেস্ক
    ৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:৩৪
    অনলাইন ডেস্ক
    এস্তোনিয়া: ইউরোপের লুকানো রত্ন, স্থায়ী বসবাসের আবেদন করবেন যেভাবে

    ইউরোপের এক অদ্ভুত সুন্দর দেশ, যেটাকে বলা হয় ডিজিটাল নেশনের রাজধানী! হ্যাঁ, আমি বলছি এস্তোনিয়ার কথা। অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, আধুনিক প্রযুক্তি আর সমৃদ্ধ ইতিহাসে ভরপুর এই দেশ ঘুরতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যও অনেক বাংলাদেশীর স্বপ্ন।

    🌍 দর্শনীয় স্থানগুলো:

    1. রাজধানী তাল্লিন – ইউরোপের সবচেয়ে সুন্দর মিডিভ্যাল ওল্ড টাউন, যেন রূপকথার শহর।
    2. সারেমা আইল্যান্ড  – শান্ত প্রকৃতি আর সৈকতের জন্য বিখ্যাত।
    3. লাহেমা ন্যাশনাল পার্ক  – প্রকৃতি ও ট্রেকিং প্রেমীদের জন্য স্বর্গ।
    4. শীতকালে এস্তোনিয়া সাদা বরফে ঢেকে যায়, যেন পোস্টকার্ডের মতো দৃশ্য।

    যাঁরা এস্তোনিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস এবং কাজ করতে ইচ্ছুক, তাঁদের জন্য দেশটি ‘পারমানেন্ট রেসিডেন্স পারমিট’ (পিআরপি) বা স্থায়ী বসবাসের অনুমতি দেয়। এই অনুমিত পেলে দেশটিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বসবাসের ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়া যায়।

    পিআরপি পাওয়ার মূল শর্ত: ৫ বছরের কঠোর নিয়ম

    এস্তোনিয়ার স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (পিআরপি) পাওয়ার জন্য মূল এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তটি হলো ‘পাঁচ বছরের নিয়ম’।

    আবেদন জমা দেওয়ার ঠিক আগে, আবেদনকারীকে অবশ্যই বৈধ অস্থায়ী বসবাসের অনুমতি (টিআরপি) নিয়ে একটানা পাঁচ বছর এস্তোনিয়ার ভূখণ্ডে বসবাস করতে হবে। এই সময়ে, আবেদনকারীকে অনুপস্থিতির বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে:

    তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে একটানা ১২ মাসের বেশি অনুপস্থিত থাকতে পারবেন না।

    এস্তোনিয়া থেকে মোট অনুপস্থিতির সময় ক্রমযোজিতভাবে (কিউমুল্যাটিভ) ১০ বছরের বেশি হতে পারবে না।

    স্থায়ী বসবাসের জন্য আবশ্যক যোগ্যতার মাপকাঠি

    স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেতে আবেদনকারীকে যেসব গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে হবে তা হলো:

    অব্যাহত বসবাস: অস্থায়ী বসবাসের অনুমতি নিয়ে এস্তোনিয়ায় একটানা ৫ বছর বসবাস করা বাধ্যতামূলক।

    বাসস্থানের নিবন্ধন: বসবাসের স্থানটি অবশ্যই এস্তোনিয়ার জনসংখ্যা রেজিস্টারে (এস্তোনিয়ান পপুলেশন রেজিস্টার) বৈধভাবে নিবন্ধিত থাকতে হবে।

    ভাষাগত দক্ষতা (ইন্টিগ্রেশন): ইন্টিগ্রেশন বা অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য কমপক্ষে বি১ স্তরের এস্তোনিয়ান ভাষা দক্ষতার প্রমাণ দেখাতে হবে। বি১ স্তর প্রমাণ করে যে আপনি দৈনন্দিন জীবনে এবং কর্মক্ষেত্রে ভাষার প্রাথমিক ব্যবহারিক জ্ঞান রাখেন। এই দক্ষতা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।

    স্বাস্থ্যবিমা: আবেদনকারীর অবশ্যই এস্তোনিয়ান স্বাস্থ্য বিমা ফান্ড (এস্তোনিয়ান হেলথ ইনস্যুরেন্স ফান্ড) থেকে স্বাস্থ্য বিমা থাকতে হবে।

    আয় এবং জীবিকা: এস্তোনিয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের জন্য যথেষ্ট স্থিতিশীল এবং আইনি আয়ের উৎস থাকতে হবে। এই আয়ের উৎসটি স্থায়ী হতে হবে এবং এটি নিশ্চিত করবে যে আবেদনকারী রাষ্ট্রের সামাজিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল নন।

    বিশেষ বিধান: ১৫ বছরের কম বয়সী আবেদনকারী, ইইউ ব্লু কার্ড (ইইউ ব্লু কার্ড) ধারক, ১৯৯০ সালের ১ জুলাইয়ের আগে এস্তোনিয়ায় বসতি স্থাপনকারী ব্যক্তি বা প্রাক্তন এস্তোনিয়ান নাগরিকদের জন্য কিছু শিথিলতা বা বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে।

    পারমিট পাওয়ার আবেদন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র

    স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে যেসব ধাপ অনুসরণ করতে হবে:

    ধাপ ১: ৫ বছরের শর্ত পূরণ: প্রথমে অস্থায়ী বসবাসের অনুমতি (টিআরপি) নিয়ে এস্তোনিয়ায় একটানা পাঁচ বছর বসবাস সম্পন্ন করুন।

    ধাপ ২: প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ ও প্রস্তুতি: আবেদনের জন্য নিম্নোক্ত কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে:

    আবেদন ফর্ম: এস্তোনিয়ান ভাষায় নির্ভুলভাবে পূরণ করা সম্পূর্ণ আবেদন ফর্ম।

    পরিচয়পত্র: বৈধ পাসপোর্ট বা অন্যান্য স্বীকৃত ভ্রমণ নথি।

    আয়ের প্রমাণ: স্থিতিশীল, আইনি আয়ের উৎসের বিস্তারিত প্রমাণপত্র (যেমন বেতনের স্লিপ, ব্যবসার নথি বা ব্যাংকের স্টেটমেন্ট)।

    বাসস্থানের অনুমতির নথি: দীর্ঘমেয়াদি বাসিন্দাদের জন্য অস্থায়ী বসবাসের অনুমতির বর্তমান নথি।

    ফটোগ্রাফ: নির্দিষ্ট মাপের পাসপোর্ট আকারের ছবি।

    ফি পরিশোধের রসিদ: আবেদন ফি ১৮৫ ইউরো পরিশোধের রসিদ।

    অন্যান্য নথি: ব্যক্তিগত পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অতিরিক্ত সহায়ক নথিপত্র (যেমন বিবাহ বা জন্ম সনদ) লাগতে পারে।

    ধাপ ৩: আবেদন জমা দেওয়া এবং বায়োমেট্রিক্স: আবেদনপত্র অবশ্যই ব্যক্তিগতভাবে পুলিশ ও সীমান্ত রক্ষা বোর্ডের (পুলিশ অ্যান্ড বর্ডার গার্ড বোর্ড) অফিসে অথবা উপযুক্ত এস্তোনিয়ান দূতাবাসে জমা দিতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হওয়া বাধ্যতামূলক, কারণ এই সময়েই আবেদনকারীর বায়োমেট্রিক ডেটা (আঙুলের ছাপ) সংগ্রহ করা হয়।

    ধাপ ৪: পারমিট গ্রহণ: আবেদন অনুমোদিত হলে, স্থায়ী বসবাসের পারমিট কার্ডটি আপনার অবস্থান নিশ্চিত করে এবং এটি আপনার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয় অথবা নির্দিষ্ট পরিষেবা অফিস থেকে সংগ্রহ করা যেতে পারে।

    দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ ও চূড়ান্ত পদক্ষেপ

    স্থায়ী বসবাসের অনুমতির জন্য আবেদনের প্রক্রিয়াকরণের সময় তুলনামূলকভাবে দ্রুত। সাধারণত, আবেদন জমা দেওয়ার পর সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

    আবেদন অনুমোদিত হলে আবেদনকারীকে অবশ্যই পুলিশ ও সীমান্ত রক্ষা বোর্ডের পরিষেবা অফিস থেকে ৩০ দিনের মধ্যে স্থায়ী বসবাসের পারমিট কার্ডটি সংগ্রহ করতে হবে।

    উল্লেখ্য, যদি গত ছয় বছরের মধ্যে আপনার আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়ে থাকে বা যদি স্বাস্থ্যগত কারণে আপনি আঙুলের ছাপ দিতে স্থায়ীভাবে অক্ষম হন, তাহলে ব্যক্তিগত উপস্থিতির নিয়মে ছাড় থাকতে পারে।

    👉 মনে রাখবেন, সবকিছুই নির্ভর করে ডকুমেন্ট, চাকরির অফার এবং ভিসার শর্ত পূরণের ওপর। তাই আবেদন করার আগে এস্তোনিয়ার অফিসিয়াল ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইট দেখে নেওয়া জরুরি।

    এস্তোনিয়া শুধু ভ্রমণের জন্যই নয়, আধুনিক জীবন আর নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্যও এক দারুণ গন্তব্য হতে পারে। যারা ইউরোপে নতুন জীবন শুরু করতে চান, তাদের জন্য এ দেশ হতে পারে এক চমৎকার সুযোগ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      খালি পেটে অ্যাপল সিডার ভিনেগার খেলে কী হয়?

      অনলাইন ডেস্ক
      ৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১১:৫৭
      অনলাইন ডেস্ক
      খালি পেটে অ্যাপল সিডার ভিনেগার খেলে কী হয়?

      সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে অ্যাপল সিডার ভিনেগার খেলে নাকি শরীর হয় একেবারে ফ্রেশ, হজম হয় ভালো আর ওজনও কমে! শুনতে দারুণ, তাই না? কিন্তু আসলেই কি এটা এতটা উপকারী, নাকি লুকিয়ে আছে ঝুঁকি? চলুন জানি পুরো সত্যি।

      অ্যাপল সিডার ভিনেগার হলো ফারমেন্টেড আপেল থেকে তৈরি। এতে থাকে অ্যাসিটিক অ্যাসিড, ভিটামিন আর নানা এনজাইম, যা শরীরের জন্য কিছু উপকার বয়ে আনতে পারে।

      ✅ উপকারিতা:

      1. খালি পেটে খেলে হজমশক্তি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।
      2. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে।
      3. মেটাবলিজম সামান্য বাড়ায়, তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে।
      4. শরীর থেকে টক্সিন বের করতে অনেকেই এটিকে ডিটক্স হিসেবে ব্যবহার করেন।

      ⚠️ তবে সাবধান! সবসময় উপকারই হবে তা নয়।

      • খালি পেটে বেশি অ্যাসিড গেলে অ্যাসিডিটি, বুক জ্বালা বা গ্যাস্ট্রিক বেড়ে যেতে পারে।
      • দীর্ঘদিন নিয়মিত খেলে দাঁতের এনামেল ক্ষয়ে যেতে পারে।
      • ডায়াবেটিস বা প্রেসারের ওষুধ খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

      👉 তাই নিরাপদ উপায় হলো—১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১–২ চা চামচ মিশিয়ে খাওয়া। আর দাঁত বাঁচাতে স্ট্র ব্যবহার করা ভালো।

      অ্যাপল সিডার ভিনেগার আসলেই উপকারি, তবে সেটা তখনই যখন সীমিত পরিমাণে আর সঠিকভাবে খাওয়া হয়। নাহলে ভালো হওয়ার বদলে ক্ষতিও হতে পারে। নিজের শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে, প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই খাওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        স্বর্ণের দাম কমল, আজ ভরি কত?

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১১:৩৯
        অনলাইন ডেস্ক
        স্বর্ণের দাম কমল, আজ ভরি কত?

        টানা আট দফা বাড়ার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছিল। সেখান থেকে তিন দফা দাম বেড়ে ফের কমেছে স্বর্ণের দাম। গতকাল শনিবার রাতে স্বর্ণের এই নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

        এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ১ হাজার ৮৯০ টাকা। এতে এক ভরি সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৯ টাকা।

        স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। আজ রোববার থেকে নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বাজুস।

        শনিবার বাজুস স্ট্যান্ডিংকমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

        এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। এতে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম হয় ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। এই রেকর্ড দামের চার দিন পর স্বর্ণের দাম কিছুটা কমানো হলো।

        এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ৮৯০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৯ টাকা। আর ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ১৯৮ টাকা।

        এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ৫৪০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৫ টাকা।

        এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণে ৩ হাজার ৬৬৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণে ৩ হাজার ৫১১ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬ টাকা।

        এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণে ২ হাজার ৯৯৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৫৯ হাজার ৪২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণে ২ হাজার ৫৫৪ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৫১ টাকা। গতকাল শনিবার পর্যন্ত দেশের বাজারে এই দামেই বিক্রি হয়েছে স্বর্ণ।

        এদিকে স্বর্ণের দাম কমানো হলেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম বর্তমানে ৩ হাজার ৬২৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপা ২ হাজার ২২৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে দেশের বাজারে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ঘুমের মধ্যে ফ্যানের বাতাস সরাসরি গায়ে লাগলে যেসব সমস্যা হতে পারে

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩৬
          অনলাইন ডেস্ক
          ঘুমের মধ্যে ফ্যানের বাতাস সরাসরি গায়ে লাগলে যেসব সমস্যা হতে পারে

          ঘুমানোর সময় অনেকেই ফ্যান চালিয়ে রাখেন। কারও মতে ফ্যানের শীতল বাতাস ও শব্দ দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে। তবে এ অভ্যাসের কিছু সুবিধা থাকার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও রয়েছে। বিশেষ করে ফ্যানের বাতাস সরাসরি গায়ে লাগলে।

          ঘুমের সময় ফ্যান চালালে বড় কোনো বিপদের সম্ভাবনা না থাকলেও, কিছু বিরক্তিকর উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

          ১. নাক বন্ধ ও সর্দি-কাশি

          ফ্যানের বাতাস মুখ, নাক ও গলা শুকিয়ে ফেলতে পারে। এতে শ্বাসযন্ত্রে অতিরিক্ত মিউকাস (শ্লেষ্মা) তৈরি হয়। এই অতিরিক্ত মিউকাস মাথাব্যথা, সর্দি, গলা ব্যথা বা নাক ডাকার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে যদি আপনি আগে থেকেই সর্দি-কাশিতে ভুগে থাকেন, তাহলে ফ্যানের বাতাসে এসব উপসর্গ বাড়তে পারে।

          ২. অ্যালার্জি বাড়াতে পারে

          ফ্যান বাতাসে থাকা ধুলা ও পরাগ ছড়িয়ে দেয়। বাতাসে ভেসে বেড়ানো এই কণাগুলো ফ্যানের মাধ্যমে ঘরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে। এতে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অ্যালার্জির উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

          এ ছাড়া ফ্যানের ব্লেডেও ধুলা জমে থাকে। এই ধুলা যদি বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং আপনি শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করেন, তাহলে নাক দিয়ে পানি পড়া, গলা চুলকানো, হাঁচি, চোখ দিয়ে পানি পড়া বা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা হতে পারে।

          ৩. চোখ ও ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে

          ফ্যানের বাতাস সরাসরি গায়ে লাগলে ত্বক ও চোখ শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

          সমাধান: রাতে ঘুমানোর আগে ত্বকে ভালোভাবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন ও ডাক্তারের পরামর্শে চোখে আই ড্রপ দিতে পারেন।

          ৪. পেশির ব্যথা

          ঘুমের সময় একদিকে ঠান্ডা বাতাস বেশি লাগলে পেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে। ফলে সকালে ঘুম থেকে উঠে গা ব্যথা বা ঘাড় ব্যথা হতে পারে।

          সমাধান: ফ্যান সরাসরি না তাক করে একটু দূরে বা পাশে রেখে ব্যবহার করুন।

          যে ধরনের ফ্যান ব্যবহার করবেন

          পোর্টেবল ফ্যান: সহজে সরানো যায়, চাইলে ঘুমানোর সময় দূরে রাখতে পারেন।

          অসিলেটিং ফ্যান: বাতাস একদিকে না থেকে ঘুরে ঘুরে আসে, পেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

          টাইমার ফ্যান: নির্দিষ্ট সময় পরে বন্ধ হয়ে যায়, অতিরিক্ত বাতাস লাগা থেকে বাঁচায়।

          আর ফ্যানের ব্লেড নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন, যাতে ধুলা জমে না থাকে।

          ফ্যান ছাড়াও শরীর ঠান্ডা থাকার কিছু উপায়

          বিছানায় কুলিং ম্যাট্রেস ব্যবহার করুন: এতে শরীরের তাপ বের হয়ে যায়।

          সঠিক পোশাক পরুন: হালকা, ঢিলেঢালা, সুতির পোশাক আরামদায়ক পোশাক শরীরকে ঠান্ডা রাখে।

          ব্ল্যাকআউট পর্দা ব্যবহার করুন: সূর্যের আলো ঠেকিয়ে ঘর ঠান্ডা রাখে।

          গরম পানি দিয়ে গোসল করুন: শুনতে অদ্ভুত লাগলে এটি ঘুমানোর আগে শরীর ঠান্ডা করে।

          ঘরের দরজা খোলা রাখুন: বাতাস চলাচল বাড়বে।

          এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার রাখুন: প্রতিনিয়ত পরিষ্কার করলে ঘর ঠান্ডা রাখতে সহায়ক হয়।

          ঘুমানোর সময় ফ্যান চালানো ভালো না খারাপ—এটা পুরোপুরি নির্ভর করে ব্যক্তিগত চাহিদা ও স্বাস্থ্যের ওপর। যাদের ত্বক শুষ্ক, অ্যালার্জি বা হাঁপানি আছে, তারা অন্যভাবে ঘর ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করতে পারেন।

          তথ্যসূত্র: হেলথ লাইন

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত