শিরোনাম
ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৪০০ ছাড়াল
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০১ জনে। আর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২১ জন।
মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নতুন রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ১৪৭ জন, ঢাকা বিভাগে ৭৩ জন, বরিশাল বিভাগে ৬৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৩ জন, খুলনা বিভাগে ৩০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩১ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২ জন, রংপুর বিভাগে একজন।
প্রসঙ্গত, গত বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন। আর ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৫৭৫ জন।
ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭৭৮
শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৭৮ জন।
রোববার (২৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৭৭৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৮৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১২১ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১২৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৮১ জন, খুলনা বিভাগে ১১২ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ৪৮ জন, রংপুর বিভাগে ১৯ জন ও সিলেট বিভাগে ৭ জন ভর্তি হয়েছেন।
এদিকে গত একদিনে সারা দেশে এক হাজার ১১১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৪২ জন।
এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৯০ হাজার ২৬৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩৬৪ জনের।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৭৫ জন। এর আগে ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয় এবং ওই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
ডেঙ্গুতে এক দিনে ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৪২
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ৯৪২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩৯, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১৪, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২০৩, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২১১, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৯৯, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৫, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৩, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৩, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৩ ও সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন রয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনই পুরুষ। তাঁদের মধ্যে একজন ঢাকা, একজন ময়মনসিংহ ও অন্য দুজন রাজশাহী জেলার বাসিন্দা। তাঁদের বয়স যথাক্রমে ৬৫, ৪০, ৭০ ও ৩২ বছর।
চলতি বছরের আজ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬০ হাজার ৭৯১ জন। তাদের মধ্যে জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩, জুনে ৫ হাজার ৯৫১, জুলাইয়ে ১০ হাজার ৬৮৪, আগস্টে ১০ হাজার ৪৯৬ ও সেপ্টেম্বরে ১৫ হাজার ৮৬৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া অক্টোবরে আজ পর্যন্ত ১৩ হাজার ৪৪৯ জন ভর্তি হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৯১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ৫৭ হাজার ৭০২ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ২৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে জানুয়ারিতে ১০, ফেব্রুয়ারিতে তিন, এপ্রিলে ৭াত, মে মাসে তিন, জুনে ১৯, জুলাইয়ে ৪১, আগস্টে ৩৯ ও সেপ্টেম্বরে ৭৬ জন মারা গেছে। মার্চে কারও মৃত্যু হয়নি। আর অক্টোবরে এখন পর্যন্ত ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
খালি পেটে কুসুম গরম পানি খেলে কী হয়?
অনেকেই ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করেন। এর উপকারিতা জেনে করেন বা নাইবা জেনে করেন। খালি পেটে পানি পানের অভ্যাস অনেকেরই আছে। কিন্তু সেই পানিটা যদি হয় কুসুম গরম তাহলে বেশকিছু রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে এক থেকে দুই গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কুসুম গরম পানি পানে হজম ক্ষমতা ও রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। এ ছাড়া গরম পানি পানে আরও কিছু শারীরিক উপকার পাওয়া যায়।
আসুন জেনে নিই সকালে কুসুম গরম পানি পানের উপকারিতা-
১. কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ব্যথা, গ্যাস ও অম্বলের সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য গরম পানি খুব ভালো কাজ করে। সকালে খালি পেটে গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস এসব সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে।
২. হজমের সমস্যা হলে প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস করে কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন। এতে করে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায় ও সহজেই খাবার হজম হয়।
৩. পিরিয়ডের ব্যথায় আরাম পেতে কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন। এই সময় গরম পানি পান করলে জমাট বাঁধা রক্ত ভেঙে সহজে বের হয়ে যায়। এতে উপকার পাওয়া যায়।
৪. শরীরের প্রতিটি স্নায়ুকে সচল রাখে ও গিঁটে ব্যথাসহ শরীরের বিভিন্ন ব্যথা দূর করে।
৫. অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে কুসুম গরম পানি।
৬. কুসুম গরম পানি ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।
৭. সর্দি ও নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে মুক্তি পেতে কুসুম গরম পানি পান করলে উপকার পাওয়া যায়।
৮. সারা শরীরের ছড়িয়ে থাকা বিষাক্ত পদার্থ বেরিয়ে যাবে যদি নিয়মিত কুসুম গরম পানি পান করেন।
৯. মাথা ব্যথার সমস্যা থাকলেও গরম পানি পান করতে পারেন।
১০. গরম পানি গলার সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয়। গলা শুকিয়ে আসলে সামান্য গরম পানি পান করুন।
অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে রংপুর বিভাগে ৩০ লাখ টিকা সরবরাহ করবে এলআরআই
বাংলাদেশের কয়েকটি জেলায় গবাদিপশুর মধ্যে অ্যানথ্রাক্স (তড়কা) রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় সরকার এর বিস্তার রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ইতিমধ্যে জরুরি কার্যক্রম শুরু করেছে।
আজ রোববার (৫ অক্টোবর) মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অ্যানথ্রাক্স একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত জুনোটিক রোগ, যা পশু থেকে মানুষের দেহে ছড়াতে পারে। এ রোগ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান, পশু স্বাস্থ্য পরীক্ষা, উঠান বৈঠক, পথসভা, মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অতিসত্বর প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান (এলআরআই) রংপুর বিভাগে প্রায় ৩০ লাখ অ্যানথ্রাক্স টিকা সরবরাহ করবে, যার মধ্যে রংপুর ও গাইবান্ধা জেলাতেই ২০ লাখ টিকা পাঠানো হবে।
রংপুর জেলার নয়টি উপজেলা—পীরগাছা (৫৩ হাজার ৪০০), কাউনিয়া (৩৪ হাজার), রংপুর সদর (২৬ হাজার ৫০০), মিঠাপুকুর (৩৪ হাজার ৫০০), গঙ্গাচড়া (৪ হাজার ৮০০), তারাগঞ্জ (৪ হাজার ৩০০), বদরগঞ্জ (৫ হাজার) ও পীরগঞ্জে (৫ হাজার) এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৬৭ হাজার গরুতে টিকা প্রয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া উঠান বৈঠক, পথসভা এবং প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার ৩৬টি কসাইখানায় গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ৩৬টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া গবাদিপশুতে অ্যানথ্রাক্স টিকা প্রদানের জন্য ৩২টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে (মিঠাপুকুর ১৭টি, পীরগাছায় আটটি ও কাউনিয়ায় সাতটি)।
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ২৬ হাজার ৪০০টি গরুতে টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে। আক্রান্ত এলাকায় দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে গরু পুঁতে ফেলা, টিকাদান, মাইকিং, উঠান বৈঠক ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং পাঁচটি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য