শিরোনাম
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা, আরেক শুটার গ্রেপ্তার
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান ওরফে মোছাব্বির (৪৪) হত্যা মামলায় আরেক শুটার রহিমকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ছাড়া, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বির হত্যা মামলায় আরেক শুটার রহিমকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আগামীকাল বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
এর আগে মোছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানায় পুলিশ। গত ১০ জানুয়ারি দিবাগত রাতে মানিকগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জিন্নাতকে (২৪), আব্দুল কাদির (২৮) ও মো.রিয়াজ (৩২)।
এর আগে ৭ জানুয়ারি রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির পেছনে স্টার হোটেলের সামনে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন ৮ জানুয়ারি তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয়। নিহত মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে এই মামলা করেন।
লুকোচুরি আর স্বজনপ্রীতির তায়কোয়ানডো ফেডারেশন: জাতীয় প্রতিযোগিতা বর্জনের ডাক
বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের বর্তমান অ্যাডহক কমিটির নজিরবিহীন দুর্নীতি, পক্ষপাতিত্ব এবং চরম অপেশাদারিত্বের প্রতিবাদে ‘জাতীয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা ২০২৫-২০২৬’ সম্মিলিতভাবে বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশের সাধারণ খেলোয়াড় ও বিক্ষুব্ধ ক্লাব কর্মকর্তারা।
অভিযোগ উঠেছে, এই প্রতিযোগিতার আয়োজনকে ঘিরে একটি সুগভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে ফেডারেশনের একটি চক্র। বার্ষিক ক্যালেন্ডারে প্রতিযোগিতার তারিখ গোপন রেখে শুধুমাত্র বর্তমান অ্যাডহক কমিটির ঘনিষ্ঠ এবং অনুগত জেলাগুলোতে দাপ্তরিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।
কমিটির সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকা সেই জেলাগুলোর খেলোয়াড়দের জন্য গোপনে থাকা-খাওয়া, আবাসন ও যাতায়াতের আর্থিক ব্যবস্থা করা হলেও, যেসকল জেলা বা কোচের সাথে সিন্ডিকেটের সুসম্পর্ক নেই অথবা যারা পূর্বের কমিটির সাথে যোগাযোগ রেখেছেন, তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হয়েছে।
এমনকি সংক্ষুব্ধ খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে ফেডারেশন সদস্য আরিফ রাব্বানীকে ফোন করলে তিনি অত্যন্ত অপেশাদার আচরণ করে বলেন, "ফেডারেশনের টাকা নেই, আপনারা নিজ খরচে সব বহন করলে আসেন, না হলে আসার দরকার নেই।" একইসাথে, ফেডারেশনের স্বচ্ছতা দাবি করা বেশ কিছু অভিজ্ঞ সংগঠককে 'সাইলেন্ট ব্ল্যাকলিস্টেড' করে রাখা হয়েছে, যা ক্রীড়াঙ্গনে এক ভয়াবহ বৈষম্যের সৃষ্টি করেছে।
এই সিন্ডিকেটের ক্ষমতার দাপট মাঠ ছাড়িয়ে এখন প্রশাসনিক দখলের রূপ নিয়েছে। চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে যে, ধানমণ্ডি মহিলা কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করা সিনিয়র মহিলা ব্ল্যাকবেল্ট সদস্যদের ক্ষমতার জোরে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লে. কর্নেল এরশাদুল হক এবং সদস্য আরিফ রাব্বানী ও মরিয়ম বেগম ইতি তাদের কমিটির প্রভাব খাটিয়ে ওই সিনিয়র সদস্যদের সরিয়ে দিয়ে সেখানে আরিফ রাব্বানীর স্ত্রী আসমা আক্তারকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছেন।
শুধু তাই নয়, জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় খেলোয়াড়দের জন্য কোনো মেডিকেল টিম বা ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থা করা হয়নি এবং কোনো টেকনিক্যাল আউটলাইন ছাড়াই সাধারণ সম্পাদক তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজনকে নিয়ে অত্যন্ত গোপনে টেকনিক্যাল কমিটির মিটিং সম্পন্ন করেছেন। এর আগেও ড্যান প্রোমোশন,বেল্ট গ্রেডিং টেস্ট এবং রেফারি সেমিনারের নামে একইভাবে চিঠিপত্র ছাড়াই গোপন প্রক্রিয়া সম্পন্ন এবং 'জাতীয় ক্লাব কাপ ২০২৫' এর তারিখ বারবার পরিবর্তন ও স্থগিত করে খেলোয়াড় ও অভিভাবকদের হয়রানির চরম সীমায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
এমতাবস্থায়, তায়কোয়ানডোকে এই দখলদার চক্রের হাত থেকে বাঁচাতে খেলোয়াড় সমাজ একাট্টা হয়েছে। তাদের সুনির্দিষ্ট দাবি—ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লে. কর্নেল এরশাদুল হক, আরিফ রাব্বানী, মরিয়ম বেগম ইতি, সাব-কমিটির একেএম রফিক এবং আওয়ামী লীগের দোসর ও একাধিক মামলার আসামী কামরুজ্জামান চঞ্চলকে আজীবনের জন্য তায়কোয়ানডো থেকে বহিষ্কার করতে হবে।
খেলোয়াড়রা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত এই দুর্নীতিবাজ ও স্বজনপ্রীতির হোতারা ফেডারেশন দখল করে থাকবে, ততক্ষণ তারা এই প্রহসনের জাতীয় প্রতিযোগিতা বর্জন করবেন। ক্রীড়াঙ্গনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং দক্ষ ক্রীড়া সংগঠকদের হাতে ফেডারেশনের দায়িত্ব অর্পণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সংক্ষুব্ধ তায়কোয়ানডো পরিবার।
জাকির হোসেন/
পিএসসির সাবেক সেই ড্রাইভারের ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুদক জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আক্তারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সৈয়দ সোহানুর রহমান ওরফে সিয়াম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন।
২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি ৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও প্রায় ৪৫ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে সৈয়দ আবেদ আলী জীবন, তার স্ত্রী শাহরিন আক্তার শিল্পী ও ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের নামে পৃথক তিনটি মামলা করেছিল দুদক। ওই মামলায় আজ সিয়ামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এর আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে আবেদ আলী ও তার ছেলে সোহানুর রহমান সিয়ামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
টেকনাফে সাবেক ইউপি সদস্য আটক, বাড়ি থেকে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার
বিশেষ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম | টেকনাফ
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মোস্তফা কামালকে আটক করেছে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরবর্তীতে তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মোস্তফা কামালের গতিবিধি ও কিছু সন্দেহভাজন কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হলে কয়েকটি সন্দেহজনক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়, যেগুলো রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ব্যবহৃত উপকরণের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,
“উদ্ধারকৃত সরঞ্জামগুলো নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। এগুলো কোন উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাবেক ইউপি সদস্য হওয়ায় মোস্তফা কামালের এলাকায় প্রভাব ছিল। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতিরিক্ত সতর্কতা গ্রহণ করেছে এবং এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
টেকনাফ থানা পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উদ্ধারকৃত আলামত ফরেনসিক ও বিশেষজ্ঞ পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে। পাশাপাশি, এ ঘটনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র বা সীমান্তপারের সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না—সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।
এদিকে, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সঠিক তথ্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত আছে।”
উল্লেখ্য, টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক, অস্ত্র ও বিভিন্ন অপরাধী চক্রের তৎপরতা নিয়ে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক এই ঘটনা নতুন করে নিরাপত্তা প্রশ্ন সামনে আনলেও প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুনের ঘটনায় রেস্তোরাঁকর্মী মিলন গ্রেপ্তার
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসায় স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তারকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মিলন নামে এক রেস্তোরাঁকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও ঘটনার পর তার আত্মগোপনের তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।
র্যাব সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে পাঠানো এক খুদে বার্তায় জানায়, দক্ষিণ বনশ্রীর ওই হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন মিলনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ নামের একটি বাসা থেকে ফাতেমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত ফাতেমা আক্তার বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি বাবা-মা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় বসবাস করতেন। পরিবারের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায়। তার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রী এলাকায় একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন।
পুলিশ জানায়, সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ঘটনার সময় তাদের রেস্তোরাঁর কর্মী মিলনকে ওই বাসায় ঢুকতে দেখা গেছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বাসায় লুটপাটের চেষ্টার সময় মেয়েটি বাধা দেওয়ায় একপর্যায়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
খিলগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে মেয়েটির বাবার রেস্তোরাঁর এক কর্মী আত্মগোপনে ছিলেন। মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ধর্ষণের কোনো আলামত রয়েছে কি না, তা পরীক্ষার প্রক্রিয়াও চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য