ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ১ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

যৌন হয়রানির অভিযোগে বেরোবির শিক্ষককে অব্যাহতি

অনলাইন ডেস্ক
৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:২৯
অনলাইন ডেস্ক
যৌন হয়রানির অভিযোগে বেরোবির শিক্ষককে অব্যাহতি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শাকিবুল ইসলামকে যৌন হয়রানির অভিযোগে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

‎মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক স্বাক্ষরিত এক নোটিশে বিষয়টি জানানো হয়। নোটিশে বলা হয়, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এক নারী শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে বিভাগের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

‎বিভাগীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ড. শাকিবুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে থাকা চতুর্থ বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টারের সব কোর্স পুনর্বণ্টন করা হবে।

পাশাপাশি তার দায়িত্বে থাকা ডিএসএম ৪২০৭ কোর্সের গবেষণা প্রকল্পের সুপারভাইজার ও দ্বিতীয় পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিভাগের পরীক্ষার কমিটি ও এমএসসি (২০২৪-২৫) প্রোগ্রাম থেকেও তার সম্পৃক্ততা বাতিল করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, ‘আমাদের ২০২০-২১ সেশনের এক নারী শিক্ষার্থী বিভাগের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা জরুরি মিটিং করি এবং বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সর্বসম্মতিক্রমে তাকে ওই শিক্ষাবর্ষের সব একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছি।

ভুক্তভোগী প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছেন এবং এটি যৌন নিপীড়ন সেলে উত্থাপিত হয়েছে, তবে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে আমাদের কোনো জানাশোনা নেই।’
‎এ বিষয়ে ছাত্র পরামর্শ নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ও যৌন নিপীড়ন সেলের সদস্যসচিব ড. ইলিয়াছ প্রামাণিক বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১০ দিনের মধ্যে একটি ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

‎এর আগে গত ২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক ছাত্রী প্রক্টর, যৌন নিপীড়ন সেল এবং বিভাগীয় প্রধান বরাবর যৌন হয়রানির লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ছবি এডিট করে ফেসবুকে প্রচারের ঘটনায় মামলা করলেন ঢাবি শিক্ষক মোনামি

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:৫৭
    অনলাইন ডেস্ক
    ছবি এডিট করে ফেসবুকে প্রচারের ঘটনায় মামলা করলেন ঢাবি শিক্ষক মোনামি

    ছবি এডিট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেছেন ‎ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষক শেহরীন আমিন ভুইয়া ওরফে মোনামি।

    শাহবাগ থানায় আজ সোমবার সকালে মামলাটি করেন তিনি। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম ঝুমা।

    দুপুরে আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর। ‎

    ‎তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেহরীন আমিন ভুইয়া ওরফে মোনামি সোমবার সকালে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ছবি বিকৃত করে প্রচার করায় বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলাটি হয়েছে। এটি আমরা ডিবি সাইবার ইউনিটে পাঠিয়ে দিয়েছি। তারা দ্রুতই ব্যবস্থা নেবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      সন্ধ্যা নামলেই নোবিপ্রবি যেন হয়ে ওঠে মাদক ও অশ্লীলতার স্বর্গরাজ্য, প্রশাসনের নীরব ভূমিকা

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২৮ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:১২
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      সন্ধ্যা নামলেই নোবিপ্রবি যেন হয়ে ওঠে মাদক ও অশ্লীলতার স্বর্গরাজ্য, প্রশাসনের নীরব ভূমিকা

      শিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম পীঠস্থান নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) দিনদিন পরিণত হচ্ছে মাদকের স্বর্গরাজ্যে। হরহামেশাই ঘটছে মাদক উদ্ধারের ঘটনা। পাশাপাশি বেড়ে চলেছে অশ্লীলতা। তবে এসব ঘটনায় প্রশাসনের নীরব ভূমিকা ও কোন ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

      সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত কয়েকটি ঘটনা নতুন করে জন্ম দিয়েছে আলোচনা-সমালোচনার। জানা যায়, গত ২২ অক্টোবর (বুধবার) অর্থনীতি বিভাগের এক ছাত্র ও ছাত্রীকে রাতের বেলায় ক্যাম্পাসের প্রশান্তি পার্কে ‘আপত্তিকর অবস্থায়' আটক করে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা। পরের দিন ২৩ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ওশানোগ্রাফি বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে মাদকাসক্ত অবস্থায় আটক করে ছাত্র পরামর্শক অফিসে নিয়ে যায় কয়েকজন শিক্ষার্থী। সেখানে উপস্থিত সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দের সামনেই মাদকাসক্ত ঐ শিক্ষার্থী অসম্ভব রকমের উগ্র আচরণ করেন। সর্বশেষ ২৫ অক্টোবর (শনিবার) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট ভবনে আইআইটি বিভাগের এক ছাত্র ও ছাত্রীকে ‘উলঙ্গ অবস্থায়’ হাতেনাতে ধরেন সিনিয়র কয়েকজন শিক্ষার্থী।

      খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি স্থানে রাতের বেলায় শিক্ষার্থীদের বিচরণ কম হওয়ায় সেসব জায়গায় মাদকাসক্তদের আড্ডা বসে। রাতে অন্ধকারাচ্ছন্ন এসব জায়গাগুলোতে চলে অশ্লীলতা। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রশান্তি পার্ক, একাডেমিক ভবন ৩ এর নির্মাণাধীন বিভিন্ন কক্ষ, নীলদিঘির পার্শ্ববর্তী স্থান, প্রভোস্ট বিল্ডিং, মন্দিরের পার্শ্ববর্তী এলাকা, ময়নারদ্বীপসহ আরো কয়েকটি স্থান। বিশেষ করে রাতের অন্ধকার নেমে আসলে এসব জায়গায় শুরু হয় মাদকাসক্তদের আনাগোনা, চলে অশ্লীলতার ছড়াছড়ি। এছাড়া মাঝেমধ্যে বহিরাগতরাও ক্যাম্পাসে এসেই মাদকের আড্ডা বসায়। যা নিয়ে এর আগে সংবাদও প্রকাশিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় এমন ঘটনা সার্বিক নিরাপত্তা ও নৈতিকতার চরম অবনতিকেই নির্দেশ করে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।

      অনুসন্ধানে জানা যায়, বেশিরভাগ সময় বহিরাগত মাদক ব্যবসায়ীরা এসে শিক্ষার্থীদের মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পকেট গেইট, আলু ওয়ালার মোড় ও প্রধান গেইট সংলগ্ন এলাকাতে হয় মাদকের আদান-প্রদান। মাঝেমধ্যে তারা ক্যাম্পাসের ভেতরে ঢুকেই সরবরাহ করে মাদক। মাদকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আদান-প্রদান হয় গাঁজার।

      এদিকে অশ্লীলতা ও মাদক সংক্রান্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন সায়েন্স বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী লাইলাতুল জান্নাত (লিজা) বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে  ক্যাম্পাসে মাদক সেবনের প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ ও ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে মাদক সেবনের ঘটনায় আমরা নারী শিক্ষার্থীরা গভীর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। দুঃখজনকভাবে প্রশাসন ও প্রক্টোরিয়াল বডির দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ এখনো পরিলক্ষিত হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি মাদকবিরোধী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে একটি নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা হোক।”

      এপ্লাইড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় যা শিক্ষার পবিত্র স্থান হওয়ার কথা, সেখানে এখন প্রায়ই দেখা যাচ্ছে কিছু শিক্ষার্থী মাদক সেবনের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে পড়ছে। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো কয়েকজন হাতে-নাতে ধরা পড়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এই উদাসীনতা কেবল প্রশাসনের দায়িত্বহীনতারই প্রমাণ নয়, বরং এটি অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করছে।

      তিনি আরও বলেন, মাদক সেবন শুধু ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, এটি পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ও সামাজিক পরিবেশকে বিষিয়ে তোলে। বিশ্ববিদ্যালয় একটি জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে আসে। কিন্তু মাদকের ছোঁয়ায় সেই পরিবেশ নষ্ট হয়ে পড়ছে। অনেক শিক্ষার্থী এখন আতঙ্ক ও হতাশায় ভুগছে, কারণ ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও নৈতিক মান দ্রুত অবনতি ঘটছে। শিক্ষার পরিবেশ হারাচ্ছে তার স্বাভাবিক গতি ও মর্যাদা। এখনই সময় প্রশাসনকে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে, জড়িতদের চিহ্নিত করে এবং প্রয়োজনে বহিষ্কারসহ শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

      এদিকে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি উদ্বিগ্ন শিক্ষক সমাজও। এসব ঘটনাকে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ও জ্ঞান চর্চায় আগ্রহ কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলছেন তারা। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মহিবুল ইসলাম বলেন, “সম্প্রতি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকাসক্তির যে বিস্তার তা কেবল ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়, বরং কাঠামোগত ও সাংস্কৃতিক সংকটের প্রতিফলন। এই প্রবণতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞানচর্চা ও নৈতিক মূল্যবোধকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে; তাই প্রশাসনিক পদক্ষেপের (মাদকের নিয়ন্ত্রণ, তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি বন্ধ, ভিজিলেন্স বৃদ্ধি, রিহ্যাব কার্যক্রম) পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক পুনর্গঠন ও সচেতনতামূলক সামাজিক উদ্যোগ (নৈতিক শিক্ষার প্রসার, মাদকাসক্তির পরিনামের ব্যাপারে সতর্কতামূলক সভা সেমিনার ইত্যাদি) জরুরি।”

      মাদকের বিরুদ্ধে তাদের নীতি ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর এএফএম আরিফুর রহমান বলেন, “কোনো ব্যক্তি প্রক্টরিয়াল বডির হাতে তুলে দেওয়ার পরে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটলেও প্রক্টর নিশ্চিত করেছেন যে দায়িত্ব কেবল তাদের ওপর নয়। আনসার, পুলিশ, প্রভোস্ট এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষও মিলিতভাবে কাজ করবে।”

      তিনি আরও জানান, হোস্টেল‑ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা নিশ্চিত না হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে। টিউশন কার্ডসহ রাত ৯:৩০ বা ছাড়া সব ছাত্রীকে রাত ৯টার মধ্যে হলে প্রবেশ করতে হবে। হলে গেট যথাসময়ে বন্ধ রাখলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব। প্রক্টরিয়াল বডি প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় বজায় রাখবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে যাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

      বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা ও সংশ্লিষ্ট  বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, “আমি এ বিষয়ে অবগত ছিলাম না। এসব ঘটনা সম্পর্কে খোঁজ নিবো এবং প্রক্টরিয়াল বডিকে আরও শক্তিশালী করবো। বরাবরের মতোই মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স এবং তা সত্যতা পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” 

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

        বিমানবন্দরে আগুনের ঘটনা তদন্তে আসছে ৪ দেশের বিশেষজ্ঞ টিম

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:৫৭
        অনলাইন ডেস্ক
        বিমানবন্দরে আগুনের ঘটনা তদন্তে আসছে ৪ দেশের বিশেষজ্ঞ টিম

        স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ড তদন্তে চারটি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে কোনো অব্যবস্থাপনা ছিল কি-না, সেটি খতিয়ে দেখতে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, চীন ও তুরস্কের বিশেষজ্ঞরা আসবেন। তারা তদন্ত করে কারণ ও দায় নির্ধারণে সহায়তা করবেন।

        শনিবার (২৫ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টায় হজরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো ভিলেজ ও ই-গেট পরিদর্শন শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

        স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে। ফায়ার সার্ভিস ফেল করেনি। তারা সময়মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে কাজ করেছে। এয়ারপোর্ট অথরিটির চারটি ইউনিট চার মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। ফায়ার ব্রিগেডের ইউনিটগুলোও ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে আসে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারণ ওই জায়গায় খাদ্যপণ্য বেশি ছিল, কেমিক্যাল নয়।

        তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরে ইলেকট্রনিক গেট স্থাপন দ্রুত চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছে। এছাড়া রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের পাসপোর্ট সংক্রান্ত ভোগান্তি কমাতে সরকার পদক্ষেপ নেবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

        বিমানবন্দরের ফায়ার ইউনিটের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, যে ফায়ার ইউনিট বিমান পরিচালনার জন্য থাকে, সেটি কার্গো ভিলেজেও কাজ করতে পারে—এতে কোনো সমস্যা নেই। যেমন আমরা বাসায় যে পোশাক পরি, তা প্রয়োজনে পরে আত্মীয়ের বাড়িতেও যাওয়া যায়।

        এ সময় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          রক্ষকই ভক্ষণ করে "প্রায় দেড় কোটি টাকা", প্রশাসনের মামলা

          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          ২৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:২
          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          রক্ষকই ভক্ষণ করে "প্রায় দেড় কোটি টাকা", প্রশাসনের মামলা

          নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) রিসার্চ সেলের কম্পিউটার অপারেটর কায়সার হামিদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আদালতে মামলা দায়ের করেছে।

          প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কর্মকর্তা জনাব আশিষ চন্দ্রশীল বাদী হয়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্পেশাল জজ কোর্টে মামলা নম্বর ৫/২০২৫ হিসেবে এ মামলা দায়ের করেন।

          মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত কায়সার হামিদ চৌধুরী (সাময়িক বরখাস্ত) এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন ব্যক্তি ভ্যাট ও ট্যাক্সের নামে ৬০ লাখ টাকা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে আরও ৮০ লাখ টাকা—সর্বমোট ১ কোটি ৪০ লাখ টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাত করেছেন।

          এর আগে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২০২৫ সালের ২৯ মে কায়সার হামিদ চৌধুরীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে। পরবর্তীতে ৪ জুন ২০২৫ তারিখে আইসিই বিভাগের অধ্যাপক ড. আশিকুর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

          তদন্ত কমিটি ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে কায়সার হামিদ চৌধুরীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয় এবং আরও উল্লেখ করা হয়, এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকতে পারে বলেও কমিটি সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

          এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কর্মকর্তা আশিষ চন্দ্রশীল বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি অভিযুক্তের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ পাওয়ায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছি। আদালত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।”

          বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজুয়ানুল হক বলেন, “অভিযুক্ত কম্পিউটার অপারেটর কায়সার হামিদের বিরুদ্ধে প্রশাসন নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেছে। মামলাটি বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দেখছে।”
           

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত