ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

চাঁদা দাবির অডিও ফাঁস, বৈষম্যবিরোধী সেই ২ নেতাকে শোকজ

অনলাইন ডেস্ক
৮ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৫
অনলাইন ডেস্ক
চাঁদা দাবির অডিও ফাঁস, বৈষম্যবিরোধী সেই ২ নেতাকে শোকজ
বাঁ থেকে জহুরুল ইসলাম তানভীর ও সাজ্জাদুল ইসলাম আজাদ। ছবি : সংগৃহীত

খুলনায় একটি মেলা কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অডিও ফাঁসের ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ২ নেতাকে শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি।

সোমবার (৭ জুলাই) রাতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুঈনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি নোটিশে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনা মহানগর কমিটির সদস্যসচিব জহুরুল ইসলাম তানভীর ও মুখ্য সংগঠক সাজ্জাদুল ইসলাম আজাদ। তারা দুজনেই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

এর আগে, গত রোববার (৬ জুলাই) মেলার আয়োজক বগুড়ার মন্টু ইভেন ম্যানেজমেন্টের স্বত্বাধিকারী মন্টুর কাছে ১০ রাখ টাকা চাঁদা দাবির ১ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডের একটি কল রেকর্ড ফাঁস হয়। 

শোকজের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সংগঠনের শৃঙ্খলা ও নীতিমালার পরিপন্থি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড একজন দায়িত্বশীল হিসেবে আপনার অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং সংগঠনের ভাবমূর্তির জন্য হানিকর। কেন আপনার বিরুদ্ধে স্থায়ীভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না-তা এই নোটিশ প্রাপ্তির ৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়া গেলে সংগঠন আপনার বিরুদ্ধে একতরফা সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য থাকবে।’

গত বছরের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে তারা নানা কর্মসূচিতেও সক্রিয় অংশ নিয়েছেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের আতঙ্কে ক্যাম্পাস ছাড়ার সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীর

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ৫ জুলাই, ২০২৫ ২১:৪১
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের আতঙ্কে ক্যাম্পাস ছাড়ার সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীর

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন নবীন শিক্ষার্থী সিনিয়রদের র‍্যাগিং ও মানসিক হয়রানির অভিযোগ তুলে আতঙ্কে ক্যাম্পাস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লাস শুরুর প্রথম দিন থেকেই পরিচয় পর্বের আড়ালে শুরু হয় মানসিক নির্যাতন। এক পর্যায়ে একজন নবীন শিক্ষার্থী কান্নায় ভেঙে পড়েন। এছাড়াও, টানা তিনদিন নবীন শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে ডেকে নিয়ে র‍্যাগ দেয়া হয় বলে জানা যায়। যারমধ্যে, বেঞ্চে তুলে দাঁড় করানো, হলে নিয়ে সিগারেট খেতে দেয়া, সিনিয়র আপুকে প্রপোজ করানো, নির্জন স্থানে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বাবা-মায়ের নামে অশালীন ভাষায় গালমন্দ করা।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী নবীন শিক্ষার্থী জানান, "২ জুলাই রাতে ওই বিভাগের ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ (সিআর) তাকে সিনিয়রদের সঙ্গে দেখা করাতে ‘তালতলা’ নামক নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে সিনিয়ররা মো. ওয়ালি উল্লাহ, রাফিও হাসান, অরবিন্দু সরকার তাকে ও তার বন্ধুদেরকে অশ্লীল গালিগালাজ করে এবং মায়ের নামে কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেন। মোবাইল রেখে দীর্ঘ সময় আটকে রাখার পর রাত ১টায় ছাড়া হয়। পরদিন (৩ জুলাই) আবার ডেকে নেয়া হয় একই স্থানে এবং ছবি তুলে রাখাসহ নানা অপমানজনক আচরণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন।

    ভুক্তভোগী আরও জানান, তাকে জোর করে সিগারেট খেতে বলা হয়। এমনকি বলা হয়, "তোরে দেখতে গাঁজাখোরের মতো লাগে।" পাশাপাশি এক সিনিয়র আপুকে কল দিয়ে প্রপোজ করতে বাধ্য করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, "সিনিয়র ভাই আমার মাকে নিয়েও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজ করেছেন।"

    আরেক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিল্লাল হোসেন বলেন, “ওরিয়েন্টেশনের দিন আমি সিনিয়রদের  বলি নতুন বাংলাদেশে আপনারা চাইলে নিজেদের সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারতেন। আপনাদের আচরণের কারণে একজন মেয়ে কান্না করেছে, এটা ঠিক হয়নি।’ এই প্রতিবাদের কারণে আমাকে টার্গেট করা হয়। পরবর্তীতে প্রথম ক্লাসের দিন ওনারা আমাকে এবং আমার মাকে নিয়ে গালিগালাজ করেন। পাশাপাশি ১০ বার সালাম দিতে বাধ্য করেন। এরপর আবার বেঞ্চের ওপরও দাঁড় করে রাখেন।

    ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নারায়ণগঞ্জে নিজ বাড়িতে চলে যান। দুইদিন পর শুক্রবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় মেসে ফিরে ক্যাম্পাসে হাঁটতে গেলে ব্যাচের সিআর এক সিনিয়র ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে বলেন বলে জানান। তাকে ডেকে নেওয়া হয় নজরুল হলের ১০৯ নং কক্ষে, সেখানে বলা হয় "তুই নাকি র‍্যাগিং কালচার পরিবর্তন করতে চাস!" এরপর পুনরায় তাকে গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ছাড়া পান। এসময় তাকে আবার র‍্যাগিং দেয় রাফিও হাসান ও মো. ওয়ালি উল্লাহ। 

    অভিযুক্তদের মধ্যে অরবিন্দু সরকার, মো. অলি উল্লাহ, রাফিও হাসান, নজরুল হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। এছাড়া মোনতাসীর বিল্লাহ পাটোয়ারী বিজয় ২৪ হল এবং বাকি দুইজন তিশা মনি হৃদ, সাদিয়া সরকার মেসে থাকেন বলে জানা গেছে।

    র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত মো. অলি উল্লাহ বলেন, "আমি র‍্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িত না। আমি শুধু ওদেরকে দক্ষিণ মোড়ে চা খাওয়ানোর জন্য ডেকেছিলাম।" তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অলি উল্লাহ এবং তার বন্ধু রাফিও হাসান নবীন শিক্ষার্থীদের দিয়ে সিনিয়রদের আপুকে কল দিয়ে প্রপোজ করতে বলেন এবং নজরুল হলের ১০৯ নম্বর রুমে ডেকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। 'তালতলা' নামক স্থানে র‍্যাগ দেওয়ার সময়ও অলি উল্লাহ ও অরবিন্দু সরকার উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    অরবিন্দু সরকার বলেন, "ওদের সাথে গেইটে দেখা হলে আমরা শুধু চা খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিলাম। আমরা কাউকে র‍্যাগ দিইনি, এমন কিছু ঘটেনি।" তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, "সিআর এর মাধ্যমে আমাকে ডেকে নিয়ে র‍্যাগ দেওয়া হয় এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।"

    রাফিও হাসান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "আমি অভিযুক্তকে সাথে নিয়ে আপনার সাথে দেখা করতে চাই। আমার সাথে দুইজন জুনিয়র হলে গেছে তবে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগটা মিথ্যা।" তবে প্রতিবেদকের হাতে থাকা ১৩ মিনিটের একটি অডিও রেকর্ডিংয়ে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।

    তিশা মনি হৃদ বলেন, "এই ধরনের কিছু করা হয়নি। সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। কেউ একজন আপনাকে কিছু বলেছে, আর আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করছেন। আমি কিছু করিনি।"

    এছাড়াও অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের পর একই ব্যাচের আরও দুইজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে জুনিয়রদের সাথে উচ্চবাচ্য করার অভিযোগ রয়েছে। তারা হলেন, সাদিয়া সরকার ও মোন্তাসির বিল্লাহ।

    এবিষয়ে সাদিয়া সরকার বলেন, "আমরা শুধু আড্ডা দিচ্ছিলাম। এরকম কিছুই হয়নি। ওরিয়েন্টেশনের দিন শুধু একটু জোরে কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু সেটা র‍্যাগিং নয়।"

    মোন্তাসির বিল্লাহ পাটোয়ারী র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "আমরা কাউকে র‍্যাগ দেইনি। তবে, ওরিয়েন্টেশনের দিন আমার এক নারী বন্ধু হয়তো জুনিয়রদের কিছু বলেছিলেন, যার ফলে এক মেয়ে কেঁদে ফেলেছিল। তবে সে ঠিক কী বলেছিল, তা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না।"

    এ বিষয়ে নৃবিজ্ঞান বিভাগের হেড অব দ্য ডিপার্টমেন্ট সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিন বলেন, "প্রশাসন র‌্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে যেভাবে সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা সে পথেই এগোব। আমাদের প্রতিষ্ঠানে র‌্যাগিং প্রতিরোধে প্রশাসনিক যে নীতিমালা ও ব্যবস্থা রয়েছে, তার মাধ্যমেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।" 

    এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম বলেন, "আমি বিষয়টি এইমাত্র জানলাম। আমি বিভাগীয় প্রধানের সাথে কথা বলবো এবং পরবর্তী একাডেমিক মিটিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করবো।"

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      কুবিতে মার্কেটিং বিভাগের পর এবার র‍্যাগিংয়ের শিকার বাংলা বিভাগের নবীনরা

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ৩ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৩
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      কুবিতে মার্কেটিং বিভাগের পর এবার র‍্যাগিংয়ের শিকার বাংলা বিভাগের নবীনরা

      কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের শিকার হলো এবার বাংলা বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার ছাদে বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা নবীনদের র‍্যাগ দেয়।

      প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডিকে জানালে, তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে উভয় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ডেকে প্রক্টরিয়াল বডি লিখিতভাবে ঘটনার বিস্তারিত দিতে বলে।

      এর আগে ১ জুলাই বিভাগের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের দিনও একইভাবে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল বাংলা বিভাগের বিরুদ্ধে। র‍্যাগিংয়ের শিকার এক শিক্ষার্থী জানান, “প্রথম দিনেই আমার চোখের সামনে দুজন মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। সবাই একেবারে নতুন, ভালো ব্যবহার আর আন্তরিকতা দিয়েও তো ভালোবাসা ও সম্মান অর্জন করা যায়।”

      অন্যদিকে অভিযুক্ত ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বলেছেন, “আমরা তাদের র‍্যাগ দেইনি, বরং পরিচিত হওয়ার জন্য নিয়ে আসছিলাম। ক্লাসরুম খালি না থাকায় ছাদে গিয়ে কথা বলছিলাম, এমনকি তাদের খাওয়াইছিও।” তবে প্রতিবেদকের কাছে থাকা প্রমাণ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরিচয়পর্বের নামে চলেছে র‍্যাগিং।

      এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকি বলেন, “আমি ঘটনাটি জানতে পেরেছি। বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডি দেখছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তারা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন।” তবে ১ জুলাইয়ের ঘটনার বিষয়ে তিনি জানান, “আমি এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি।”

      বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, “আমরা উভয় পক্ষকে ডেকেছি এবং বলেছি, তারা যেন লিখিতভাবে আমাদের সবকিছু জানায়। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

      এর আগে ২ জুলাই (বুধবার) কুবির মার্কেটিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নবাগত শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে দরজা বন্ধ করে র‍্যাগ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ ওঠে। র‍্যাগিংয়ের সময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, বেঞ্চে দাঁড় করিয়ে অপমান, এমনকি শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার ঘটনাও ঘটে। এক শিক্ষার্থী ডায়ালাইসিস রোগী হওয়া সত্ত্বেও তার হাতে টান দিয়ে ক্যানোলা খুলে দেওয়া হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে একজন ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শয়ন দাস।

      বিষয়টি তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চার সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত চলাকালে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের সব ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ স্থগিত থাকবে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

      মন্তব্য

      এবার মুরাদনগরে নারীসহ ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩ জুলাই, ২০২৫ ১২:৪৩
      অনলাইন ডেস্ক
      এবার মুরাদনগরে নারীসহ ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা

      কুমিল্লার মুরাদনগরে নারীসহ ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টায় ভাঙ্গরা বাজারে করইবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

      জানা যায়, মাদক সম্রাজ্ঞী রোকসানা আক্তার রুবি (৪৮), ছেলে রাসেল (৩৮) ও মেয়ে জোনাকিকে (৩২) এলাকাবাসী গণপিটুনিতে হত্যা করেছে। এ ছাড়া নিহতের আরেক মেয়ে রুমাকে গণপিটুন দেওয়া হলে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

      ভাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মাহফুজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

      কুমিল্লার পুলিশ সুপার নজির আহম্মেদ খান এরই মধ্যে ঘটাস্থলে পৌঁছেছেন। এ নিয়ে এলাকায় সামান্য উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়ন রয়েছে।

      উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৬ জুন রাতে মুরাদনগরে ফজর আলী নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এক নারীকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এ ঘটনার সাতদিনের মধ্যেই ফের এই হত্যার ঘটনা ঘটলো।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        হবিগঞ্জে ছুরিকাঘাতে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩ জুলাই, ২০২৫ ১২:২২
        অনলাইন ডেস্ক
        হবিগঞ্জে ছুরিকাঘাতে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত

        হবিগঞ্জে ছুরিকাঘাতে জনি দাস (১৭) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় তার ভাইও গুরুরত আহত হয়েছেন। তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

        বৃহস্পতিবার (০৩ জুলাই) ভোররাতে শহরের চৌধুরী বাজারের ডেমেম্বর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

        নিহত জনি এসএসসি পরীক্ষার্থী ও স্থানীয় হবিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত সজল সরকার।

        স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার ভোররাতে হবিগঞ্জ শহরের নির্দন দাসের বাসায় ভোররাতে একদল চোর আসে। এ সময় বাসার লোকজন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে এক চোরকে ঝাপটে ধরতে গেলে সে জনিকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এ সময় জনিকে বাঁচাতে তার বড় ভাই জয় দাস এগিয়ে আসলে তাকেও ছুরি মারা হয়।

        গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জনিকে মৃত ঘোষণা করেন। আর জয়কে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

        স্থানীয়রা আরও জানান, চুরির উদ্দেশ্যে নয় মূলত জনিকে খুন করার জন্য চোরবেশে কয়েকজন যুবক তাদের বাড়িতে যায়। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান তারা।

        ওসি তদন্ত সজল সরকার জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত