ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ভুয়া দুদকের দৌরাত্ম্য কমছে না; বিব্রত দুদক

অনলাইন ডেস্ক
৩০ জুন, ২০২৫ ১২:২০
অনলাইন ডেস্ক
ভুয়া দুদকের দৌরাত্ম্য কমছে না; বিব্রত দুদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ছবি ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে আইডি খুলে প্রতারণা করে আসছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এই চক্র এরই মধ্যে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।

যদিও এ ধরনের প্রতারণার বিষয়ে দুদক একাধিকবার বিজ্ঞপ্তি ও প্রেস ব্রিফিংয়ে সতর্ক করেছে, তবে সম্প্রতি এমন ঘটনা নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এতে নড়েচড়ে বসে দুদকও, তাৎক্ষণিক বিবৃতিতে জানায় কড়া প্রতিবাদ। তবে সেই প্রতিবাদ নাকচ করে এ ধরনের প্রতারণার ঘটনায় ভুক্তভোগী ও এনসিপি নেত্রী ডা. মিতু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দুদককেই দায়ী করেন।

অন্যদিকে গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) মিতুর প্রতারণার শিকার হওয়ার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে দুদক মহাপরিচালক বরাবর চিঠি দেন সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী, যাদের একজন নাদিক মাহমুদ আবার এ ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন। যদিও দুদক বলছে, এ ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো কর্মকর্তা জড়িত নয়, এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের কাজ।

এদিকে প্রতারণার অভিযোগে শনিবার (২৮ জুন) রাতে র‌্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় চারজনকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। তারা হলো পিরোজপুরের বাদোলখালী (ফকিরবাড়ী) আ. ছাত্তার কবিরের ছেলে মো. সেলিম, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের মো. মজিবর রহমান শেখের ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম, রাজধানীর মুগদার মো. আব্দুল কাশেমের ছেলে মো. আতিক ও নোয়াখালী সেনবাগ এলাকার মো. আব্দুল হাই সোহাগ।

এ বিষয়ে গতকাল রোববার দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. তানজির আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, গত ২৪ জুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহর একটি পোস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয়। পোস্টটি আমলে নিয়ে ঘটনাটি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুলিশ সুপার পদমর্যাদায় কর্মরত একজন পরিচালকের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়।

তারই পরিপ্রেক্ষিতে দুদক, পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় শনিবার রাতে প্রতারক চক্রটিকে শনাক্ত করে চক্রের মূলহোতা সেলিমসহ চারজন গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত একাধিক মোবাইল ফোন, ১৩টি সিমকার্ড, ব্যাংক চেক, ভিজিটিং কার্ডসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে মামলা করা হয়েছে।

জানা গেছে, এনসিপি নেত্রী ডা. মিতুর মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হওয়ার বিষয়টি সামনে এলেও এ ধরনের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগেও এ ধরনের ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। এ ধরনের প্রতারকের খপ্পরে পড়ে অন্তত চারজন দুদকে অভিযোগ জানিয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই রাজধানীর বিভিন্ন থানায় জিডি করেছেন। রাজধানীর গুলশান থানায় একটি জিডিতে উদয় আহমেদ সবুজ নামের এক ভুক্তভোগী দাবি করেন, প্রতারক চক্র তার বস ইনফিনিটি এইচ সি এম লিমিটেডের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে প্রতারণা করে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। প্রতারক চক্র তার বসকে ০১৯২২-০০০৪৭৩ থেকে ফোন করে টাকা দাবি করে। জিডি নম্বর ৬২৫, তারিখ: ১০-৪-২০২৫।

এ ছাড়া রমনা থানার একটি জিডিতে মো. তাজুল ইসলাম নামের এক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, তিনি সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডে কোম্পানি সচিব হিসেবে কর্মরত। তাকে দুদকের মহাপরিচালক আকতার হোসেনের পিএস পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি ফোন করে টাকা দাবি করে। এরপর বিভিন্ন কৌশলে প্রতারক চক্র কয়েক ধাপে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। রাজধানীর রমনা থানায় যার জিডি নম্বর-৯২৫, তারিখ: ১৮-৬-২৫। এই ব্যক্তিকেও একই ০১৯২২-০০০৪৭৩ নম্বর থেকে ফোন দেওয়া হয়।

 এদিকে গত ২৪ জুন রাতে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ তার ফেসবুকে তিনটি কল রেকর্ড শেয়ার করে যে পোস্টটি করেন, সেখানেও একই ফোন নম্বর যুক্ত করা হয়। সেই পোস্টে হাসনাত লেখেন, ‘আপনার নামে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ না থাকলেও সেটার ক্লিয়ারেন্স নিতে আপনাকে ১ লাখ টাকা দিতে হবে। সম্প্রতি মাহমুদা মিতুর (রেড ক্রিসেন্ট কর্মকর্তা) কাছ থেকে এই টাকা চাওয়া হয়েছে দুদকের ডিজি আকতার আর তার ডিডি পরিচয়ে।

মাহমুদা মিতুকে বলা হয়, আপনি একজন ডাক্তার, আপনার তো টাকা-পয়সার অভাব থাকার কথা নয়, আপনি ১ লাখ টাকা দিয়ে ক্লিয়ারেন্স নিয়ে যান। দুদকের সর্বনিম্ন রেট নাকি ১ লাখ টাকা। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আকতার আবার ফোন দিয়ে জানতে চায়, টাকা দেবে কি না? টাকা না দিলে নাকি খবর করে ছেড়ে দেওয়া হবে।’

সূত্র: কালবেলা

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    মুরাদনগরের আলোচিত ধর্ষণ মামলার আসামি ফজরসহ গ্রেপ্তার ৫

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৯ জুন, ২০২৫ ১১:৩০
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    মুরাদনগরের আলোচিত ধর্ষণ মামলার আসামি ফজরসহ গ্রেপ্তার ৫

    কুমিল্লার মুরাদনগরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার মূল আসামিসহ ভিকটিমের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে জড়িত মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ।

    রোবার (২৯ জুন) ভোর ৫টার দিকে ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে ফজর আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

    গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—মুরাদনগর উপজেলার পাঁচকিত্তা বাহেরচর গ্রামের সুমন, একই এলাকার রমজান, মো. আরিফ ও মো. অনিক।

    কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনার মূলহোতা ফজর আলীকে সায়েদাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অপরাধে আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে আদালতে তোলা হবে।

    পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, কুমিল্লার মুরাদনগরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের মূল আসামিসহ ভিকটিমের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে জড়িত মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ।

    এর আগে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৬ জুন রাতে মুরাদনগরের  রামচন্দ্রপুর পাঁচকিত্তা গ্রামের ফজর আলী একজন প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে এলাকার লোকজনের হাতে আটক ও প্রহৃত হন। পরবর্তী সময়ে আহত ফজর আলী সেখান থেকে পালিয়ে যান ঘটনাস্থলে উপস্থিত কিছু লোক তাৎক্ষণিকভাবে ভিকটিমের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।

    সংবাদ পেয়ে মুরাদনগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করে। ভিকটিমের লিখিত এজহারের ভিত্তিতে মুরাদনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়। 

    এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করে যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মুরাদনগর থানা পুলিশ তিনজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শুক্রবার (২৭ জুন) বিকেলে এ ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন। তার স্বামী দুবাই প্রবাসী।

    মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী ওই নারীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ১৫ দিন আগে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে বেড়াতে আসেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ফজর আলী (৩৮) নামের এক ব্যক্তি তাঁর বাবার বাড়ি গিয়ে ঘরের দরজা খুলতে বলেন। এ সময় তিনি দরজা খুলতে অস্বীকৃতি জানান। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      চবিতে গাঁজা সেবনকালে ৩ ছাত্রীসহ ৯ শিক্ষার্থী আটক

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২৬ জুন, ২০২৫ ১৯:৫৩
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      চবিতে গাঁজা সেবনকালে ৩ ছাত্রীসহ ৯ শিক্ষার্থী আটক

      চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) গাঁজা সেবনরত অবস্থায় তিন ছাত্রীসহ নয় শিক্ষার্থীকে হাতেনাতে আটক করেছেন প্রক্টরিয়াল বডি ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

      চবি প্রক্টরিয়াল বডির নিয়মিত অভিযানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ক্যান্টিন এবং কলা ঝুপড়ির পার্শ্ববর্তী স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। 

      প্রক্টরিয়াল বডি সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ক্যান্টিন এবং কলা ঝুপড়ির পার্শ্ববর্তী স্থানে পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়েছে। পৃথক দুই গ্রুপে আটক হয়েছেন মোট নয়জন। এর মধ্যে ছয়জন ছাত্র ও তিনজন ছাত্রী। এক গ্রুপে পাঁচজন এবং আরেক গ্রুপে চারজন ছিল। তাদের মধ্যে একজন পোর্ট সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী।

      বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নাজমুল হোসাইন। তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রক্টরিয়াল বডির নিয়মিত অভিযানে গতকাল (বুধবার) দুইটি স্থান থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় তাদের আটক করা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে কাউন্সিলিংয়ের জন্য তাদের নিজ নিজ বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে।”

      আটক শিক্ষার্থীদের নাম-পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তাদের নাম-পরিচয় আমরা গণমাধ্যম দিচ্ছি না। আমরা চাচ্ছি, উপযুক্ত কাউন্সিলিয়ের মাধ্যমে তাদের মাদক থেকে সরিয়ে আনতে। তারা আমাদের কাছে মুচলেকাও দিয়েছে। আমরা আপাতত সরাসরি অ্যাকশনে না গিয়ে কাউন্সিলিং করছি “

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বিদেশে পালিয়ে থাকা সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও তার স্ত্রীর বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:১৫
        অনলাইন ডেস্ক
        বিদেশে পালিয়ে থাকা সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও তার স্ত্রীর বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

        ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বেলজিয়ামে পালিয়ে থাকা সাবেক মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও তার স্ত্রী নূরান ফাতেমার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। 

        সোমবার (২৩ জুন) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুটি পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন। আদালতে দুদকের পক্ষে সহকারী পরিচালক আল আমিন আবেদন দুটি উপস্থাপন করেন।

        আবেদনে বলা হয়, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও চট্টগ্রাম-৭ আসনের সাবেক এমপি হাছান মাহমুদ বন, পরিবেশ, তথ্য এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ১১ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জন এবং ৩৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকার সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

        এই লেনদেনের মাধ্যমে তিনি অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে মানিলন্ডারিং করেছেন বলে দুদক জানিয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘন করেছেন।

        অপরদিকে, তার স্ত্রী নূরান ফাতেমার বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৫২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি, তার নিজ, যৌথ এবং প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত ৫৬টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৬৮৩ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন পাওয়া গেছে। যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

        দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, হাছান মাহমুদ তার সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীর অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তা করেছেন। এসব লেনদেন ‘ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থের উৎস গোপন করে তা রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং’-এর পর্যায়ে পড়ে।

        দুদক মনে করে, মামলার তদন্তাধীন অবস্থায় আসামিরা বিদেশে চলে গেলে তদন্ত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এজন্য তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          নওগাঁয় ছদ্মবেশে নির্বাচন কার্যালয়ে দুদকের হানা

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৩ জুন, ২০২৫ ১৬:৫৬
          অনলাইন ডেস্ক
          নওগাঁয় ছদ্মবেশে নির্বাচন কার্যালয়ে দুদকের হানা

          জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধ, সংগ্রহ, এলাকা স্থানান্তর, আর্থিক লেনদেন ও সেবা প্রত্যাশীদের হয়রানি অভিযোগে নওগাঁয় জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

          সোমবার (২৩ জুন) দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নওগাঁ থেকে জেলা নির্বাচন অফিস, নওগাঁ ও সদর উপজেলা নির্বাচন অফিস, নওগাঁতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

          অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় নওগাঁর উপ-সহকারী পরিচালক মেহবুবা খাতুন রিতা জানান, সেবা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে প্রথমে ছদ্মবেশে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে প্রবেশ করা হয়। এ সময় প্রত্যেক সেবা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে টাকা নিতে দেখা যায়। এই অফিসে নগদ টাকা লেনদেনের সুযোগ নেই। কিন্তু তারা নগদ টাকা লেনদেন ও প্রত্যেক সেবা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত চার্জ হিসেবে ১০০ টাকা নিচ্ছে।

          মেহবুবা খাতুন রিতা বলেন, পরবর্তীতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে ডেকে এনে সরেজমিনে এমন কর্মকাণ্ড দেখানো হয়। পরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে কমিশনের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত