ঢাকা, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৪ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

আজ ফের বসছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ অক্টোবর, ২০২৪ ১১:৪২
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ ফের বসছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

ডেস্ক রিপোর্ট: জুলাই-আগস্ট গণহত্যা নিয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো বিচারকাজের জন্য বসছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রোববার (২৭ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চে এ আবেদন করা হবে। অপর দুই বিচারপতি হলেন, বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে গত জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আগামী ১৮ নভেম্বেরের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শেখ হাসিনা ছাড়াও ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, হাছান মাহমুদসহ মোট ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম শেখ হাসিনাসহ পলাতক অন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    কুবিতে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল কর্মীর বিরুদ্ধে

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৬ অক্টোবর, ২০২৪ ২১:২৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    কুবিতে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল কর্মীর বিরুদ্ধে

    কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে ছাত্রদল কর্মীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৭ তম আবর্তনের মোহাম্মদ কাউসার। অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মী তৌহিদুল ইসলামের একই আবর্তনে অধ্যায়নরত। ছাত্রদলের মিটিং-এ না যাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধর করার অভিযোগ ওঠে।

    গত বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ১১টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ১০০৪ নং রুমে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার বিচার চেয়ে হল প্রভোস্টের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন মোহাম্মদ কাউসার।

    প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, নবীন শিক্ষার্থীদের সাথে ছাত্রদল কীভাবে কাজ করবে তা নিয়ে মতবিনিময় করার জন্য হলের ৪০০৪ নাম্বার কক্ষে মিটিং ডাকেন ছাত্রদলের আহ্বায়ক মামুনের অনুসারী ও শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত হলের ১৬ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী মাজাহারুল ইসলাম আবির ও মাহদুজ্জামান ইপেল। এছাড়াও ওই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন জুনায়েদ লামিম ও মেহেদী হাসান শাহিন। জুনিয়রদের মিটিং এ ডাকার দায়িত্বপান ১৭ তম আবর্তনের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তোফায়েল মাহমুদ নিবিড় ও একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম। এসময় তৌহিদ ১০০৪ নং রুমে এসে কাউসারকে মিটিংয়ের যাওয়ার জন্য জোর করেন। কাউসার অপারগতা প্রকাশ করলে তৌহিদ মশারি ছিড়ে ফেলে। এসময় যাবে না বলে ধাক্কা দিলে সাথে সাথে তৌহিদ বাহির থেকে কাঠের তক্তা নিয়ে এসে মারতে শুরু করেন। এই সময় আরেক ছাত্রদল কর্মী তোফায়েল মাহমুদ নিবিড় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলো।

    ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, "রাত ১১ টায় আমি রুমে ঘুমাচ্ছিলাম। তখন ছাত্রদল কর্মী তৌহিদ আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে। আমাকে বলছে, তোকে ডাকাইসে, উপরে যেতে হবে। আমি ঘুমিয়ে যাবো বলে যেতে অস্বীকৃতি জানাই । কিন্তু সে কিছুতেই শুনছে না এবং আমাকে বার বার ফোর্স করছে। এক পর্যায়ে আমার মশারি টান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলে এবং গালিগালাজ শুরু করে। তখন আমি ধাক্কাদিয়ে বলি চলে যেতে। কিছুক্ষণ পর এসে কাঠের তক্তা দিয়ে মাথা বরাবর পাঁচ -ছয় বার  আঘাত করে, তখন আমি হাত দিয়ে কোন রকম নিজেকে রক্ষা করি।"

    অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মী ও একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ তাওহীদুল ইসলাম জানান,"১৭ তম আমরা সবাই মিলে বসব, কথাবার্তা বলব এজন্য আমি তাকে ডাকতে যাই রুমে। রুমে গিয়ে দেখি সে মশারির ভিতরে শুয়ে আছে। আমি ডাকলেও, সে উঠেনি। তারপর আমি তার মশারী উঠালে সে আমাকে ধাক্কা দেয়। তখন আমি তাকে গাছের তক্তা দিয়ে দিয়ে তিন-চারটা বারি দেই ।" ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুনের কর্মী কিনা এই বিষয়ে জানত চাইলে তিনি বলেন, "আমার সাথে ভাইয়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক আছে আর কিছু না"।

    হলের আবাসিক শিক্ষার্থী নৃবিজ্ঞান বিভাগের ১৬ তম ব্যাচের জুনায়েদ লামিম মিটিংয়ের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নয়। মিটিং ডাকা হয়েছিলো ১৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের বিষয়ে কথা বলতে।

    জুনিয়রদের ডাকার বিষয়ে ১৬তম আবর্তনের আবাসিক শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী মাহাদুজ্জামান ইপেল বলেন, আমি আগে ছাত্রলীগ করতাম তবে এখন ছাত্রদল করি এটা সঠিক। ছাত্রদলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে মিটিং ছিল কিনা এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। আগেও ছাত্রলীগের ক্ষমতা প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের মারার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।

    মারধরের বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লা আল মামুন বলেন, আমাদের কোনো মতবিনিময় সভা ছিল না। যারা মারামারি করেছে তারা কেউ আমার অনুসারী নয়। অনুসারী না হলে কীভাবে তাদেরকে ভ্রমণ করতে নিয়েছিলেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমাদের সাথে অনেকে ভ্রমণ করতে গিয়েছে। আসলে তারা কারা আমি জেনে আপনাকে জানাবো।

    এ বিষয়ে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক মো: জিয়া উদ্দিন জানান, আমি ঘটনাটি শুনেছি। তাঁদেরকে ডাকা হয়েছে। সবার সাথে কথা বলা হচ্ছে। ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করে হল প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      শুধু বদলিই পুলিশের শাস্তি হতে পারে না : সারজিস আলম

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৬ অক্টোবর, ২০২৪ ১৬:৫৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      শুধু বদলিই পুলিশের শাস্তি হতে পারে না : সারজিস আলম

      ডেস্ক রিপোর্ট: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, যেসব পুলিশ সদস্য অন্যায়ভাবে আন্দোলনে আমার ভাইকে হত্যা করেছে তাদের বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আনতে হবে। বদলি ছাড়া খুনের জন্য পুলিশের আর কোনো শাস্তি হয় না। অপরাধের জন্য শুধু বদলিই পুলিশের শাস্তি হতে পারে না।

      তিনি বলেন, কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি আগামী দিনে সেখানে এর চেয়ে আরও বড় অভ্যুত্থান হবে ও বেশি রক্তপাত ঘটবে।

      শনিবার (২৬ অক্টোবর) রংপুর মহানগর পুলিশের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

      সারজিস আলম বলেন, জুলাই বিপ্লবে পুলিশের যে ইমেজ সংকট তা মাথায় না রেখে এখনো কিছু পুলিশ বিভিন্ন মোড়কে কিছু দলের বা গোষ্ঠীর হয়ে কাজ করছে। দেশে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে ব্যবসা হচ্ছে। কোনো কোনো পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে আছে। কেউ আবার পরবর্তীতে যাতে সুবিধা নেওয়া যায় সে চেষ্টা করছে।

      তিনি বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বৈধতা দেওয়ার জন্য যারা তাদের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে এবং যারা সংসদ সদস্যের চেয়ারে বসে সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে তারা যে দলেরই হোক না কেন সবাই ফ্যাসিবাদের দোসর।

      বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আরও বলেন, এমন বাংলাদেশ চাই না যে একটি দল ক্ষমতায় এসে অন্যদের শোষণ করবে। ছাত্র-জনতার রক্তে যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে, আবু সাঈদ ভাই যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছে সেই বাংলাদেশ তৈরির পথে কেউ বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না। কেউ বাধা হয়ে দাঁড়ালে আবারও রাজপথে দেখা হবে।

      এর আগে সকালে পুলিশের আইজিপি ময়নুল ইসলামের সফরসঙ্গী হয়ে পীরগঞ্জের বাবনপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বিকেলে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে মঈন ৫ দিনের রিমান্ডে

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৬ অক্টোবর, ২০২৪ ১৬:৩০
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে মঈন ৫ দিনের রিমান্ডে

        ডেস্ক রিপোর্ট: বিএনপির মহাসমাবেশে যুবদল নেতা শামীম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই এবং সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে সেরনিয়াবাত মঈন উদ্দিন আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

        শনিবার (২৬ অক্টোবর) তাকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক তন্ময় কুমার বিশ্বাস মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাগীব নূরের আদালত তার এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

        শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাকে রাজধানীর গুলশান-২ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

        জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপি কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী মহাসমাবেশ ডাকে। এই মহাসমাবেশকে পণ্ড করার জন্য একই দিনে আওয়ামী লীগ পাল্টা সমাবেশ ডাকে। বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা ও গুম করার উদ্দেশ্যে পুলিশের সহায়তায় বিএনপির ঢাকার মহাসমাবেশে হামলা চালানো হয়। এতে অনেক বিএনপির নেতা কর্মী আহত হন। যুবদল নেতা শামীম মারা যায়। এ ঘটনায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ঢাকায় হিজবুত তাহরীরের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১৭:১৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ঢাকায় হিজবুত তাহরীরের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

          ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরীরের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) বিভাগ।

          গ্রেপ্তার সদস্যরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম (৩৪) ও ফরহাদ হোসেন (২৬)।

          বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টায় তুরাগ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

          এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর পল্টন মোড় থেকে হিজবুত তাহরীরের মিডিয়া সমন্বয়কারী ইমতিয়াজ সেলিম, সদস্য মো. মঈন ও মো. জাকারিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ৫ থেকে ৬ হাজার জনের একটি দল বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ডসহ মিছিল করে প্রেস ক্লাবের দিকে আসতে থাকে।

          এ সময় হিজবুত তাহরীরের সদস্যরা কালো আইন বাতিল, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। তারা বর্তমান শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে হিজবুত তাহরীরের অধীনে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ মিছিল ও সমাবেশ করে। পুলিশ সে মিছিলে বাধা প্রদান করলে মিছিলে অংশগ্রহণকারী হিজবুত তাহরীরের সদস্যরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে হাইকোর্টের দিকে যেতে থাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হলে তারা দ্রুত পল্টন থানাধীন বায়তুল মোকাররম মসজিদের দিকে গিয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়।

          এ ঘটনায় ইমতিয়াজ সেলিম, মো. মঈন ও মো. জাকারিয়াসহ মিছিলে অংশগ্রহণকারী অজ্ঞানামা ৫ থেকে ৬ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়। গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর আলম ও ফরহাদ হোসেনকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়।

          প্রসঙ্গত, ৪ অক্টোবর এ মামলার এজাহারনামীয় ২নং আসামি হিজবুত তাহরীরের মিডিয়া সমন্বয়কারী ইমতিয়াজ সেলিমকে গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত