শিরোনাম
বাংলাদেশ বিমানে দুই যাত্রীর মারামারি ভাইরালঃ ভিডিও
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বোয়িং ৭৭৭ ফ্লাইটে দুই যাত্রীর মারামারির ভিডিও একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় শার্টবিহীন এক যুবককে বিমানের একই ফ্লাইটের সামনের সারিতে বসা অপর এক যাত্রীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত আছেন।
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আউটলুক ইন্ডিয়া এবং নিউজ১৮।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভাইরাল ওই ভিডিওতে শার্টবিহীন লোকটিকে বেশ বিরক্ত অবস্থায় কোনও বিষয়ে দ্বন্দ্ব বা আসন নিয়ে অন্য যাত্রীর সঙ্গে লড়াই করতে দেখা যাচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম বলছে, মারমুখী ওই যুবকটিকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। ভিডিওতে প্রথমে তাকে অন্য যাত্রীর কবল থেকে কিছু টেনে নেওয়ার চেষ্টা করতে দেখা যায়। তবে তিনি তা করতে ব্যর্থ হলে ওই যাত্রী খুব রেগে যান এবং সামনে উপবিষ্ট যাত্রীর কাছ থেকে চড়ের শিকার হন।
এতে তিনি আরও ক্রুদ্ধ হয়ে সামনে বসা যাত্রীকে ঘুষি দেওয়ার চেষ্টা করেন। এরপরই ফ্লাইটের অন্যান্য যাত্রীদের সংঘর্ষ থামাতে ছুটে আসতে দেখা যায়। অবশ্য ভাইরাল ওই ভিডিওতে সামনে উপবিষ্ট যাত্রীর চেহারা দেখা যাচ্ছে না।
একপর্যায়ে অন্য সহযাত্রীরা ওই দুই যাত্রীর মারামারিতে হস্তক্ষেপ করেন এবং কান্নারত শার্টবিহীন ওই যুবকটিকে থামিয়ে মারামারিতে বাধা সৃষ্টি করেন।
[embed]https://twitter.com/Bitanko_Biswas/status/1611670993222897666?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1611670993222897666%7Ctwgr%5E8c435145b370f07e80accebeda00514472fd4722%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.dhakapost.com%2Finternational%2F166077[/embed]
বিপিসির ২ মহাব্যবস্থাপকের দুর্নীতি অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক
দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) দুই মহাব্যবস্থাপকসহ তিন জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেলের সুপারিশের ভিত্তিতে সম্প্রতি কমিশন থেকে এই অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিন ব্যক্তি হলেন- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) এটিএম সেলিম, মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মণি লাল দাশ ও চট্টগ্রামের বাসিন্দা এনামুল হক।
দুদক সূত্রে আরও জানা যায়, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে দাখিলকৃত অভিযোগটি অনুসন্ধান করার জন্য তদন্ত-১ এর মহাপরিচালককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিশন থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মহিষ চুরির অভিযোগে চেয়ারম্যান বরখাস্ত, পদ শূন্য ঘোষণা
মহিষ চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার শাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবী হোসাইনকে পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে বরখাস্ত করে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।
জানা গেছে গরু ও মহিষ চুরিতে অভিযুক্ত এবং নানা অনিয়মের কারণে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় সরকার।
সোমবার (৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমীন প্রধান স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে চকরিয়া শাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবী হোসাইনের চেয়ারম্যানের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, শাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোসাইনের বিরুদ্ধে বর্তমানে মহিষ চুরির রায় আছে। এই কারণে স্থানীয় সরকার আইনের বিধি মতে চেয়ারম্যান নবী হোসাইনকে বরখাস্ত করে চেয়ারম্যান শূন্য ঘোষণা করা হলো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহারবিল ইউটি চেয়ারম্যান নবী হোসাইন বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ষড়যন্ত্র করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মহেশখালীর কুতুবজোমের তাজিয়াকাটার মৃত দুদু মিয়ার ছেলে এবাদুল হক গত বছর ৫ জুন নবী হোসেন ও তার ভাই লেদু মিয়াসহ ৯ জনকে মহিষ চুরির অভিযোগে আসামি করে মহেশখালী থানায় মামলা করেন।
উক্ত উল্লেখ করা হয় এবাদুল হকের পরিবারে ১৮টি মহিষ খামারে রাখা ছিল। ২০২১ সালের ৪ জুন ভোররাত ২টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত তার খামার থেকে চারটি মহিষ ইঞ্জিন বোটে তুলে নদীপথে এলাকা ত্যাগ করে। চোরচক্র চকরিয়ার চোরারফাড়ি ঘাটে বোট নোঙর করে মহিষগুলো নিয়ে পাড়ায় ঢুকে পড়ে। তারপর তারা মহিষগুলো একটি বাড়িতে ঢুকিয়ে ফেলে।
এবাদুল নদীরঘাট হতে তাদের পেছন পেছন গিয়ে সকল দৃশ্য কৌশলে ভিডিও ধারণ করে। পরে স্থানীয় লোকজনকে ভিডিও দেখিয়ে বাড়িটি নবী হোসাইনের বলে শনাক্ত করার পর চোরদের তথ্য সংগ্রহ করে মামলা করেন। তবে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেন তিনি। সেই জামিনের সময় শেষ হলে বিগত ১৩ ডিসেম্বর নিম্ন আদালতে জামিনের আবেদন করেন মামলার প্রধান আসামি ও সাবেক চেয়ারম্যান নবী হোসাইন।
যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ বাড়ির বিষয়টি ডাহা মিথ্যা, শুধু একটি আমার স্ত্রীর : ওয়াসা এমডি
ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ১৪টি বাড়ি কেনার বিষয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে তা ডাহা মিথ্যা। এই প্রতিবেদনের কোনো সত্যতা নেই। এই ১৪ বাড়ির মধ্যে শুধু একটি আমার স্ত্রীর কেনা। বাকি কোনোটিই আমাদের নয়।
আজ মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) কারওয়ান বাজার ওয়াসা ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তাকসিম এ খান বলেন, যে ১৪টি বাড়ির কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে ৫টি বাড়িতে আমার পরিবার সেখানে বিভিন্ন সময় ভাড়া থেকেছেন। আর একটি বাড়ি আমার স্ত্রীর নামে। আমি, আমার স্ত্রী, সন্তান সবাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
ওয়াসার এমডি বলেন, আমার স্ত্রী-সন্তান সেখানে ওয়েল স্টাবলিস্ট, তাই সেখানে একটি বাড়ি কেনা খুব অসুবিধার কিছু নয়। আমার স্ত্রীর নামেই ওই একটা বাড়ি আছে। সেটাকেও বাড়ি বলা ঠিক হবে না, এটা একটা অ্যাপার্টমেন্ট।
ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী তাকসিম এ খানের যুক্তরাষ্ট্রে ১৪টি বাড়ি কেনার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দাখিল করা দুটি অভিযোগের অনুসন্ধানের অগ্রগতি জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। দুর্নীতি দমন কমিশনকে ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে জানাতে বলেছেন আদালত।
সোমবার (৯ জানুয়ারি) এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ মৌখিকভাবে এ আদেশ দেন।
ডাক বিভাগে সঞ্চয়পত্রের অর্থ আত্মসাৎ, দুদকের অভিযান
ডাক বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের সঞ্চয়পত্রের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের এনফোর্সমেন্ট টিমের অভিযানে ঢালাওভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া না গেলেও বেশকিছু অসঙ্গতি ও অনিয়ম ধরা পড়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক ( জনসংযোগ) মোহাম্মদ শফিউল্লাহ। তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগে পরিপ্রেক্ষিতে এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করে। দুদক টিম যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন দাখিল করবে।
দুদক জানায়, ডাক বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের সঞ্চয়পত্রের অর্থ উত্তোলনপূর্বক আত্মসাতের অভিযোগে এনফোর্সমেন্ট টিম প্রথমে তাদের ঢাকা জি.পি.ও কার্যালয়ের কর্মকর্তা আক্তার জাহানের সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে কথা বলে। দুদক টিম অভিযোগের বিষয়ে একজন গ্রাহকের সঞ্চয়পত্রের ক্রয় থেকে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে টাকা জমা বা সঞ্চয়পত্র মেয়াদ শেষ হলে টাকা উত্তোলন পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপ পর্যালোচনা করে।
সূত্র জানায়, অভিযানকালে ঢালাওভাবে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তিতে দুদকে তদন্ত চলমান আছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কোটি কোটি টাকা অর্থ আত্মসাতের ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে তিনটি ধাপ একত্রিত করে। অর্থ আত্মসাৎকারীরা প্রথমে পাস বইয়ে টাকা ‘এন্ট্রি’ দেখান। পাস বইয়ে এন্ট্রিকৃত অর্থ লেজারে এন্ট্রি করেন কিন্তু সিডিউলে ওই অর্থ তোলেন না। এভাবেই ডাক বিভাগেরই সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। অর্থ আত্মসাতের জন্যই সুপরিকল্পিতভাবেই ডাক বিভাগে একটি ‘পদ্ধতিগত ত্রুটি’ জিইয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য