ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

যমুনা সেতুর দুই প্রান্তে ৩০ কিলোমিটার যানজট

অনলাইন ডেস্ক
১৪ জুন, ২০২৫ ১৫:২৫
অনলাইন ডেস্ক
যমুনা সেতুর দুই প্রান্তে ৩০ কিলোমিটার যানজট

ঈদুল আজহার ছুটির শেষ দিনে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপ ও অতিরিক্ত যানবাহনের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। সেতুর দুই প্রান্তে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ যানজট ও যানবাহনের ধীরগতি। 

শনিবার (১৪ জুন) সকাল থেকে সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক এবং টাঙ্গাইল অংশের যমুনা সেতু থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটারজুড়ে এই যানজটের সৃষ্টি হয়।

সিরাজগঞ্জে যমুনা সেতুর পশ্চিম গোল চত্বর থেকে শুরু করে কড্ডার মোড়, ঝাঐল ওভার ব্রিজ হয়ে নলকা মোড় এবং সীমান্ত বাজার পর্যন্ত ঢাকাগামী লেনে যানবাহনের এই দীর্ঘ সারি দেখা যায়।

এর আগে, গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত থেকেই এই লেনে যানবাহনের ধীরগতি ছিল। শনিবার ভোর থেকে তা বাড়তে বাড়তে তীব্র যানজটে রূপ নেয়। কোথাও থেমে থেমে, আবার কোথাও একেবারে স্থবির হয়ে পড়ে যান চলাচল।

অন্যদিকে টাঙ্গাইল অংশে, শুক্রবার দিবাগত থেকে যমুনা সেতু থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটারজুড়ে যানবাহনের ধীরগতি লক্ষ্য করা যায়। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপ, সঙ্গে সেতুর ওপর গাড়ি দুর্ঘটনা ও বিকল গাড়ির কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

যমুনা সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ রয়েছে। এর মধ্যে গভীর রাতে যমুনা সেতুর ওপর পিকআপ-ট্রাকের সংঘর্ষের জন্য যানবাহনের জটলা লাগে। এইজন্য মহাসড়কে প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনের ধীরগতি হয়। পুলিশ কাজ করছে, খুব দ্রুতই যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হবে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শরীফ বলেন, ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ রোডে যানবাহনের বেশ চাপ রয়েছে। ভোর থেকে শুরু করে এই যানবাহনের চাপে মহাসড়কে ধীরগতির সৃষ্টি হয়।

যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ঈদে ঘরফেরা মানুষ বহনকারী যানবাহনের সংখ্যা প্রচুর বেড়ে যাওয়ায় এবং যমুনা সেতুতে টোল আদায়ে ধীর গতি থাকায় আজ সকাল থেকেই এ মহাসড়কে কখনো ধীরগতি আবার কখনো থেমে থেমে যানজট দেখা দিয়েছে।

এতে দুই প্রান্ত মিলিয়ে প্রায় ৩০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট ও ধীরগতির কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। ঈদের আনন্দের পরে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রাপথ হয়ে উঠেছে দীর্ঘ অপেক্ষার ও কষ্টের।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    সরকারি কাজে অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিক লাঞ্চিত; হুমকি

    জেলা প্রতিনিধি
    ১৩ জুন, ২০২৫ ১৫:২০
    জেলা প্রতিনিধি
    সরকারি কাজে অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিক লাঞ্চিত; হুমকি
    হুমকি দাতা ঠিকাদার কুতুব উদ্দিন

    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের গুহ রোড়ের পাশের ফুটপাতের কাজে অনিয়ম জানতে পেরে ফেসবুক লাইভে আসেন এক সাংবাদিক। সেখানে সেই সাংবাদিককে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে লাঞ্চিত করেছেন এক ঠিকাদার। এই ঘটনার ভিডিও চিত্র এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। লাঞ্চিত হওয়ায় অই সাংবাদিকের হলেন কালবেলা পত্রিকার শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি ও শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক এসকে দাশ সুমন।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১৪ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড এর একটি ভিডিওতে দেখা যায় শহরের গুহরোডে রাস্তার পাশের ফুটপাতের উপর পুরাতন টাইলস ভেঙ্গে নতুন টাইলস লাগানোর কাজ চলছিলো। এসময় দুপুরে সেখানে যান এসকে দাশ সুমন। সেখানে তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে লাইভে এসে টাইলস বসানোর মসলা (সিমেন্ট ও বালু) হাতে নিয়ে দেখান যে বালুর পরিমান বেশী, সিমেন্ট কম। এসময় অই কাজের ঠিকাদার কুতুব উদ্দিন সেই জায়গায় উপস্থিত হয়ে এসকে দাশ সুমনকে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করতে দেখা যায়। পরে আরোও সাংবাদিকদের বিভিন্ন রকম বাজে ভাষার প্রয়োগ করেন এবং হুমকি ধামকি দেন। তবে হুমকি দাতা ঠিকাদার সাবেক কৃষিমন্ত্রীর বিগত ১৭ বছরের আস্ধথাভাজন পরিচয় বহন করে চলেছেন আওয়ামী দোষর। একপর্যায়ে দুইজনের ভিতর বাকবিতন্ডার পর্যায়ে ঠিকাদার সেখান থেকে চলে যান। আরেক ঠিকাদার ফয়সাল আহমেদ তিনি কিছু সময়ের মধ্যে এসে উপস্থিত হয় এবং তার ও মারমুখী আচরণ প্রয়োগ করা শুরু করেন।

    এসময় উপস্থিত স্থানীয় লোকজন বলেন, এখানে আগের টাইলসই ভালো ছিলো। সেগুলো ভেঙে নতুন করে এভাবে নিম্ন মানের কাজ করা হচ্ছে। বালুর পরিমানই বেশী দিচ্ছে তারা। এগুলো কেউ দেখছে না।

    এসকে দাশ সুমন বলেন, আমাকে সকাল থেকেই অনেক লোকজন ফোন করে বলছেন কাজে অনিয়ম হচ্ছে। তো আমি সেখানে গিয়ে প্রমান রাখার জন্য ফেসবুকে লাইভ করছিলাম। হঠাৎ করেই ঠিকাদার এখানে এসে আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল দিতে থাকে। অন্যান্য সাংবাদিকদেরও গালাগাল দিতে থাকে। আমি ভালো করে এখানে দেখেছি, এখানে অনেক অনিয়ম হচ্ছে। আমি এই বিষয়ে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

    এই বিষয়ে ঠিকাদার কুতুব উদ্দিন’কে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

    এ বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ ইসরাইল হোসেনকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি জানান,এ বিষয়ে সত্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও শ্রীমঙ্গল পৌরসভার প্রশাসক ইসলাম উদ্দিন বলেন, ফুটপাতের টাইলস বসানো নিয়ে যে অভিযোগ এসেছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি। সত্যতার প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    হুমকি দাতা ঠিকাদার কুতুব উদ্দিন

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      নোয়াখালীতে মেয়েকে নিয়ে মায়ের আত্মহত্যা

      জেলা প্রতিনিধি
      ১৩ জুন, ২০২৫ ১৩:৫৭
      জেলা প্রতিনিধি
      নোয়াখালীতে মেয়েকে নিয়ে মায়ের আত্মহত্যা

      নোয়াখালীর সদর উপজেলায় চার বছরের শিশু কন্যাকে নিয়ে দুই রশিতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক নারী। এ সময় পুলিশ ঘর থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে।

      বৃহস্পতিবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশপুর গ্রামের মান্নানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।  

      নিহতরা হলেন, একই বাড়ির মো.রুবেলের স্ত্রী রাবেয়া বসরী রাহী (২৭) ও তার মেয়ে মাইশা (৪)।

      স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫ বছর আগে রুবেল রাহীকে বিয়ে করে। তিনি একটি মাংসের দোকানে চাকরি করেন। গত ১০ জুন রাহী তার বোনকে মুঠোফোনে কল দিয়ে নিজের মেয়েকে নিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দেয়। রাহীর অভিযোগ ছিল তার স্বামী জুয়া খেলে টাকা নষ্ট করে। তার অন্য দুই ভাই  নতুন ঘর করলেও তার স্বামী কোন ঘর করতে পারেনি। সংসারের দিকে তেমন খেয়াল রাখেনা। রুবেল তার বোনেদের বেশি সহযোগিতা করত। এসব ঘটনার জের ধরে রাহী স্বামীর ওপর অভিমান করে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিহতের স্বামী কাজ থেকে বাড়ি ফিরেন। একপর্যায়ে দেখেন স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ তার শয়ন কক্ষের আঁড়ার সাথে দুটি রশিতে ঝুলছে। পরে তার শৌরচিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এসে পুলিশে খবর দেয়।

      সুধারাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) লন্ডন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে এটিকে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তবে ময়না তদন্তের প্রতিবদেন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।        

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ডাস্টবিন থেকে ওষুধ তুলে রোগীর কাছে বিক্রি! ওয়ার্ড বয়ের

        অনলাইন ডেস্ক
        ১২ জুন, ২০২৫ ১৫:২
        অনলাইন ডেস্ক
        ডাস্টবিন থেকে ওষুধ তুলে রোগীর কাছে বিক্রি! ওয়ার্ড বয়ের

        সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাস্টবিন থেকে ওষুধ তুলে তা রোগীর স্বজনের কাছে বিক্রি এবং সেই ওষুধ রোগীর শরীরে প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। রোগীর স্বজনদের এ অভিযোগের পর নড়েচড়ে বসেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন এবং অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক ওয়ার্ড বয়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

        বুধবার (১১ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হাসপাতালে এ অনিয়মের চিত্র সামনে আসে। অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সেনাবাহিনীর একটি টহল দল। তারা হাসপাতালের মেডিসিন (মহিলা) বিভাগে গিয়ে অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয় হরষিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
         
        জিজ্ঞাসাবাদে হরষিত স্বীকার করেন, তিনি ওই ওষুধ রোগীর স্বজনের কাছে বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, ‘ছয়-সাত মাস আগে ডাস্টবিন থেকে কিছু ওষুধ সংগ্রহ করি। সম্প্রতি সুযোগ পেয়ে সেগুলো বিক্রি করি।’
         
        সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর কাছে ওই ইনজেকশন বিক্রি ও তার স্ত্রীর শরীরে সেটি প্রয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘ঈদের পরদিন স্ত্রীকে ভর্তি করি। তারা যে ওষুধ দেয় প্রথমে সেটা হাসপাতালে নেই বলে তারা জানায়। পরে ওয়ার্ড বয় হরষিত প্রতিটি ইনজেকশন ৫০০ টাকা করে আমার কাছে বিক্রি করে। ইনজেকশন দেওয়ার পর দেখা যায়, সেগুলোর মেয়াদ চার মাস আগেই শেষ।’
         
        হাসপাতালের পরিচালক ডা. কুদরতে খোদা বলেন, ‘ঘটনাটি আমি পরে জেনেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তি আমার স্থায়ী স্টাফ নয়, সে একজন স্বেচ্ছাসেবক। তারপরও আমরা তাকে সাসপেন্ড করেছি। এছাড়া তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
         
        তিনি আরও বলেন, ‘ওদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ওয়ার্ড মাস্টারকে বলেছি, লিখিত অভিযোগ যেন আমার বরাবর জমা দেওয়া হয়। এ ঘটনার পেছনে আর কারা জড়িত, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখছি, রোগীর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে কিনা। এখন পর্যন্ত আমার কাছে কোনো বড় সমস্যা ধরা পড়েনি।’
         
        ঘটনার পর হাসপাতালের চিকিৎসকরাও বিষয়টি নিয়ে সতর্ক রয়েছেন। মেডিসিন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. কাজী আরিফ আহমেদ বলেন, আমি ওই দিন ছুটিতে ছিলাম। ছুটিতে যাওয়ার আগে ওই রোগীকে আমি যে ওষুধগুলো দিয়েছিলাম সেগুলোর মেয়াদ ঠিক ছিল এবং রোগীর কোনো সমস্যা হয়নি। তবে আমার অনুপস্থিতিতে যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো হাসপাতালের কিনা, তা আমার জানা নেই।
         
        ভুক্তভোগী রোগীর ছেলে হারুন অর রশীদ বলেন, ‘আমার আম্মু এখনো ওখানেই ভর্তি। কর্তৃপক্ষ আমাদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছেন। ঘটনার পর কয়েকটি পরীক্ষা করা হয়েছে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়ে ডাক্তাররা সরাসরি কিছু বলেননি, তবে এখন চিকিৎসা ভালো চলছে।’
         
        তিনি আরও বলেন, ‘আমি শুধু আমার মায়ের জন্য না, সব রোগীদের জন্যই এটা করেছি। ওখানে সবাই আমার মা, ভাই, বোন। তাই আমরা যখন বিষয়টি জানতে পেরেছি তখন সেনাবাহিনীকে জানাই এবং তারা এসে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।’
          
        সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই ঘটনা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বলছেন, কেবল একজন স্বেচ্ছাসেবককে সাসপেন্ড করে দায়িত্ব শেষ করা যাবে না, এ ঘটনায় যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
         
        হাসপাতালের একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনদের মতে, ওষুধ চুরি ও বিক্রি, কমিশন বাণিজ্য, রোগী রেফার ও অর্থ আদায়ের বিষয়গুলো বহুদিন ধরেই চলে আসছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          শ্বশুরের কবল থেকে স্ত্রীকে ফিরে পেতে অসহায় স্বামীর সংবাদ সম্মেলন

          জেলা প্রতিনিধি
          ১২ জুন, ২০২৫ ১৪:৪৮
          জেলা প্রতিনিধি
          শ্বশুরের কবল থেকে স্ত্রীকে ফিরে পেতে অসহায় স্বামীর সংবাদ সম্মেলন

          গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দুই লাখ টাকা মোহরানা নির্ধারণে বিয়ে করা স্ত্রীকে শ্বশুরের কবল থেকে ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আশাদুজ্জামান আশিক (২৫) নামে ভূক্তভোগী এক যুবক।

          বুধবার (১১ জুন) রাতে পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রীকে ফিরে পাবার আকুতি জানান তিনি।

          আশাদুজ্জামান আশিক পলাশবাড়ী উপজেলার ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের আসমতপুর গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে।

          তার স্ত্রী আঁখি মনি (১৯) একই গ্রামের আমজাদ হোসেনের মেয়ে।

          সংবাদ সম্মেলনে আশিক বলেন, একই গ্রামে বাড়ি হওয়ার সুবাদে আশিক ও আঁখি দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আখিঁর পরিবারের মত না থাকায় গত ২৮ মে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক ২ লাখ টাকা মোহরনা নির্ধারণে আঁখিকে বিয়ে করেন আশিক। এদিকে, আঁখির বাবাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এ বিয়ে মেনে না নিয়ে বিরোধিতাসহ আশিককে নানাভাবে হয়রানিসহ হুমকি দিয়ে আসছিলেন। 

          একপর্যায়ে তাদের আক্রোশ থেকে বাঁচতে ঢাকার গাজিপুরে গিয়ে বাসাভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন এ দম্পতি। এবং জীবিকার জন্য গার্মেন্টেস এ চাকুরী নেয় আশিক। 

          সেখান থেকে গত মঙ্গলবার ( ১০ জুন) আশিকের শ্বশুর লোকজনসহ সেখানে গিয়ে তাকে মারধর করে জোরপূর্বক আঁখিকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বর্তমানে জোরপূর্বক বাড়িতে আটকে রেখেছেন।

          এতে নিরুপায় হয়ে আশিক স্ত্রীকে ফিরে ফেতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
           

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত