ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

দুই রাজনৈতিক দলের সমাবেশ

তীব্র যানজটে রাজধানীতে অচলাবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
২৮ মে, ২০২৫ ১৬:১৩
অনলাইন ডেস্ক
তীব্র যানজটে রাজধানীতে অচলাবস্থা

রাজধানীর শাহবাগ ও পল্টনে বৃহৎ দু’টি রাজনৈতিক দলের সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে অচল হয়ে পড়েছে রাস্তায় যান চলাচল। 

যেকোনো কর্মদিবসে রাজধানীতে সকালের দিকে যানজট বেশি থাকে। যানজট সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্তই বেশি থাকে সাধারণত। তবে আজ সেই যানজটের মাত্রা অনেক বেশি দেখা যায়। যা দুপুর ১টা পর্যন্ত তীব্র আকার ধারণ করে। বিএনপি ও জামায়াতের পৃথক রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, দু’টি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির কারণে নগরীর প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। 

বুধবার (২৮ মে) সকাল ৯টার দিকে বিজয় সরণি থেকে সামনে এগিয়ে একেবারে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত শুধু যানবাহনের সারি দেখা যায়। গাড়ি একটুও সরছিল না।

কারওয়ান বাজারের সামনে দিয়ে যাওয়া এলিভিটেড এক্সপ্রেসওয়ের যত দূর চোখ যায়, শুধু গাড়ি আর গাড়ি। উঁচু একটি ভবন থেকে দেখা যায়, আটকে থাকা বাসগুলো থেকে অনেকেই হাঁটা শুরু করেছেন।

কারওয়ান বাজারের সামনে দিয়ে যাওয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের সারি

কারওয়ান বাজারের সামনে দিয়ে যাওয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের সারি

এরপর সারা শহরে যানজট ছড়িয়ে যায়। বেলা একটার দিকে এই প্রতিবেদন লেখার সময় যানজট তীব্র আকার নেয়। সরেজমিনে দেখা যায়, ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের উদ্যোগে পল্টনে আয়োজিত বিএনপির ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ ঘিরে রাজধানীতে নেতাকর্মীদের ঢল নামে। গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, কুমিল্লাসহ আশপাশের জেলাগুলো থেকে হাজারো নেতাকর্মী বাসে রাজধানীতে প্রবেশ করতে থাকেন। এতে ঢাকার প্রবেশপথগুলোতেও যানজট তৈরি হয়। 

সমাবেশের মূল কেন্দ্র পল্টন মাঠ, তবে এর প্রভাব পড়ে আশপাশের এলাকাগুলোতেও। প্রেসক্লাব মোড়, জিরো পয়েন্ট, দৈনিক বাংলা মোড়, বিজয়নগর, নাইটিঙ্গেল, শাহবাগ, সাইন্সল্যাব এবং মতিঝিলে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। এসব এলাকায় অপরিকল্পিত বাস পার্কিং করে রাখা হয়েছে। এসব গাড়ির যাত্রীদের থেকে জানা যাযয়, তারা সবাই বিএনপির ‘তারুণ্যের সমাবেশে’ যোগ দিতে এসেছে। 

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা আজহারুল ইসলামের মুক্তির পর হঠাৎ করে শাহবাগ এলাকায় দলটির নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। সকাল সাড়ে ৮টার পর থেকেই তাদের অবস্থানকে কেন্দ্র করে শাহবাগ মোড় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় সৃষ্টি হয় ব্যাপক যানজট।

শাহবাগে জামায়াতের সমাবেশ

শাহবাগে জামায়াতের সমাবেশ

শাহবাগ এলাকায় দায়িত্বরত এক ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, জামায়াতের নেতাকর্মীরা হঠাৎ করে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেওয়ায় মূল সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ যানজট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পল্টন ও রমনা এলাকাতেও।

সকাল ১০টার পর থেকেই মতিঝিল এলাকায় একেবারে স্থবির পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কর্মব্যস্ত এই এলাকায় হাজারো মানুষ অফিসে যেতে গিয়ে পড়ে চরম দুর্ভোগে। যানজটের কারণে অনেকে হেঁটে বিকল্প রাস্তায় গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।

শান্তিনগর এলাকায় আটকে থাকা যাত্রী মো. আব্দুল কালাম বলেন, সকাল ১১টায় উত্তরা থেকে বের হয়েছি, এখন পর্যন্ত মতিঝিল পৌঁছাতে পারিনি। শান্তিনগরেই আটকে আছি। প্রচণ্ড গরমে এই যানজট একেবারেই অসহনীয়।

নাইটিঙ্গেল মোড়ে যানজটে আটকে থাকা সিএনজি চালক আনোয়ার হোসেন বলেন, আজ খুব খারাপ দিন গেছে। সিএনজির জমার টাকাটাই উঠাতে পারবো না। এখন পর্যন্ত মাত্র একটা টিপ মেরেছি। যানজটের কারণে কাকরাইল-নাইটিঙ্গেল এলাকা থেকে বের হতে পারছি না।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরওয়ার আজ বেলা পৌনে ১টার দিকে বলেন, রাজধানীতে আজ বিএনপির তিন সংগঠনের তারুণ্যের সমাবেশ আছে। সেখানে কয়েক লাখ লোক আসার কথা। এ জন্য গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, কুমিল্লা থেকে বাসে করে নেতা-কর্মীরা রাজধানীতে আসছেন। নগরীর আশপাশ থেকেও বাস ভর্তি করে লোকজন আসছেন। শুধু  মিরপুর ও উত্তরার কিছু অংশ বাদ দিয়ে পুরো নগরেই আজ যানজট।

মো. সরওয়ার বলেন, আজ সকালে জামায়াতের নেতা আজহারুল ইসলামের মুক্তির পর শাহবাগে বিপুলসংখ্যক লোক জড়ো হন। তখন সেখানে যানজট শুরু হয়। এটাই যানজটের শুরু। এরপর তারুণ্যের সমাবেশ ঘিরে তা আরও বেড়েছে। দুই রাজনৈতিক সমাবেশের কারণেই এত যানজট আজ নগরে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরওয়ার বলেন, নগরে ঢোকার সব কটি স্থানে আজ অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ। আর এটা সামলাতে ডিএমপির উপকমিশনার থেকে শুরু করে পরিদর্শকদের সবাই মাঠে আছেন। যানজট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যথাসাধ্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

ট্রাফিক সূত্র জানিয়েছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত যানজট পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা খুব একটা নেই।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

আজকের মধ্যেই শপথ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে ইশরাক হোসেনের চিঠি

অনলাইন ডেস্ক
২৬ মে, ২০২৫ ২০:২৪
অনলাইন ডেস্ক
আজকের মধ্যেই শপথ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে ইশরাক হোসেনের চিঠি

শপথ চেয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়কে আবারও চিঠি দিয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। সোমবার (২৬ মে) সকালে ইশরাক হোসেনের পক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এ চিঠি পাঠান।

এর আগে, গত ১৭ মে শপথ চেয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছিলেন ইশরাক হোসেন। চিঠিতে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন ২০০৯ এর ধারা ৭(২) অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে ইশরাককে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরশনের নির্বাচিত মেয়র হিসেবে শপথ পাঠ করানোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানানো হয়।

আজকের (সোমবার) চিঠিতে ইশরাক হোসেনের আইনজীবী বলেন, আমার মক্কেল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কর্তৃক মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফজলে নূর তাপস (নৌকা প্রতীক) নানা রকম অনিয়ম, বেআইনি কার্যকলাপ এবং নির্বাচনী আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে, ভোটারবিহীন ভোটকেন্দ্রে ইভিএম মেশিন দখলে নিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট সম্পন্ন করে। তৎকালীন নির্বাচন কমিশন এবং রিটার্নিং অফিসারের যোগসাজশে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফজলে নূর তাপসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

নোটিশে বলা হয়, গত ৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী গেজেট প্রকাশিত হওয়ার পর নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠিত হলে ইশরাক হোসেন স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ এর বিধি ৫৫ এর উপবিধি (১) এ বর্ণিত সময়সীমার মধ্যে উক্ত নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফজলে নূর তাপসকে মেয়র হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করার গেজেট বাতিল চেয়ে নির্বাচিত মেয়র হিসেবে ঘোষণা করার প্রার্থনা করে নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল মোকদ্দমা নং-১৫/২০২০ দায়ের করেন। ট্রাইব্যুনাল শুনানি শেষে ২৭ মার্চ রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে ফজলে নূর তাপসকে মেয়র হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করার গেজেট বাতিল করেন এবং ইশরাক হোসেনকে নির্বাচিত মেয়র হিসেবে ঘোষণা করেন।

নোটিশে বলা হয়, এরই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে রায়ের অনুলিপি প্রাপ্তির দশ কর্মদিবসের মধ্যে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ প্রদান করেন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন রায় প্রাপ্তির পর গত ২৭ এপ্রিল ইশরাক হোসেনকে নির্বাচিত মেয়র হিসেবে গেজেট প্রকাশ করেন।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৭(২) এ উল্লেখ আছে, মেয়র বা কাউন্সিলরগণের নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার ত্রিশ দিনের মধ্যে সরকার বা তদ্‌কর্তৃক মনোনীত কর্তৃপক্ষ মেয়র ও সকল কাউন্সিলরকে শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। এতে স্পষ্ট যে, ওই ধারা অনুযায়ী নির্বাচিত মেয়রকে গেজেট প্রকাশ হওয়ার ত্রিশ দিনের মধ্যে শপথ পাঠ করানোর আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু পরিলক্ষিত হচ্ছে যে, গেজেট প্রকাশের পর ২৯ দিন অতিবাহিত হলেও ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসাবে শপথ পাঠ করানোর কোনরূপ ব্যবস্থাই এখন পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়নি।

চিঠিতে বলা হয়, আইনি বাধ্যবাধকতার আলোকে আমার মক্কেল ইশরাক হোসেনকে আজ সোমবার (২৬ মে)-এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ পাঠ করানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় আমার মক্কেলের নির্দেশনা মোতাবেক আপনাদের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ অমান্য করার দায়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণে বাধ্য থাকবো।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    গণ অধিকার পরিষদের ঘোষণা

    ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা উত্তরের প্রশাসককে অপসারণ না করলে যমুনা ঘেরাও

    অনলাইন ডেস্ক
    ২০ মে, ২০২৫ ২২:১০
    অনলাইন ডেস্ক
    ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা উত্তরের প্রশাসককে অপসারণ না করলে যমুনা ঘেরাও

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ। দাবি বাস্তবায়িত না হলে আগামী শনিবার (২৪ মে) প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিয়েছে দলটি।

    মঙ্গলবার (২০ মে) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটির নগর ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেন গণ অধিকার পরিষদের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফারুক হাসান। ডিএনসিসি প্রশাসককে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা এ বিক্ষোভের আয়োজন করে।

    বিক্ষোভ সমাবেশে গণ অধিকার পরিষদের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ২০১৮ সাল পর্যন্ত ডিএনসিসি প্রশাসক এজাজ নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহ্‌রীরের সক্রিয় নেতা ছিলেন। শুধু নেতা বললে ভুল হবে, প্রথম সারির নেতা ছিলেন। হিযবুত তাহ্‌রীর করার কারণে একাধিকবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগসাজশ করে কারাগার থেকে বেরিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগ করেছেন।

    ফারুক হাসান বলেন, আওয়ামী লীগের ধান্দাবাজি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি প্রতিটি অপকর্মের সঙ্গে এজাজ সম্পৃক্ত ছিলেন। এরপর আন্দোলন–সংগ্রাম শুরুর পর খোলস পাল্টে এ সরকারের নব্যবিপ্লবী বনে যান। স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার সঙ্গে তলে তলে গোপন চুক্তি করে এই এজাজ আজকে সিটি করপোরেশনের ‘জমিদার’।

    ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে গণ অধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ সরকার তথা স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদকে আলটিমেটাম দিচ্ছি। এর মধ্যে এজাজকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার করা না হলে আগামী শনিবার আমাদের কর্মসূচি হবে যমুনার সামনে।’

    সমাবেশের আগে ঢাকা উত্তর সিটির নগর ভবনের সামনে প্রশাসক এজাজের অপসারণের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। সমাবেশ শেষে নগর ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল হয়। গণ অধিকার পরিষদের কর্মসূচির পাশাপাশি তেজগাঁও থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীদেরও পৃথকভাবে নগর ভবনের সামনে ডিএনসিসি প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা যায়।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      নির্বাচন পেছাতে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত শুরু হয়েছে : মির্জা ফখরুল

      অনলাইন ডেস্ক
      ২০ মে, ২০২৫ ২১:২৭
      অনলাইন ডেস্ক
      নির্বাচন পেছাতে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত শুরু হয়েছে : মির্জা ফখরুল

      সুপরিকল্পিতভাবে নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ভিন্নদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। গণতন্ত্রে উত্তরণের যখন একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তখন একটা কালো ছায়া এসে দাঁড়াচ্ছে। সুপরিকল্পিতভাবে নির্বাচন, জনগণকে তাদের ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার পাঁয়তারা শুরু হয়েছে।

      মঙ্গলবার (২০ মে) গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। আগামী ৩০ মে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে যৌথসভা শেষে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

      মির্জা ফখরুল বলেন,  বিভাজনের রাজনীতি আবার শুরু হয়েছে। গোত্রে গোত্রে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকারের মধ্যে কিছু অনুপ্রবেশ ঘটানো হচ্ছে, দেশকে অস্থিতিশীল করতে। সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরস্পরের মুখোমুখি করার একটা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।

      নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সজাগ থাকতে হবে, সেইসঙ্গে রুখে দাঁড়াতে হবে, সমস্ত চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র মোকাবিলার জন্য। সীমান্তের ওপার থেকে যে ষড়যন্ত্র চলছে— সে ব্যাপারেও সজাগ থাকতে হবে। কেউ যেন দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৗমত্ব বিলীন করতে না পারে।

      সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আগামী জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকীর ৮ দিনব্যাপি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ২৫ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত এসব কর্মসূচি পালিত হবে।  এর মধ্যে ২৭ ও ২৮ মে ঢাকায় হবে তারুণ্যের সেমিনার ও সমাবেশ। ২৯ মে বিকেল ৩টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। তবে ওই দুই দিন মৃত্যুবার্ষিকীর অন্য কোনো কর্মসূচি থাকবে না। আর ৩০ মে সকালে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন নেতাকর্মীরা। 

      মন্তব্য

      তীব্র গরমের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

      অনলাইন ডেস্ক
      ১১ মে, ২০২৫ ২১:০
      অনলাইন ডেস্ক
      তীব্র গরমের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

      গত কয়েকদিন ধরে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকায়। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি মিলছে না। তবে, রোববার (১১ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। এতে জনজীবনে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে।

      এদিন, সন্ধ্যার পরই বিভিন্ন এলাকায় ঝোড়ো বাতাস বয়ে যায়। বাতাসে ঠান্ডা অনুভূতি থাকায় তখন থেকেই স্বস্তি মিলতে থাকে। তবে বৃষ্টি শুরুর আগে বজ্রপাত হয়।

      এদিকে, দুপুরের পর জামালপুর, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃষ্টি হয়েছে। কালবৈশাখি ঝড়ে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর এসেছে।

      আজ শনিবারের (১০ মে) তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। রোববার ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গায় রেকর্ড করা হয়েছে ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায়। ঢাকায় রেকর্ড করা হয় ৪০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা বছরের সর্বোচ্চ।

      অন্যদিকে, সোমবার (১২ মে) কয়েকটি জায়গায় বৃষ্টিপাত হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। যার প্রভাবে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। এ সময়ে চলমান তাপপ্রবাহ সারা দেশের কিছু কিছু জায়গায় থেকে প্রশমিত হতে পারে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত