ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর দাবিতে পাবিপ্রবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
২৭ মে, ২০২৫ ১৯:২২
অনলাইন ডেস্ক
স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর দাবিতে পাবিপ্রবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

দেশের সর্বস্তরের শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) সাধারণ শিক্ষকরা।

মঙ্গলবার (২৭ মে) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকগণ এ মানববন্ধনে অংশ নেন।

মানববন্ধনে শিক্ষকরা বলেন, প্রজাতন্ত্রের সকল বিভাগের সকল কর্মচারীদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো আছে। কিন্তু এদেশের মানুষ গড়ার কারিগর যে শিক্ষকরা তাদের জন্য আলাদা কোন বেতন কাঠামো নেই। এটা একটা স্বাধীন দেশের শিক্ষকদের জন্য দুঃখের বিষয়। এ সময় তারা সরকারের কাছে আগামী বাজেটের আগেই শিক্ষকদের আলাদা বেতন কাঠামোর দাবি জানিয়েছেন।

মানববন্ধনে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আরিফ ওবায়দুল্লাহ বলেন, ‘সমাজে আজ শিক্ষকরা বিভিন্ন ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছে। এর আগেও স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর দাবি জানানো হলেও সেটা কার্যকর করা হয়নি।বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টার কাছে আমাদের আহ্বান থাকবে তিনি যেন আমাদের দাবি গুলো পূরণ করেন।

ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক, জুডিশিয়ারিসহ প্রত্যেক স্তরে নিজস্ব বেতন কাঠামো অনুসরণ করে। কিন্তু সাধারণ শিক্ষক সমাজের জন্য এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো বেতন কাঠামো নেই। ফলে আমরা বারবার অবমূল্যায়িত ও হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিজে একজন শিক্ষক। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি আমাদের কষ্ট ও বঞ্চনার বিষয়টি তিনি উপলব্ধি করবেন এবং আসন্ন বাজেটে এই সমস্যা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. কামরুজ্জামান খান বলেন, ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি নিজেদের একটি স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা। কিন্তু কোনো সরকারই এ দাবি মেনে নেয়নি। শিক্ষকতা পেশাকে মুখে মুখে সম্মানজনক বলা হলেও, বাস্তবে এই পেশার প্রতি যথাযথ মূল্যায়ন করা হয় না। সামনে বাজেট আমরা আশা করি আমাদের এই দাবিকে সরকার বিবেচনায় নিবেন।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ছাত্রদলের সভাপতি হলেন শিবির

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৭ মে, ২০২৫ ১৭:২৭
    অনলাইন ডেস্ক
    ছাত্রদলের সভাপতি হলেন শিবির

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মৌলভীবাজার জেলা শাখার অধীনে ভুনবির দর্জিপুরত কলেজ ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    সদ্যঘোষিত এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন শিবির মিয়া।

    ২৫ মে ২০২৫ তারিখে ছাত্রদলের জেলা শাখার প্যাডে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সহ-সভাপতি খায়রুল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হক নাইম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিব মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফ হোসাইন, প্রচার সম্পাদক আফিক বোধ এবং দপ্তর সম্পাদক আবির হোসেন।

    কমিটি প্রকাশের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে জেলা ছাত্রদলের দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    নতুন নেতৃত্বে ভুনবির দর্জিপুরত কলেজ ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    মন্তব্য

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৮৮ জনের চাকরি পুনর্বহালের নির্দেশ

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৭ মে, ২০২৫ ১১:৭
    অনলাইন ডেস্ক
    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৮৮ জনের চাকরি পুনর্বহালের নির্দেশ

    ২০১১ সালে উচ্চ আদালতের নির্দেশে চাকরিচ্যুত করা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৮৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সিনিয়রিটি সুযোগ-সুবিধাসহ চাকরি পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

    মঙ্গলবার (২৭ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ রায় এ ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আইনজীবী, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

    আদালতে উপস্থিত কর্মচারীরা জানান, ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতিহিংসার শিকার হয়ে চাকরিচ্যুত ৯৮৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিতে পুনর্বহালের বিষয়ে নির্দেশ দেওয়ায় আমরা খুশি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      চাকসু গঠনতন্ত্রে ৫ নতুন পদ সংযোজনের প্রস্তাব

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২৬ মে, ২০২৫ ২০:৫৮
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      চাকসু গঠনতন্ত্রে ৫ নতুন পদ সংযোজনের প্রস্তাব

      চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) গঠনতন্ত্রে নতুন পাঁচটি পদ সংযোজনের প্রস্তাবনা দিয়েছে পাহাড় ও সমতলের সক্রিয় আদিবাসী ছাত্র সংগঠনগুলো। 

      সোমবার (২৬ মে)  বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসু ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাব দেন তারা।

      সংগঠনগুলোর প্রস্তাবিত নতুন পাঁচটি পদ হলো:
      ১ পরিবহন ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক
      ২ নারী বিষয়ক সম্পাদক
      ৩  আদিবাসী বা সংখ্যালঘু জাতিসত্তা বিষয়ক সম্পাদক
      ৪  স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক
      ৫ হল সংসদ নির্বাচনে ভিপি অথবা জিএস পদে সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা

      সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত প্রস্তাবনায় তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থার মূল ভরসা শাটল ট্রেনে বগি সংকট, নিরাপত্তাহীনতা ও সিট সংকট রয়েছে। এছাড়াও ক্যাম্পাসে অভ্যন্তরীণ চক্রাকার বাস চালুর প্রয়োজন রয়েছে। পরিবহন ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক এসব বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

      নারী বিষয়ক সম্পাদক যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সেলের সঙ্গে কাজ করে নারীদের নিরাপত্তা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, সাইবার নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য অধিকার ও পোশাকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবেন।

      আদিবাসী বা সংখ্যালঘু জাতিসত্তা বিষয়ক সম্পাদক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সাত শতাধিক সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীর ভাষা, সংস্কৃতি ও অধিকার রক্ষায় কাজ করবেন। রেসিজম ও বুলিং প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখার কথা বলা হয়।

      স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মেডিকেল সেন্টারকে আধুনিক চিকিৎসা সেবাকেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নেবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিমা চালুসহ সকল শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের দাবিও তোলেন তারা।

      সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি থাকা সত্ত্বে অতীশ দীপংকর ও নবাব ফয়জুন্নেসা হলের সংসদ নির্বাচনে তাদের প্রতিনিধি নিশ্চিত করতে হবে বলে দাবি জানানো হয়।

      এছাড়া, তারা চাকসুর গঠনতন্ত্রের ২ ও ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে সংশোধন আনার সুপারিশ করেন। তারা বলেন, চাকসুর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আরও স্পষ্ট হওয়া উচিত এবং ভিসির অতিরিক্ত ক্ষমতা হ্রাস করে নির্বাহী কমিটিকে শক্তিশালী করতে হবে। নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত ‘দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে’ নির্ধারিত হওয়া এবং চাকসু ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা এককভাবে ভিসির হাতে না রেখে কমিটির ওপর ন্যস্ত করার দাবিও জানানো হয়।

      সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মারমা স্টুডেন্টস কাউন্সিল (বিএমএসসি ) এর সাংগঠনিক সম্পাদক সাথোয়াই অং মারমা, ত্রিপুরা স্টুডেন্ট'স ফোরাম  চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি ধন রঞ্জন ত্রিপুরা, গাহাড়ি ছাত্র পরিষদ চবি শাখার সভাপতি রোনাল চাকমা,   সাংস্কৃতিক কমিটি বিএমএসসি এর সাধারণ সম্পাদক সিংয়ইপ্রু মারমা, ওঁরাও জনগোষ্ঠী প্রতিনিধি পিযুষ টপ্য এবং চবি ইংরেজি বিভাগের ২০২৩-২০২৪ সেশনের শিক্ষার্থী সিনেট চাকমা।

      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      পাবিপ্রবিতে স্কাউটের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক দীক্ষা ও ডে ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২৬ মে, ২০২৫ ১৩:১৯
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      পাবিপ্রবিতে স্কাউটের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক দীক্ষা ও ডে ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

      পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভার স্কাউট গ্রুপের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী “বার্ষিক দীক্ষা ও ডে ক্যাম্প-২০২৫” অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ মে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের রোভার স্কাউট সদস্যরা।

      ক্যাম্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল নতুন স্কাউটদের আনুষ্ঠানিক দীক্ষা প্রদান এবং রোভার স্কাউটিংয়ের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দক্ষতা অর্জনে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া।

      ক্যাম্পের শেষ দিন ২৫ মে সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয় ক্যাম্প ফায়ার ও সমাপনী অনুষ্ঠান। অংশগ্রহণকারীদের জন্য এটি ছিল আনন্দ, উদ্দীপনা ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য সন্ধ্যা। আগুনের চারপাশে জড়ো হয়ে রোভাররা পরিবেশন করেন নৃত্য, গান, নাটিকা ও স্কাউট চেতনার আলোকে নানা উপস্থাপনা।

      সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান, বাংলাদেশ স্কাউট রোভার অঞ্চলের ট্রেইনিং লিডার অধ্যক্ষ মোছা. নিলুফা ইয়াসমিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেইনিং লিডার মো. ফজলে রাব্বি, পাবনা জেলা স্কাউটের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, দপ্তরপ্রধান এবং স্কাউট আন্দোলনের অভিভাবকরা।
      অনুষ্ঠানের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কাউট শাখার সম্মানিত সম্পাদক ড. জিন্নাত রেহানা।

      রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভাররা বলেন, “স্কাউটিং শুধু শৃঙ্খলা শেখায় না, এটি নেতৃত্ব, মানবিকতা এবং সমাজসেবার বোধও জাগ্রত করে। ক্যাম্প ফায়ার শুধুই বিনোদন নয়, এটি স্কাউটদের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করার এক মাধ্যম।”

      অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী এক নবীন রোভার বলেন, “দীক্ষা গ্রহণের পর এটাই ছিল আমাদের প্রথম বড় অভিজ্ঞতা। এটি শুধু একটি ক্যাম্প নয়, জীবনের স্মরণীয় একটি অধ্যায় হয়ে থাকবে।”

      আতিথেয়তা, দীক্ষা প্রদান, নতুন দায়িত্ব হস্তান্তর এবং পাঁচটি দলের ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশনার মধ্য দিয়ে ক্যাম্প ফায়ার ও সমাপনী অনুষ্ঠানের পর্দা নামে।

      উল্লেখ্য, পাবিপ্রবির রোভার স্কাউট গ্রুপ প্রতিবছর নিয়মিতভাবে এ ধরনের দীক্ষা ও ক্যাম্প আয়োজন করে থাকে। এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও নেতৃত্বমূলক বিকাশে এবং সমাজসেবামূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

      মন্তব্য
      সর্বশেষ সংবাদ
        সর্বাধিক পঠিত