ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

গ্লোবাল সুপার লিগের ফাইনাল খেলাতে চান আফিফ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৫:৫২
নিজস্ব প্রতিবেদক
গ্লোবাল সুপার লিগের ফাইনাল খেলাতে চান আফিফ

স্পোর্টস ডেস্ক: বিভিন্ন দেশ থেকে পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলকে নিয়ে গ্লোবাল সুপার লিগ নামে নতুন একটি টুর্নামেন্ট  মাঠে গড়াবে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড এই টু্র্নামেন্ট আয়োজন করছে।

যেখানে অংশ নেবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দল রংপুর রাইডার্সও। সেই উপলক্ষ্যে গতকাল প্রথমবার অনুশীলন শুরু করে দলটি।

ধারাবাহিকভাবে আজ শুক্রবার সকালেও অনুশীলন করেছে রংপুর। অনুশীলন শেষে দলের হয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন আফিফ হোসেন।

গ্লোবাল সুপার লিগে নিজের গ্ল্যামার পাওয়ার সুযোগ  নিয়ে আফিফ বলেন, সেটা তো অবশ্যই থাকবে। রংপুর রাইডার্স আমাদের এরকম একটা সুযোগ করে দিচ্ছে। এরকম সুযোগ তো সবসময় আসে না। আশা থাকবে রংপুর রাইডার্সের হয়ে যেন ভালো করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, এরকম টুর্নামেন্ট অবশ্যই সবার জন্য ভালো সুযোগ। যেহেতু দেশের বাইরে খেলা, অবশ্যই বড় একটা সুযোগ। এরকম টুর্নামেন্টগুলোতে ভালো করতে পারলে ভবিষ্যতে আরও অন্যান্য টুর্নামেন্টে অবশ্যই সুযোগ আসবে।

এ বছর এখনও জাতীয় দলের হয়ে খেলা হয়নি আফিফের। তবে আপাতত গ্লোবাল সুপার লিগেই লক্ষ্য তার।

আফিফ বলেন, আপাতত এত কিছু চিন্তা করছি না। আমরা টুর্নামেন্টে যেন ফাইনাল খেলতে পারি। ব্যক্তিগত লক্ষ্য বলতে তেমন কিছু নাই, দলের হয়ে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবো।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে প্রেম-বিয়ে, নাগরিকত্ব দাবি বাংলাদেশি নারীর

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৫:৩০
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে প্রেম-বিয়ে, নাগরিকত্ব দাবি বাংলাদেশি নারীর

    ডেস্ক রিপোর্ট: মায়ের চিকিৎসা করাতে পরিবারের সাথে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে গিয়েছিলেন এক নারী। এরপর ওই রাজ্যেরই এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়, তারপর প্রেম ও বিয়ে। আর এবার ভারতে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য সেখানকার নাগরিকত্ব চাইলেন ওই নারী।

    প্রেমে পড়া এবং শেষ পর্যন্ত বিয়ে করা ওই নারী বাংলাদেশের সিলেটের বাসিন্দা।

    জানা যায়, চিকিৎসার জন্য ২০০৭ সালে আসামে যাওয়ার পর শিলচর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন ওই পরিবারের মেয়ে স্থানীয় এক যুবকের প্রেমে পড়েন। এরপর সেই প্রেমকে পরিণয় দিতে তাকে বিয়ে করে তিনি থেকে যান সেখানেই। কিন্তু বিয়ের পরও ভারতের নাগরিকত্ব পাননি সেই নারী। কেননা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ বেশ জটিল প্রক্রিয়ার একটি।

    ২০১৯ সালে বিজেপি সরকার হিন্দুসহ ৬টি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে নতুন একটি আইন নিয়ে আসে। সেই আইনের মাধ্যমে এবার ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন বাংলাদেশের ওই নারী।

    সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানায়, মায়ের চিকিৎসার জন্য যখন ভারতে এসেছিলেন ওই নারী, তখন তার বয়স অনেকটাই কম ছিল। হাসপাতালেই তার সঙ্গে দেখা হয় আসামের বদরপুর শহরের এক যুবকের। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার প্রক্রিয়া অনেকটাই জটিল। সেই সময় সেই নারীকে সাহায্যের জন্য পরম মমতার হাত বাড়িয়ে দেয় ওই যুবক এবং পরিচ্য হওয়ার এক সময় তাদের মধ্যে প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

    নিজ দেশে ফিরে আসার সময় ঘনিয়ে আসলে সেই নারী প্রেমের কথা জানান পরিবারকে।

    দুজনেই হিন্দু পরিবারের, তাই হিন্দু রীতি মেনে তাদের বিয়ে হয় এবং বাংলাদেশের নারী থেকে যান ভারতেই। পরবর্তীতে তাদের এক সন্তানও হয়। করিমগঞ্জ জেলার বদরপুর শহরে স্বামীর সঙ্গে সুখে সংসার করছেন ওই নারী। কিন্তু ভারতের নাগরিক কখনোই হননি তিনি। এরই মধ্যে নতুন করে এনআরসি-র প্রক্রিয়া শুরু হয় আসামে। বহু মানুষের কাছে ফরেনার্স ট্রাইবুনাল থেকে নোটিশ আসে। গোটা বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় আসামে। সমস্যায় পড়েন ওই নারী।

    ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ পেশ করে বর্তমান সরকার। তাতে বলা হয়, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, জৈন, শিখ এবং পার্সি সম্প্রদায়ের মানুষেরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আইন পাস হলেও বহুদিন এর প্রণয়নবিধি প্রকাশ করেনি সরকার। এবছর মার্চ মাসে শেষমেষ সেই প্রণয়ন বিধি প্রকাশ হয়। তারপরেই নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন ওই নারী।

    এপ্রিল মাসে আসামের বরাক উপত্যকার বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি শরণার্থী এই আইনের মাধ্যমে ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। এর মধ্যেই ছিলেন বদরপুরের ওই নারী। কিন্তু কিছুদিনের মধ্য়েই তিনি তার আবেদন প্রত্যাহার করে নেন।

    স্থানীয় আইনজীবীদের মতে, সিএএ-র মাধ্যমে নাগরিকত্ব দাবি করতে গেলে আবেদনকারীকে প্রথমে প্রমাণ করতে হয়, তিনি ধর্মীয় নির্যাতনের ফলে তার দেশ ছেড়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাত বারোটা পর্যন্ত যারা ভারতে প্রবেশ করেছেন, শুধু তারাই আবেদন করতে পারেন। ভারতে প্রবেশ করার পর এই দেশে থাকার প্রমাণও দিতে হয় এই আইনে নাগরিকত্ব চাইলে।

    আইনজীবী তথা ফরেনার্স ট্রাইবুনালের বিচারক ধর্মানন্দ দেব জানান, গতবছর ভারতের নির্বাচন কমিশন আসামের বদরপুরের একটি অংশকে করিমগঞ্জ জেলা থেকে বাদ দিয়ে কাছাড়ের সঙ্গে জুড়ে দেয়।

    তিনি বলেন, বদরপুরের ওই নারী প্রথমে করিমগঞ্জের বাসিন্দা হিসেবে আবেদন করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে দেখা যায় তার বাড়ি কাছাড় জেলার আওতায়। ফলে তিনি তার আবেদন প্রত্যাহার করে নেন এবং পরে ফের আবেদন করেন। তিনি বাংলাদেশে পড়াশোনা করেছেন এবং তার পরিবারের লোকেরা সেখানেই থাকেন। ২০০৭ সাল থেকে এদেশেই রয়েছেন তিনি। ফলে সিএএ-তে আবেদনে প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে অসুবিধা হয়নি তার। এবার বিভিন্ন পর্যায়ে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে যাচ্ছে এবং আমরা আশাবাদী শিগগিরই তিনি ভারতের নাগরিক হবেন।

    ধর্মানন্দের মতে, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন প্রণয়নের বিধি কিছুটা অসম্পূর্ণ এবং জটিল। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বা পাকিস্তান থেকে যারা ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তারা সবাই সেই দেশের নথি সঙ্গে করে আনতে পারেননি। অথচ সিএএ-র বিধিতে বলা হয়েছে আবেদনকারীকে অন্তত এমন একটি নথি দেখাতেই হবে। হয়তো এই কারণেই অনেকে আবেদন করছেন না। আবার প্রক্রিয়াটি এতটাই জটিল, অনেকে তা সামাল দিতে পারেন না। আমরা স্বেচ্ছায় তাদের সাহায্য করছি এবং আমার হাত ধরে এখন পর্যন্ত নয়জন আবেদন করেছেন। এর মধ্যে একজন নাগরিকত্ব পেয়েছেন।

    চলতি বছরের ১৪ আগস্ট শিলচর শহরের বাসিন্দা, ৫০ বছরের দোলন দাস প্রথম বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থী হিসেবে সিএএ-র মাধ্যমে ভারতের নাগরিকত্ব পান। তাকে পরবর্তীতে নিয়ে যাওয়া হয় গুয়াহাটি এবং সেখানে সরকারি কর্মকর্তারা তার হাতে নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট তুলে দেন। তার পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যও আবেদন করেছেন, তবে তাদের নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি। দোলন দাসের নাগরিকত্ব পাওয়ার পর আরো কয়েকজন সাহস করে আবেদন করেছেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      শ্রীলঙ্কায় বড় জয় পেল প্রেসিডেন্ট অনুঢ়ার জোট এনপিপি

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৫:২
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      শ্রীলঙ্কায় বড় জয় পেল প্রেসিডেন্ট অনুঢ়ার জোট এনপিপি

      ডেস্ক রিপোর্ট: শ্রীলঙ্কায় আগাম পার্লামেন্ট নির্বাচনে দেশটির নতুন বামপন্থি প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকের নির্বাচনী জোট ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার (এনপিপি) বড় জয় পেয়েছে। নতুন প্রেসিডেন্ট শপথ নেওয়ার মাত্র সাত সপ্তাহ পর দেশটিতে পার্লামেন্ট নির্বাচনের এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

      মূলত দেশের অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টির জন্য বড় দলগুলোকে প্রত্যাখ্যান করেছে ভোটাররা। বার্তাসংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

      একজন আত্ম-স্বীকৃত মার্কসবাদী দিশানায়েক দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার এবং চুরি হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত সেপ্টেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করেন।

      মূলত শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের ২২৫ আসনের মধ্যে ১৯৬ জন সংসদ সদস্য সরাসরি নির্বাচিত হয়ে থাকেন। আর বাকিদের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের হিসাবে ভোটের হারের ওপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক দলগুলো মনোনীত করে থাকে।

      বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, দিশানায়েকের মার্কসবাদী ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার (এনপিপি) জোট সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া ১৯৬টি আসনের মধ্যে ১৩৭টি আসন জিতেছে। অর্থাৎ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে তারা। তবে স্থানীয় মিডিয়ার ধারণা, আনুপাতিক আসন বণ্টন ব্যবস্থার অধীনে আরও আসন বন্টন হলে ২২৫ সদস্যের সংসদে তাদের আসনের সংখ্যা ১৫০ ছাড়িয়ে যাবে।

      ২০২০ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে মাত্র তিনটি আসনে জেতা এনপিপি এবারের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল।

      সংবাদমাধ্যম বলছে, শ্রীলঙ্কা পার্লামেন্টের আসন সংখ্যা ২২৫টি। এর মধ্যে ১৯৬ আসনে সরাসরি ভোট হয়। বাকি ২৯টি আসন প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতের ভিত্তিতে বণ্টন করা হয়। অর্থাৎ, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১১৩টি আসন।

      চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৪২.৩ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছিলেন অনুরা। আর ৩২.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন এসজেবির নেতা সাজিথ প্রেমদাসা। বিদায়ী প্রেসিডেন্ট তথা ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) প্রধান রনিল বিক্রমাসিংহে ১৭.২ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছিলেন।

      এবারের পার্লামেন্ট নির্বাচনে রনিলের ইউএনপি কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে নিউ ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) জোট গড়ে লড়তে নেমেছিল। পাশাপাশি দুই সাবেক প্রেসিডেন্ট— গোটাবায়া রাজাপাকশে এবং তার ভাই মাহিন্দার নেতৃত্বাধীন এসএলপিপি ভোটে অংশ নিয়েছিল।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিল না জামায়াত : শফিকুর রহমান

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৪:৩৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিল না জামায়াত : শফিকুর রহমান

        ডেস্ক রিপোর্ট: মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিল না জামায়াতে ইসলামী। তবে ভারতের সহযোগিতায় স্বাধীনতার সুফল না পাওয়ার শঙ্কা ছিল দলটির। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেছেন।

        এছাড়া বর্তমান সরকারের কাছে বেশি সুবিধা পাওয়ার আলোচনাকে মিথ্যা প্রচারণা বলছেন তিনি। অতীত কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে আমির বলেন, সেটি জনগণই নির্ধারণ করবে।

        স্বাধীনতা পরবর্তী রাজনীতি কঠিন হলেও গত দেড় দশকে অনেকটাই কোণঠাসা ছিল জামায়াতে ইসলামী। যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ দলটির শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি দেয়া থেকে হয়। কারাবরণ করতে হয় অসংখ্য নেতাকর্মীকে। বিগত শেখ হাসিনা সরকারের পতনের শেষ সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় জামায়াতকে। সব মিলিয়ে বেশ কায়দা করেই রাজনীতির মাঠে টিকে থাকতে হয়েছে দলটিকে। ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর আবারও প্রকাশ্য রাজনীতিতে জোরেশোরে মাঠে নেমেছে জামায়াত।

        এক প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় যায়, তখনই নিষিদ্ধের ঘোর তাদের পেয়ে বসে। নিষিদ্ধের রাজনীতি আমাদের সমর্থনের বিষয় না। এটি জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিষয়।’

        সম্প্রতি নির্বাচনের রোডম্যাপের প্রশ্নে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাদের বক্তব্যে কিছুটা দূরত্বের বিষয়টি গণমাধ্যমে এলেও তা মানতে নারাজ জামায়াতের আমির।

        তিনি বলেন, ‘যৌক্তিক সময়ের মধ্যে মৌলিক সংস্কার ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়। কিছু সংস্কার করবে অন্তর্বর্তী সরকার, আর কিছু সংস্কার করবে নির্বাচিত সরকার। আমরা মনে করি, নৈতিক দায়বদ্ধতা আছে বর্তমান সরকারের। তারা তাড়াহুড়া নেই বলে এই বিষয়টি টেনে লম্বা যেনো না করে এই কথা আমরা বারবার বলেছি।’

        ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রসঙ্গ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের ভূমিকার ভার জনগণের ওপর ছেড়ে দেন তিনি।

        তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিলাম না। আমরা আশঙ্কা করেছিলাম, ভারতের সহযোগিতায় যদি দেশ স্বাধীন হয়, তাহলে স্বাধীনতার সুফল পাওয়া যাবে না। এরপরেও এটা সঠিক যে- জামায়াত চেয়েছিল এক পাকিস্তান। কিন্তু পরবর্তীতে পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী তাদের নিপীড়ন, নির্যাতন, খুন এবং বিভিন্ন ধরণের অপকর্মের কারণে সারা জাতি ফুঁসে উঠেছিল, মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। সেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, দেশ স্বাধীন হয়েছে। এরপর স্বাধীন বাংলাদেশকে আমরা আমাদের কলিজা দিয়ে ভালোবেসে কবুল করে নিয়েছি।’

        জামায়াতে আমির আরও বলেন, ‘তখনকার সময়ে আমাদের চিন্তা বিজয়ী হয়নি, সেই সময় আমাদের চিন্তা পরাজিত হয়েছে, আমাদের সিদ্ধান্ত পরাজিত হয়েছে। এখান জনগণ মূল্যায়ন করবে আমাদের সেই ভূমিকা কতটা যথার্থ ছিল।’

        অন্তর্বর্তী সরকার থেকে জামায়াত বেশি সুবিধা পাচ্ছে, এমন অভিযোগও উড়িয়ে দেন ডা. শফিকুর রহমান। তবে সংস্কারের জন্য দিতে চান যৌক্তিক সময়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          করোনার টিকাকে প্রাণঘাতী বলা কেনেডিকেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী করছেন ট্রাম্প

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৪:২৬
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          করোনার টিকাকে প্রাণঘাতী বলা কেনেডিকেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী করছেন ট্রাম্প

          ডেস্ক রিপোর্ট: টিকাবিরোধী ও চিকিৎসাশাস্ত্রে ষড়যন্ত্রের তাত্ত্বিক হিসেবে পরিচিত রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

          ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

          খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার(১৪ নভেম্বর) ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, তিনি রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রকে স্বাস্থ্য ও মানবসেবা মন্ত্রণালয়ের (এইচএইচএস) প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেবেন। তিনি বলেছেন, সাবেক এই ডেমোক্র্যাট নেতা (কেনেডি জুনিয়র) এই পদে থেকে ‘ক্ষতিকর রাসায়নিক ও দূষণ থেকে সবার সুরক্ষা নিশ্চিত করবেন।’

          কেনেডি শিশুদের টিকা দেওয়ার বিরোধী। কেনেডি জুনিয়রের দাবি, টিকার কারণে শিশুরা প্রতিবন্ধী হয়ে থাকে। তবে এর সপক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি তিনি। এ ছাড়া কোভিড–১৯ টিকাকে প্রাণঘাতী বলেছিলেন কেনেডি।

          গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক ঘোষণায় ট্রাম্প বলেন, তিনি কেনেডির নাম ঘোষণা করতে পেরে ‘পুলকিত’ বোধ করছেন।

          রিপাবলিকান নেতা ট্রাম্প ৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হন। আগামী জানুয়ারি মাসে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। তার আগে নিজ প্রশাসনে কাকে কাকে নিয়োগ দেবেন, তা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। ইতিমধ্যে ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের জন্য কয়েকজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

          যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য রবার্ট কেনেডি জুনিয়র আর এফ কে জুনিয়র নামে পরিচিত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশের সুরক্ষায় সোচ্চার ভূমিকা পালন করছেন। এবারের নির্বাচনে তিনিও রিপাবলিকান দলের প্রার্থিতা প্রত্যাশী ছিলেন। পরে তিনি ট্রাম্পকে স্বীকৃতি দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান।

          ট্রাম্প বলেছেন, তিনি চান, স্বাস্থ্য সুরক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে কেনেডি যারপরনাই চেষ্টা করবেন।

          ৭০ বছর বয়সী কেনেডি বলেছেন, মার্কিন নাগরিকেরা যেভাবে খাওয়াদাওয়া, শরীরচর্চা ও ওষুধ ব্যবহার করে, তাতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

          ট্রাম্প তার বিবৃতিতে বলেছেন, ‘কেনেডি যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও ক্ষমতাবান ও স্বাস্থ্যকর করে তুলবেন।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত