শিরোনাম
অভিজ্ঞতা ছাড়াই ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, বেতন ৪০ হাজার
বেসরকারি ব্যাংক উরি ব্যাংক সম্প্রতি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের বাংলাদেশ শাখায় লোকবল নিয়োগ দেবে বলে বিজ্ঞপ্তি দেয়। আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম : অফিসার গ্রেড-২।
পদের সংখ্যা : নির্ধারিত নয়।
আবেদন যোগ্যতা : আগ্রহী প্রার্থীকে কমপক্ষে স্নাতক পাস করতে হবে।
বয়স: প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২৫-৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
অভিজ্ঞতা: কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে। ইন্টারপারসোনাল স্কিল থাকতে হবে। চাপ সামলে কাজের আগ্রহ থাকতে হবে। তবে কোরিয়ান ভাষায় পারদর্শী হলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
কর্মস্থল: চুড়ান্ত নিয়োগের পর বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে কাজের আগ্রহ থাকতে হবে।
বেতন ও সুযোগ সুবিধা : মাসিক বেতন ৪০০০০। সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসারে অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ : ২২ জুন,২০২৩
আবেদন করবেন যেভাবে : আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে ক্লিক করুন এখানে।
মেস মালিক কর্তৃক শিক্ষার্থী নির্যাতন থানায় জিডি
যবিপ্রবি প্রতিনিধি: মেস মালিক ও তার স্ত্রীর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কয়েকজন ছাত্রী। ভুক্তভোগী ছাত্রীদের দাবি অনুমতি বিহীন গভীর রাতে রুমে পুরুষ মানুষ প্রবেশ, মনগড়া বাড়ি ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্বেচ্ছাচারীতা করে আসছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটস্থ 'বিশ্বাস' মেসের মালিক মো. রবিউল ইসলাম (৫৫) ও তার স্ত্রী তানিয়া বেগম। কিন্তু আজ ১৪ জুন (বুধবার) বাড়িওয়ালা শিক্ষার্থীদের নোংরা ভাষায় গালাগালি সহ একপর্যায়ে মারধর করলে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীসহ সবার সামনে আসে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা ঐ মেসের মালিক ও তার স্ত্রীর নামে যশোর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।
জিডির তথ্য মতে, 'যশোর কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমবটতলা বাজার সংলগ্ন বিশ্বাস মেসে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা ভাড়া থাকে। ইং ১৪/০৬/২০২৩ তারিখ বিকাল অনুমান ০৫.০০ ঘটিকার সময় বিবাদীদ্বয়ের (রবিউল ইসলাম ও তানিয়া বেগম) সাথে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সাথে ভাড়া নিয়া তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে বিবাদীদ্বয় ছাত্রীদের উপর ক্ষিপ্ত আমার সহপাঠী তামান্নাকে (ছদ্মনাম) মারপিট করে। আমি (সামিউল) চিৎকারের আওয়াজ পেয়ে নিচতলা যেয়ে বিবাদীদ্বয়ের নিকট ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে আমাকে মারপিট করে এবং আমাকে ও আমার সহপাঠীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে।'
একপর্যায়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি তাজুল ইসলাম বাড়ির মালিক, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে বিবদমান বাকি সমস্যাগুলো সমাধান করেন। পরবর্তীতে ছাত্রীরা নিরাপত্তার আশঙ্কা করলে পুলিশ প্রশাসন ছাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানের আশ্বাস দেন।
মেসের ভুক্তভোগী এক ছাত্রী বলেন, 'মেস মালিক ও তার স্ত্রী বিভিন্ন সময় মেসের ছাত্রীদের মানসিক নির্যাতন করে আসছে। কছুদিন পরপর মেসের সিট ভাড়া সহ বিভিন্ন জিনিসের ভাড়া বৃদ্ধি করে। অসামাঞ্জস্য বিদ্যুৎ বিল নির্ধারণ করে। বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দেখতে চাইলে তাদের নোংরা ভাষায় কথা শোনায়। কেউ মেস ছেড়ে দিতে চাইলে বলে ৬ মাসের টাকা দেয়ে যেতে হবে।'
ভুক্তভোগী আরেক শিক্ষার্থী বলেন, 'মেস মালিক সময়ের অসময়ে মেয়েদের রুমে চেলে আসেন। যার ফলে আমারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগী। মেসের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা ও ভালো না, যেকোন সময়ে বাড়িওয়ালা সহ বাহিরের লোক মেসের ভিতর প্রবেশ করে। কোন সমস্যা নিয়ে অভিযোগ দিতে গেলে উল্টো আমাদের নোংরা ভাষায় কথা শোনায়।'
তবে এসব অস্বীকার করেছেন বাড়িওয়ালা রবিউল ইসলাম ও তার স্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. সাদিদ হোসাইন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটস্থ 'বিশ্বাস' মেসে ছাত্রীদের সাথে বাড়িওয়ালার বাকবিতন্ডা খবর পেয়ে মেসে যায়। এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে যশোর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে জাবি শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মানববন্ধন
জাবি প্রতিনিধিঃ নির্দলীয় নিরপক্ষে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জাতীয়তাবাদী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরাম।
বুধবার( ১৪ জুন) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মাবববন্ধনে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুল আলম সেলিমের সঞ্চালনায় বক্তারা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন, সরকারের লাগামহীন দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদ জানান।
মানববন্ধনে অফিসার সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান বাবুল বলেন, একটা বিষয় আজ নিশ্চিত৷ এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। তারা বিনাভোটে ১৫৫ সিট পেয়ে গেছে৷ সিটি নির্বাচনে আওয়ামী প্রার্থীও তাদের হাতে লাঞ্চিত হয়েছে। এ দেশের মানুষ তার অধিকার চায়। সারা বাংলাদেশ আজ নির্দলীয় সরকারের দাবিতে জেগে উঠেছে৷ একটা গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সারা বিশ্ব মাথা উচু করে দাঁড়াবে। ভোটাধিকারের দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের মানুষ একাত্ম হয়েছে।
শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন বলেন, আমরা বেশি কিছু চাই না। আমরা চাই জনগণ স্বাধীনভাবে কেন্দ্রে গিয়ে বাধাহীনভাবে ভোট দিক। আমেরিকার নতুন ভিসানীতিতে বলা হয়েছে সমাবেশে বাধা দিলে, ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিলে ভিসা দিবে না। আমাদের দেশে কি এমন পরিস্থিতি বিদ্যামন যে কারণে আমেরিকা বাধ্য হলো? সরকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে৷ পঞ্চদশ সংশোধনীতে বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক বলেছিলেন, আগামী ২টি নির্বাভন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে আপ্রে৷ পূর্নাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই একজনের ইচ্ছার কারণে তা বাতিল করা হলো। স্বাধীনভাবে নিজের মত প্রকাশ করার অধিকার দিন।'
গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল বলেন, এ সরকারের অধীনে যে নির্বাচনগুলো সেগুলো কতটা ফেয়ার ছিল। ২০১৪, ২০১৮ সালে যে নির্বাচন হয়েছে তা ক্যাডারবাহিনী দিয়ে হয়েছে। যে ব্যবস্থায় চারটি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে সে ব্যবস্থা ফিরিয়া আনতে হবে। সরকার সবগুলো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে। প্রশাসনকে নিরপেক্ষ রাখতে চাইলে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে৷ দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা মাঠে থাকব।
ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নূরুল ইসলাম বলেন, 'বর্তমান শাসক দল বাংলাদেশকে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন। আমরা নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি করছি কারণ তারা নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের দলীয় প্লাটফর্মে পরিণত করেছে৷ নির্বাচনী এলাকাকে নিজেদের পছন্দমতো ক্রমানুযায়ী সাজিয়েছে। নির্বাচন কমিশনে এমন কোন ব্যক্তি নেই যারা নিরপেক্ষভাবে একটি নির্বাচন এদেশে উপহার দিতে পেরেছে। আজ আমাদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোও ক্রমান্বয়ে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে।'
দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, 'জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেট-সিন্ডিকেটে কবে কোন ক্যাটাগরিতে নির্বাচন হয়েছে তা দলিল দস্তাবেজ খুঁজতে হবে। নিজের অধীনে নির্বাচনের জন্য আমরা এখনো উপযুক্ত হইনি। এ নির্বাচন বন্ধ করার জন্য ইইউ পার্লামেন্ট মেম্বাররা কথা বলেছে, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ কথা বলেছে৷ এটা এখন বিশ্বসংকট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সরকার দেশের শিক্ষাখাতে এবারের বরাদ্দ ২.০৮ থেকে ১ এ নামিয়ে এনেছে। আমরা বলছি না রাতারাতি পাল্টে ফেলতে হবে। তবে এখন থেকেই জনগণের এ দাবিকে মেনে নিতে হবে।'
সংগঠনের আহ্বায়ক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহছান বলেন, 'আপনারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলুপ্ত করেছেন। কিন্তু উদাহরণ স্থাপন করতে পারতেন। অথচ বিগত কিয়েকটি নির্বাচনে আপনারা আস্থা হারিয়েছেন। যেখানে আপনারা প্রভাব সৃষ্টি করতে পারছেন সেখানে নির্বাচন দিচ্ছে। কিন্তু যেখানে পারছেন না সেখানে দিচ্ছেন না। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জাকসু নির্বাচন, সিন্ডিকেট নির্বাচন আস্তে আস্তে ধ্বংস করা হয়েছে৷এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে না পারলে মুক্তি নেই।'
এসময় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরামের শতাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রথমবারের মতো রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ ‘Combining the Art of Social Changes towards Smart Bangladesh’ থিমে আগামী ১৫-১৭ জুন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে The Art Of Social Changes শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স।
কনফারেন্সে দেশ-বিদেশের গবেষকদের জমাকৃত প্রবন্ধের মধ্যেকার বাছাইকৃত ১০০ টি প্রবন্ধ উপস্থাপিত হবে। এছাড়াও কি নোট পেপার উপস্থাপন করবেন, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. পবিত্র সরকার, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. সজিত কুমার বসু, এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আইনুন নিশাত। আরও থাকবেন মালয়শিয়ার মালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নুরিজাহ বিনতে মোহাম্মদ মুস্তামিল, খ্যাতনামা রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী গবেষক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মহালয়া চক্রবর্তী।
বুধবার (১৪ জুন) সংবাদ সম্মেলনে কনফারেন্সের বিষয়ে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: শাহ্ আজম।
তিনি বলেন, শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, তাঁর নেতৃত্বে আমরা যেমন ভুখন্ড পেয়েছি তেমনি সাংস্কৃতিক পরিচয় লাভ হয়েছে। আমরা আজ যে আন্তর্জাতিক সম্মেলন করতে যাচ্ছি তার পশ্চাতে রয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পৃষ্ঠপোষকতা। শাহজাদপুরের ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন। জননেত্রী শেখ হাসিনা এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষা-গবেষণাকে তৃণমূলে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদার্হ।
ককনফারেন্সের সার্বিক পরিস্থিতি জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে, সমাজ পরিবর্তনে বহুমাত্রিক সংস্কৃতি এবং বিচিত্র ভাবনার সংযোগ ঘটেছে। জ্ঞান ও চিন্তনের মিথস্ক্রিয়ায় এই সম্মেলনের জন্য রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তুত। এই তিনদিনের কনফারেন্সে প্রায় একশ প্রবন্ধ উপস্থাপিত হবে। এখানে দেশ-বিদেশের চিন্তক, গবেষক ও বিশ্লেষকগণ আপন ভাবনা নিয়ে উপস্থিত থাকবেন। আমাদের অভিপ্রায় এই সম্মেলনে উপস্থাপিত প্রবন্ধের মাধ্যমে নতুন ভাবনা আসবে।
একই সঙ্গে পাঁচটি স্থানে আলোচনা চলবে। আমাদের একাডেমিক ভবন এবং সীমান্ত কনভেনশেন সেন্টারের পাঁচটি স্থানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। আমরা সেখানে স্মার্ট বাংলাদেশ ও সমাজ পরিবর্তনের নানা ধাপ নিয়ে আলোচনা ও মূল্যায়ন করবো। ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্র পারস্পরিক সমঝোতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এক নতুনতর ধাপে উপনীত হবে।
ইবি ভিসির অডিও ফাঁস বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেজ সংকটের কারণ
নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভিসির বারবার অডিও ফাঁসের বিষয়টিকে বিব্রতকর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেজ সংকটের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন সচেতন শিক্ষক মহল। শিক্ষার্থীরাও এধরনের ঘটনায় ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।
ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালামের কন্ঠ সদৃশ নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য সংক্রান্ত গত ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত অন্তত ১৪ টি অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ সপ্তাহেই ফাঁস হয় আরো ৪ টি অডিও।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সূত্রে, সর্বশেষ মঙ্গলবার (১৩ জুন) 'দরবেশ সালাম' নামের ফেসবুক আইডি থেকে ২ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের অডিও ভাইরাল হয়। অডিওতে ড্রাইভার নিয়োগের বিষয়ে নজরুল নামের এক ব্যক্তির সাথে কথা বলতে শোনা যায়। এছাড়া ১১ জুন একই ফেসবুক আইডি থেকে ফাঁস হওয়া অডিওতে ভিসিকে জুবায়ের নামের একজন চাকরীপ্রার্থীর বিষয়ে কারো সাথে কথা বলতে শোনা যায়। ওই চাকরীপ্রার্থীকে আবেদন করার পর উপাচার্যের সাথে দেখা করতে বলেন বলে শোনা যায়।
এর আগে, ১০ জুন 'রক সালাম' নামের আইডি থেকে ফাঁস হওয়া দুইটি অডিওতে উপাচার্যকে মেডিকেলে নিয়োগের বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়। এছাড়া ৯ জুন একই আইডি থেকে ফাঁস হওয়া অডিওতে উপাচার্য ফাইন আর্টস ও মার্কেটিং বিভাগের নিয়োগের বিষয়ে কথা বলেন। অডিওতে অন্য প্রান্তের ব্যক্তিকে উপাচার্য বলেন, সোজা কথা, আমি আপনার ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কাউকে নিয়োগ দিব না।
এছাড়াও 'ফারাহ জেবিন, আল বিদা, মিসেস সালাম' থেক বিভিন্ন সময়ে ১০টি অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, 'আমি এসব আমলে নেই না। এগুলো আমার রুচিতে বাঁধে। যারা এসব করছে আল্লাহ তাদের ইমান দিন৷ আমিন'
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য