শিরোনাম
ইবিতে অনার্স পাশ না করেই মাস্টার্স সম্পন্ন
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনার্স সম্পন্ন না হয়েই মাস্টার্স সম্পন্ন করেছে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের এক শিক্ষার্থী। মাস্টার্স সম্পন্নের চার বছর পর জানতে পেরে স্নাতক শেষ বর্ষের অকৃতকার্য কোর্সের পরীক্ষা দেয়ার জন্য আবেদন করেন ঐ শিক্ষার্থী। সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২৬ তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় তার সনদ বাতিলের সুপারিশ করলে ২৫৮ তম সিন্ডিকেট সভায় তা পাশ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, সনদ বতিলকৃত ঐ শিক্ষার্থীর নাম শামীরুল ইসলাম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৭ সালে ঐ শিক্ষার্থীর স্নাতক শেষ বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্নাতক শেষ বর্ষের ৪১৫ নম্বর কোর্সে ফেল করেন ঐ শিক্ষার্থী। তবুও তিনি ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকোত্তরে ভর্তি হন এবং ২০১৮ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
এদিকে তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের সাময়িক সনদপত্রও উত্তোলন করেন। সনদে তাকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর উভয় পরীক্ষায় কৃতকার্য দেখানো হয়।
এ বছরের জানুয়ারিতে মূল কাগজপত্র উত্তোলন করতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন অনার্সে একটি কোর্সে অকৃতকার্য হয়েছিলেন তিনি। পরে অকৃতকার্য সেই কোর্সে পরীক্ষার জন্য আবেদন করেন।
এ সময় শামীরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘মূল কাগজপত্র উত্তোলন করতে গিয়ে আমি জানতে পারি অনার্সে একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছিলাম। তখন এ বিষয়টি আমাকে আগে জানানো হয়নি। এর আগে আমি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দফতর থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের সাময়িক সনদপত্র উত্তোলন করি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আমি সব ডকুমেন্ট উপস্থাপন করেছি।’
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করে কর্তৃপক্ষ। কমিটির প্রতিবেদন প্রদানের পর রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ঐ শিক্ষার্থীর দুই সনদই বাতিলের সুপারিশ করা হয়। এছাড়া স্নাতকের অকৃতকার্য হওয়া কোর্সের স্পেশাল পরীক্ষা গ্রহণ করার এবং এ পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়া সাপেক্ষে স্নাতকোত্তরে ভর্তির সুযোগ প্রদানের সুপারিশ করা হয়। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫৮তম সিন্ডিকেট সভায় সুপারিশগুলোকে অনুমোদন করা হয়।
এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় দুই সনদ বাতিল করে মানবিক দিক বিবেচনা করে তাকে পুনরায় পরীক্ষার গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
বাকৃবিতে উইমেন সাইক্লিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠিত
বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উইমেন সাইক্লিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। নতুন কমিটিতে ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাতেমা হক শিখা সভাপতি এবং ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থী সানজিদা হায়দার সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০মে) বিকাল ৫ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিনি কনফারেন্স কক্ষে ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস।
নবনির্বাচিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সহসভাপতি প্যারাসাইটোলজি বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপক ড. শিরিন আক্তার, পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনজুয়ারা খাতুন, মেরিন ফিশারিজ সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক উম্মে অহিদা রহমান, সহকারী সম্পাদক সানজিনা তাসনুভা মিশু, নাজমুল নাহার প্রিয়া। ব্যবস্থাপনা সম্পাদক রিমি চৌধুরী, সহকারী ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফাতেমা বিনতে লতিফ আচল, অর্থ-সম্পাদক মাসফিয়া রহমান, দপ্তর সম্পাদক লায়াবিন লতা এবং মিডিয়া ও পাবলিকেশন সম্পাদক হিসেবে নুবাহ নাশিতা ফারিহাত মনোনীত হয়েছেন।
ক্লাবের দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সহযোগী অধ্যাপক ড. শারমিন আকতারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো হারুন-অর-রশিদ, অধ্যাপক ড. ফৌজিয়া সুলতানা। এছাড়াও উইমেন সাইক্লিং ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, সাইক্লিং ক্লাব আমাদের মেয়েদের জন্য সময় এবং অর্থ বাঁচাতে সহায়তা করছে। এছাড়াও নারী অগ্রযাত্রা এবং স্বাধীনতায় দারুণ ভূমিকা রাখছে। সাইকেল একটি পরিবেশ বান্ধব বাহন হওয়ায় পরিবেশের উপর কোনো বিরূপ প্রভাব পড়ে না। ফলে সহজে আমরা অনাকাক্সিক্ষত আবহাওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারি। দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ক্লাব গড়ে তোলা দরকার। এই ক্লাবের উন্নতির জন্য সবসময় পাশে আছি এবং থাকবো।
নোবিপ্রবি’র উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্যের অভিযোগ
নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের উপ- পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. ওয়াহেদ উল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্যের অভিযোগ উঠেছে।
আজ মঙ্গলবার (৩০মে ২০২৩) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার(অ. দা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, গত ২৯ মে (সোমবার) দুপুর ১২ টায় আইকিউএসির একটি ট্রেনিং প্রোগ্রামের সময় উপ- পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়াহেদুল্লাহ চৌধুরী রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য প্রদান করেন, যা পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রসাশনের নিকট অভিযোগ আকারে উত্থাপিত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে, কেন ওয়াহেদউল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে না, তা আগামী তিন কার্য দিবসের (৭২ ঘন্টা) মধ্যে লিখিত আকারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর সশরীরে উপস্থিত হয়ে জমা দিতে বলা হয়।
এছাড়াও আজ আরেকটি রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের উপ- পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়াহেদউল্লাহ চৌধুরীকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীতে সংযুক্ত করা হলো।
উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়াহেদউল্লাহ চৌধুরী তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, 'আমি আমার বক্তব্যে বলেছি আমরা নিয়মের কথা বলি, কিন্তু ওই নিয়মটি কার্যকর করিনা। আমরা সবাই ভালো ভালো কথা শুনি কিন্তু তা যথাযথভাবে মেনে চলিনা। আমার রাষ্ট্রবিরোধী কথা বলার উদ্দেশ্য ছিলো না, আমি মানুষের অন্যায়ের দিকে ধাবিত হওয়ার ব্যাপারটি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র।'
পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে সভাপতি অধ্যাপক জেহাদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আসাদুজ্জামান
পবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(পবিপ্রবি) শিক্ষক সমিতি নির্বাচন-২০২৩ এ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক জেহাদ পারভেজ এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: আসাদুজ্জামান মিয়া।
সোমবার (২৯মে) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সেমিনার কক্ষে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে ২৫০ জন ভোটারের মধ্যে ২০৬ জন ভোট প্রদান করেন। নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক জেহাদ পারভেজ ১৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল পেয়েছেন ৫৮ ভোট। অপরদিকে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো: আসাদুজ্জামান মিয়া পেয়েছেন ১১১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী অধ্যাপক ড. জাহিদ হাসান পেয়েছেন ৯৩ ভোট।
নির্বাচিত অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. এস.এম.হেমায়েত জাহান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ মামুন উর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক প্রফেসর মো: নাজমুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রফেসর ড মো: আরিফুল আলম, দপ্তর সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ সাইদুর রহমান ,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মোঃ আবুবকর সিদ্দিক, সাংস্কৃতিক ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক মোঃ মমিন উদ্দিন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ড. কাজী শারমীন আক্তার এবং সদস্য হিসেবে প্রফেসর মোঃ আবদুল লতিফ,প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন,প্রফেসর ড. মো: আবুইউসুফ, প্রফেসর মো: মেহেদী হাসান , সহকারী অধ্যাপক অপরাজিতা বাঁধন নির্বাচিত হয়েছেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো: মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করেন। রাত ১০ টায় ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক জেহাদ পারভেজ সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শিক্ষকরা যে প্যানেল দিয়েছিলাম তার সবাই নিরঙ্কুশভাবে জয়লাভ করেছি। শিক্ষকদের মান মর্যাদা রক্ষা ও একাডেমিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে আমাদের এই প্যানেল আগামীতে কাজ করে যাবে"
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো: আসাদুজ্জামান মিয়া জানান, "বিশ্ববিদ্যালয়ের ও শিক্ষকদের স্বার্থ রক্ষার্থে যারা আমাদের নির্বাচিত করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষকদের স্বার্থে আমাদের যা কিছু করা প্রয়োজন আমরা আগামীতে সেটাই করবো"
প্রসঙ্গত, সর্বমোট ১৫ টি পদের বিপরীতে ১ জন স্বতন্ত্রসহ মোট ৩ টি প্যানেলে ২৬ জন প্রার্থিতা করেছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত শিক্ষকদের পাশাপাশি বিএনপি সমর্থিত সাদা দলের ৫ জন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ৫ জনই জয়ী হয়েছেন। অন্যান্য পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সদস্যরা জয়ী হয়েছেন।
বাকৃবির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল
বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসানের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আউয়াল।
সোমবার (২৯ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোছা. রোখছানা বেগম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পরবর্তী উপাচার্য নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক ও আর্থিক প্রয়োজনে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আউয়ালকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দৈনন্দিন প্রশাসনিক ও আর্থিক কর্মকান্ড পরিচালনার স্বার্থে সাময়িকভাবে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব প্রদান করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হলো।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য