ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ ২০ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে সমাবর্তনের দাবিতে বাকৃবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১০:১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে সমাবর্তনের দাবিতে বাকৃবিতে মানববন্ধন

বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ৮ম সমাবর্তন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মহামান্য রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (০২ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়নুল আবেদিন মিলনায়তন মুক্তমঞ্চের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, দীর্ঘ ছয় বছর পর ৮ম সমাবর্তন মহামান্য রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি ছাড়াই আয়োজিত হতে যাচ্ছে । প্রতিটি শিক্ষার্থী চায় শিক্ষাজীবন শেষে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে সনদ নিয়ে কর্মক্ষেত্রে যোগদান করতে। বাকৃবিতে নিয়মিত সমাবর্তন হয় না। যার কারণে শিক্ষার্থীর মহামান্য রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে সমাবর্তন পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।

মানববন্ধনে কৃষি অনুষদ ছাত্র সমিতির ভিপি তারেক জামান জয় বলেন, রাষ্ট্রপতি ছাড়া একটি সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে পারে না। রাষ্ট্রপতি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়াও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ ফেব্রুয়ারি সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করবেন। তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতি না আসা প্রশাসনের ব্যর্থতা। এছাড়াও বাকৃবির ৮ম সমাবর্তনে নেই কোনো সম্মানিত অতিথি। যেখানে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে নোবেলজয়ী অতিথিরা আসেন। আমাদের দাবি রাষ্ট্রপতি যে সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে ইচ্ছা পোষন করেন সে সময়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হোক। রাষ্ট্রপতি ছাড়া আমরা সমাবর্তন মানি না।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীর উপাচার্য বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সাধারণ শিক্ষর্থীদের দাবিগুলো হচ্ছে সমাবর্তনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে যথাযথ প্রচেষ্টা, বরেণ্য বক্তার উপস্থিতি, প্রাতিষ্ঠানিক বাতি রক্ষা করা, সাধারণ শিক্ষার্থীর লালিত স্বপ্ন পূরণ করা, নিয়মিত সমাবর্তন আয়োজন করা।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইবির অর্থনীতি বিভাগের পুনর্মিলনী ৪ ফেব্রুয়ারি

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১০:১৪
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ইবির অর্থনীতি বিভাগের পুনর্মিলনী ৪ ফেব্রুয়ারি

    ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অর্থনীতি বিভাগের পুনর্মিলনী উৎসব আগামী শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে। দিনব্যাপী এ উৎসবে বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক ও বর্তমান মিলিয়ে প্রায় ৯ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবেন।

    বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অর্থনীতি বিভাগের সাবেক ও বর্তমান’সহ ৩৩টি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথম বারের মতো পুনর্মিলনী উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় ১৪০০ জনের আয়োজন রাখা হয়েছে এ উৎসবে। যার মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অতিথি’সহ ইতিমধ্যে ১২৩০ জন তাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন।

    এ উপলক্ষ্যে শুক্রবার বিকেল ৪টায় মীর মোশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবন প্রাঙ্গনে পিঠা উৎসব এবং সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    পুনর্মিলনী উৎসবের মূলপর্ব শুরু হবে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অতিথিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত র‍্যালির মধ্য দিয়ে। র‍্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অলোচনাসভা এবং সম্মাননা প্রদান করা হবে। এছাড়াও প্রয়াত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হবে।

    উক্ত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া’সহ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থাকবেন।

    পুনর্মিলনী উৎসবের সার্বিক বিষয়ে অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তফা আরিফ বলেন, বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে উৎসবটির আয়োজন সম্পন্ন করেছে। আমরা এই বিষয়ে অ্যালামনাইদের থেকেও যথেষ্ট পরিমাণ সাহায্য পেয়েছি। এবারই প্রথম অর্থনীতি বিভাগের আয়োজনে কোন পুনর্মিলনী উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      চার দফা দাবিতে মধ্যরাতে জাবি উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১০:১১
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      চার দফা দাবিতে মধ্যরাতে জাবি উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও

      জাবি প্রতিনিধিঃ ক্যাম্পাসে বেপরোয়া অটোরিক্সা ও মোটরসাইকেলের গতি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করাসহ চার দফা দাবিতে মধ্যরাতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

      শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে বারোটায় উপাচার্য বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয় শতাধিক শিক্ষার্থী। এসময় তারা বাঁচার মত বাঁচতে চাই; নিরাপদ ক্যাম্পাস চাই, আমার ভাই আহত কেন? প্রশাসন জবাব চাই; ঘাতক চালকের বিচার চাই- করতে হবে প্রভৃতি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

      এসময় তারা চার দফা দাবি জানায়- আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করা, দোষী মোটরসাইকেল চালকের শাস্তি নিশ্চিত করা, ক্যাম্পাসে অটোরিক্সা ও মোটরসাইকেলের গতি নিয়ন্ত্রণ করা ও প্রতিটি হলের সামনে গতিনিরোধক স্থাপন করা।

      এর আগে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে ভাসানী হলের দিকের রাস্তায় বেপরোয়া মোটরসাইকেলের কারণে দূর্ঘটনার শিকার হন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের ৫১ ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে সাভারে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

      এ ব্যাপারে প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, আমি এনাম মেডিকেলে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীকে দেখে এসেছি। এখান থেকে বের হয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলব।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        সংসদে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২০:১
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        সংসদে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস

        মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে।

        বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ‘মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মেহেরপুর বিল-২০২৩’ পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

        স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা। তাদের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর বিলের ওপর আনীত সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার। গত ১০ জানুয়ারি সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

        বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আদেশ-১৯৭৩ এর বিধানাবলি পরিপালন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। আচার্য নির্ধারিত শর্তে স্বনামধন্য একজন শিক্ষাবিদকে চার বছরের জন্য উপাচার্য পদে নিয়োগ করবেন। কোনো ব্যক্তি একাধিক্রমে বা অন্যকোনোভাবে উপাচার্য হিসেবে দুই মেয়াদের বেশি সময়ের জন্য নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না। আচার্য যেকোনো সময় উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে প্রধান শিক্ষককে বিদায় জানালো ক্ষুদে শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৯:৩৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে প্রধান শিক্ষককে বিদায় জানালো ক্ষুদে শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা

          সোহেল রানা, লালমনিরহাটঃ বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া নীলকান্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমানকে এভাবে বিদায় জানাতে দেখা যায়।

          অবসরে যাওয়া মজিবর রহমান উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের গোপালরায় গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তেঁতুলিয়া নীলকান্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। জানা গেছে, বিদায় মানেই বেদনার। তবুও বেদনার দিনকেও স্মৃতিময় করতে নানান আয়োজন চলে সমাজে।

          এমনই এক ব্যতিক্রম আয়োজনে প্রিয় প্রধান শিক্ষককে বিদায় জানালেন কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া নীলকান্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থী আর সহকর্মীরা। ২ ফেব্রুয়ারি ছিল বিদ্যালয়টিতে মজিবর রহমানের চাকরি জীবনের শেষ কর্মদিবস। শেষ কর্মদিবসে প্রিয় প্রধান শিক্ষককে বিদায় জানাতে সাজানো হয় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, করা হয় আলোচনা সভা, দেওয়া হয় সম্মাননা।

          সব শেষে প্রিয় শিক্ষককে কর্মস্থল থেকে নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে। ঘোড়ার গাড়ির আগে পিছে মোটরসাইকেল নিয়ে এগিয়ে দেন সহকর্মীরা। গাড়িতে ওঠার সময় বিদায়ী প্রধান শিক্ষককে ফুল ছিটিয়ে ও ফুলের মালা পরিয়ে বিদায় জানানো হয়।

          সহকর্মী আর প্রিয় শিক্ষার্থীদের এমন আয়োজনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মজিবর রহমান।

          সুসজ্জিত এ ঘোড়ার গাড়ি দেখে পুরো পথে পথচারী ও স্থানীয়রা অপলক তাকিয়ে থেকেছেন। এ দৃশ্য দেখে পুরো এলাকাবাসীর বুঝতে বাকি নেই, এ পথে প্রতিদিন চলা শিক্ষার কারিগর প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমানের আজ বিদায়। তার চাকরি জীবনের সমাপ্তি ঘটেছে।

          তেঁতুলিয়া নীলকান্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদায় অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন- কালীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) বীরেন্দ্রনাথ রায়, সহকারী শিক্ষা অফিসার আ ব মোকতাদের বিল্লাহ্, রনবীর কুমার রায়, যোগেন্দ্রনাথ সেন, বারাজান এসসি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার সরকারসহ অনেকে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত