ঢাকা, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৩ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বাকৃবিতে হাসিমুখের শীতবস্ত্র বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ১৯:৩২
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাকৃবিতে হাসিমুখের শীতবস্ত্র বিতরণ

বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসির মিনি কনফারেন্স কক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাসিমুখ।

জানা যায়, এ বছর ১৭০ জন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাসিমুখ। অনুষ্ঠানে বাকৃবি ক্যাম্পাসের তিন গ্রামের কেওয়াটখালী, বয়রা (নিঝুম দ্বীপ), সমাধানের মোড়ের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

হাসিমুখের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. ফাতেমা হক শিখা সভাপতিত্বে এবং হাসিমুখের মো মোবারক হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. খান মো সাইফুল ইসলাম, প্রভোষ্ট পরিষদের আহŸায়ক অধ্যাপক ড. মো. নূরুল হায়দার রাসেল, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দীন, হাওর ও চর উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস, লেকচারার মো. ইফতেখার জাহান ভূঞা, হাসিমুখের সাধরণ সম্পাদক মো রবিউল ইসলাম সহ হাসিমুখের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. খান মো সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসিমুখের শীতবস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশ এ অবস্থা থাকুক তা আমরা চাই না। জনগন নিজেরাই সক্ষমতা অর্জন করবে। বাংলাদেশ আরও উন্নত হবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইবিতে বিজয় দিবস ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন মার্কেটিং বিভাগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ১৯:২৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ইবিতে বিজয় দিবস ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন মার্কেটিং বিভাগ

    ইবি সংবাদদাতা: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিজয় দিবস ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগকে ১৫ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মার্কেটিং বিভাগ। শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় ২৪ দলের টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

    ইবি ক্রিকেট ক্লাবের আয়োজনে ফাইনাল খেলায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবটির উপদেষ্টা ও আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহজাহান মন্ডল, শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক ড. মো. সোহেল, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত ও সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি শাহিনুর ইসলাম ফিরোজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম বুলবুল ও সহ সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম। খেলা শেষে ইবি ক্রিকেট ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    এর আগে, ফাইনাল খেলায় টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে মার্কেটিং বিভাগ নির্ধারিত ১২ ওভার ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান করেন। এদিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান করতে সক্ষম হয়। ফলে ১৫ রানের জয় পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় মার্কেটিং বিভাগ। পরে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পুরস্কার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন দলকে প্রাইজসহ ১৫ হাজার টাকা ও রানার্সআপ দলকে প্রাইজসহ ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

    খেলায় প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট, প্লেয়ার অব দ্যা ফাইনাল ও বেস্ট ব্যাটসমান হিসেবে নির্বাচিত হয় জিহাদ হাসান পাপন এবং বেস্ট বোলার হন হারুণ ভুঁইয়া।

    উল্লেখ্য, সোহান ভার্সিটি অ্যাডমিশন কোচিং, প্রাইম নার্সিং ভর্তি কোচিং এবং জাপান এডুকেশন অ্যান্ড জব সেন্টারের স্পন্সরে ২২ নভেম্বর বিজয় দিবস ক্রিকেট টুর্নামেন্টটি শুরু হয়।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের উদ্বেগ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ১৯:১৩
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের উদ্বেগ

      জাবি প্রতিনিধিঃ ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের আচরণকে পক্ষপাতদুষ্ট উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন 'বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ'।

      শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) সংগঠনটির সদস্য সচিব অধ্যাপক বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

      বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে নিযুক্ত সকল রাষ্ট্রদূতের নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল আচরণ আশা করে এদেশের জনগণ। এদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ ও একপাক্ষিক কর্মকান্ড অশোভন, গর্হিত ও শিষ্টাচার বহির্ভূত বলে বিবেচনা করা হয়। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস নির্দিষ্ট একটি দলের পক্ষ অবলম্বন করে তার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সে লক্ষ্যে নানা সময় বক্তব্য-বিবৃতি দিচ্ছেন।

      বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত বুধবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপির নিখোঁজ সাবেক এক নেতার বাসায় গিয়ে বিশেষ আলোচনা করেছেন। তিনি মানবাধিকারের দোহাই দিয়ে নিখোঁজ ব্যক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়ে আলোচনায় অংশ নিলেও সমারিক শাসক জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সহস্রাধিক গুম হওয়া সরকারি কর্মকর্তার স্বজনদের কথা কর্ণপাত করেননি। এমনকি ওই সকল জনহারা ব্যক্তিদের উদ্যোগে গঠিত 'মায়ের কান্না' নামের সংগঠনের নেতা-কর্মীদের দেওয়া স্মরকলিপিও গ্রহণ করেননি মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এ সময় পিটার হাসের আচরণ ছিল অদায়িত্বসূলভ, অপেশাদারী এবং অংশত অমানবিক, যা ভিয়েনা কনভেনশনের (১৯৬১) সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ ঘটনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, রাষ্ট্রদূত পিটার হাস নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর স্বার্থসিদ্ধির জন্য অসৌজন্যমূলক এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের মাধ্যমে তার কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করছেন।

      বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদপত্রের মারফতে আমরা জানতে পারি যে, মায়ের কান্না নামের সংগঠনের নেতা-কর্মীদের কথা না শুনে ও তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ না করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্থান ত্যাগ করেন, যা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দ্বৈত আচরণের বহিঃপ্রকাশ। তিনি মুখে মানবাধিকারের কথা বললেও আদতে তিনি মানবাধিকার হরণের পন্থায় হাঁটছেন। বাংলাদেশের জনগণ এমন কোন রাষ্ট্রদূতের কাছে এহেন পাক্ষপাতদুষ্ট আচরণ আশা করে না।

      মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের সচেতন জনগণ হতাশ হয়েছে। এছাড়া পশ্চিমা দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতেরাও নানা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কথা বলছেন যা কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত ও স্বাধীন দেশের জনগণের জন্য অসম্মানজনক।

      এসময় নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশে নিযুক্ত সকল রাষ্ট্রদূতের কাছে থেকে অধিকতর দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ আচরণ কামনা করে বলেন, যেসব বিদেশী শক্তি মানবাধিকারের অজুহাতে আমাদের স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নগ্নভাবে হস্তক্ষেপ করছে তাদের ব্যাপারে সরকারের সজাগ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’ বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও মানবাধিকার রক্ষায় বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত নীতি আদর্শ ও কর্মপন্থাকে যথার্থ ও বাস্তবসম্মত বলে মনে করে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ব্রিটিশ কাউন্সিলের আয়োজনে লিড বাংলাদেশ লিডারশিপ সিম্পোজিয়াম

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ১৮:৬
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ব্রিটিশ কাউন্সিলের আয়োজনে লিড বাংলাদেশ লিডারশিপ সিম্পোজিয়াম

        সম্প্রতি ব্রিটিশ কাউন্সিল, সুশীল সমাজের সংগঠনগুলোর অংশীদারিত্বে ‘লিডারশিপ ফর অ্যাডভান্সিং ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (লিড বাংলাদেশ)’ প্রকল্পের অধীনে লিডারশিপ সিম্পোজিয়াম আয়োজন করে।

        লিড বাংলাদেশের লক্ষ্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উদ্ভাবন ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে কমিউনিটির নেতৃত্ব হিসেবে দেশের তরুণদের ক্ষমতায়ন করা। সেন্টার ফর কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট অ্যাফেয়ার্স (আইডিইএ), সুশীলন, দ্যা হাঙ্গার প্রজেক্ট, ওয়েভ ফাউন্ডেশন এবং ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশনের অংশীদারিত্বে বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, চুয়াডাঙ্গা, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এছাড়াও, অভিবাসীদের মধ্যে নেতৃত্বের উপাদান বিকশিত করতে এই প্রকল্পের যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক অংশীদার হিসেবে রয়েছে কমন পারপাস।

        লিড বাংলাদেশ প্রকল্পটির উদ্দেশ্য বাংলাদেশের নীতি নির্ধারণে তরুণদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে তাদের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতের জন্য নেতৃত্ব প্রস্তুত করা। কমিউনিটিতে পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারবে এমন ৩ হাজার তরুণকে সরাসরি প্রশিক্ষণ ও ১ হাজার ৪০০ সমমনা প্রার্থীদের দক্ষতার বিকাশে প্রশিক্ষণ সংযুক্ত করেছে লিড বাংলাদেশ। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সাথে সম্পর্কিত বাংলাদেশের উন্নয়নের তিনটি সঙ্কটপূর্ণ খাত- শিল্পোদ্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তনে নাগরিক অংশগ্রহণ ও গণতান্ত্রিক অন্তর্ভূক্তিতে ২৪০টি সোশ্যাল অ্যাকশন প্রজেক্টের (এসএপি) মাধ্যমে তরুণদের এ বিকাশ ঘটে। যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশী অভিবাসী কমিউনিটির ৪০ জন অভিজ্ঞ পেশাজীবী ও নেতা এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন এবং তরুণ নেতৃত্ব বিকাশে ভূমিকা রাখেন।

        সিম্পোজিয়ামের উদ্বোধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) আজহারুল ইসলাম খান। এতে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডিরেক্টর প্রোগ্রামস বাংলাদেশ ডেভিড নক্স।

        সিম্পোজিয়ামে দু’টি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম প্যানেল আলোচনায় ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তরুণদের ভূমিকা’ এবং দ্বিতীয় প্যানেল আলোচনায় ‘বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে অভিবাসী নেতৃত্ববৃন্দ কীভাবে অবদান রাখতে পারেন’ এ বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। প্রথম প্যানেল আলোচনাটি বেটারস্টোরিজ লিমিটেডের চিফ স্টোরিটেলার মিনহাজ আনোয়ার এবং দ্বিতীয় প্যানেল আলোচনাটি কমন পারপাসের ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর- রিম অ্যাসিল পরিচালনা করেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বিজয় দিবস উপলক্ষে ইবিতে কবিতা পাঠের আয়োজন

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ১৭:৫৮
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বিজয় দিবস উপলক্ষে ইবিতে কবিতা পাঠের আয়োজন

          ইবি প্রতিনিধি: 'বিজয় মানে উল্লাস, বিজয় মানে চেতনা, বিজয় মানে নতুন করে, নতুন প্রজন্মের সূচনা' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিজয় দিবসের কবিতা পাঠ।

          শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়না চত্বরে সাংস্কৃতিক সংগঠন 'আবৃত্তি আবৃত্তি' এই কবিতা পাঠের আয়োজন করে। এসময় সংগঠনটির সদস্যরা কবিতা পাঠ করে।

          জান্নাতুল ফারজানার সঞ্চালনায় এবং সংগঠনের সভাপতি নাঈমা পারভীনের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি বায়োলজি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মোঃ আবু হেনা মোস্তফা জামাল, অধ্যাপক ড. খসরুল আলম, আবৃত্তি আবৃত্তি'র সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস মীরা, সাধারণ সম্পাদক হায়াতে জান্নাত, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ সহ প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী।

          এসময় অধ্যাপক ড. মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, কালচারলি ডেভলপ না হলে আলোকিত মানুষ হওয়া খুব কঠিন। মনকে বড় করাটা খুব কঠিন। কবিতা মানুষের মনকে অনেক প্রশস্ত করে। কবিতার একটি শব্দ পুরো কবিতাকে রিপ্রেজেন্ট করে। এই শব্দ গুলো কিন্তু কবিতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করি আবৃত্তি আবৃত্তি সংগঠন তাদের যে মিশন রয়েছে সেগুলো কে নিয়ে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

          প্রসঙ্গত, 'আসুন আমরা শুদ্ধতার চর্চা করি' এ উপজীব্যকে ধারণ করে ২০০৩ সালের ১৪ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে ‘আবৃত্তি, আবৃত্তি’ আত্মপ্রকাশ করে। সংগঠনটি বিভিন্ন দিবসকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে কবিতা পাঠের আয়োজন করে আসছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত