ঢাকা, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ২১ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

এক দশকে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার আতুড়ঘর 'কুবিসাস'

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ১৫:৫৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
এক দশকে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার আতুড়ঘর 'কুবিসাস'

কুবি প্রতিনিধি: বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও স্বত:স্ফূর্ত পেশাদারিত্ব বজায় রেখে প্রতিষ্ঠার ৯ বছর পেরিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পণ করল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (কুবিসাস)।

'সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল ' এ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে ২০১৩ সালের ৬ ডিসেম্বর একদল তরুণ ও উদ্যমী সংবাদকর্মীদের নিয়ে যাত্রা শুরু করে সংগঠনটি।

নয় বছরের অগ্রযাত্রায় সাংবাদিকতায় পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রেখে পাঠকের দৃষ্টি কেড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক সংগঠন কুবিসাস। সবার নিকট দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আস্থা ও বিশ্বাসের সংগঠন কুবিসাস। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখতে চায় সংগঠনটি।

কুবিসাসে সঙ্গে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতায় জড়িয়েছে তাঁরা একেক জন কলম যোদ্ধা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত চিত্র, অজানা তথ্য, অসাধারণ সব জীবনের গল্প, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অসংগতি সহ সবকিছুই ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন। ক্যাম্পাস ভিত্তিক তথ্য প্রবাহ ধরে রাখতে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিকতা চর্চা, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের অধিকার সুরক্ষা করতে সাংবাদিক সমিতি রয়েছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতি তারই ধারাবাহিকতায় সূচনা লগ্ন থেকে অবাধ তথ্য প্রবাহ, সত্য তথ্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ রচনায় সাংবাদিকতায় উৎসাহিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। ক্যাম্পাসের নানা ঘটনা, সংগ্রামী জীবনের গল্প, দ্বন্দ্ব-সংঘাত, রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহ ও নিত্যদিনের ঘটনা তুলে ধরছেন কুবিসাসের সদস্যরা ।

কুবিসাস ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার আতুড়ঘর হিসেবে বহুল পরিচিত। কুবিসাসের মাধ্যমে অনেক নব্য সাংবাদিকের হাতেখড়ি। এই পর্যন্ত এই সংগঠনটিতে কাজ করে অনেকে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় অর্জন, সফলতা ও ব্যর্থতাগুলো সততা ও নিষ্ঠার সাথে তুলে ধরার পাশাপাশি সৎ, দক্ষ ও নিষ্ঠাবান দেশবরেণ্য সাংবাদিক তৈরিতে ভূমিকা রাখছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (কুবিসাস)।

ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকা কুবিসাসের কার্যক্রম হঠাৎ থমকে দাঁড়ায়। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অকালে হারিয়ে যায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির একটি নক্ষত্র। তিনি ছিলেন কুবিসাসের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও খোলা কাগজের কুমিল্লা প্রতিনিধি নাজমুল সবুজ। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি যদি একটি পরিবার হয়। নাজমুল সবুজ ওই পরিবারের অন্যতম একজন সারথি।

গনিত বিভাগের শিক্ষার্থী শামসের তাবরিজ চৌধুরী বলেন, আমার দেখা মতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (কুবিসাস) আপোষহীনভাবে সত্য তথ্য প্রকাশ করে আসছে। তথ্য প্রকাশ করতে সংগঠনটিকে পক্ষপাত করতে আমি দেখেনি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে শুরু করে ছাত্রলীগ বা যে কোনো দল অন্যায় কিছু করলে তা প্রকাশ করতে দ্বিধাবোধ করেনা। আবার কেউ ভালো কিছু করলে তাও তুলে ধরে কুবিসাস।

তিনি উচ্ছাসিত হয়ে আরও বলেন, কুবিসাস নিয়মিত ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান, বিভিন্ন বিভাগ ভিত্তিক সমস্যা ও তাঁর সমাধানে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তুলে ধরেছে । এছাড়াও কুবিসাস প্রযুক্তিগত ও আধুনিক সাংবাদিকতা চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। কুবিসাসের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আমি কিছু লিখতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত ও উচ্ছাসিত। এই দিনে আমি কুবিসাসের সম্মানিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানাই।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক সদস্য আহসান হাবিব বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (কুবিসাস) আমার সন্তানেরই মতন। সন্তানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধিতে পিতা যেমন খুশি হন, সামগ্রিকভাবে কুবিসাস-এর সমৃদ্ধি তো বটেই, এমনকী, এই পরিবারের প্রতিটি সদস্যের ব্যক্তিগত যেকোন অর্জনেও আমি তেমনই অসামান্য আবেগে উদ্বেলিত হই। কুবিসাস ও এর সদস্যরা সত্য ও ন্যায়ের পথে পাহাড়সম দৃঢ়তায় অবিচল থাকবে, এটাই আমার হার্দিক প্রত্যাশা।

তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে আরও বলেন, সম্প্রতি আমরা আমাদের কুবিসাস পরিবারের অন্যতম সারথি সাবেক দপ্তর সম্পাদক নাজমুল সবুজকে হারিয়েছি। এর শোক আমরা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারছি না কোনভাবেই। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সব আয়োজন নাজমুল সবুজের শ্রদ্ধায় নিবেদিত হোক।

সাংবাদিক সমিতির বর্তমান সভাপতি শাহাদাত বিপ্লব বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সুপ্রসিদ্ধ সংগঠন। বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৯ বছর ধরে আমরা সত্য ও ন্যয়ের পথে কাজ করে যাচ্ছি। অন্যায় অসঙ্গতির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক দিক তুলে ধরতে আমরা সদা সোচ্চার। একটি মেলবন্ধন যে একটা শক্তির নাম এই সংগঠন তার জ্বলন্ত উদাহরণ। সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয় ও সাংবাদিকতার উন্নয়নের জন্য আমরা অতীতেও নিরলস কাজ করেছি, বর্তমানেও করছি, আশা করি তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এফ এম আব্দুল মঈন বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সবাইকে আমার শুভেচ্ছা জানাই। আশা করবো যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে তথ্যবহুল সংবাদ রচনা এবং ইথিক্যাল জার্নালিজম যেন সবাই চর্চা করে।

নানা প্রতিকূলতা ও সংবাদ সংগ্রহের জটিলতাকে উতরে সামনে এগিয়ে চলার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে কুবিসাস। সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থেকে প্রতিনিয়ত বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ রচনার মাধ্যমে সাংবাদিকতায় এক নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (কুবিসাস)।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    রাবিতে খেলাকে কেন্দ্র করে মারামারি, আহত ২

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ১২:৩৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাবিতে খেলাকে কেন্দ্র করে মারামারি, আহত ২

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মতিহার হলে ক্যারাম বোর্ড ও টেবিল টেনিস খেলাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার (০৫ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মতিহার হলের খেলা কক্ষে ক্যারাম বোর্ড ও টেবিল টেনিস খেলার সময় উচ্চ স্বরে কথা বলাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মতিহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম এবং ফাইন্যন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শেখ উৎসের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতা-হাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে উভয়েই মাথায় গুরুতর আঘাত পায়ে আহত হন। পরে তাদের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের রামেক হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠায়।

    মতিহার হলের প্রাধ্যক্ষ এম নজরুল ইসলাম বলেন, দুজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      চবিতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৫ ডিসেম্বর, ২০২২ ২২:৩৭
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      চবিতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

      সাইফুল মিয়া, চবিঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ( চবি) গণতন্ত্রের মানসপুত্র, উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

      সোমবার (৫ ডিসেম্বর) এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট ড. শিপক কৃষ্ণ দেব নাথের সভাপতিত্বে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

      এ সময় সোহরাওয়ার্দীর জীবন ও কর্মের উপর আলোচনা করেন হলের আবাসিক শিক্ষক ড. মোরশেদ আলম। তিনি বলেন, ১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে সোহরাওয়ার্দীর জন্ম। তিনি ছিলেন বিচারপতি স্যার জাহিদ সোহরাওয়ার্দীর কনিষ্ঠ সন্তান।শহীদ সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এ দেশের শান্তিপ্রিয় গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি মুসলিম লীগ সরকারের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করেন।১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর বাঙালির যে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটেছিল তার অন্যতম নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন তিনি। তাই তাকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ বলে আখ্যা দেয়া হয়।১৯৬৩ সালের এই দিনে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে একটি হোটেলে নিঃসঙ্গ অবস্থায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মারা যান।

      সভাপতির বক্তব্যে ড. শিপক কৃষ্ণ দেব নাথ বলেন, ভারত পাকিস্তান ভাগের অত্যন্ত কঠিন সময়ে বাংলার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। বঙ্গবন্ধুর গণমানুষের নেতা হয়ে ওঠা এবং আপামর বাঙালির মুক্তির কাণ্ডারি হয়ে ওঠার পেছনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বাঙালি আজীবন তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।

      অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন হলের আবাসিক শিক্ষক ড. মো. আবুল বাশার, নাজেমুল আলম, সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মনির আহমদ, সেকশন অফিসার আবু বক্করসহ আরো অনেকে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        রাবিতে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস পালিত

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৫ ডিসেম্বর, ২০২২ ২০:৫৫
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        রাবিতে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস পালিত

        রাবি প্রতিনিধি: স্বেচ্ছাসেবার মধ্যে দিয়ে মানুষের অর্থবহ অবদানের মাধ্যমে আরো বেশি সমন্বিত ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবজাগরণ ফাউন্ডেশন আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস পালন করেছে।

        সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে দিবসটি উপলক্ষে একটি র্যালি বের করে। র‌্যালিটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বুদ্ধিজীবী চত্বরে শেষ হয়।

        ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন সর্বপ্রথম প্রতি বছর এই দিনে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস উদযাপন শুরু করে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি স্বেচ্ছাসেবীদের পক্ষে ও স্বেচ্ছাসেবীদের উন্নয়ন কর্মসূচিতে সংহত করার জন্য অংশীদারদের সাথে কাজ করে শান্তি ও উন্নয়নে অবদান রাখে।

        এসময় উপস্থিত ছিলেন নবজাগরণ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মো. খালিদ হাসান, মো. রিফাত হোসেন, মো. আলী আশরাফ প্রমুখ।

        এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নবজাগরণ ফাউন্ডেশনের বর্তমান সভাপতি মো. রাসেল সরকার, সাধারণ সম্পাদক নুর জাহান দোলন, সহ-সভাপতি রওশন আলী, যুগ্ম -সম্পাদক গোলাম রাব্বী লিমন সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ হোসেন এবং কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবকগন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বিজয় দিবস উপলক্ষে ২২ কিমি দৌড়ালেন ইবি শিক্ষার্থী মুসা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৫ ডিসেম্বর, ২০২২ ২০:৩৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বিজয় দিবস উপলক্ষে ২২ কিমি দৌড়ালেন ইবি শিক্ষার্থী মুসা

          ইবি প্রতিনিধি : 'মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল আত্মত্যাগী মুক্তিযোদ্ধার স্বরণে' উদ্দেশ্য কে সামনে রেখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শিক্ষার্থী মুসা হাশেমী ব্যক্তিগত উদ্যোগে ইবি ক্যাম্পাস থেকে কুষ্টিয়া শহর ২২ কি.মি. ম্যারাথন সম্পন্ন করেন। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল ফিকহ্ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের ইউনিট কাউন্সিলের সভাপতি হিসেবে তিনি নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে চলেছে। এছাড়াও 'ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সেল্ফ-ডিফেন্স ক্লাব' এর প্রতিষ্ঠা সহ বেশ কিছু সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে চলেছে।

          অদ্য ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২ ইং (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের 'স্মৃতিসৌধ পাদদেশ' হতে সকাল (৬.৫১) মিনিটে যাত্রা শুরু করে 'মুক্তিমিত্র স্মৃতিস্তম্ভ' চৌড়হাস মোড় (৮.৫৬) মিনিটে এই ম্যারাথন শেষ হয়। দীর্ঘ এই 'নিরবচ্ছিন্ন' ম্যারাথনে 'ক্যাম্পাস- মধুপুর- লক্ষিপুর- বিত্তিপাড়া- ভাদালিয়া- বটতৈল- চৌড়হাস মোড়' রুট অতিক্রম করে লক্ষ্য স্থানে পৌঁছে। এই যাত্রা পথ অতিক্রম করতে তার সময় লাগে ২ ঘন্টা ৬ মিনিট।

          এ সম্পর্কে মুসা হাশেমী বলেন, "আজকের এই প্রচেষ্টা মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন বিলিয়ে দেয়া সকল মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসর্গ করলাম। আমি মনে করি নিয়মিত দৌড়ানোর মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখা যায়। সেইসাথে মাদকমুক্ত যুবসমাজ তৈরিতে এর ভূমিকা ব্যাপক"

          উল্লেখ্য, তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত হাফ ম্যারাথনে অংশ নেয়ার পূর্ব প্রস্তুতি স্বরূপ নিয়মিতভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। তারই অংশ হিসেবে 'মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল আত্মত্যাগী মুক্তিযোদ্ধার স্বরণে' তার এই ম্যারাথন সম্পন্ন করা।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত