শিরোনাম
ঢাবিতে ভর্তি আবেদন লাখ ছাড়াল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। গত ২১ এপ্রিল বেলা ৩টার পর অনলাইনে আবেদনগ্রহণ শুরু হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী অনলাইনে ভর্তি আবেদন করেছেন। এদের মধ্যে টাকা জমা দিয়েছেন ৮৬ হাজার ৪৪০ জন। আগামী ১০ মে পর্যন্ত ভর্তি আবেদন করা যাবে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ৮৬ হাজার ৪৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদনের টাকা পরিশোধ করেছেন। এদের মধ্যে ৪৩ হাজার শিক্ষার্থী কেবলমাত্র ‘ক’ ইউনিটের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবছর ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটে আসন সংখ্যা ৯৩০টি। এই ইউনিটে আবেদনযোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬২০ জন। একটি আসনের বিপরীতে লড়বে ২০৯ জন। কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটে মোট আসন রয়েছে ১ হাজার ৭৮৮ টি। এই ইউনিটে আবেদনযোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৭১৩ জন। প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ১৯৫ জন ভর্তিচ্ছু।
বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে মোট আসন রয়েছে ১ হাজার ৮৫১টি। এই ইউনিটে আবেদনযোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮০ জন। আসন প্রতি লড়বে ১১৪ জন। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটে মোট আসন রয়েছে ১ হাজার ৩৩৬টি। এই ইউনিটে আবেদনযোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ৫ লাখ ৭ হাজার ৫২৭ জন। আসন প্রতি লড়বে ৩৮০ জন। চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটে ১৩০টি আসন রয়েছে। এই অনুষদে আবেদন করতে পারবেন ১০ লাখ ৬ হাজার ১৪১ জন। আসন প্রতি লড়বেন ৭৭৪০ জন।
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেয়া ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১০ মে পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন ভর্তিচ্ছুরা। অনলাইনে আবেদন করার পর ১৬ মে থেকে পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগ পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।
ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩ জুন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত গ-ইউনিটের, ৪ জুন কলা অনুষদভুক্ত খ-ইউনিটের, ১০ জুন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ক-ইউনিটের, ১১ জুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ঘ-ইউনিটের এবং ১৭ জুন চারুকলা অনুষদভুক্ত চ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে।
‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। আর ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত হবে।
‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। শুধু ‘চ’ ইউনিটের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৬০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে।
‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ‘চ’ ইউনিটের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৬০ মিনিট সময় পাবেন শিক্ষার্থীরা।
ঈদের পর প্রাথমিক স্তরে নতুন শিক্ষাক্রম পরীক্ষামূলক শুরু
দেশের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে বড় রকমের পরিবর্তন এনে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত নতুন শিক্ষাক্রম সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় সরকার। ইতিমধ্যে মাধ্যমিক স্তরে তা পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে। প্রাথমিক স্তরেও একই সঙ্গে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তারা এখনো শুরু করতে পারেনি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব আমিনুল ইসলাম খান বলেছেন, প্রাথমিকেও বিদ্যালয় নির্বাচন হয়ে গেছে। ঈদের পর প্রাথমিক স্তরেও পরীক্ষামূলক বাস্তবায়ন শুরু হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব।
নতুন শিক্ষাক্রম সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের কথা থাকলেও শুরু থেকেই শেখানোর প্রক্রিয়াটি কেমন হবে, তা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশেষ করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শাখার মধ্যে ‘সমন্বয়হীনতা’ চলছিল। এর মধ্যেই সিদ্ধান্ত হয়, প্রথম ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে এ বছরের শুরুতে নির্ধারিতসংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলকভাবে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে। এরপর আগামী বছর থেকে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শ্রেণিতে বাস্তবায়ন শুরু হবে। এভাবে ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে এ পর্ব শেষ হবে।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক স্তরের ৬২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ওপর নতুন শিক্ষাক্রম পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। একই সময় থেকে ১০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রথম শ্রেণিতেও পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন শুরুর কথা থাকলেও তা হয়নি। এ অবস্থায় প্রাথমিক স্তরেও পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নের সময় জানালেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব।
নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাধ্যমিকের নতুন শিক্ষাক্রমে যেখানে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখনের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীকে সার্বিকভাবে যোগ্য করে তোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে; সেখানে প্রাথমিকে অ্যাকটিভ লার্নিংয়ের (সক্রিয় শিখন) ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব আমিনুল ইসলাম খান বলেন, মাধ্যমিকের মতো প্রাথমিকেও অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম। প্রাথমিকের সঙ্গে মাধ্যমিকের শিক্ষাক্রমের কোনো পার্থক্য নেই। প্রাক্-প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত দক্ষতাগুলো (কম্পিটেনসি) একই। এটা শুধু স্তরের পার্থক্য। আর ‘অ্যাকটিভ লার্নিং’ ‘ডুয়িং বাই লার্নিং’ এগুলো বিভিন্ন লোক বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ভাষায় ব্যবহার করে।
এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখার সঙ্গে মিল রেখে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণিতে কোনো পরীক্ষা (বার্ষিক, প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িকী) রাখা হয়নি। এসব শ্রেণিতে শতভাগ মূল্যায়ন হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিখনকালীন ধারাবাহিক কার্যক্রমের ওপর। আর চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের ৬০ শতাংশ মূল্যায়ন হবে ধারাবাহিক শিখন কার্যক্রমের ভিত্তিতে। বাকি ৪০ শতাংশ মূল্যায়ন হবে সামষ্টিকভাবে (পরীক্ষার মাধ্যমে)। এ দুই শ্রেণির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা, ধর্মশিক্ষা এবং শিল্পকলা বিষয়ের পুরোটাই মূল্যায়ন হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না ২০১৭ সালের পরীক্ষার্থীরা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৭ সালে এসএসসি পাসকৃতরা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন না। ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই পরীক্ষার সুযোগ পাবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় কেবলমাত্র ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয়বার পরীক্ষার সুযোগ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। এ বছর ভর্তি পরীক্ষা তিনটি ইউনিটে (এ, বি ও সি) অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি ইউনিটে চার শিফটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারবেন ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী। ২০১৮-১৯ সালে এসএসসি এবং ২০২০-২১ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা পরীক্ষার সুযোগ পাবেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির বলেন, আমাদের ভর্তি কমিটির সভায় এসএসসি এবং এইচএসসি’র ‘ইমিডিয়েট’ ব্যাচকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সে হিসেবে ২০১৭ সালে এসএসসি পাসকৃতরা পরীক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, ভর্তি ফি, আবেদনের যোগ্যতাসহ যাবতীয় বিষয় শিগগিরই বিজ্ঞপ্তি আকারে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮ সালে ‘সেকেন্ড টাইম’ ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ বন্ধ করা হয়। তবে করোনার কারণে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি বিবেচনায় চলতি বছর সেকেন্ড টাইম ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ রাখার আহবান জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বিষয়টি নিয়ে সব বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি পাঠায় ইউজিসি। এর প্রেক্ষিতে এবার শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
শবে কদরের ফজিলত
লাইলাতুল কদর রমজান মাসের একটি মহিমান্বিত রাতের নাম। এ রাতের ফজিলত ও মর্যাদা স্বয়ং আল্লাহ তাআলা অনেক বৃদ্ধি করেছেন। কেননা এ রাতেই পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে। এ রাতকে নিয়ে পবিত্র কুরআনে একটি সূরাও নাজিল করা হয়েছে। এ বিষয়ে সূরা আল-কদরে বর্ণিত আছে, 'নিশ্চয়ই আমি তা (কুরআন) অবতীর্ণ করেছি কদরের রাতে। আর কদরের রাত সম্বন্ধে তুমি কী জানো?’ (আয়াত: ১-২)
এ সম্পর্কে সূরা দুখানে মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা দিয়েছেন, ‘শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের। আমি একে (কুরআন) নাজিল করেছি এক বরকতময় রাতে। নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী। এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় (লাওহে মাহফুজ থেকে ফেরেশতাদের কাছে) স্থিরিকৃত হয়। আমার পক্ষ থেকে আদেশক্রমে, আমিই প্রেরণকারী। আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।' (আয়াত: ২-৬)
এ রাতের মর্যাদা সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘এটি হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে। শান্তি আর শান্তি, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত (নাজিল হতে) থাকে।' ( সূরা: আল-কদর, আয়াত: ৩-৫)
এ রাত সম্পর্কে হাদিসে এসেছে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গোনাহ মাফের কথা উল্লেখ করেছেন। হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত পবিত্র হাদিস গ্রন্থ সহিহ বুখারির বর্ণনায় এসেছে , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সাওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদর তথা (নির্ধারিত মর্যাদার রাত) জেগে ইবাদাত করে, তার বিগত জীবনের সব গোনাহ মাফ করে দেয়া হবে।' (বুখারি)
যেদিনে শবে কদরের রাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে
ঠিক কবে শবে কদরের রাত সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট বা নির্দিষ্ট করে বলার বা জানার কোনো সুযোগ নেই। তবে, এটি সুস্পষ্ট যে তা রমজানের শেষ ১০ দিনের বেজোড় কোনো একটি রাত হবে। এই অনুসারে শবে কদর হবে, রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ রমজানের রাতে। অর্থাৎ ২০ রমজান দিবাগত রাত, ২২ রমজান দিবাগত রাত, ২৪ রমজান দিবাগত রাত, ২৬ রমজান দিবাগত রাত এবং ২৮ রমজান দিবাগত রাতে লাইলাতুল কদর হবে।
পবিত্র হাদিস গ্রন্থ সহিহ বুখারির বর্ণনায় এসেছে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতদের লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করতে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'রমজানের শেষ ১০ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে তোমরা কদরের রাত সন্ধান কর।' (বুখারি)
শুধু করোনা নয়, সব টিকাই দেশে উৎপাদনের ব্যবস্থা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শুধু করোনা ভাইরাসের টিকা নয়, সব ধরনের টিকাই দেশে উৎপাদন করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
শুক্রবার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর মহাখালী তিতুমীর কলেজে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি (বিডিএস) ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা প্রতিরোধে দেশে টিকা উৎপাদনের কাজ চলমান রয়েছে। শুধু করোনা টিকা নয়, দেশে সব রোগ প্রতিরোধক টিকা উৎপাদনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
করোনা টিকা প্রতিবছর নিতে হবে কিনা এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, এটা এখনও নিশ্চিত নয়, তবে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। টিকা উৎপাদন কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।
ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি (বিডিএস) পরীক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি (বিডিএস) ভর্তি পরীক্ষা খুবই সুন্দর ভাবে হচ্ছে, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট। পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস এড়াতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি পরীক্ষা ব্যবস্থা ও পরীক্ষার মান আরও কীভাবে উন্নত করা যায়।
ডায়ারিয়া প্রতিরোধে মে মাসে টিকা দেওয়া প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডায়রিয়ার প্রকোপ কমাতে টিকাদান কর্মসূটি হাতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কাজ চলমান রয়েছে। সাধারণত যেখানে কলেরা বা ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি, সেখানেই এটা দেওয়া হবে। আমরা আহ্বান করবে এই টিকা যাতে মানুষ নেয়। টিকা নিলে যে সফলতা আসে, তার সুফল করোনা টিকা দিয়ে প্রমাণ মিলেছে। গত এক মাস যাবত করোনায় মৃত্যু নেই। সংক্রমণ মাত্র ৩০-এর ঘরে। যার ফলে আমরা স্বস্তিতে রয়েছি, অর্থনীতির অবস্থা অনেক ভালো।
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি (বিডিএস) ভর্তি পরীক্ষায় এবার সরকারি ডেন্টাল কলেজ ও ডেন্টাল ইউনিটে ৫৪৫টি আসনের বিপরীতে প্রায় ৬৫ হাজার ৯০৭ জন আবেদন করেছেন।
১০০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্নে ১ ঘণ্টার এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান ২০, রসায়ন ২৫, জীববিজ্ঞান ৩০, ইংরেজি ১৫ এবং সাধারণ জ্ঞান, বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে ১০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা হয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য