ঢাকা, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৩ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রবেশপত্র ডাউনলোড করবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ এপ্রিল, ২০২২ ১০:৩৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রবেশপত্র ডাউনলোড করবেন যেভাবে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামী শুক্রবার ২২ জেলায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আজ রোববার থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারছেন পরীক্ষার্থীরা।

প্রার্থীদের আবেদনে উল্লিখিত মুঠোফোন নম্বরে যথাসময়ে ০১৫৫২১৪৬০৫৬ নম্বর থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোডের খুদে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

প্রথম ধাপের প্রার্থীরা আজ থেকে এই ওয়েবসাইটে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে অথবা এসএসসির রোল, বোর্ড ও পাসের সন দিয়ে লগইন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।

প্রবেশপত্র ডাউনলোড করার পর অবশ্যই প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট করতে হবে। নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রবেশপত্রের রঙিন কপি পরীক্ষার হলে নিয়ে যেতে হবে। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলি ও পরীক্ষাসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ও প্রবেশপত্রে দেওয়া হয়েছে।

২২ এপ্রিল প্রথম ধাপে যেসব জেলার সব উপজেলায় পরীক্ষা হবে, সেগুলো হলো ঢাকা, গাজীপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাগুরা, শেরপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার, লালমনিরহাট।

আর যেসব জেলার কিছু উপজেলায় পরীক্ষা নেওয়া হবে, সেগুলো হলো যশোর (ঝিকরগাছা, কেশবপুর, মনিরামপুর, শার্শা), সিরাজগঞ্জ (উল্লাপাড়া, বেলকুচি, চৌহালী, কামারখন্দ, কাজীপুর), ময়মনসিংহ (ভালুকা, ধোবাউড়া, ফুলবাড়িয়া, গফরগাঁও, গৌরীপুর, হালুয়াঘাট, ঈশ্বরগঞ্জ), নেত্রকোনা (আটপাড়া, বারহাট্টা, দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, কেন্দুয়া), কিশোরগঞ্জ (অষ্টগ্রাম, বাজিতপুর, ভৈরব, হোসেনপুর, ইটনা, করিমগঞ্জ, কটিয়াদী), টাঙ্গাইল (সদর, ভুয়াপুর, দেলদুয়ার, ধনবাড়ী, ঘাটাইল, গোপালপুর), কুমিল্লা (বরুড়া, ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, সদর, মেঘনা, দাউদকান্দি) ও নোয়াখালী (কবিরহাট, সদর, সেনবাগ, সোনাইমুড়ী, সুবর্ণচর)।

প্রাথমিকের ইতিহাসে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর অনলাইনে আবেদন শুরু হয়। আবেদন করেছেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ প্রার্থী। সে হিসাবে ১টি পদের জন্য প্রতিযোগিতা হবে ২৯ প্রার্থীর মধ্যে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ১৭তম নিবন্ধনের প্রিলি নিয়ে জটিলতা কাটছে

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৮ এপ্রিল, ২০২২ ১০:২৬
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৭তম নিবন্ধনের প্রিলি নিয়ে জটিলতা কাটছে

    জায়গা সংকটের জন্য আটকে থাকা ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়কে জানানো হয়েছে। তিনি আমাদের জন্য নতুন স্পেস বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

    রবিবার (১৭ এপ্রিল) সাথে আলাপকালে এসব কথা জানান বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।

    তিনি বলেন, সভায় আমরা শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়কে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আয়োজন করতে না পারার দুটি কারণ জানিয়েছি। একটি হচ্ছে জায়গা সংকট। আর একটি সিস্টেম এনালিস্ট না থাকা। মন্ত্রী মহোদয় আমাদের নতুন জায়গা দেয়ার কথা জানিয়েছেন। একই সাথে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল থেকে স্থায়ীভাবে একজন সিস্টেম এনালিস্ট নিয়োগের কথা জানিয়েছেন।

    কবে নাগাদ ১৭তম নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আজকের সভার রেজুলেশন এখনো আমরা পাইনি। এটি পাওয়ার পর আমরা নিজেরা আলোচবায় বসবো। জায়গা পাওয়া সাপেক্ষে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে।

    প্রসঙ্গত, এনটিআরসিএর বিদ্যমান নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে রবিবার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আলোচনায় বসেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) ফৌজিয়া জাফরীন, এনটিআরসিএর চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      পঁয়ত্রিশোর্ধ্বদের এমপিওভুক্ত করতে আদেশ জারি

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৮ এপ্রিল, ২০২২ ১০:২০
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      পঁয়ত্রিশোর্ধ্বদের এমপিওভুক্ত করতে আদেশ জারি

      পঁয়ত্রিশোর্ধ্বদের এমপিওভুক্ত করতে আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। আজ রোববার (১৭ এপ্রিল) বিকালে এই আদেশ জারি করা হয়।

      উপসচিব সোনা মনি চাকমা স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়, উচ্চ আদালতে দায়েরকৃত বিভিন্ন রীট পিটিশনের প্রদত্ত আদেশের প্রেক্ষিতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যায়ন কতৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কতৃক ৩০ মার্চ ২০২১ জারিকৃত ৩য় গণবিজ্ঞপ্তি ৪ নং অনুচ্ছেদে মহামান্য সুপ্রীম কোটের আপিল বিভাগে ৩৯০০/২০১৯ নং মামলার রায় অনুযায়ী ১২ জুন ২০১৮ তারিখের পূর্বে যারা শিক্ষক নিবন্ধন সনদ লাভ করেছেন তাদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলযোগ্য শর্ত যুক্ত করা হয়। এ বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে প্রযোজ্য প্রার্থীগণ আবেদন করেন এবং নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

      আদেশে আরও বলা হয়, বর্ণিত এনটিআরসিএ ৩য় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকগণের মধ্যে যারা উচ্চ আদালতে রীট পিটিশন দায়ের করেছিলেন এবং ১২ জুন ২০১৮ তারিখের পূর্বে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ প্রাপ্ত হয়েছেন তাদের এমপিওর প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বয়সসীমা প্রয়োজ্য হবে না। এই আদেশ অন্যকোনো ক্ষেত্রে নজির হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

      এর আগে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন যোগ দেওয়া শিক্ষকদের মধ্যে যাদের কাজগপত্র ঠিক আছে তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে এমপিওভুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

      শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) ফৌজিয়া জাফরীন বলেন, আজকের সভায় এনটিআরসিএ’র নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে যে সকল শিক্ষক নতুন যোগ দিয়েছেন তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে এমপিওভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাদের কাগজপত্র নিয়ে কোনো সমস্যা নেই তাদের ফাইলগুলো যেন দ্রুত ছাড় করা হয় সেজন্য অধিদপ্তরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        সাত কলেজকে অক্সফোর্ডের আদলে গড়ে তোলার দাবি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৮ এপ্রিল, ২০২২ ১০:১০
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        সাত কলেজকে অক্সফোর্ডের আদলে গড়ে তোলার দাবি

        ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাত কলেজের সমস্যার সমাধান করতে না পারলে এসব কলেজ সমূহকে অক্সফোর্ডের আদলে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীদের একাংশ। এ বিষয়ে সরকারকে কার্যকর ভূমিকা রাখার দাবি জানান তারা। রবিবার (১৭ এপ্রিল) কলেজগুলোর সমস্যার সমাধানে এ দাবিসহ মোট ১৮ দফা দাবি সমন্বয়ক ও ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সুপ্রিয়া ভট্টাচার্যের কাছে লিখিত আকারে জমা দিয়েছেন। কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো গ্রহণ করা হয়েছে।

        এসময় ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

        শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- করোনা মহামারী বিবেচনায় ১৭-১৮, ১৮-১৯, ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সকল অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ইম্প্রুভমেন্টের সুযোগ দিয়ে অনতিবিলম্বে পরবর্তী বর্ষে প্রমোশন দিতে হবে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এটি নোটিশ আকারে প্রকাশ করতে হবে; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসকল বিভাগে সেমিস্টার সিস্টেম রয়েছে, আমাদের ও সে সকল বিভাগে সেমিস্টার সিস্টেম চালু করতে হবে। আর সেমিস্টার সিস্টেম চালু না করা পর্যন্ত তিন বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ইম্প্রুভের মাধ্যমে পরবর্তী বর্ষে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ বহাল রাখতে হবে;

        গণহারে ফেল করার কারণ খতিয়ে দেখতে হবে এবং এর সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে; প্রতি বর্ষের পরীক্ষার মাঝে অন্ততপক্ষে ১ মাসের গ্যাপ রাখতে হবে; ইনকোর্সের পরীক্ষার মার্ক দেখাতে হবে; পরীক্ষা শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের কথা থাকলেও তা এখনো কার্যকর হয়নি। এটি অতি দ্রুত কার্যকর করতে হবে; বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষা চলাকালীন পাঠদান যাতে বন্ধ না থাকে তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে;

        যেহেতু ৮ মাসে ইয়ার পরীক্ষা নেওয়া হবে সেহেতু সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করতে হবে; একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ করতে হবে; শিক্ষক সংকট, পর্যাপ্ত শিক্ষক সংখ্যা বাড়াতে হবে; ক্লাস রুমের স্বল্পতা রয়েছে, দ্রুত মানসম্মত ক্লাস রুমের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; শিক্ষার মান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমতুল্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমতুল্য সিলেবাস প্রণয়ন করতে হবে;

        ঢাবির নিয়ম ও সমমানের শিক্ষা প্রদানের জন্য ঢাবি কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে; প্রতিটা ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত বাস, ক্যান্টিন, হল, বিষয়ভিক্তিক আধুনিক ল্যাব এবং সমৃদ্ধ লাইব্রেরির সুবিধা দিতে হবে; ভর্তি পরীক্ষার মান আরো উন্নয়নের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমতুল্য ভর্তি পরীক্ষা প্রণয়ন করতে হবে এবং আসন সংখ্যা সীমিত করতে হবে। ধারণ ক্ষমতার বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না;

        যেসব কলেজে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণি রয়েছে, সেখানে স্নাতক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষক স্বতন্ত্র করতে হবে; সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের একটি কমিটি দিতে হবে। যারা ছাত্রদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি সমূহ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করবে। ছাত্র-শিক্ষকদের মাঝে সমন্বয় সাধন করবে; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের উল্লেখিত দাবি সমূহ না মানলে অতি শিঘ্রই সরকার এ সাত কলেজকে সমন্বয় করে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আদলে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণা দিতে হবে।

        আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ক ও সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী তসলিম চৌধুরী বলেন, সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। করোনা পরিস্থিতিতে যেখানে অন্য শিক্ষার্থীরা অটো প্রমোশন পাচ্ছে সেখানে সাত কলেজের অনেক শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিয়েও পরবর্তী বর্ষে প্রমোশন পাচ্ছে না। দু’একটি কোর্সে অকৃতকার্যের কথা বলে তাদেরকে নন-প্রমোটেড করে রাখা হচ্ছে।

        তসলিম চৌধুরী বলেন, এসব শিক্ষার্থীদের কিভাবে পরবর্তী বর্ষে প্রমোশনের সুযোগ করে দেয়া যায়- এসব বিষয় নিয়ে শিক্ষার্থীরা আজ সমন্বয়ক ম্যামের সাথে দেখা করেছেন। ম্যামকে আমরা আমাদের বেশকিছু লিখিত দাবি লিখিতভাবে দিয়েছি। তারা আমাদের দাবি বিবেচনায় নেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

        এদিন সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের চলমান সমস্যা সমাধানে ইডেন মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ অধ্যাপক সুপ্রিয়া ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সাত কলেজের অধ্যক্ষ, দর্শন, বাংলা, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর শিক্ষার্থী ও ছাত্র প্রতিনিধিরা যোগ দিয়েছেন। সভায় শিক্ষার্থীদের এসব দাবি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সার্বিক বিষয়গুলো ঢাবির সঙ্গে সমন্বয় করে সমধানের উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে সাত কলেজ কর্তৃপক্ষ।

        সাত কলেজের নতুন সমন্বয়ক ও ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। সভায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন। অনেকে লিখিতভাবেও দাবি তুলে ধরেছেন। সবাই সবার মত করে তাদের সমস্যার কথা জানিয়েছেন। আমরা শুরুতে ফল বিপর্যয়ের বিষয়টি নিয়ে কাজ করবো। এছাড়া আরও কিছু দাবি বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করছে। করোনার কারণে এ সৃষ্ট জলিটতা আমরা দ্রুতই কাটিয়ে উঠতে পারবো।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          এদিক-সেদিক হলেই বিপদ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগপ্রত্যাশীদের

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৭ এপ্রিল, ২০২২ ১২:২২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          এদিক-সেদিক হলেই বিপদ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগপ্রত্যাশীদের

          দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা ভালোভাবে সম্পন্ন করতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এবার থাকছে গোয়েন্দা নজরদারি। এ ছাড়া কেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন রাখতে জ্যামার বসানো হবে। ফলে পরীক্ষার হলে এদিক-সেদিক হলেই বিপদে পড়বেন প্রার্থীরা।

          মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এ তথ্য জানান। তিনি বলেছেন, ‘মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে পরীক্ষার হলে অসদুপায় বন্ধ করতে কেন্দ্রের এলাকাগুলোয় জ্যামার বসানো হবে। পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট আগে থেকে শেষ পর্যন্ত নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন রাখতে জ্যামার বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত থাকবে।’

          প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ঠেকাতে যৌথভাবে কাজ করছে বিটিআরসি ও গোয়েন্দা সংস্থা। এ ছাড়া অনিয়ম বন্ধে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। তার তত্ত্বাবধানে প্রশ্নপত্র ও অন্য কাগজপত্র জেলার ট্রেজারি সংরক্ষণ ও উত্তরপত্র পৌঁছানো হবে ঢাকা থেকে।

          যে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষার্থীরা যাতে প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য মেটাল ডিটেক্টর বসানো হবে। প্রার্থীদের কানে ডিভাইস আছে কি না, তা যাচাই করা হবে।

          প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র ইতিমধ্যে দেওয়া শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপের পরীক্ষা আগামী শুক্রবার ২২ জেলায় অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কথা রয়েছে। প্রাথমিকের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় নিয়োগ। এতে আবেদন করেছেন প্রায় ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন প্রার্থী।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত