ঢাকা, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ২৪ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

সাত কলেজের পঞ্চম মেধাতালিকা প্রকাশ আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ মার্চ, ২০২২ ৮:১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
সাত কলেজের পঞ্চম মেধাতালিকা প্রকাশ আজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের পঞ্চম ও সর্বশেষ মেধাতালিকা আজ মঙ্গলবার (২২ মার্চ) প্রকাশিত হবে। সোমবার (২১ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি সরকারি সাতটি কলেজের প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়। এরপর ধাপে ধাপে আরও তিনটি মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। এরপরেও আসন খালি থাকায় পঞ্চম মেধাতালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয় ভর্তি কমিটি।

অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এটিই চূড়ান্ত ও সর্বশেষ মেধাতালিকা। এরপরেও যদি কোনো আসন খালি থাকে সেক্ষেত্রে ওই আসনগুলো খালি বলেই বিবেচিত হবে। গত দুই সপ্তাহ যাবৎ সাতটি কলেজকে তাদের কত আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে সে সংখ্যাটি দিতে বলেছি। তাদের তালিকাটি হাতে পেতে দেরি হওয়ায় চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে।

অধিভুক্ত সাত সরকারি কলেজের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান, বাণিজ্য এবং কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অধীনের অধীনে এ বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৬ হাজার ১৬০টি আসনের কথা বলা হলেও মূলত ২৩ হাজার ২৬২ আসনেই ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়।

গত বছরের ৫, ৬ নভেম্বর সাত কলেজের বাণিজ্য, বিজ্ঞান অনুষদ এবং ১৩ নভেম্বর কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১১ নভেম্বর বিজ্ঞান-বাণিজ্য ও ১৭ নভেম্বর কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ফল প্রকাশিত হয়।

এদিকে, সরকারি সাতটি কলেজের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ক্লাস গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে। ক্লাস শুরুর পরেও একটি বড় অংশের ভর্তিচ্ছু মেধাতালিকায় এসেও ভর্তি হতে পারেননি। মেধাতালিকা প্রকাশ বন্ধ করে দেয়ায় আসন ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও তাদের ভর্তির সুযোগ হয়নি। ভর্তির সুযোগ দাবিতে তারা আন্দোলনও করেছেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা জেলা পর্যায়েও হতে পারে

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২১ মার্চ, ২০২২ ২০:৪৫
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা জেলা পর্যায়েও হতে পারে

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে শুধু ঢাকায় নয়, জেলা পর্যায়েও হতে পারে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে সোমবার (২১ মার্চ) বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

    জানতে চাইলে রোববার (২০ মার্চ) রাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুব রহমান তুহিন বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা জেলা পর্যায়ের আয়োজনের কোনো সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সোমবার একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে এ ধরণের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

    তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা জেলা পর্যায়ে হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে শুধু ঢাকায় নয়, জেলা পর্যায়ে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি সোমবারের মিটিংয়ে আলাপ-আলোচনা করা হবে।’

    এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলমের সই করা পরীক্ষার কেন্দ্র নির্বাচন সংক্রান্ত চিঠিতে আগামী ৮ এপ্রিল থেকে নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর কথা বলা হয়েছিল।

    চিঠিতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ-২০২০-এর লিখিত পরীক্ষা আগামী ৮, ১৫ ও ২২ এপ্রিল এবং ১৩ মে বিকেল ৩টায় গ্রহণের জন্য আপনার প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। উল্লেখিত তারিখে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আপনার প্রতিষ্ঠান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ করা হলো।

    এর আগে গত ১০ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় এপ্রিলে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এপ্রিলের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া শেষে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের জুলাই মাসের মধ্যে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

    সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে অবসরজনিত কারণে ১০ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষকের পদশূন্য হয়ে পড়েছে।

    ফলে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ সমস্যার সমাধানে মন্ত্রণালয় আগের বিজ্ঞপ্তির শূন্যপদ ও বিজ্ঞপ্তির পরের শূন্যপদ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষামন্ত্রী-উপমন্ত্রী-সচিবকে স্মারকলিপি

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২১ মার্চ, ২০২২ ২০:৪২
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষামন্ত্রী-উপমন্ত্রী-সচিবকে স্মারকলিপি

      এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সহ বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ৩৫ বছর অতিক্রম করা শিক্ষকরা।

      রোববার (২০ মার্চ) দুপুরে তারা এ স্মারকলিপি দেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষকরা এনটিআরসিএ’র সামনে জড়ো হন। সেখানে তারা কিছুক্ষণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এরপর তারা এনটিআরসিএ সচিব এনামুল কাদের খান বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেন।

      জানা গেছে, এনটিআরসিএ থেকে বের হয়ে শিক্ষকরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যান। সেখানে তারা শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীককে স্মারকলিপি দেন। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি না থাকায় তার একান্ত সচিব স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।

      মন্ত্রণালয় থেকে বের হয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কে এম রুহুল আমিন বরাবরও স্মারকলিপি দিয়েছেন।

      এ বিষয়ে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বারপাইকা দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমরা শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা উপমন্ত্রী, শিক্ষা সচিব, মাউশি ডিজি (মহাপরিচালক), মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজিকে আমাদের দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি দিয়েছি। তারা আমাদের এমপিওভুক্তি সমস্যার সমাধানে কাজ করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।

      শিক্ষকরা জানান, তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির চূড়ান্ত সুপারিশপত্রের ৪নং পয়েন্টে ৩৯০০/২০১৯ নং মামলার রায় অনুযায়ী ২০১৮ সালের ১২ জুনের পূর্বে যারা শিক্ষক নিবন্ধনের সনদ অর্জন করেছেন তাদের ক্ষেত্রে বয়স শিথিলযোগ্য। সুস্পষ্ট ঘোষণা থাকায় আমরা তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত হই।

      পরে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সহযোগিতায় আমরা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এমপিওর জন্য আবেদন করি। তবে মাদরাসা অধিদপ্তরের সেন্ট্রাল প্রোগ্রামার থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মতো মার্চ মাসেও আমাদের এমপিও ফাইল গণহারে রিজেক্ট করে দেওয়া হয়েছে। এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন আমাদের বয়স ৩৫ বছরের বেশি। যা আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের পরিপন্থী।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        উচ্চশিক্ষার সব সেবা ডিজিটালাইজড হবে: ইউজিসি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২১ মার্চ, ২০২২ ১৯:৫৫
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        উচ্চশিক্ষার সব সেবা ডিজিটালাইজড হবে: ইউজিসি

        ইনোভেটিভ বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির সব সেবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। গতকাল রোববার কমিশনের সদস্য ও ইনোভেশন টিমের আহ্বায়ক মুহাম্মদ আলমগীর এ তথ্য জানান।

        ইউজিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইউজিসির ২০২১-২২ অর্থবছরে ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘উদ্ভাবনবিষয়ক প্রশিক্ষণ’–এর আয়োজন করে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, ইনোভেটিভ বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান সেবাগুলো শতভাগ ডিজিটালাইজড করা হবে। সভায় তিনি উচ্চশিক্ষা–সংক্রান্ত সেবা সহজলভ্য করতে সংশ্লিষ্টদের উদ্ভাবন, সেবা সহজীকরণে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

        চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে উচ্চশিক্ষা খাতের চ্যালেঞ্জ ও প্রস্তুতি বিষয়ে মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে শ্রম ও চাকরির বাজারে ব্যাপক প্রতিযোগিতা তৈরি হবে। যন্ত্র এ ক্ষেত্রে মানুষের স্থান দখল করে নিলেও মেধা, দক্ষতা ও সক্ষমতা দিয়ে মানুষই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করবে। কাজেই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উচ্চশিক্ষাস্তরে পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানো, গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটাতে হবে।

        ইউজিসি সচিব ফেরদৌস জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট, কমিউনিকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং বিভাগের পরিচালক মো. মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া বক্তব্য দেন। সভায় ফেরদৌস জামান উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেবাপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি কমাতে সেবা সহজীকরণ, গুণগত সেবা প্রদান এবং সংশ্লিষ্টদের নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। কমিশনের সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও ইনোভেশন টিমের ফোকাল পয়েন্ট মো. রবিউল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণে রিসোর্সপারসন হিসেবে যুক্ত ছিলেন এটুআই কনসালট্যান্ট (উপসচিব) জিয়াউর রহমান। প্রশিক্ষণে ইউজিসির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          সার্টিফিকেট-সর্বস্ব নয়, চাই সৃজনশীল মানুষ হওয়ার শিক্ষা: রাষ্ট্রপতি

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২১ মার্চ, ২০২২ ১৯:৫৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          সার্টিফিকেট-সর্বস্ব নয়, চাই সৃজনশীল মানুষ হওয়ার শিক্ষা: রাষ্ট্রপতি

          শিক্ষা যাতে কোনোভাবেই সার্টিফিকেট-সর্বস্ব না হয়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘সার্টিফিকেট-সর্বস্ব শিক্ষা নয়, নোট মুখস্থ করে পাস নয়, আমরা চাই সৃজনশীল মানুষ হওয়ার শিক্ষা এবং কুসংস্কারমুক্ত আর খোলা মনের আলোকিত ব্যক্তিত্ব গড়ার শিক্ষা।’ গতকাল রোববার বিকেলে ‘বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি’ আয়োজিত আলোচনা সভায় বঙ্গভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি দেওয়া ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান।

          জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

          বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার প্রকৃত কেন্দ্র উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বর্তমান বিশ্ব একদিকে যেমন সম্ভাবনাময়, তেমনি তা চ্যালেঞ্জিংও বটে। তাই শিক্ষার্থীদের জন্য যুগোপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানের পাঠক্রম অনুসরণ করতে হবে।’

          রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নির্দিষ্টসংখ্যক আসন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষণ এবং সম্ভব হলে বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান তিনি।

          শিক্ষা খাতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মুনাফা অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে কিছু সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের ব্যাপারেও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিনিয়োগকে তাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। নিয়মনীতি, অবকাঠামো ও শিক্ষাসংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত না করে বছর বছর ছাত্র ভর্তি করছে আর সার্টিফিকেট বিতরণ করছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও অনুশীলনের স্থান।’

          বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এ আলোচনার আয়োজন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবন ও রাজনৈতিক দর্শন, মানবতাবোধ, চিন্তা-চেতনা ও নীতি-নৈতিকতাকে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সব স্তরে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে গ্রহণ করার উদ্যোগ আমাদেরই নিতে হবে।’

          অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ ও অনুষ্ঠানের সভাপতি বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন বক্তব্য দেন। এ ছাড়া প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এ কে এম নুরুল ফজল। অনুষ্ঠানে, ‘আমার দৃষ্টিতে দেখা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত