ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ফোনালাপে ট্রাম্পকে মোদি

‘পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা নেই,

অনলাইন ডেস্ক
১৮ জুন, ২০২৫ ১৮:৩৯
অনলাইন ডেস্ক
‘পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা নেই,
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফাইল ছবি

পাকিস্তানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা বা বাণিজ্য আলোচনা—এই দুই বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক ফোনালাপে মোদি দাবি করেছেন, গত মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা ছিল না এবং বাণিজ্য নিয়েও কোনো কথা হয়নি।

বুধবার (১৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ও হস্তক্ষেপ নিয়ে বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েন মোদি।

ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রির ভাষ্য অনুযায়ী, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, পুরো ঘটনার সময় কোনো পর্যায়েই ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পাকিস্তান-ভারতের মধ্যস্থতা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।’

এটি ছিল মে ৭ তারিখে ভারতের ‘অপারেশন সিদুঁর’ শুরুর পর দুই নেতার প্রথম ফোনালাপ। এই আলোচনার ঠিক আগেই হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের বৈঠক হয়।

‘অপারেশন সিদুঁর’ সম্পর্কে ট্রাম্পকে অবহিত করলেন মোদি

৩৫ মিনিটের এই ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রী মোদি তাকে জানান, ভারতের সামরিক প্রতিক্রিয়া ছিল ‘পরিমিত, নিখুঁত এবং উত্তেজনা-বর্জিত’। তিনি জানান, ৯ মে রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ভারতের প্রতি সতর্কতা পাঠান যে পাকিস্তান একটি বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে। সেই অনুযায়ী ভারত প্রস্তুতি নেয় এবং পরদিন রাতেই পাকিস্তানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পাল্টা হামলায় পাকিস্তানি সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করে দেয় ভারত।

প্রধানমন্ত্রী মোদি ট্রাম্পকে জানিয়ে দেন, ভবিষ্যতে পাকিস্তান যদি আবার আগ্রাসন চালায়, তবে তার জবাব হবে আরও কঠোর।

কাশ্মীর বিষয়ে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা অগ্রহণযোগ্য

ফোনালাপে মোদি কাশ্মীর নিয়ে ভারতের দৃঢ় অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত কখনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা গ্রহণ করেনি, করেও না, ভবিষ্যতেও করবে না।’ এই বিষয়ে ভারতে পূর্ণ রাজনৈতিক ঐকমত্য রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ট্রাম্পকে কোয়াড সম্মেলনে আমন্ত্রণ

ফোনালাপে ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ জানান যুক্তরাষ্ট্রে আসার জন্য, তবে মোদি জানান তিনি পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে যেতে পারছেন না। পরিবর্তে তিনি ট্রাম্পকে আসন্ন কোয়াড সম্মেলনের জন্য ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান, যা ট্রাম্প গ্রহণ করেন, যদিও উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।

দুই নেতা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কোয়াডের ভূমিকাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তারা ইসরাইল-ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও আলোচনা করেন। রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে প্রত্যক্ষ আলোচনা দরকার—এমনটাই মত দেন দুই নেতা।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    যেকোনও মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হবে, হুমকি খামেনির

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৮ জুন, ২০২৫ ১৮:১৬
    অনলাইন ডেস্ক
    যেকোনও মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হবে, হুমকি খামেনির

    ইরান-ইসরায়েলের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, ইরানে হামলার ব্যাপারে ভাবছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে কোনো সামরিক হস্তক্ষেপ করে তাহলে এর পরিণতি কঠোর হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

    বুধবার (১৮ জুন) জাতির উদ্দেশ্যে একটি ভাষণ দিয়েছেন তিনি। সেখানে মার্কিনিদের সতর্ক করে খামেনি বলেন, “আমেরিকানদের জানা উচিত, যেকোনও মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হবে। যার পরিণতি তারা সহজে সামাল দিতে পারবে না।”

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেছেন, ‘‘যেভাবে ইরান চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করেছে, ঠিক তেমনি চাপিয়ে দেওয়া শান্তির বিপক্ষেও দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেবে। ভাষণে ইসরায়েলকে ভুলের জন্য কঠিন শাস্তি পেতে হবে বলেও হুঙ্কার দিয়েছেন তিনি। খামেনি বলেছেন, ‘‘এই জাতি কারও চাপের মুখে আত্মসমর্পণ করবে না।’’

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মঙ্গলবারের এক মন্তব্যের বিষয়ে বলেন, ‘‘যারা বুদ্ধিমান এবং ইরান, ইরানি জাতি ও এর ইতিহাস সম্পর্কে জানেন, তারা কখনও হুমকির ভাষায় এই জাতির সঙ্গে কথা বলবেন না। কারণ ইরানি জাতি কখনও হুমকির কাছে মাথানত করে না।’’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      কে এই আয়াতুল্লাহ খামেনি, যাকে হত্যা করতে চান ট্রাম্প

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৮ জুন, ২০২৫ ১৫:৪১
      অনলাইন ডেস্ক
      কে এই আয়াতুল্লাহ খামেনি, যাকে হত্যা করতে চান ট্রাম্প
      ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

      ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা শুরুর পর থেকেই যে নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে তা হচ্ছে—আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দুজনেই ইরানের এই সর্বোচ্চ নেতাকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

      আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি কে?

      আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হলেন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি।  প্রায় চার দশক ধরে তিনি ইরানকে শাসন করে আসছেন।  এ সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি এগিয়ে নিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও আন্দোলন দমন করেছেন।

      সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনি ইরানের সরকার, বিচার বিভাগ, সামরিক বাহিনী, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এবং কুদস ফোর্স–এর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখেন।

      খামেনি ১৯৩৯ সালে ইরানের পবিত্র নগরী মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন।  তিনি ছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির শিষ্য, যিনি ১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লবের মাধ্যমে দেশটির প্রো-ওয়েস্ট রাজতন্ত্রকে উচ্ছেদ করেন ও ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

      ১৯৮১ সালে খামেনি একটি হামলার শিকার হন, যাতে তার ডান হাত স্থায়ীভাবে বিকল হয়ে যায়।  রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে, তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

      সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর থেকে খামেনি ইরানের সীমান্ত ছাড়িয়ে আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে মনোযোগ দেন। অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স নামে পরিচিত একাধিক মিত্র গোষ্ঠী গড়ে তোলেন যা লেবানন থেকে ইয়েমেন পর্যন্ত বিস্তৃত।

      এই দীর্ঘ সময় ইরান সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও, সব কিছু বদলে যায় যখন ৭ অক্টোবর ২০২৩-এ হামাস ইসরাইলের হামলা চালায়।

      এর পর গাজায় ইসরাইলের আগ্রাসন, লেবাননের হিজবুল্লাহর ওপর আক্রমণ ও এবং ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র ও শীর্ষ সামরিক নেতাদের ওপর ইসরাইলের বিমান হামলা ইরানের অজেয় ভাবমূর্তি ভেঙে দেয়।

      ডোনাল্ড ট্রাম্প খামেনিকে ‘সহজ লক্ষ্যবস্তু’ বলে অভিহিত করেছেন। এই মন্তব্য কেবল কূটনৈতিক উত্তেজনা নয়, বরং একটি সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের সংকেতও বহন করে।

      তথ্যসূত্র: সিএনএন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করা হবে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৮ জুন, ২০২৫ ১৫:৩২
        অনলাইন ডেস্ক
        ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করা হবে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন

        ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করা হলে তা হবে বেআইনি ও আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। এমনটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একজন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ।

        এমনকি ট্রাম্প যেভাবে হুমকি দিচ্ছেন তাতে করে সংঘাত আরও বিস্তার লাভের ঝুঁকি বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। বুধবার (১৮ জুন) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

        সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলী খামেনিকে হত্যা করা হলে তা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে বলে যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার সংগঠন ডন-এর পরিচালক ও আইনজীবী সারাহ লিয়া উইটসন জানিয়েছেন।

        যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে দাবি করেন, “আমরা জানি খামেনি কোথায় আছেন। তিনি খুব সহজ টার্গেট।”

        এ প্রসঙ্গে আল জাজিরাকে উইটসন বলেন, “যখন যুক্তরাষ্ট্র নিজেই বলছে তারা ইরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধে জড়িত নয় এবং কোনও সামরিক অভিযানে অংশ নিচ্ছে না, তখন ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করলে তা হবে অবৈধ হত্যাকাণ্ড এবং আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।”

        তিনি সতর্ক করে বলেন, “ট্রাম্প যেভাবে হুমকি দিচ্ছেন, তাতে করে সংঘাত আরও বিস্তার লাভের ঝুঁকি বাড়ছে। শুধু আঞ্চলিক যুদ্ধ নয়, বৈশ্বিক যুদ্ধের আশঙ্কাও এখন অস্বাভাবিক নয়। এ অবস্থায় ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী মনোভাব ও উত্তেজনাকর ভাষা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।”

        যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই মানবাধিকার বিশেষজ্ঞের এই বার্তাটি এসেছে এমন এক সময়, যখন ট্রাম্প একাধিকবার ইরানের শীর্ষ নেতাকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

        মঙ্গলবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিষয়ে ইঙ্গিত করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছুক্ষণ আগে সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে বলেছেন, “আমরা ঠিক জানি তথাকথিত ‘সর্বোচ্চ নেতা’ কোথায় লুকিয়ে আছেন।”

        মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট বলেন, “তিনি সহজ লক্ষ্যবস্তু, কিন্তু সেখানে নিরাপদ - আমরা তাকে বের করে (হত্যা!) আনবো না, অন্তত এখনই নয়।”

        প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেছেন, “কিন্তু আমরা চাই না বেসামরিক নাগরিক বা আমেরিকান সৈন্যদের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ হোক। আমাদের ধৈর্য ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে।”

        এর কিছুক্ষণ আগে দেওয়া আরেক পোস্টে তিনি বলেন, “ইরানের আকাশসীমা আমাদের নিয়ন্ত্রণে”। এই পোস্ট দুটির পরপরই তৃতীয় আরেকটি পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, “আনকন্ডিশনাল সারেন্ডার!” (নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ!)

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          এক ভিসায় ভ্রমণ করা যাবে মধ্যপ্রাচ্যের যে ছয়টি দেশে

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৮ জুন, ২০২৫ ১৫:২৬
          অনলাইন ডেস্ক
          এক ভিসায় ভ্রমণ করা যাবে মধ্যপ্রাচ্যের যে ছয়টি দেশে

          ভ্রমণপিপাসুদের জন্য দারুণ সুখবর দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি দেশ। খুব শিগগিরই একটি অভিন্ন ভিসা চালু হতে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে একটিমাত্র ভিসায় সংযুক্ত আরব আমিরাত (দুবাই), সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, ওমান এবং বাহরাইনে ভ্রমণ করা যাবে।

          মঙ্গলবার (১৭ জুন) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

          প্রতিবেদনে বলা হয়, জিসিসি সদস্যভুক্ত দেশগুলো তাদের মধ্যে পর্যটন জোট গড়তে যাচ্ছে। ‘জিসিসি গ্র্যান্ড ট্যুরস ভিসা’ নামের এই নতুন উদ্যোগের ফলে আমিরাতের বাসিন্দা এবং বাইরের দেশ থেকে আসা ভ্রমণকারীরা ছয়টি দেশেই অনায়াসে ভ্রমণ করতে পারবেন, একাধিক ভিসার ঝামেলা ছাড়াই।

          জানা গেছে, ২০২৩ সালেই এই উদ্যোগ অনুমোদন পেয়েছে এবং বর্তমানে এটি বাস্তবায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যদিও সুনির্দিষ্ট কার্যকর হওয়ার তারিখ এখনো জানানো হয়নি, তবে চলতি বছরেই এটি চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

          ভিসাটির মেয়াদ হতে পারে ৩০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে। তবে চূড়ান্ত শর্তাবলি ও মেয়াদ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

          বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অঞ্চলটিতে পর্যটন আরও গতিশীল হবে এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে জিসিসিভুক্ত দেশগুলো।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত