ঢাকা, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনায় সমঝোতা হয়নি: জেডি ভ্যান্স

অনলাইন ডেস্ক
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৩
অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনায় সমঝোতা হয়নি: জেডি ভ্যান্স

মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনা হলেও কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি। খবর দ্য ডনের।

‘ইসলামাবাদ টকস’ শিরোনামে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শনিবার বিকেল থেকে শুরু হয়ে রবিবার পর্যন্ত এ আলোচনা চলে।  আলোচনা শেষে  এক সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২১ ঘণ্টা আলোচনা করেছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা হয়েছে—এটাই ভালো খবর। তবে খারাপ খবর হলো, আমরা এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে আমাদের সীমারেখা নির্ধারণ করেছি—কোন বিষয়ে আমরা সমঝোতা করতে পারি এবং কোন বিষয়ে পারি না। কিন্তু ইরানের প্রতিনিধিদল আমাদের শর্তগুলো মেনে নেয়নি।’

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের  প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তারা ‘দারুণ আতিথেয়তা’ দেখিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আলোচনায় কোনো ঘাটতি থাকলে তা পাকিস্তানের কারণে নয়। বরং পাকিস্তান আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে সহায়তা করতে।’

ইরান ঠিক কোন প্রস্তাবগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে—এ প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স বলেন, ‘সব বিস্তারিত প্রকাশ করতে চাই না, কারণ ২১ ঘণ্টা ব্যক্তিগত আলোচনার পর আমি জনসমক্ষে আলোচনা চালাতে চাই না। তবে সহজভাবে বললে, আমরা এমন একটি স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনো সক্ষমতাও অর্জনের চেষ্টা করবে না, যা দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করবে।’

তিনি বলেন, ‘এটিই যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য এবং এই আলোচনার মাধ্যমে সেটিই অর্জনের চেষ্টা করা হয়েছে।’

ভ্যান্স আরও জানান, ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলো ধ্বংস করা হলেও আসল প্রশ্ন হলো—ইরান দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে সত্যিকারের অঙ্গীকার দেখাবে কি না।

তার ভাষায়, ‘আমরা এখনো সেই প্রতিশ্রুতি দেখতে পাইনি, তবে আমরা আশা করি ভবিষ্যতে তা দেখতে পাব।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘পুরোপুরি অবিশ্বাস’ নিয়ে আলোচনায় বসছে ইরান: আব্বাস আরাগচি

    অনলাইন ডেস্ক
    ১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০
    অনলাইন ডেস্ক
    যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘পুরোপুরি অবিশ্বাস’ নিয়ে আলোচনায় বসছে ইরান: আব্বাস আরাগচি

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘পুরোপুরি অবিশ্বাস’ নিয়ে ইরান আলোচনায় বসছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

    জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়েডফুলের সঙ্গে আলাপকালে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন বলে খবর দিয়েছে ইরানি বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ।

    আরাগচি বলেন, ইরান তার দেশের জনগণের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় পুরো শক্তি দিয়ে লড়বে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগে তিনি ওয়াশিংটনের অতীতের নানা কর্মকাণ্ডকে ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ’ ও ‘কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

    পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আজ শনিবার থেকে দুই দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আলোচনার শুরুতেই ইরানের এই কঠোর অবস্থান আলোচনার ফলাফল নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে।

    সূত্র: আল–জাজিরা

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      পাকিস্তান-যাত্রার বিমানে শহিদ শিশুদের ছবি, যে বার্তা দিলেন ইরানের স্পিকার

      অনলাইন ডেস্ক
      ১১ এপ্রিল, ২০২৬ ৯:৩৩
      অনলাইন ডেস্ক
      পাকিস্তান-যাত্রার বিমানে শহিদ শিশুদের ছবি, যে বার্তা দিলেন ইরানের স্পিকার

      ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। সেই বিমানের ভেতর থেকে তোলা একটি ছবি এখন চলে এসেছে আলোচনায়।

      বিমানের ফাঁকা আসনগুলোতে সাজিয়ে রাখা হয়েছিল মিনাব স্কুলে হামলায় নিহতদের ছবি ও তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র। গত ২৮ ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধের শুরুর দিনেই এই হামলা চালায় মার্কিন-ইসরায়েলি জোট। এতে অনেক শিশু প্রাণ হারায়।

      গালিবাফ এক্স প্ল্যাটফর্মে ছবিটি শেয়ার করে লেখেন, ‘এই ফ্লাইটে আমার সঙ্গীরা, মিনাব১৬৮।’ এটি ছিল মিনাবের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় নিহত শিশু ও কর্মীদের প্রতি স্পিকারের শ্রদ্ধা নিবেদন।

      ওই হামলায় কমপক্ষে ১৬৫ জন নিহত এবং ১০০-র বেশি মানুষ আহত হয়েছিল বলে জানা গেছে। এই ঘটনা এখন ইরানের কূটনৈতিক বার্তার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

      যুদ্ধবিরতির টানাপোড়েন, সামরিক উত্তেজনা এবং নাজুক কূটনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে এই আলোচনা শুরু হচ্ছে। গালিবাফের এই পদক্ষেপ আলোচনার আগেই একটি জোরালো বার্তা দিয়ে দিল।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ইসলামাবাদে যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক আজ

        অনলাইন ডেস্ক
        ১১ এপ্রিল, ২০২৬ ৯:১৯
        অনলাইন ডেস্ক
        ইসলামাবাদে যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক আজ

        পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হাই প্রোফাইল বৈঠক। শুক্রবার রাতে সেখানে পৌঁছেছেন তেহরানের প্রতিনিধি দল। ইসলামাবাদের পথে মার্কিন প্রতিনিধিরাও।

        স্মরণকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক উপলক্ষে ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

        আজকের আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। ইরানের তরফ থেকে অংশ নিচ্ছেন পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মধ্যস্থতা করবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির।

        ইরানের প্রতিনিধি বাঘের গালিবাফ বলেন, চুক্তির জন্য প্রস্তুত তারা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বিশ্বাস নেই তাদের।

        এদিকে, যুদ্ধবিরতি আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে যাওয়ার আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে তিনি কী বলেছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমি তাকে শুভকামনা জানিয়েছি।

        ইরানের সঙ্গে চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইরানে ইতোমধ্যেই শাসন পরিবর্তন ঘটেছে বলে মনে করেন।

        এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের আলোচক দলের প্রধান জেডি ভ্যান্স বলেন, ইরানিরা আলোচনায় আন্তরিক হলে হাত প্রসারিত করতে প্রস্তুত তারাও।

        /এসআইএন

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          যুদ্ধে বহু অবকাঠামো ধ্বংস

          ইরানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা

          অনলাইন ডেস্ক
          ১১ এপ্রিল, ২০২৬ ৮:৪৯
          অনলাইন ডেস্ক
          ইরানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা

          মাত্র ৪০ দিনের যুদ্ধেই দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে ইরানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তারা দেশটির বেসামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ অনেক অবকাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে। শিল্প কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিমানবন্দর এবং ব্রিজে হামলার কারণে অনেক ইরানি চাকরি হারিয়েছেন।

          সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের বরাতে জানিয়েছে, এই ৪০ দিনে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, এতে ইরানের ১৪০ থেকে ১৪৫ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে। যা বাংলাদেশি অর্থে ১৮ লক্ষ কোটি টাকার সমান।

          ইরানের রেডক্রস সোসাইটির প্রধান পিরহোসেন কোলিভান্ড জানিয়েছেন, যুদ্ধে ইরানের ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩০টি বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। যারমধ্যে আছে ১ লাখ আবাসিক বাড়ি। যেগুলোর কিছু আংশিক এবং কিছু পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে।

          এছাড়া ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে ২৩ হাজার ৫০০ বাণিজ্যিক কেন্দ্রে। এর পাশাপাশি হামলা হয়েছে ৩৩৯টি হাসপাতাল, ফার্মেসি, ল্যাবরেটরি, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং জরুরি ইউনিটেও। হামলায় এগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে।

          অপরদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়, ৮৫৭টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সঙ্গে রেডক্রসের ২০টি অবকাঠামোও ধ্বংস হয়ে গেছে।

          এগুলোর পাশাপাশি ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতেও হামলা হয়েছে। যারমধ্যে আছে পাঁচটি জ্বালানি সংরক্ষণাগার, বিমানবন্দর এবং বেসামরিক বিমান।

          বেসামরিকের পাশাপাশি ইরানের সামরিক অবকাঠামোও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত