শিরোনাম
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলায় ইসরায়েলের সঙ্গে যোগ দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র— এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার (১৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, এক সিনিয়র মার্কিন কূটনীতিক সম্প্রতি টিআরটি ওয়ার্ল্ডকে জানিয়েছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার বিষয়টি “বিবেচনায় রয়েছে”, যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।
ওই কর্মকর্তা বলেন, “এটা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে সিদ্ধান্তটা আমাদের নয়, হোয়াইট হাউস নেবে।”
এর আগে মঙ্গলবার ট্রাম্প একাধিক পোস্টে জানান, “আমরা এখন ইরানের আকাশে পুরো নিয়ন্ত্রণে আছি”। তিনি দাবি করেন, তারা জানেন ইরানের ‘সুপ্রিম লিডার’ কোথায় লুকিয়ে আছেন। এবং এক পোস্টে লেখেন, “নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণ না করার কড়া সতর্কতা জারি করেছে।
অন্যদিকে সাংবিধানিক ক্ষমতার বিষয়টি সামনে এনে কংগ্রেসের ডজনখানেক রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট সদস্য প্রেসিডেন্টের একতরফা যুদ্ধঘোষণার ক্ষমতা রুখতে নতুন একটি ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজল্যুশন’ উত্থাপন করেছেন।
সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেন, “যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা কংগ্রেসের, প্রেসিডেন্টের নয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে বেআইনি সামরিক অভিযান চালাতে পারেন না।”
এছাড়া এলিজাবেথ ওয়ারেন, ক্রিস মারফি, র্যান্ড পল প্রমুখ সিনেটররাও যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নিয়েছেন।
অবশ্য ট্রাম্পের নিজের ঘর অর্থাৎ ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ ঘরানার প্রভাবশালী নেতারাও যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নিয়েছেন। টাকার কার্লসন, স্টিভ ব্যানন, চার্লি কির্ক, মার্জোরি টেইলর গ্রিন— তাদের মতে, “বিদেশি যুদ্ধে জড়ালে আমেরিকার ক্ষতি, নিরীহ মানুষের মৃত্যু, এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয় আসবে।”
আরও পড়ুন
ইকোনমিস্ট/ইউগভ জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ১৬ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ চায়। বিপক্ষে রয়েছে ৬০ শতাংশ। এমনকি রিপাবলিকানদের মধ্যেও শুধু ২৩ শতাংশ সমর্থন করে এই ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপ। বরং ৫৬ শতাংশ আমেরিকান চায় ইরানের সঙ্গে পরমাণু ইস্যুতে আলোচনায় যাক যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, ট্রাম্প ইরানের ‘ফোরদো’ পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালাতে সামরিক সম্পদ ব্যবহারে আগ্রহী, যদিও তিনি এখনও ‘চূড়ান্ত যুদ্ধ’ চান না।
এছাড়া এখনও পর্যন্ত ইরান সরাসরি কোনো মার্কিন স্থাপনায় হামলা চালায়নি। তবে পেন্টাগন জানিয়েছে, “আমেরিকান সেনা নিহত হলে তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়া হবে।”
ইসরাইলের সঙ্গে কোনো আপস করবে না ইরান: খামেনি
ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ইরান কখনও আপস করবে না বলে ঘোষণা করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ইসরায়েলের জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীকে কোনো দয়া দেখানো হবে না বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় খামেনি বলেন, “আমরা অবশ্যই সন্ত্রাসী জায়নবাদীদের শক্ত জবাব দেবো। ইরান কখনোই আপস করবে না। জায়নবাদীদের প্রতি কোনো দয়া দেখানো হবে না।”
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করতে বলার পর এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি। তবে তার এমন হুঁশিয়ারির মধ্যেই ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
এ দফায় ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ সেন্ট্রিফিউজ উৎপাদন কেন্দ্র ও তেহরানের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে বলে ইরানি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
এছাড়া তেহরানের ইমাম হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ও ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীও (আইডিএফ) বলেছে, তারা ইরান থেকে নতুন করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।
হামলা প্রতিহত করতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি সেনা কর্মকর্তারা।
এদিকে, মঙ্গলবার রাতে ইরানও নতুন করে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। হামলার আগে ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আভিভের বাসিন্দাদের সরে যেতে বলেছিলেন ইরানি কর্মকর্তারা।
এ নিয়ে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত ৫ম দিনে গড়ালো।
সূত্র : বিবিসি বাংলা
‘ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে মার্কিন সম্পৃক্ততার পরিণতি হবে ভয়াবহ’
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে যাওয়ার পরিণতি মারাত্মক হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন এক অস্ট্রেলীয় বিশেষজ্ঞ।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান সংঘাতে অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিয়ে হুঁশিয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন তিনি।
মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক ড. ডারা কনডুইট বলেছেন, ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের জড়িয়ে পড়ার প্রস্তাবটা ভয়াবহ একটা বিষয়। ইরান যেভাবে যুদ্ধ পরিচালনা করছে, মার্কিন প্রশাসন জড়িয়ে পড়লে তার আমূল পরিবর্তন ঘটতে পারে।
ইরান-ইসরায়েল সংঘাত নিয়ে অধৈর্য হয়ে পড়ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, তথাকথিত সর্বোচ্চ নেতা কোথায় লুকিয়ে আছে, সেটা আমরা ভালোভাবেই জানি। আমরা তাকে এখনই সরিয়ে দেব না (হত্যা করা), তবে আমাদের ধৈর্য কমে আসছে।
এই স্ট্যাটাস দেওয়ার তিন মিনিট পার না হতেই দু শব্দের আরেকটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। ইরানের প্রতি ইঙ্গিত করা ওই পোস্টে ইংরেজি বড় হরফে লেখা ছিল, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ!’
ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে মনে হচ্ছে, চলমান সংঘাতে আগ্রাসী ভূমিকা নিতে প্রস্তুত হয়ে আছে হোয়াইট হাউজ।
পুরো বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন কর্মকর্তা বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে সম্ভাব্য কয়েকটি বিকল্প রয়েছে। এরমধ্যে ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামোতে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে হামলা চালানোর কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ হয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা। একইদিন, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সঙ্গে দেড় ঘণ্টার বৈঠক করেছেন তিনি। চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ওপর বৈঠক আয়োজিত হলেও, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে বৈঠকের বিস্তারিত জানানো হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যক্ষভাবে সংঘাতে জড়ালে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি, অবকাঠামো বা মিত্রদের ওপর হামলা করে বসতে পারে তেহরান। সেক্ষেত্রে ইরানের সামনে যুদ্ধ থেকে পিছু হটার আর কোনও পথ থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ড. কনডুইট।
সম্মান হারানোর আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা নিতে বললেন শি জিংপিং
ইরানে হস্তক্ষেপ সহজভাবে নিচ্ছে না চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে সেটি বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে। এবার প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং-ও যুক্তরাষ্ট্রের হম্বিতম্বির বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন। সম্মান হারানোর আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা নিতে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) এক এক্স-বার্তায় শি অতীতের পরাক্রমশালী সাম্রাজ্যের ধ্বংস স্মরণ করেন। যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে তিনি লিখেন, ‘বিশ্ব যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াই এগিয়ে যেতে পারে।’
ইতিহাসের রেফারেন্স টেনে শি লিখেন, ১০০ বছর আগে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিশ্ব বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তার করেছিল। বিশ্বের ২০% এরও বেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ করেছিল। অনেকে বিশ্বাস করতেন এর সূর্য কখনো অস্ত যাবে না।
২০০ বছর আগে ফ্রান্স ইউরোপের মঞ্চে প্রভাব বিস্তার করেছিল। এর সেনাবাহিনী ভয়ের কারণ হয়ে উঠেছিল। এর সংস্কৃতি ঈর্ষার বিষয় ছিল। নেপোলিয়ন নিজেকে অমর ঘোষণা করেছিলেন।
সম্মান হারানোর আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা নিতে বললেন শি জিংপিং
৪০০ বছর আগে স্প্যানিশ রাজত্ব ম্যানিলা থেকে মেক্সিকো পর্যন্ত শাসন করেছিল। এর ধনরাশি বহনকারী জাহাজগুলো রুপো ও রেশমে ভরা ছিল। রাজারা ভেবেছিলেন তাদের গৌরব চিরস্থায়ী হবে।
প্রতিটি সাম্রাজ্য নিজেকে অপরিহার্য বলে ঘোষণা করেছিল। প্রতিটিই শেষ পর্যন্ত ম্লান হয়ে গেছে।
শি আরও লিখেন, ‘ক্ষমতা হ্রাস পায়। প্রভাব স্থানান্তরিত হয়। বৈধতা মুহূর্তেই মরে যায় যখন এটি অর্জনের পরিবর্তে ধারণা করে নেওয়া হয়। প্রতিটি পতনশীল সাম্রাজ্য অতীত থেকে শিখতে দেরি করেছে। আমেরিকা যদি বিশ্বে সম্মান হারায় তবে তারাও সেই দেরিতেই শিখবে। বিশ্ব এগিয়ে যায়; সবসময়।’
অন্য পোস্টে শি লিখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও পুলিশি কার্যক্রমে আট ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। হাজার হাজার আমেরিকান সৈন্য মারা গেছে বা গুরুতরভাবে আহত হয়েছে। অন্য পক্ষে লাখ লাখ মানুষ মারা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া (মার্কিনদের) সবচেয়ে খারাপ সিদ্ধান্ত ছিল।’
‘ইসরায়েলের আকাশসীমা আমাদের দখলে’ : ইরানের
ইসরায়েলের আকাশসীমার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে তেহরানের হাতে বলে দাবি করেছেন ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা কর্নেল ইমান তাজিক। সম্প্রতি ইসরায়েলও ইরানের আকাশসীমার প্রসঙ্গে একই দাবি করেছে।
মঙ্গলবার রাতে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে দু’দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরান। দ্বিতীয় দফা হামলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় কর্নেল তাজিক বলেছেন, “আজ রাতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এটা প্রমাণ করে যে আমরা দখলদার বাহিনীর আকাশসীমা সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করছি এবং সেখানকার বাসিন্দারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সামনে সম্পূর্ণ অরক্ষিত।”
এর আগে মঙ্গলবার রাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন।
গত ১৩ জুন শুক্রবার ভোরে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের ৮ শহরের অন্তত ১০০ স্থাপনায় হামলা করে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী (আইএএফ)। হামলা শুরুর পর কিছুক্ষণ পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এক ভিডিওবার্তায় বলেন, ইরানের হুমকির বিরুদ্ধে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ শুরু করেছে ইসরায়েল এবং যতদিন ইরানের হুমকি থাকবে, ততদিন এ অভিযান চলবে।
ইসরায়েলের হামলায় ইরানের বেশ কয়েক জন প্রথম সারির সামরিক কর্মকর্তা, পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অন্তত ৪৫০ জন নিহত হয়েছেন।
এদিকে, আইএএফের হামলার পর শুক্রবার থেকেই ইসরায়েলে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী। ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ’ নামের এই পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে এ পর্যন্ত নিহত ও আহত হয়েছেন ৫ শতাধিক মানুষ।
সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য