ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ৯ মাঘ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বাকৃবিতে বৃক্ষমেলা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ নভেম্বর, ২০২৩ ১৯:১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাকৃবিতে বৃক্ষমেলা অনুষ্ঠিত

বাকৃবি প্রতিনিধি: গাছের প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বৃক্ষমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৃক্ষমেলায় দেশি বিদেশি বিভিন্ন জাতের সৌন্দর্য বর্ধনকারী গাছের চারার স্টল রাখা হয়েছিল।

শনিবার (১৮ নভেম্বর) টিএসসি মিনি সম্মেলেন কক্ষে এই বৃক্ষমেলার আয়োজন করে বাকৃবি প্লান্ট লাভারস সংগঠন। মেলাটি সকাল ১১ টায় শুরু হয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গাছের প্রতি ভালোবাসা ও মমত্ববোধ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীরা যেন তাদের আবাসিক হলের রুমে, বারান্দায়, জানালার পাশে এইসব সৌন্দর্য বর্ধনকারী গাছের চারা টবে রেখে যত্ন করতে পারে এজন্য মেলায় দেশি বিদেশি বিভিন্ন জাতের ক্যাকটাস, সাকুলেন্ট, পথজ ইত্যাদি গাছের চারা বিক্রয় ও দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শন করা হয়। সল্প জায়গায় এসব গাছ লালনপালন করা যায় বলে, আবাসিক শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে এই সমস্ত গাছের চারা মেলায় রাখা হয়েছিল। মেলায় গাছের চারার ১২ টি স্টল ছিল যার সবগুলো বাকৃবি শিক্ষার্থী পরিচালিত। এসব তথ্য জানান বাকৃবি প্লান্ট লাভারের প্রতিষ্ঠাতা ও এই মেলার প্রধান আয়োজনকারী কৃষিবিদ সানজিদা সাকি বৈশাখি।

মেলা পরিদর্শন করতে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আফরিনা মুস্তারি, সহকারী প্রক্টর মো. শরীয়ত-উল্লাহ ও ড. মো. আরিফ সাকিল।

এসময় সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আফরিন মুস্তারি বলেন , এই মেলার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের ছাত্ররা যারা বিভিন্ন সৌন্দর্য বর্ধনকারী গাছ লাগায় সেই গাছগুলো সহজপ্রাপ্য করা। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসাশন থেকে চেষ্টা করব আগামী বছর থেকে এই মেলাটি বড় পরিসরে হেলিপ্যাড বা করিডোর এরকম উন্মুক্ত স্থানে আয়োজন করতে। যাতে অনেক দর্শণার্থী এই মেলায় আসতে পারে। প্রকৃতি কন্যা খ্যাত বাকৃবিতে এমনিতে অনেক ধরনের গাছ পাওয়া যায় তারপরও আমাদের শিক্ষার্থীরা এর ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি এরকম মেধাবৃত্তিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সব সময় পাশে থাকবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বাকৃবি এসোসিয়েট প্রফেসর’স অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৪ অক্টোবর, ২০২৩ ১৬:৫৮
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বাকৃবি এসোসিয়েট প্রফেসর’স অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

    বাকৃবি প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) সহযোগী অধ্যাপকদের সংগঠন এসোসিয়েট প্রফেসর'স অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিতে কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ সায়েম সভাপতি এবং এনাটমি এন্ড হিস্টোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হাসান সিদ্দিকী সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন।

    সংগঠনের আহবায়ক ড. রাখী চক্রবর্ত্তী এবং সদস্য সচিব ড. মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়।

    নবগঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোছা সোনিয়া পারভীন, কোষাধ্যক্ষ কৃষি অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রিফাত আরা জান্নাত তমা, যুগ্ম-সম্পাদক সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রায়হানা নাসরীন ফেরদৌসী, সাংগঠনিক সম্পাদক পশুপুষ্টি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মমতা রানী দেবী, তথ্য-প্রযুক্তি ও প্রচার সম্পাদক মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া মনোনীত হয়েছেন।

    এছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন- কৃষি রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মৌসুমি আক্তার, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. খালিদ মাহমুদ, ফিশারিজ বায়োলজি ও জেনেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মরিয়ম, কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হাসান, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মো শরীয়ত-উল্লাহ, কৃষিতত্ত¡ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো শফিকুল ইসলাম।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাকৃবিতে গবেষণার বিষয়বস্তু ধারণা প্রদানের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ২১:৩৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      বাকৃবিতে গবেষণার বিষয়বস্তু ধারণা প্রদানের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

      বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আন্তর্জাতিক ছাত্র সংগঠন স্মার্ট এগ্রো টেকনোলজি ইনোভেশন ইয়ুথ নেটওয়ার্ক (সায়ান) আয়োজিত গবেষণার বিষয়বস্তু ধারণা প্রদান প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ওই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। ‘ভবিষ্যৎ কৃষির অবকাঠামো গঠনে স্মার্ট উদ্ভাবন’ শীর্ষক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দলীয় ধারণা উপস্থাপন করেন বিজয়ী প্রতিযোগীরা।

      প্রতিযোগিতায় প্রাথমিকভাবে সেরা দশটি গবেষণার বিষয়বস্তু ধারণা বাছাই করা হয়। পরবর্তীতে সেরা তিনটি ধারণা উপস্থাপনকারী প্রতিটি দলকে পুরস্কার হিসেবে সনদ, ক্রেস্ট এবং চারশত ডলার দেওয়া হয়। দলগুলো হলো খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রো-প্রটেক্টর দল, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় অব টেকনোলজির সমন্নিত জেন-গ্যাপ দল এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইলেজ-স্যাভি দল।

      অনুষ্ঠানে সেরা তিনটি দল তাদের ধারণার বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি ধারণগেুলোকে গবেষণায় কাজে লাগিয়ে কৃষির ওপরে তার প্রভাব নিয়েও আলোচনা করা হয়। পরবর্তীতে উপস্থাপিত ধারণাগুলোর উপর একটি উম্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব আয়োজিত হয়।

      অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাপ্রোপ্রিয়েট স্কেল মেকানাইজেশন কনসোর্টিয়াম (এএসএমসি) প্রকল্প পরিচালক ও যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়েস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রশান্ত কে. কালিতা এবং সেনেগালের ইন্সটিটিউট সেনেগালাইস দ্য রিসারসেস এগ্রিকোলস এর পরিচালক ড. অ্যালিয়ুু ফায়ে।

      এসময় কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, বাংলাদেশে আমরা এখন কৃষি যান্ত্রিকীকরণের খুব একটা সম্ভাব্য সময়ে আছি। দেশকে শিল্পায়নের দিকে এগিয়ে নিতে দিনে দিনে শিল্পকারখানার সংখ্যা বাড়ছে। ফলস্বরূপ কৃষি শ্রমিকেরা শিল্পকারখানাগুলোর দিকে বেশি ঝুঁকছেন। এই শ্রমিক সংকট দূর করার জন্য হলেও কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণ জরুরি। কৃষি যান্ত্রিকীকরণ গবেষণার এসকল ছোটো আকারের উদ্ভাবনী চিন্তাগুলোর মাধ্যমেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। স্মার্ট কৃষির স্বপ্নকে লালন করতে হবে। স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

      এসময় ড. অ্যালিয়ুু ফায়ে বলেন, সেনেগালের জলবায়ু কৃষি কাজের জন্য খুব একটা উপযোগী নয়। বিশেষ করে সেনেগালে খুবই অল্প পরিমাণে বৃষ্টি হয় যার কারণে আমাদের কৃষিজ উৎপাদন অনেক কম। বর্তমানে আমাদের দেশেও কৃষি যান্ত্রিকীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তরুণসমাজকে কৃষির সাথে সম্পৃক্ত হতে অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে।

      অধ্যাপক প্রশান্ত কে. কালিতা বলেন, কৃষি এবং যান্ত্রিকীকরণ একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। যান্ত্রিকীকরণ ছাড়া বর্তমান কৃষি চিন্তা করা যায় না। বিশেষত বাংলাদেশের মতো ছোটো আয়তনের দেশে যান্ত্রিকতার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের সাথে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করাও এখন কৃষির একটি লক্ষ্য। ছাত্রদের কাছে থেকে বিভিন্ন গবেষণার যে ধারণাগুলো পাওয়া যায় সেগুলো নিয়ে আরো বিস্তারিত কাজ করা দরকার। বাংলাদেশের জমিগুলো দিনে দিনে খন্ডিত হচ্ছে। জমির আকার ছোটো হচ্ছে। ছোটো জমির জন্যে উপযুক্ত যন্ত্রপাতি তৈরি করতে হবে। সেগুলোর অর্থনৈতিক সুবিধা কৃষকদের বোঝাতে হবে।

      উল্লেখ্য, সায়ান থেকে গত ২৮ মার্চ কৃষি বিষয়ক গবেষণার বিষয়বস্তু ধারণা প্রদানের জন্য সার্কুলার দেওয়া হয়। জমাকৃত ধারণাগুলো থেকে ২৮ আগস্ট সেরা দশটি ধারণা বাছাই করে ফলাফল জানানো হয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বাকৃবিতে পুর্নাঙ্গ রেলস্টেশন স্থাপনের স্থবির হয়ে যাওয়া কাজ পুনরায় চালুর দাবি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৩১ আগস্ট, ২০২৩ ১৮:৩৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বাকৃবিতে পুর্নাঙ্গ রেলস্টেশন স্থাপনের স্থবির হয়ে যাওয়া কাজ পুনরায় চালুর দাবি

        বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পুর্নাঙ্গ রেলস্টেশন স্থাপনের স্থবির হয়ে যাওয়া কাজ পুনরায় চালুর দাবীতে বিক্ষোভ-সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বাকৃবি সংসদ।

        বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) বিকাল ৪ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বার মোড়ে ঐ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

        সমাবেশে সহকারী প্রক্টর ড. মো. শফিকুর রহমান শিশির ছাত্র ইউনিয়নের সদস্যদের আশ্বস্ত করেন সাতদিনের মধ্যে স্টেশন নির্মান কাজ শুরু হবে। তার আশ্বাসের প্রেক্ষিতে ইউনিয়নের রেললাইন অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

        এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাকৃবি সংসদের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, সহ সভাপতি সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. রাকিবুল ইসলামসহ সংগঠনটির অন্যান্য সদস্যরা। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক তারেক আবদুল্লাহ বিন আনোয়ার।

        সমাবেশে সংগঠনটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, দীর্ঘ সময় পর রেলস্টেশনের কাজ পুনরায় চালু হলেও টেন্ডার জনিত সমস্যার কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে । বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া আশ্বাস এর ব্যাত্যয় ঘটে তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নিয়ে আরও দুর্বার আন্দোলন আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি ছাত্র-শিক্ষক ও জনসাধারণের এই দাবী পূরণ না হলে রেল-লাইন অবরোধ করে আন্দোলন কঠিন থেকে কঠিনতর করার হুশিয়ারি প্রদান করেন

        এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, রেলস্টেশনের কাজ শুরু করার জন্য আমি ঠিকাদারের সাথে কাজ কথা বলেছি। তারা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ শুরু করবে। এজন্য আগামী এক সপ্তাহ ছাত্র ইউনিয়নের কর্মসূচি স্থগিত রাখার কথা বলেছি।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বাকৃবির কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক ড. জয়নাল

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৭ আগস্ট, ২০২৩ ২১:১১
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বাকৃবির কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক ড. জয়নাল

          বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের নতুন ডিনের দায়িত্ব পেয়েছেন ফার্ম স্ট্রাকচার এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো জয়নাল আবেদীন। তিনি সোমবার (২৮ আগস্ট) থেকে অনুষদের নতুন ডিনের দায়িত্ব পালন করবেন।

          এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. অলিউল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অধ্যাপক ড. মো জয়নাল আবেদীন শিক্ষক হিসেবে তাঁর নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিনের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি সদ্য বিদায়ী ডিন কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল আলম-এর স্থলাভিষিক্ত হবেন। তিনি আগামী ২ বছর অনুষদের ডিনের দায়িত্ব পালন করবেন।

          অধ্যাপক ড. মো. জয়নাল আবেদীন ৫ মার্চ ১৯৬৩ সালে চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফার্ম স্ট্রাকচার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন সিনিয়র অধ্যাপক । তিনি ১৯৮৮ সালে বাকৃবির ফার্ম স্ট্রাকচার এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে সহকারী অধ্যাপক, ১৯৯৭ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০০২ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান।

          তিনি সর্বশেষ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন । অধ্যাপক ড. জয়নাল আবেদীনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে ৬৫ টিরও বেশি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) এবং কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশর (কেআইবি) আজীবন সদস্য। তিনি বাকৃবি আওয়ামী পন্থী শিক্ষকদের সংগঠন গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম ও বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত