ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

১১ শর্তে মাদক মামলার আসামীকে প্রবেশন রায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩১ অক্টোবর, ২০২২ ১৭:৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ শর্তে মাদক মামলার আসামীকে প্রবেশন রায়

পঞ্চগড় জেলায় বেলাল হোসেন (৪০) নামে এক আসামীকে ১১ শর্তে ১ বছরের প্রবেশন রায় দিয়েছে আদালত।

রায়ে বলা হয়েছে ওই ১১টি শর্তের কোন একটি শর্ত লঙ্ঘন হলে বা নিজেকে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে এই মামলায় তাকে আবারো দোষী সাব্যস্ত করে ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হবেন।

রোববার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মতিউর রহমান এ রায় দেন।

আসামী বেলাল হোসেনের বাড়ি বোদা উপজেলার পাচঁপীর ইউনিয়নের গুয়াগ্রাম প্রধানপাড়া এলাকায়। তিনি ওই এলাকার মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে।

প্রবেশন রায় পেয়ে ১১টি শর্ত মেনে স্বাভাবিক জীবনে চলার আশ্বাস বেলাল হোসেনের। তিনি বলেন, আদালতের রায়ে আমি খুব সন্তুষ্ট। আমি নিজেকে সংশোধন করার চেষ্টা করবো। নিজের পরিবারের দেখাশোনা করবো। তাদের প্রতি যত্নশীল হবো। কেউ যেন আর মাদকের দিকে পা না বাড়ায়।

মামলার বিবাদী পক্ষের আইনজীবি কামরুজ্জামান রাশেদ প্রতিবেদক শিশির আসাদকে বলেন, আসলেই এ রায় সমাজের জন্য একটি ভাল বার্তা বয়ে নিয়ে আসবে। আদালত আমার মক্কেলকে শুধরানোর জন্য একটি সুযোগ দিয়েছেন। ১ বছর একজন প্রবেশন কর্মকর্তার অধীনে তিনি থাকবেন। নিজের ভুল শুধরে নিজেকে বিপথে পা বাড়ানো থেকে সাবধান থাকবেন। এভাবে সমাজে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকবে বলে আমি মনে করি।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১ এপ্রিল বেলাল হোসেন ২০ পিচ ইয়াবা সহ দেবীগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। পরে তার বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করে। পরে ওই বছরের ৩১শে মে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ।

মামলায় ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত মামলার নথিপত্র বিচারক বিশ্লেষণ করে বোদা উপজেলা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে আসামী বেলাল হোসেনকে ১ বছরের প্রবেশনকালে প্রতি মাসে দুইবার প্লাকার্ড হাতে নিয়ে স্থানীয় এলাকায় ও বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানো, পরিবারের সদস্যদের প্রতি যত্নশীল ও পারিবারিক বন্ধন বজায় রাখা, নিজ ছেলে মেয়েদের স্কুলে যাওয়া নিশ্চিত করা, প্রবেশনকালে বাড়ির আশপাশে অন্তত ২০টি গাছ লাগানো সহ ১১টি শর্তে জামিন প্রদান করেন। প্রতি তিন মাস পর পর উপজেলা প্রবেশন কর্মকর্তা এ বিষয়ে আদালতকে অবগত করবেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জুনিয়র পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২২ অক্টোবর, ২০২২ ৭:২১
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জুনিয়র পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জুনিয়র পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। লালবাগ বিভাগের গোয়েন্দা টিম তাদের গ্রেপ্তার করে। নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে শুক্রবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, ‘প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশের কর্মকর্তা-কর্মচারী পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ প্রাথমিকভাবে পাঁচ জনের পরিচয় জানা যায়নি। আগামীকাল শনিবার (২২ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

    এর আগে ১০ পদে জনবল নিয়োগের জন্য আজ বিকালে ৩টায় পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করেছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। তবে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠায় শুরুর এক ঘণ্টা আগে পরীক্ষা স্থগিত করেছে বিমান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উত্তরায় পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ করেন চাকরিপ্রার্থীরা।

    জানা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জুনিয়র অপারেটর জিএসই (ক্যাজুয়াল), জুনিয়র টেইলর কাম আপহোলস্টার, প্রি প্রেস অ্যাসিস্ট্যান্ট, জুনিয়র এয়ারকন মেকানিক, জুনিয়র ওয়েল্ডার জিএসই, জুনিয়র পেইন্টার জিএসই, জুনিয়র মেকানিক (টায়ার) জিএসই, জুনিয়র এমটি মেকানিক, জুনিয়র মেকানিক জিএসই (ক্যাজুয়াল) এবং জুনিয়র ইলেকট্রিশিয়ান জিএসই (ক্যাজুয়াল) পদের নিয়োগের জন্য ২১ অক্টোবর পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

    এদিন লিখিত পরীক্ষা বিকাল ৩টায় উত্তরার দুইটি স্কুলে হওয়া জন্য স্থান নির্ধারিত ছিল। নিয়োগ প্রার্থীরা বেলা ১টা দিক থেকেই কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। তবে দুপুর ২টার দিকে পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা করে বিমান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উত্তরা ৫ নম্বর সেক্ট্রের আইইএস উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৪ নম্বর সেক্টরের নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন নিয়োগ প্রার্থীরা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে চুরির চেষ্টা, থানায় জিডি

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১২ অক্টোবর, ২০২২ ১৯:৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে চুরির চেষ্টা, থানায় জিডি

      জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) চুরির চেষ্টার ঘটনায় থানায় জিডি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

      সোমবার কোতয়ালী থানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার দায়িত্বে থাকা ডেপুটি রেজিস্ট্রার সাইদুর রহমান রনি সাধারণ ডায়েরিটি করেন।

      জিডিতে বলা হয়েছে, ৮ অক্টোবর সকাল ৬টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীরা অজ্ঞানামা এক ব্যক্তি বস্তা ভর্তি কিছু জিনিসপত্র নেয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তাকর্মীরা বুঝতে পেরে তাকে ধাওয়া করলে বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। বস্তাটি পরবর্তীতে নিরাপত্তা শাখায় সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর আনুমানিক সময় বিকাল ৩টার দিকে সবার সামনে বস্তাটি খুলে দশটি পানির কল, একটি তালা, একটি গাড়ির জগ, একটি মটর, এক জোড়া স্যান্ডেল ও একটি লোহার রড জাতীয় জিনিসপত্র পাওয়া যায়।

      জিডিতে আরও বলা হয়েছে, বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামালসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবগত করলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক পর্যায়ে জিডি করা পূর্বক পরবর্তীতে প্রয়োজন সাপেক্ষে মামলা করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

      মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক মো. নাহিদুল ইসলাম বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরির চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

      এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তর, ছাত্রী কমনরুম ও শিক্ষক সমিতির ওয়াশরুমে চুরির চেষ্টা চালানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের যন্ত্রাংশের আলমারির দরজা ভাঙা। পাশের দুটি সিসি ক্যামেরা অন্যদিকে ঘুরানো ও একটি খুলে ঝুলে আছে। এ ছাড়া ছাত্রী কমনরুমের পানির স্টিলের কল খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কমনরুমের তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়।

      শিক্ষক সমিতির ওয়াশরুমের গ্রিল কাটা পড়ে রয়েছে, বেসিন থেকে শুরু করে সবকটি পানির কল পাইপসহ নেয়ার চেষ্টা করা হয়। চুরির পর টের পেয়ে ব্যাগ নিয়ে পালানোর সময় একজনকে ধরতে এগিয়ে গিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নিরাপত্তাকর্মী। তবে সেই চোর তাকে ছুরি পালিয়ে যায়। সেসময় বস্তা ভর্তি চুরি করা মালামাল নিতে পারেনি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

      ধারণা করা হচ্ছে, শিক্ষক সমিতির ওয়াশরুমের গ্রিল কেটেই চুর ভেতরে প্রবেশ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সীমানাপ্রাচীর বেহাল দশাতেই দফায় দফায় চুরির ঘটনা ঘটছে বলে ধারণা করছেন নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

      এর আগে গত ২০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলে কাচের দরজা ভেঙে চুরি করা হয়। এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি ও থানায় একটি মামলা হয়েছিল। তবে এ চুরির এখনো কোনো হদিস মেলেনি। দেয়া হয়নি তদন্ত প্রতিবেদনও। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সেই ঘটনায় পাওয়া যায়নি সিসিটিভি ফুটেজ। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে একই কায়দায় পাশাপাশি স্থানে আবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

      ক্যাম্পাসে বারবার চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরপ্রধানরা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিতদের অবহেলাকে দুষছেন। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাব্যবস্থাকে জোরদারের দাবি জানান তারা।

      চুরির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের প্রশাসক সিদ্ধার্থ ভৌমিক বলেন, চুরির ঘটনা শুনে সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করেছি। গাড়ির যন্ত্রাংশের আলমারি ভাঙা পেয়েছি। সিসি ক্যামেরা উল্টানো। আরেকটি সোজা আছে। সেটির ফুটেজ দেখলে বোঝা যাবে হয়তো। বিষয়টি উপাচার্যকে জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

      বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোস্তফা কামাল বলেন, ঘটনা নিরাপত্তাকর্মীদের কাছ থেকে শুনে ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করেছি। এ ব্যাপারে উপাচার্যের সঙ্গে আমাদের মিটিংও হয়েছে। তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেছেন।

      উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথাও বলেছি। এমন ঘটনা যেনো ভবিষ্যতে না হয় সে ব্যাপারে সচেতন হতে বলেছি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        যৌন হয়রানির অভিযোগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারসহ অন্যান্য শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২২:২৫
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        যৌন হয়রানির অভিযোগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের  ৭ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারসহ অন্যান্য শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।

        যৌন হয়রানির অভিযোগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ৭ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারসহ অন্যান্য শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।

        বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২৬তম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পরে বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

        বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃতরা হলেন— লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৬২৩৭০৩৩ রেজিস্ট্রেশনের শিক্ষার্থী সুমন দাস (১ বছর), মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৯৩৩৯০২৬ রেজিস্ট্রেশনের শিক্ষার্থী সৈয়দ মুস্তাকিম সাকিব (১ বছর), বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬৬৩১০০৯ রেজিস্ট্রেশনের শিক্ষার্থী মো. আরিফুল ইসলাম (২ বছর), ২০১৬৬৩১০৩৫ রেজিস্ট্রেশনের শিক্ষার্থী মো. জায়েদ ইকবাল তানিন (২ বছর), ২০১৬৬৩১০৪৬ রেজিস্ট্রেশনের শিক্ষার্থী মো. ইমাম হোসেন ইমরান (১ বছর), ২০১৬৬৩১০৩১ রেজিস্ট্রেশনের শিক্ষার্থী মো. রিফাত হোসেন (১ বছর) এবং ২০১৬৬৩১০৫৩ রেজিস্ট্রেশনের শিক্ষার্থী মো. বিশাল আলী (১ বছর)।

        বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলের সিট বাতিল করা হয়েছে এবং তাদের ক্যাম্পাসে প্রবেশও নিষিদ্ধ থাকবে। শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার ও শাস্তির এ সিদ্ধান্ত আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ থেকে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

        এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন জানান, হয়রানির তিনটি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে ওই শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বাবুল আক্তার ও সাংবাদিক ইলিয়াসের বিরুদ্ধে মামলা বনজ কুমারের

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২২:২৬
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বাবুল আক্তার ও সাংবাদিক ইলিয়াসের বিরুদ্ধে মামলা বনজ কুমারের

          মিথ্যা’ তথ্য প্রচারের অভিযোগে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে কারাবন্দী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারসহ চার জনকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মিতু হত্যা মামলা নিয়ে ‘মিথ্যা’ তথ্য প্রচারের অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি বনজ কুমার মজুমদারের পক্ষে কলাবাগান থানায় এ মামলা করেছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা।

          মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডি থানায় পিবিআই প্রধানের পক্ষে পিবিআইয়ের ঢাকা মেট্রো উত্তরের পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলমের মামলাটি দায়ের করেন।

          মামলায় বাবুল আক্তার ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন, হাবিবুর রহমান লাবু ও তার বাবা আব্দুল ওয়াদুদ মিয়াকে আসামি করা হয়।

          সম্প্রতি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত সেই ভিডিওতে বনজ কুমার মজুমদারের বিরুদ্ধে বাবুলকে রিমান্ডে নির্যাতনসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনেন তিনি।

          ইলিয়াস হোসাইনের পোস্ট করা ভিডিওতে বলা হয়েছে, এই মামলায় বাবুল আক্তারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসিয়েছেন বনজ কুমার। এছাড়া স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য তাকে রিমান্ডে নির্যাতনও করা হয়েছে। মিথ্যা সাক্ষী সাজানোর অভিযোগও রয়েছে।

          ইলিয়াসের ভিডিওটি প্রকাশের পরই বনজ কুমার মজুমদারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেন বাবুল আক্তার। এই মামলার পর কারাগারে বাবুল আক্তারের সেলে পুলিশ তল্লাশি করে বলেও অভিযোগ করা হয়। তবে দুটি আবেদনই খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত