ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

কোরবানিদাতাদের উদ্দেশে শায়খ আহমাদুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

অনলাইন ডেস্ক
৩ জুন, ২০২৫ ২০:২৪
অনলাইন ডেস্ক
কোরবানিদাতাদের উদ্দেশে শায়খ আহমাদুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

কোরবানির আগে কোরবানিদাতাদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন আলোচিত ইসলামিক আলোচক ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ বার্তা দেন তিনি।

শায়খ আহমাদুল্লাহ তার পোস্টে বলেন, ‘কোরবানি আপনার, কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কারের দায়িত্বও আপনার।’

তিনি বলেন, ‘যে ইসলাম কোরবানির বিধান দিয়েছে, সেই ইসলাম পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতারও শিক্ষা দিয়েছে।

আপনার পশুর মলমূত্র, রক্ত, নাড়িভুঁড়ি ইত্যাদি যদি কারো অস্বস্তি কিংবা অসুস্থতার কারণ হয়, সেটা আপনার কোরবানিকে অর্থহীন করে দিতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, ‘তাই আসুন, পবিত্র হৃদয়ে কোরবানি করি, পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখি।’

মন্তব্য

কোরবানির পশুর চামড়ার টাকা কী করবেন?

অনলাইন ডেস্ক
৩ জুন, ২০২৫ ১৪:২৭
অনলাইন ডেস্ক
কোরবানির পশুর চামড়ার টাকা কী করবেন?

সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর কোরবানি আদায় করা ওয়াজিব। ইসলামের দৃষ্টিতে প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী—যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের ভেতরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে; তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব।

অর্থ-কড়ি, টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, গহনা-অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির অতিরিক্ত জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

আর নেসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। আর টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো- এগুলোর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া (টাকার অংকে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা)।

আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও কোরবানি করা ওয়াজিব। 

কোরবানি করার পর কোরবানির পশুর চামড়া কোরবানিদাতা নিজেই ব্যবহার করতে পারবেন। তবে তিনি নিজে তা ব্যবহার না করে বিক্রি করে দিলে সেই অর্থ নিজে ব্যবহার করতে পারবেন না। বরং কোরবানির চমড়া বিক্রি করলে এর অর্থ জাকাতের উপযুক্ত গরিব-মিসকিনদের নিঃস্বার্থ মালিকানায় দিয়ে দেওয়া ওয়াজিব। এর অর্থ অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না। অন্য কোনো খাতে ব্যয় করলে গুনাহ হবে। 

কোরবানির পশুর চামড়ার টাকা উন্নয়নমূলক কাজ, রাস্তাঘাট মেরামত বা অন্য কোনো কাজে ব্যয় করা যাবে না।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বায়তুল মোকাররমে হবে ঈদুল আজহার ৫ জামাত

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩ জুন, ২০২৫ ১১:২৮
    অনলাইন ডেস্ক
    বায়তুল মোকাররমে হবে ঈদুল আজহার ৫ জামাত

    পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (৩ জুন) ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

    সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা শায়লা শারমিনের সই করা ওই বার্তায় বলা হয়েছে, আগামী আরবি ১০ জিলহজ (১৪৪৬ হিজরি) এবং ইংরেজি ৭ জুন (শনিবার) সারাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। প্রতি বছরের মতো এবারও জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জামাতগুলো পরিচালনায় দায়িত্বে থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও দেশের খ্যাতনামা আলেমরা।

    প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টায়। এতে ইমামতি করবেন যাত্রাবাড়ীর তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. খলিলুর রহমান মাদানী। মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন বায়তুল মোকাররম মসজিদের খাদেম মো. আব্দুল হাদী।

    দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতির দায়িত্বে থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা আবু সালেহ পাটোয়ারী। মুকাব্বির হবেন মো. নাসির উল্লাহ।

    তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অনুবাদ ও সংকলন বিভাগের সম্পাদক ড. মুশতাক আহমদ। মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন মো. বিল্লাল হোসেন।

    চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। ইমাম হিসেবে থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতী মো. আব্দুল্লাহ এবং মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন মো. আমির হোসেন।

    পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের ভাষা শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ নূর উদ্দীন। মুকাব্বির হবেন মো. জহিরুল ইসলাম।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, কোনো জামাতে নির্ধারিত ইমাম অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম। পাশাপাশি, বিকল্প মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন খাদেম মো. রুহুল আমীন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      আরাফার দিন রোজা রাখার ফজিলত জানলে অবাক হবেন আপনিও

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩১ মে, ২০২৫ ২০:৫২
      অনলাইন ডেস্ক

      জিলহজ্জ মাসের নয় তারিখকে ‘য়াউমে আরাফা’-আরাফা দিবস বলে। এক আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিবস আরাফা দিবস। আল্লাহ তাআলা, আরাফা দিবসে, তাঁর বান্দাদেরকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বলেছেন, ‘এমন কোনো দিবস নেই যেখানে আল্লাহ তাআলা আরাফা দিবস থেকে বেশি বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। এবং আল্লাহ নিশ্চয়ই নিকটবর্তী হন, ও তাদেরকে নিয়ে ফেরেশতাদের সাথে গর্ব করেন, বলেন—ওরা কী চায়?[1] অন্য এক হাদিসে এসেছে, ‘আল্লাহ তাআলা আরাফায় অবস্থানরতদেরকে নিয়ে আকাশবাসীদের সাথে গর্ব করেন। তিনি বলেন, আমার বান্দাদের দিকে তাকিয়ে দেখো, তারা আমার কাছে এসেছে এলোথেলো ও ধুলায় আবৃত অবস্থায়।[2]

      রাসূলুল্লাহ (ﷺ)আরাফার ময়দানে সূর্যাস্তের পূর্বে বেলালকে (রাঃ) নির্দেশ দিলেন মানুষদেরকে চুপ করাতে। বেলাল বললেন: আপনারা রাসূলুল্লাহ (রাঃ) এর জন্য নীরবতা অবলম্বন করুন। জনতা নীরব হল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বললেন, ‘হে লোকসকল! একটু পূর্বে জিবরাইল আমার কাছে এসেছেন। তিনি আমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আহলে আরাফা ও আহলে মুযদালেফার জন্য আমার কাছে সালাম পৌঁছিয়েছেন, ও তাদের অন্যায়ের জিম্মাদারি নিয়েছেন। ওমর দাঁড়িয়ে বললেন, য়্যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! এটা কি শুধুই আমাদের জন্য? তিনি বললেন, এটা তোমাদের জন্য ও তোমাদের পর কেয়ামত পর্যন্ত যারা আসবে তাদের জন্য। ওমর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর অনুকম্পা অঢেল ও উত্তম।[3]

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মক্কা শরিফের যেসব স্থানে দোয়া কবুল হয়

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩১ মে, ২০২৫ ১৯:৪২
        অনলাইন ডেস্ক
        মক্কা শরিফের যেসব স্থানে দোয়া কবুল হয়

        মক্কা ও মদীনা সৌদি আরবের দুটি প্রসিদ্ধ শহর। মসজিদুল হারাম, মসজিদুন নববি এ দুই শহরের প্রধান আকর্ষণ। এছাড়া নবী ও রাসূলদের পদধূলিতে সুপ্রাচীন কাল থেকেই এ নগরী ধারণ করে আছে এক সমৃদ্ধশালী ইতিহাস। 

        হজের সফর দোয়া কবুলের অপূর্ব সুযোগ। হজ বা ওমরাহর জন্য ইহরামের নিয়ত করা থেকে দোয়া কবুল হওয়া শুরু হয়। 

        হজের সফরে এমন কিছু সময় ও স্থান রয়েছে, যে সময় ও স্থানে দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল, যে স্থানগুলোতে নবী-রাসুলদের দোয়া কবুল হয়েছিল বলে বর্ণিত আছে। 

        সেসব জায়গায় দোয়া করা বাঞ্ছনীয়। মক্কা শরিফের সব স্থানে দোয়া কবুল হয়। দোয়া কবুলের প্রসিদ্ধ কিছু স্থান উল্লেখ করা হলো।

        ১. কাবা শরিফের উপর যখন দৃষ্টি পড়ে।

        ২. মাতাফ- তাওয়াফের জায়গা।

        ৩. মুলতাযাম- কাবা ঘরের দরজা ও হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থান।

        ৪. মীযাবে রহমতের নীচে ও হাতীমের মধ্যে।

        ৫. মাকামে ইবরাহীমের পেছনে।

        ৬. সাফা ও মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের উপরে।

        ৭. মাসআ- এ পাহড়দ্বয়ের মাঝামাঝি দৌঁড়ানোর জায়গায়।

        ৮. রুকনে ইয়ামানী ও হজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে।

        ৯. মিনার মসজিদসমূহে ও ময়দানে।

        ১০. আরাফাতের ময়দানে।

        ১১. মুযদালিফার ময়দানে।

        ১২. জামারাত- কংকর মারার স্থানে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত