শিরোনাম
৪৪ বিলিয়ন ডলার দিয়েই টুইটার কিনছেন ইলন মাস্ক
টুইটার কেনার প্রক্রিয়ায় আবার ফিরলেন যুক্তরাষ্ট্রের গাড়িনির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী ও বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। তিনি এর আগে টুইটারকে যে দাম কিনতে চেয়েছিলেন (শেয়ার প্রতি ৫৪.২০ মার্কিন ডলার) সে দামেই আবার কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন। গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়টি সম্পর্কে জ্ঞাত দুটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। এদিকে, ইলন মাস্কের টুইটার কেনার খবরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার মূল্য আবার চাঙা হয়ে উঠেছে।
গতকাল টুইটারের শেয়ারমূল্য ১২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৪৭ দশমিক ৯৩ মার্কিন ডলারে উঠে যায়। এদিকে, ইলন মাস্কের কোম্পানি টেসলার শেয়ারদরও ১.৫ শতাংশ বেড়ে যায়।
ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, টুইটার কেনার প্রস্তাব দিয়ে একটি চিঠি কর্তৃপক্ষকে পাঠিয়েছেন ইলন মাস্ক। কিন্তু বিষয়টি গোপনীয় হওয়ায় এ বিষয়ে কেউ মুখ খোলেননি।
অবশ্য টুইটার কেনা নিয়ে ইলন মাস্ক ও টুইটার কর্তৃপক্ষের মধ্যে জল ঘোলা কম হয়নি। ইলন মাস্ক টুইটার কেনার জন্য ৪৪ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন গত এপ্রিল মাসে। কিন্তু টুইটারের প্রকৃত অ্যাকাউন্ট কত আর কতোইবা ফেক বা বট তা নিয়ে মতবিরোধ চলছিল। এ নিয়ে সঠিক তথ্য না পেয়ে টুইটার কেনার প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছিলেন মাস্ক। এ নিয়ে টুইটার কর্তৃপক্ষ আদালতে যায়। তারা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে মামলা করে।
নতুন করে টুইটার কেনার প্রক্রিয়ায় ফেরা নিয়ে মাস্কের আইনজীবীরা কোনো মন্তব্য করেননি। টুইটার কেনার প্রস্তাব ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আগামী ১৭ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ার আদালতে টুইটার কর্তৃপক্ষ ও ইলন মাস্কের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল। ওই মামলায় টুইটার কর্তৃপক্ষ চাইছিল, মাস্ক যাতে আগের প্রস্তাবিত দাম অর্থাৎ, ৫৪ দশমিক ২০ মার্কিন ডলার দিয়েই টুইটার কেনেন।
এদিকে, টুইটার কেনার প্রক্রিয়ায় ইলন মাস্কের ফেরা প্রসঙ্গে ওয়ডবুশ নামের প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষক ড্যান আইভস বলেন, ‘আদালতে টুইটার নিয়ে মাস্কের জেতার সম্ভাবনা ছিল খুব কম। তাই তাঁকে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কেনার চুক্তিটি যেকোনো উপায়ে সম্পন্ন করতে হতো।’
হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে স্মার্টফোন হ্যাক, বাঁচতে করণীয়
হ্যাকাররা তাদের জাল পেতে রেখেছে সব জায়গায়। প্রযুক্তি যতই উন্নত হচ্ছে সঙ্গে সঙ্গে তারাও নতুন পথ খুঁজে বের করছে হ্যাকিংয়ের। স্মার্টফোন হ্যাক করে হাতিয়ে নিচ্ছে ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিওসহ, অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ডসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এরপর এগুলো দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করছে ব্যবহারকারীকে কিংবা মোটা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে দিচ্ছে বিভিন্ন সংস্থার কাছে।
যা-ই করুক না কেন আর্থিক এবং সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরাই। এবার হ্যাকিংয়ের জন্য বেছে নিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপকে। এর মাধ্যমে হ্যাক করছে স্মার্টফোনকেই। সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপে একটি বাগ খুঁজে পেয়েছে বিশেষজ্ঞরা। যেটি আছে পুরোনো ভার্সনে।
এই বাগের সাহায্যে অনলাইন আক্রমণকারী কোডের ত্রুটিকে কাজে লাগিয়ে ক্ষতি করতে পারে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইন্টেজার ওভারফ্লো। হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, অ্যান্ড্রয়েডের হোয়াটসঅ্যাপ ভার্সন ভি২.২২.১৬.১২-এর আগের ভার্সনগুলোতে ইন্টেজার ওভারফ্লো দেখা গিয়েছে। রিমোট কোড এক্সিকিউশনের মাধ্যমে একজন হ্যাকার দূর থেকে অন্য কারো ডিভাইসে কমান্ড চালাতে পারে।
তবে দ্রুত হোয়াটসঅ্যাপ আপডেটের পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সাইটটিতে অপরিচিত কাউকে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে। এছাড়াও ব্যবহারকারীদের সতর্কও করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। অপরিচিত লিঙ্ক ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন। নিয়মিত অ্যাপ ও স্মার্টফোন আপডেট দিন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
ওয়াকিটকি ব্যবহার নিয়ে কড়া নির্দেশনা
অনুমোদনহীন ওয়াকি-টকি সেট (পিএমআর ও এসবিআর) কেনা-বেচা ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা-বিটিআরসি।
বিটিআরসি বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কড়া নির্দেশনা দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (সংশোধিত-২০১০) এর ধারা ৫৫ (১) অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স ছাড়া বাংলাদেশ ভূখণ্ড বা আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা বা আকাশসীমায় বেতার যোগাযোগের উদ্দেশ্যে কোনো বেতার যন্ত্রপাতি স্থাপন, পরিচালনা বা ব্যবহার করবেন না বা কোনো বেতার যন্ত্রপাতিতে কমিশন বরাদ্দ করা ফ্রিকোয়েন্সি ছাড়া অন্য কোনো ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করবেন না।’
এতে বলা হয়, ‘আইনের উপরোক্ত বিধানের আলোকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে আবেদনের ভিত্তিতে এবং প্রয়োজনের যৌক্তিকতা বিবেচনায় নিয়ে ওয়াকি-টকি সেট আমদানি ও ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদন ব্যতীত বিভিন্ন তরঙ্গে ব্যবহার্য ওয়াকি-টকি সেট (পিএমআর ও এসবিআর) ক্রয়, বিক্রয় এবং ব্যবহার সরাসরি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (সংশোধিত-২০১০)-এর লঙ্ঘণ। অনেক ক্ষেত্রে তা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্যও হুমকিও হতে পারে। জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ইতোমধ্যে একাধিকবার দেশের বহুল প্রচারিত বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র, বিটিআরসির ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে, টিভি স্ক্রলে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়েছে এবং দেশের সব মোবাইল ফোন গ্রাহককে এ সম্পর্কিত এসএমএস পাঠানো হয়েছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘এ ধরনের কার্যক্রম থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত থাকার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা যাচ্ছে। অন্যথায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (সংশোধিত-২০১০) অনুযায়ী দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে করণীয়
আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অতি প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বস্তু হাতে থাকা মোবাইল ফোন। যা আমাদের জীবনকে সহজ, সুন্দর ও ঝামেলামুক্ত করেছে।
হাতে থাকা ফোনটি হারিয়ে বা চুরি হতে পারে যে কোনো সময়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে অনেক সময় ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। যেমন- চুরি বা ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোনটি কখনো কখনো অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে মোবাইল ও সিমের রেজিস্ট্রি অনুযায়ী এর প্রকৃত মালিক গ্রেপ্তার বা হয়রানির স্বীকার হতে পারেন।
বিটিআরসির ওয়েব সাইটের ২০২২ সালের মার্চ মাসের হিসেবে দেশে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৮ কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজারের বেশি এবং মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১১ কোটি ৩৯ লাখ আর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১ কোটি ১ লাখ। যদিও সম্প্রতি করা জনশুমারি ও গৃহগণনায় জানা গেছে, দেশের লোক সংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন।
ফোন হারিয়ে গেলে যা করতে হবে-
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে বা ছিনতাই হলে প্রথমেই আপনার অপারেটর সার্ভিসে ফোন করে সিম লক করে দিতে হবে।
এরপর ফোন যেখানে হারিয়েছে তার নিকটস্থ থানায় উপস্থিত হয়ে সাধারণ ডায়েরি করতে পারবেন। এ সময় ফোনের আইএমইআই নম্বর, ফোনে ব্যবহৃত সিমের নম্বর প্রভৃতি উল্লেখ করে করতে হবে।
সাধারণ ডায়েরি করার সময় ফোন ক্রয়ের রসিদ, সিম রেজিস্ট্রেশন ডকুমেন্ট ইত্যাদির কপি দিতে হবে। মূল কপি নিজের কাছে যত্নসহকারে রেখে দেবেন।
এরপর ডিউটিরত অফিসার আবেদনকারীকে একটি জিডি নম্বর দেবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোবাইলটির আইএমইআই নম্বর দিয়ে ট্র্যাক করে সেটটি উদ্ধার করার চেষ্টা করবে।
পরবর্তী সময়ে যদি হারানো মোবাইল ফোনটি খুঁজে পাওয়া যায় তাহলে ওসির মাধ্যমে আবেদনকারী তা ফেরত পাবেন। খুঁজে না পেলেও ব্যবহারকারীকে থানা থেকে জানিয়ে দেয়া হবে। পুলিশের এই সেবা বিনামূল্যে দেয়া হয়ে থাকে।
আপনার মোবাইল ফোনটি যদি অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের হয়, তাহলে সেটি কোথায় আছে তা গুগলের মাধ্যমে শনাক্ত করতে পারবেন।
যে কোনো কম্পিউটার থেকে এই ঠিকানাটা (https://www.google.com/android/find) লিখুন। আপনার অ্যানড্রয়েড মোবাইলে যে জিমেইল ব্যবহার করছেন সেই আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। মনিটরে ফাইন্ড মাই ডিভাইস নামের একটি অপশন দেখাবে। সেটি একসেপ্ট করুন।
অথবা আপনার আইডি দিয়ে গুগলে ঢুকে Find my phone লিখে সার্চ দিন। গুগল মনিটরে আপনার ফোনের লোকেশন দেখাবে। নিচে রিং অপশনে ক্লিক করলে আপনার ফোনে রিংটোন বেজে উঠবে। সাইলেন্ট মুডে থাকলেও সমস্যা নেই। রিং বাজবে। আপনার ফোনটি যদি হারিয়ে না গিয়ে আশপাশে কোথাও পড়ে থাকে, তাহলে রিংটোন শুনে ফোন পেয়ে যাবেন।
সাইবারফ্ল্যাশিং বা অনাকাঙ্ক্ষিত আপত্তিকর ছবি প্রতিরোধের জন্য সেফটি ফিচার চালু করার ঘোষণা করেছে ইনস্টাগ্রাম
সাইবারফ্ল্যাশিং বা অনাকাঙ্ক্ষিত আপত্তিকর ছবি প্রতিরোধের জন্য সেফটি ফিচার চালু করার ঘোষণা করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ইনস্টাগ্রামের মূল সংস্থা মেটা ‘দ্য ভার্জে’র বরাতে এ তথ্য জানায় হিন্দুস্থান টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যবহারকারীদের মেসেজে কোনো আপত্তিকর ছবি আসে, তাহলে ইনস্টাগ্রামের নতুন ফিচার ‘নিউডিটি প্রোটেকশন’ তৎক্ষণাৎ ছবিগুলোকে আটকে দেবে। সম্ভাব্য নগ্ন ছবিগুলি ব্লার করা অবস্থায় শো করবে। মেসেজ প্রাপক স্বেচ্ছায় তাতে ক্লিক করে ভিউ করলে, তবেই সেটি ভিজিবেল হবে।
এ নিয়ে দ্যা ভার্জ’র একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, মেটা ইনস্টাগ্রামে নগ্ন ছবির অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করার জন্য মেশিন লার্নিং ব্যবহার করছে।
ইনস্টাগ্রামের ডেভেলপার আলেসান্দ্রো পালুজজি এক টুইট বার্তায় বলেন, ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার স্বার্থে ইনস্টাগ্রাম শিগগিরই ফিচারটি রোলআউট করতে যাচ্ছে। তবে কবে নাগাদ ফিচারটি অবমুক্ত করা হবে, সে বিষয় স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি মেটা।
কিন্তু এতে প্রাইভেসি ক্ষুণ্ণ হবে না? সেই সম্ভাবনা নেই, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এই প্রযুক্তিটি এমনই, যাতে ডিএম-এর ইনবক্সে পাঠানো সম্ভাব্য নগ্ন ছবি রুখে দেওয়া হবে। ব্যবহারকারীরা চাইলে এই ফিচার এনাবল বা ডিসেবল করতে পারবেন।
গত কয়েক বছর ধরেই সোশ্যাল মিডিয়াতে সাইবারফ্ল্যাশিংয়ের ঘটনা ব্যাপক হারে বেড়েছে। গ্লিচ-এর একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, ২০২০ সালের জুন-জুলাই মাসে ১৭ শতাংশ মহিলাকে অযাচিত পর্নোগ্রাফি পাঠানো হয়েছিল।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য