শিরোনাম
জিপিএ-৫ ও পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা
২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবারও জিপিএ-৫ ও পাসের হারে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। এ বছর ছাত্রীদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৭ শতাংশ। আর ছাত্রদের পাসের হার প্রায় ৫৪ দশমিক ৬০ শতাংশ। সেই হিসাবে পাসের হারে ছাত্রীরা ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ এগিয়ে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সব শিক্ষা বোর্ড থেকে একযোগে এ ফল প্রকাশ করা হয়।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডর চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, এ বছর মোট ১২ লাখ ২৫ হাজার ৬৬১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৭ লাখ ২৬ হাজার ৯৬০ জন। আর ফেল করেছেন ৫ লাখ ৮ হাজার ৭০১ জন।
উত্তীর্ণ মোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী তিন লাখ ৯৩ হাজার ৯৬ জন। আর ছাত্র তিন লাখ ৩৩ হাজার ৮৬৪ জন।ছাত্রীদের গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৫৪ দশমিক ৬০ শতাংশ।
মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ৩৭ হাজার ৪৪ জন এবং ছাত্র ৩২ হাজার ৫৩ জন। ছেলেদের চেয়ে ৪ হাজার ৯৯১ জন মেয়ে জিপিএ-৫ বেশি পেয়েছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে ছাত্র ছিল ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন এবং ছাত্রী ছিল ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন।
সর্বোচ্চ পাসের হার মাদ্রাসা বোর্ডে
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। ৯টি সাধারণ ও মাদ্রাসা এবং কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এর মধ্যে এবার মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার সর্বোচ্চ। যদিও বোর্ডটিতে এবার পাসের হার কমেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ওয়েবসাইটে একযোগে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে রাজধানীর বকশীবাজারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ব্রিফিং করেন বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল হক।
তিনি জানান, ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ৬২ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৪৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৫০ দশমিক ২০ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১ দশমিক ৫৪, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৫ দশমিক ৬১ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৬২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, এবার আলিমে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। যেখানে গত বছর ছিল ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ। ফলে এবার শিক্ষার্থীর পাসের হার কমেছে।
এ ছাড়া এ বছর আলিমে মোট জিপিএ পেয়েছেন ৪ হাজার ২৬৮। যেখানে গত বছর ছিল ৯ হাজার ৬১৩ জন।
এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেন। তাদের মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন ছাত্রী। সারাদেশে মোট ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।
এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫৮.৮৩%
২০২৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় একযোগে অনলাইন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফল প্রকাশ করা হয়। এবারের গড় পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ, যা গতবারের তুলনায় ১৯ শতাংশ কম। ২০২৪ সালে গড় পাসের হার ছিল ৭৭.৭৮ শতাংশ।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছয় লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ছাত্র এবং ছয় লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন ছাত্রী।
বিভিন্ন বোর্ডের পাসের হার নিম্নরূপ—
ঢাকা বোর্ড: ৬৪.৬২%, রাজশাহী: ৫৯.৪০%, চট্টগ্রাম: ৫২.৫৭%, কুমিল্লা: ৪৮.৮৬%, যশোর: ৫০.২০%, বরিশাল: ৬২.৫৭%, সিলেট: ৫১.৮৬%, দিনাজপুর: ৫৭.৪৯% এবং ময়মনসিংহ: ৫১.৫৪%।
এ বছর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে ২,৭৯৭টি কেন্দ্রে। ঢাকা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিল দুই লাখ ৯১ হাজার ২৪১ জন, রাজশাহীতে এক লাখ ৩৩ হাজার ২৪২ জন এবং কুমিল্লায় এক লাখ এক হাজার ৭৫০ জন। মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষার্থী ছিলেন ৮৬ হাজার ১০২ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম/বিএমটি) পরীক্ষার্থী ছিলেন এক লাখ ৯ হাজার ৬১১ জন।
ফল জানার জন্য শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর ও ইআইআইএন কোড দিয়ে ফলাফল দেখতে পারবেন। এছাড়া এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে— মোবাইলের মেসেজ অপশনে লিখতে হবে:
HSC [বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর] [রোল নম্বর] 2025
তারপর পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। ফিরতি বার্তায় ফল জানানো হবে।
অথবা
শিক্ষা বোর্ডের সরকারি ওয়েবসাইট www.educationboardresults.gov.bd থেকে বিনামূল্যে ও ঝামেলাহীনভাবে ফল জানা যাবে।
ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করুন :
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন : www.educationboardresults.gov.bd
তথ্য প্রদান করুন: পরীক্ষার ধরন (HSC/Alim), বছর (২০২৫) ও বোর্ড নির্বাচন করুন।
রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখুন : সঠিকভাবে দুই নম্বরই দিতে হবে; ভুল হলে ফলাফল দেখাবে না।
ফলাফল দেখুন : সব তথ্য সঠিকভাবে দেওয়ার পর Submit বোতামে ক্লিক করলেই ফলাফল দেখা যাবে। চাইলে প্রিন্টও নেওয়া যাবে।
এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা
২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে ১৬ অক্টোবর।
সোমবার প্রকাশিত বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৫ এর ফলাফল আগামী ১৬ অক্টোবর ২০২৫ সকাল ১০টায় দেশের শিক্ষা বোর্ডসমূহের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সকল পরীক্ষা কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।
ফলাফল পাওয়া যাবে www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর ব্যবহার করে ‘Result Corner’-এ প্রবেশ করে ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবে। একইভাবে পরীক্ষার্থীরাও নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বোর্ডের ওয়েবসাইট বা উল্লিখিত ঠিকানায় প্রবেশ করে ফলাফল জানতে পারবেন।
এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে ‘16222’ নম্বরে নির্ধারিত ফরম্যাটে বার্তা পাঠাতে হবে। তবে শিক্ষাবোর্ডসমূহ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকা অফিস থেকে ফলাফল পাওয়া যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে (https://rescrutinu.eduboardresult.gov.bd) গ্রহণ করা হবে। আবেদন পদ্ধতি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২৬ জুন এবং শেষ হয় ১৯ আগস্ট। কিছু বিষয় স্থগিত হওয়ায় পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পর শেষ হয়। নিয়ম অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হচ্ছে।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেছিলেন। এর মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন ছাত্রী। সারাদেশে মোট ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
তবে প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেননি। ফলে ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় সোয়া ১২ লাখ পরীক্ষার্থী।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ
আগামী ২১ ডিসেম্বর থেকে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা (২০২৫) শুরু হবে। সূচি অনুযায়ী ২৪ ডিসেম্বর এ পরীক্ষা শেষ হবে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত পরীক্ষার রুটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রকাশিত রুটিনে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।
প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষা আরম্ভের কমপক্ষে সাত দিন আগে সংগ্রহ করবে। পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ-নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।
পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি-পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ অন্য কোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস সঙ্গে আনতে পারবেন না। বিশেষ প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষ এ সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারবে।
জানা গেছে, অনলাইনে ফরম পূরণ চলবে ৫ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত এবং সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১২ অক্টোবর।
প্রশ্নপত্র বণ্টন ও যাচাইকরণের কাজ হবে ২৬ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। ১৬ থেকে ২৩ নভেম্বরের মধ্যে প্রশ্নপত্র জেলা প্রশাসকদের প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে ১০ ডিসেম্বর। ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি।
এর আগে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ধরন ও নম্বর বণ্টন প্রকাশ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড।
এতে বলা হয়েছে, বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলা, ইংরেজি, গণিতে ১০০ করে, বিজ্ঞানে ৫০ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়ে ৫০ নম্বর করে মোট ৪০০ নম্বরে পরীক্ষা হবে। প্রতিটি পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা।
গত ৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা ২০২৫ প্রকাশ করে। নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক বা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৮ম শ্রেণির সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী (৭ম শ্রেণির সব প্রান্তিকের সামষ্টিক মূল্যায়নের ফলের ভিত্তিতে) জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি সময়ে সময়ে এ সংখ্যা পুনঃনির্ধারণ করতে পারবেন।
শিক্ষার্থীদের ২ ধরনের বৃত্তি দেওয়া হবে। ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। সব ধরনের বৃত্তির ৫০ শতাংশ ছাত্রদের এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত থাকবে। তবে নির্ধারিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে ছাত্রের বৃত্তি ছাত্রী দ্বারা এবং ছাত্রীর বৃত্তি ছাত্র দ্বারা পূরণ করা যাবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র গ্রহণের মাধ্যমে অন্য বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে থাকে তাহলে তাকে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর পূর্ববর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেধাক্রম বিবেচনা করে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য