শিরোনাম
৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল আজ
৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল আজ সোমবার প্রকাশ করা হচ্ছে। সন্ধ্যার মধ্যে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে এই ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
পিএসসির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ৪৪তম বিসিএসের ফল তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ এ ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
এদিকে চূড়ান্ত ফলাফলে প্রায় ৪০০টি ক্যাডার পদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা বাড়ছে না। ফলে বিজ্ঞপ্তিতে থাকা শূন্য পদগুলোতে নিয়োগে সুপারিশ করবে।
উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল পিএসসির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পিএসসি চেয়ারম্যান মোবাশ্বের মোনেম বলেছিলেন, ৪৪তম বিসিএস দ্রুত শেষ করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা ১৭ জুনের মধ্যে শেষ করা হবে।
ভাইভা শেষে ৩০ জুনের মধ্যে ৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে।
বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৭১০ জন কর্মকর্তা নেওয়া হবে এই বিসিএসে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২৫০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৫০, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ১০, আনসার ক্যাডারে ১৪, নিরীক্ষা ও হিসাবে ৩০, কর ক্যাডারে ১১, সমবায়ে ৮, রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিকে ৭, তথ্যে ১০, ডাকে ২৩, বাণিজ্যে ৬, পরিবার পরিকল্পনায় ২৭, খাদ্যে ৩, টেকনিক্যাল ক্যাডারে ৪৮৫ ও শিক্ষা ক্যাডারে ৭৭৬ জন নেওয়া হবে। ৪৪তম বিসিএসে মোট আবেদন করেছিলেন ৩ লাখ ৫০ হাজার ৭১৬ জন।
সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন ঢাকা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা
যানজট ও জনদুর্ভোগ এড়াতে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীরা সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
গতকাল শনিবার (২৮ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্র এলাকার যানজট ও জনদুর্ভোগ লাঘবে পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টার পর থেকেই কেন্দ্রে ঢোকার সুযোগ দেওয়া হবে। এ বিষয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হচ্ছে। তবে পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ ও পরীক্ষাসংক্রান্ত অন্যান্য পূর্বনির্ধারিত নিয়মাবলী বহাল থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্দেশনাটি ঢাকা বোর্ডের আওতাধীন সব কেন্দ্রের জন্য প্রযোজ্য। এ সংক্রান্ত চিঠির অনুলিপি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখাসমূহে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এবার ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে প্রায় ১২ লাখ ৫১ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় সেদিন অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৭৫৯ জন। এছাড়া শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার হয়েছেন ৪৩ জন শিক্ষার্থী। বোর্ডের প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলবে আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত। আর ব্যাবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১১ থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত।
প্রবেশ পত্র পেয়ে পরীক্ষায় বসেছেন জামালপুরের সেই ১২ শিক্ষার্থী
জামালপুরে অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশ পত্র পেয়েছেন সেই ১২ শিক্ষার্থী। গতকাল শনিবার রাতে তাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ পত্র হস্তান্তর করা হয়।
আজ রোববার (২৯ জুন) ওই ১২ জনই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার শহরের বেসরকারি প্রশান্তি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৭ শিক্ষার্থীর চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীরা কলেজে গিয়ে প্রবেশ পত্র না পেয়ে পরীক্ষা দিতে পারেনি। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
পরে শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের ৬ সদস্যের একটি তদন্ত দল জামালপুরের প্রশান্তি আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে গিয়ে তদন্ত করে গাফিলতির সত্যতা পায়। পরে ওই কলেজের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের কার্যক্রম সম্পন্ন করে পরীক্ষা দিতে না পারা ওই ১২ শিক্ষার্থীর হাতে শনিবার রাতে তাদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ পত্র হস্তান্তর করা হয়। তারা শহরের জিয়া কলেজ থেকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে ও সেই ১২ শিক্ষার্থী শহরের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।
প্রশান্তি আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান বলেন, প্রথমে ১৭ শিক্ষার্থীর বিষয়টি জানানো হলেও প্রকৃতপক্ষে ১২ শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফরম পূরণ নিশ্চিত করা হয়। তাদেরকে প্রবেশপত্র সরবরাহ করা হয়েছে। আজ তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হাসান ঢাকা পোস্টকে বলেন, গতকাল রাতে বোর্ডে কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় ১২ জন পরীক্ষার্থীর কাছে প্রবেশ পত্র হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা জিয়া কলেজ থেকে প্রবেশ পত্র নিয়ে শহরের আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
সেই এইচএসসি পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন)।
হার্ট অ্যাটাক করা অসুস্থ মাকে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেরি হওয়ায় প্রথম দিনের এইচএসসি পরীক্ষায় রাজধানীর সরকারি মিরপুর বাঙলা কলেজ কেন্দ্রের এক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা না দিতে পারার ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।
এ বিষয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা সিআর আবরার বলেন, “মানবিক বিবেচনায় ওই শিক্ষার্থীর বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত আইন ও বিধির আলোকে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তার এ দুঃসময়ে আমরাও সমব্যথী। এ পরীক্ষার্থীকে উদ্বিগ্ন না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।”
মায়ের স্ট্রোকের কারণে কেন্দ্রে আসতে দেরী; পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি এইচএসসি পরিক্ষার্থী
দেশজুড়ে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়। এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে নিয়মিত-অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন।
পরিক্ষার প্রথম দিনেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারী শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে পরিক্ষাকেন্দ্রের সামনে বসে তাকে কাঁদতে দেখা যায়। তবুও কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয় নি ঐ শিক্ষার্থীকে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
জানা গেছে, ওই নারী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল রাজধানীর সরকারি বাঙলা কলেজ। তার বাবা বেঁচে নেই। আজ সকালে তার মা মেজর স্ট্রোক করে। যেহেতু পরিবারে দায়িত্বশীল কেউ ছিল না, তাই মেয়েটিকেই সব সামলে মাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। তারপর হাসপাতাল থেকে ছুটতে হয়েছে পরীক্ষার কেন্দ্র মিরপুরে অবস্থিত সরকারি বাঙলা কলেজে। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হতে বেশ দেরি হয়ে যায়। এজন্য কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি মেলে নি। যার কারণে তিনি প্রথম দিনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি।
বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। অনেকেই ফেসবুক পোস্টে ওই শিক্ষার্থীকে মানবিক কারণে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ফের পরীক্ষা নেওয়ার দাবি করেছেন। পাশাপাশি তাঁকে আইনী সহায়তা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন অনেকেই।
এস এম মঈন
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, সরকারি বাঙলা কলেজ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য