শিরোনাম
আসন ফাঁকা রেখে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করায় ১৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে রিট
গুচ্ছভুক্ত ১৬ টি বিশ্ববিদ্যালয় আসন ফাকা রেখে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শেষ করায় চার শিক্ষার্থী মো. ইমাম হোসেন, এথিক্স অবন্তী খান, মো. ওয়াহিদুর রহমান লিমন এবং শাকিল হোসেন রাতুলের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম ওয়ালিয়ুর রহমান খান এ রিট দায়ের করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এভাবে আসন শূন্য রেখে ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ করায় সহস্রাধিক শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমতাবস্থায় বিবাদীদের আগামী সাতদিনের মধ্যে মোট ফাঁকা আসনের সংখ্যা প্রকাশ করার বিষয়ে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে।
উক্ত রিটে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও জিএসটি গুচ্ছভুক্ত সমন্বিত ভর্তি কমিটির সদস্য সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন খালি থাকলেও মেধাতালিকা অনুযায়ী চূড়ান্ত ভর্তি তালিকা প্রকাশ না করেই ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। জিএসটি ভর্তি পরীক্ষায় ৫১ থেকে ৫৪ নম্বর অর্জনকারী রিটের বাদী চার শিক্ষার্থী এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছোটাছুটি করলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের প্রকৃত ফাঁকা আসনের সংখ্যা জানায়নি।
বাদীরা ফাঁকা আসনে ভর্তির যোগ্য হলে তাদের স্পট এডমিশনের জন্য ডাকতে বলা হয়েছে। অন্যথায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাবির এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদনপত্র আহ্বান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফরমে আবেদনপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
আবেদনের জন্য প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইনস্টিটিউটের শিক্ষকদের মধ্য থেকে তত্ত্বাবধায়ক নির্বাচন করতে হবে এবং তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে এমফিল গবেষণার জন্য আবেদন করতে হবে। আগামী ২ এপ্রিল থেকে ১১ মে পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে আবেদন ফরম ডাউনলোড করা যাবে।
সোমবার (২০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আবেদনপত্র আহ্বান করা হয়।
আবেদনের যোগ্যতাঃ
>>> এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য প্রার্থীর ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক সম্মান ও ১ বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ৩ বছর মেয়াদি স্নাতক সম্মান ও ১ বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ২ বছর মেয়াদি স্নাতক ও দুই বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং স্নাতক পর্যায়ে ১ বছরের শিক্ষকতা/গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ১ বছরের চাকরি অথবা স্বীকৃতমানের জার্নালে ১টি গবেষণামূলক প্রবন্ধ থাকতে হবে। ৫ বছর মেয়াদি এমবিবিএস ডিগ্রিধারী প্রার্থীরা তাদের ডিগ্রির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বিভাগে আবেদন করতে পারবেন।
>>> প্রার্থীদের সব পরীক্ষায় কমপক্ষে ২য় বিভাগ/শ্রেণিসহ ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। সিজিপিএ নিয়মে মাধ্যমিক/সমমান থেকে স্নাতক/স্নাতকোত্তর পর্যন্ত সব পরীক্ষায় সিজিপিএ ৫-এর মধ্যে ৩.৫ অথবা সিহিপিএ ৪-এর মধ্যে ৩ থাকতে হবে।
>>> ভর্তি ফরমের ফিস বাবদ ৫০০ টাকা আগামী ১১ মের মধ্যে জনতা ব্যাংক টিএসসি শাখায় জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে ফিস বাবদ টাকা জমার রশিদের মূলকপি, সব পরীক্ষার নম্বরপত্রের ফটোকপি ও সম্প্রতি তোলা ১ (এক) কপি ছবি সংশ্লিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক/বিভাগের চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালক সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে। এছাড়া গবেষণার একটি রূপরেখা জমা দিতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখঃ
আবেদনপত্র যথাযথভাবে পূরণ করে আগামী ১৫ মে ২০২০ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালকের অফিসে জমা দিতে হবে।
শিক্ষা ক্যাডারের ৬৮৬ জন অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেন
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ৬৮৬ জনকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। তারা সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। সোমবার (২০ মার্চ) উপসচিব (সরকারি কলেজ-২) চৌধুরী সামিয়া ইয়াসমীন সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলে ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা বেতনক্রমে তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। মোট ৬৮৬ জন শিক্ষককে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পদোন্নতি দিয়ে তাদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গুচ্ছে থাকছে জবি-ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
সোমবার (২০ মার্চ) গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা ক্রটিমুক্ত ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার বিষয়ে ইউজিসিতে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দ্রুত ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ ও ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ক্লাস শুরুর নির্দেশনা দিয়েছে ইউজিসি। ভর্তি পরীক্ষা প্রক্রিয়া সহজ ও শিক্ষার্থীবান্ধব করা এবং এবারের গুচ্ছ ভর্তি যেন অনন্য হয় সে বিষয়ে আয়োজকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়।
ঢাবিতে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে আবেদন আড়াই লাখ, সময় শেষ হচ্ছে আজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি আবেদন শেষ হচ্ছে আজ সোমবার (২০ মার্চ) । আজ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভর্তিচ্ছুরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকটি ইউনিটে ১৯ মার্চ বিকেল পর্যন্ত আবেদন পড়েছে প্রায় ২ লাখ ৭৩ হাজার। এর মধ্যে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে আবেদন পড়েছে ১ লাখ ১১ হাজার, বিজ্ঞান ইউনিটে ১ লাখ ১৮ হাজার, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে সাড়ে ৩৭ হাজার এবং চারুকলা ইউনিটে আবেদন পড়েছে ৬ হাজার।
রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন।
২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি । ভর্তিচ্ছুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির নির্ধারিত এই ওয়েবসাইটে (https://admission.eis.du.ac.bd) ১০০০ টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে পারছেন। ১৮ এপ্রিল থেকে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত, ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।
আগামী ২৯ এপ্রিল চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে শুরু হবে এবারের ভর্তি যুদ্ধ। এছাড়া ৬ মে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ১২ মে বিজ্ঞান ইউনিট এবং ১৩ মে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সব ইউনিটের পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ‘চারুকলা ইউনিট’ ব্যতীত অন্য তিনটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা গতবারের মতো ঢাকাসহ আটটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য