ঢাকা, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ২ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

জবিতে ভর্তির ১ম মেধাতালিকা প্রকাশ হচ্ছে ৭ নভেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ অক্টোবর, ২০২২ ১১:৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
জবিতে ভর্তির ১ম মেধাতালিকা প্রকাশ হচ্ছে ৭ নভেম্বর

গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শেষ হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত আবেদন করেছেন ৩৮ হাজার ৮১০ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটে আবেদন পড়েছে সবচেয়ে বেশি ২৩ হাজার ৪৮৫টি, মানবিক অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটে পড়েছে ৯ হাজার ৩৭২টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখাভুক্ত ‘সি’ ইউনিটে আবেদন পড়েছে ৫ হাজার ৯৫৩টি। এছাড়াও ফাইন আর্টসে ৮১৬ জন, ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন ডিপার্টমেন্টে ৬৬৩ জন, মিউজিকে ২৯৩ জন এবং থিয়েটারে ২৮৩ জন আবেদন করেছেন। গতকাল শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) জবি রেজিস্ট্রার প্রকোশলী মো. ওহিদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেছেন, আমাদের প্রথম মেধা তালিকা আগামী ৭ নভেম্বর প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভর্তির আবেদনের জন্য আর সময় বাড়ানো হবে না। আমরা দ্রুত ভর্তি কার্যক্রম শেষ করার চেষ্টা করবো।

আরো পড়ুনঃ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০৮০ আসনের বিপরীতে আবেদন ২৩ হাজার

গুচ্ছের টেকনিক্যাল কমিটির সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত গুচ্ছভুক্ত ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ লাখ ৫৫ হাজারেরও বেশি আবেদন পড়েছে। এর মধ্যে যথাক্রমে ‘এ’ ইউনিটে আবেদন পড়েছে ৮৫ হাজার, ‘বি’ ইউনিটে ৪৮ হাজার ও ‘সি’ ইউনিটে আবেদন পড়েছে ২৩ হাজার। এবার মূলক নিজস্ব পদ্ধতিতে মেরিট ও ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করছে গুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। গুচ্ছ পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত বিদ্যালয়গুলো তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে মেরিট প্রকাশের পাশাপাশি ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। এক্ষেত্রে ভর্তি প্রক্রিয়ায় পূর্ব নির্দেশনাকেই অনুসরণ করতে হবে।

প্রকাশ থাকে যে, ইউনিট ভিত্তিক নয়, এবারের আবেদন হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক। একটি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করলে পৃথক ইউনিটের জন্য আবেদনের দরকার নেই। আবেদন প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট ও বিশবিদ্যালয়ে ভর্তির মানদণ্ড অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পাবে।

আরো পড়ুনঃ মারধরের শিকার চবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নামিউল

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আটকে আছে ৪১তম বিসিএসের ফলঃ ১৫০০০ খাতায় গড়মিল

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৮ অক্টোবর, ২০২২ ১৪:৩০
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    আটকে আছে ৪১তম বিসিএসের ফলঃ ১৫০০০ খাতায় গড়মিল

    ৪১তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে প্রায় ১১ মাস আগে; কিন্তু প্রকাশ করা হয়নি এখনো ফলাফল। জানাগেছে প্রায় ১৫ হাজার খাতায় প্রথম ও দ্বিতীয় পরীক্ষকের দেওয়া নম্বরে গরমিলের কথা। নিয়মা মাফিক সেগুলো তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    এর ফলে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশে দেরি হচ্ছে বলে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সূত্রে জানা গেছে। পিএসসি সূত্র বলছে, প্রথম ও দ্বিতীয় পরীক্ষক খাতা জমা দেওয়ার পর এগুলো যাচাই করে ১৫ হাজারের বেশি খাতায় ২০ বা তারও বেশি নম্বরের গরমিল ধরা পড়েছে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে খাতা তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে পাঠাতে হয়।

    পিএসসির তদন্তে দেখা গেছে, খাতা দেখতে ৩১৮ পরীক্ষক ভুল করেছেন। অনেক পরীক্ষক পরীক্ষার্থীর কোনো কোনো প্রশ্নের উত্তরের জন্য নম্বরই দেননি। অনেকে খাতার শেষের উত্তরপত্র এড়িয়ে গেছেন। কোনো কোনো খাতায় পরীক্ষক নম্বরের যোগে ভুল করেছেন। ইতোমধ্যে তৃতীয় পরীক্ষকদের কাছ থেকে খাতা ফেরত আসতে শুরু করেছে। সব পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে।

    আরো পড়ুনঃ বাবার সাথে কুলির কাজ করা ছেলেটি আজ ৩৪০ কোটি টাকার…

    অনেকেই বলছেন একবছর ধরে লিখিত পরীক্ষার ফলের অপেক্ষায় আছি। প্রতি মাসেই শুনি এ মাসে ফল হবে কিন্তু ফল আর হয় না। এখন হতাশার চরম পর্যায়ে আছি। এ থেকে দ্রুত পরিত্রাণ চাই আমরা।

    ৪১তম বিসিএসের দুই প্রার্থী মারফত জানা যায়, পিএসসির নিয়ম অনুসারে ভুল সংশোধন করতে ওই পরীক্ষকদের সরাসরি আসতে হয়। যার ফলে অনেক সময় চলে গেছে। তাঁদের ভুল সংশোধনের পর নম্বর চূড়ান্ত করতে গিয়ে আরো প্রায় ১৫ হাজার খাতায় বড় ধরনের গরমিল পাওয়া যায়। সেটি চূড়ান্ত করতে আবার খাতাগুলো তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে পাঠানো হয়।

    এ সম্পর্কে জানতে চাইলে পিএসসির সাবেক সদস্য সমর পাল বলেন, বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার খাতা প্রথম পরীক্ষক মূল্যায়নের পর তা ঠিক আছে কি না, তা দ্বিতীয় পরীক্ষক যাচাই করে দেখেন।

    তিনি দেখার পর প্রথম পরীক্ষকের নম্বরের সঙ্গে ২০ বা তার বেশি নম্বরের পার্থক্য হলে নিয়ম অনুসারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে পাঠাতে হয়। তৃতীয় পরীক্ষক যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটিই চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়। এরপর লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়।

    এবার লিখিত পরীক্ষায় ফল প্রকাশে এত বেশি দেরির বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পিএসসির এক সদস্য বলেন, একবার সময় গেল ৩১৮ পরীক্ষকের ভুল শোধরাতে। আবার ১৫ হাজার খাতায় ২০ বা তার বেশি নম্বরের গরমিল পাওয়ায় খাতা তৃতীয় পরীক্ষক দেখছেন। এখানেও সময় যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই ফল নিয়ে যাতে কোনো প্রশ্ন না ওঠতে পারে, সে জন্য সতর্কভাবে সবকিছু দেখা হচ্ছে।

    আরো পড়ুনঃ মাইক্রোসফটে চাকরি পেলেন নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী নাজমুল

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাড়লো অধিভুক্ত সাত কলেজের ভর্তির সময়

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৫ অক্টোবর, ২০২২ ১৯:৩৭
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      বাড়লো অধিভুক্ত সাত কলেজের ভর্তির সময়

      ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথম বর্ষের ভর্তির সময় দুই দিন বাড়িয়ে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবাব বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও সাত কলেজের সমন্বয়ক অধ্যাপক সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য্য।

      সময় বর্ধিত করার কারন হিসাবে তিনি বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের সুবিধা বিবেচনায় এই সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে । 

      অধ্যাপক সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য্য বলেন, ঘোষণা অনুযায়ী রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের বিষয়  ভর্তি কার্যক্রমের আজই ছিলো শেষ দিন। আজকের মধ্যেই মনোনীত কলেজে সশরীরে উপস্থিত হয়ে সকল শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করার কথা বলা হয়েছিলো। তবে গত দুইদিনের সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে  শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আরো দুইদিন সময় বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ শিক্ষার্থীরা আগামী ২৭ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন। বিষয়টি প্রত্যেকটি কলেজকে অবহিত করা হয়েছে।

      এর আগে গত ১৬ অক্টোবর (রোববার) সরকারি সাত কলেজের বিষয় কলেজ পছন্দের ৩য় এবং সর্বশেষ মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করা হয়। এর মধ্য দিয়ে এবছরের জন্য সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা ফলপ্রকাশ সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় শেষ হতে চলেছে। ভর্তি নির্দেশনায় বলা হয়, আগামী ২৫ অক্টোবর ২০২২ তারিখের মধ্যে মনোনীত কলেজে সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। যা আজ বর্ধিত করে ২৭ অক্টোবর করা হয়েছে।

      ইতোপূর্বে তিন ধাপে সকল আসনের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের কলেজ বিষয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি আসন নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের জমাকৃত টাকা ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রিম হিসেবে গণ্য করা হবে যা পরবর্তীতে চূড়ান্তভাবে মনোনীত কলেজের নির্ধারিত ফি এর সাথে সমন্বয় করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, জেনে নিন আবেদনের যোগ্যতা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৪ অক্টোবর, ২০২২ ১৭:২৪
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, জেনে নিন আবেদনের যোগ্যতা

        ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের জন্য এক্সিকিউটিভ এমবিএতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে । ভর্তি হতে ইচ্ছুকগণ আবেদন করতে পারবেন আগামী ২০ নভেম্বর ২০২২ পর্যন্ত ।

        আবেদনের যোগ্যতা: আবেদনকারীকে কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পাস হতে হবে। এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে। কোন পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য হবে না।

        অভিজ্ঞতা: স্নাতকের পর কোন নির্বাহী কার্যক্ষেত্রে ন্যূনতম পাঁচ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ইংরেজী ভাষায় দক্ষতা ও যোগাযোগে সাবলীল হতে হবে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সকল প্রকার সনদ অবশ্যই সাথে থাকতে হবে।

        লিখিত পরীক্ষার সময় : ২৫ নভেম্বর ২০২২

        আবেদন ফি : ৪,০০০/- টাকা

        আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ নভেম্বর ২০২২ ইং।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে যুক্ত হতে পারে

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৩ অক্টোবর, ২০২২ ১০:১৭
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে যুক্ত হতে পারে

          গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছ পোষণ করেও যুক্ত হতে পারেনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। যুক্তি হিসাবে শিক্ষার্থী সংখ্যা বেশি হওয়াকে সামানে এনে পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে শুরু করে নানা অজুহাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা বিরত থাকতে হয়েছে। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে পরবর্তীতে গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রমে যুক্ত করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে বলে জানা গেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।

          ইউজিসি ভস্যামতে, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একটি একক পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশেও এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা আবশ্যক। পাশ্ববর্তীদেশ ভারতের মতো তারাও ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) প্রতিষ্ঠা করতে আগ্রহী। এজন্য তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে অনুরোধ করেছে। তবে বড় বড় কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নারাজির কারণে সেই উদ্যোগ নিয়ে তেমন আলোচনা হয়নি।

          ইউজিসির মতে, বর্তমানে তিনটি গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয় ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে। এছাড়াও পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় এখনো স্বতন্ত্রভাবে পরীক্ষা নিচ্ছে। ফলশ্রুতিতে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পুরোপুরি লাঘব করা যায়নি। তাই ভবিষ্যতে তারা সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়কে একত্রিত করে একটি কমন/ একক পরীক্ষা নিতে আগ্রহী। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কেও এই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।

          জানতে চাইলে ইউজিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগম বলেন, আমরা সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়কে একত্রিত করেই একটি কমন পরীক্ষা নিতে চাই। কেন্দ্রীয় এই পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করবেন। এরপর প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন। পাশ্ববর্তীদেশ ভারতে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

          গুচ্ছ প্রক্রিয়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক দিল আফরোজা বলেন, ইতোপূর্বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার প্রস্তাবনা দিয়েছিল। তবে তাদের শিক্ষার্থী সংখ্যা অনেক বেশি। অনার্স-মাস্টার্স ছাড়াও আরে অনেক কলেজ রয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ব্যবস্থা করার মতো সক্ষমতা আমাদের এখনো তৈরি হয়নি। তবে ভবিষ্যতে স্নাতক পর্যায়ের ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা গুচ্ছে যুক্ত করার চিন্তাভাবনা করছি।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত