শিরোনাম
বাংলাদেশকে পেনাল্টি না দেওয়া রেফারি ও তার স্ত্রীর ‘ফেসবুক লক’
শেষ মুহূর্তে পেনাল্টির আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় বদলে যেতে পারত ম্যাচের ফলাফল। কিন্তু রেফারির সেই এক সিদ্ধান্তেই শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তাই যত আলোচনা রেফারি ক্লিফোর্ড দায়পুয়াতকে ঘিরেই।
নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে সিঙ্গাপুরের ইরফান নাজিব ডিবক্সে ফাউল করেছিলেন বাংলাদেশের মিডফিল্ডার ফয়সাল আহমেদ ফাহিমকে। ফাহিম পড়ে যাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির আবেদন করে বাংলাদেশ দল। তবে বাঁশি বাজাননি দায়পুয়াত।
এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় রেফারিং নিয়ে সমালোচনার ঝড়। এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্তকে সিদ্ধান্তকে ঘিরে দায়পুয়াত ও তার স্ত্রী কেসা রুথকে ব্যক্তিগত আক্রমণের মুখে পড়তে হয়। পরিস্থিতি এতটাই তিক্ত হয়ে ওঠে যে, শেষমেশ নিজেদের ফেসবুক প্রোফাইল লক করে দিতে বাধ্য হন তারা। বর্তমানে ফেসবুকে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, দুজনের প্রোফাইলই লক করা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সমালোচনার মাত্রা সহনীয় না হওয়ায়ই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রেফারি ও তার স্ত্রী।
মাত্র ২০ বছর বয়সে রেফারিং শুরু করেছিলেন ক্লিফোর্ড দায়পুয়াত। ২০১৯ সালে ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইরাক-কম্বোডিয়ার ম্যাচ পরিচালনা করেছিলেন প্রায় ৫০ হাজার দর্শকের সামনে। এরপর ২০২১ সালের এএফসি কাপেও ম্যাচ পরিচালনা করেন তিনি। কিন্তু আলোচনার কেন্দ্রে এমনভাবে এর আগে কখনও আসেননি।
এই ম্যাচের পর ‘সি’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলেও হালকা নড়চড়। দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট করে নিয়ে শীর্ষে সিঙ্গাপুর ও হংকং। আর ১ পয়েন্ট করে নিয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে বাংলাদেশ ও ভারত।
অস্ট্রেলিয়ায় ঈদ করতে যাচ্ছেন বিসিবি সভাপতি বুলবুল
আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হয়েছেন বেশি দিন হয়নি। ঠিক এই সময়ে দুয়ারে এসে দাঁড়িয়েছে ঈদুল আজহা। এই ঈদ পালন করতে নব নির্বাচিত বোর্ড সভাপতি আমিনুল যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ায়।
তার অস্ট্রেলিয়া ছুটে যাওয়ার কারণ, সেখানে তার পরিবার বসবাস করছে। এক যুগের বেশি সময় ধরে অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন বুলবুল। তার দুই ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করছেন। তার স্ত্রীও ক্যারিয়ার গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ায়। বিসিবি সভাপতি হওয়ার আগে আইসিসির গেম ডেভেলপমেন্ট অফিসার হিসেবে আমিনুল কাজ করেছেন অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা যাওয়া করেই।
বিসিবির ডাকে তিনি বাংলাদেশে ফিরলেও তার পরিবার ওই অস্ট্রেলিয়াতেই রয়ে গেছে। যার ফলে ঈদকে সামনে রেখে দূর দেশে তার পরিবার কাছে ছুটে যাচ্ছেন আমিনুল।
বাংলাদেশে আগামী ৭ জুন ঈদুল আজহা পালিত হবে। তবে অস্ট্রেলিয়ায় ঈদ হবে আগামী ৬ জুন। সে কারণে আগেভাগেই যাত্রা শুরু করতে হচ্ছে আমিনুলকে। আজ মঙ্গলবারই অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে তিনি ঢাকা ছাড়বেন।
বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমে বুলবুল নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে অস্ট্রেলিয়া যাবো ইনশাআল্লাহ। আশা করছি, ঈদের সপ্তাহখানেক পরই দেশে ফিরবো। তবে ১৪ জুন থেকে আইসিসির একটি মিটিং আছে। সেখানে অ্যাটেন্ড করার সম্ভাবনা বেশি। তাহলে দেশে ফিরে আসতে কয়েকদিন দেরি হতে পারে। সেক্ষেত্রে হয়তো ১৮ জুন আবার দেশে ফিরে আসবো।’
গত ৩০ মে বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হন বুলবুল। এরপরই তিনি নেমে পড়েছেন ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ডে। তিনি ইতোমধ্যেই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন সভাপতি হিসেবে কী করতে চান তিনি।
আইসিসির গেম ডেভেলপমেন্টের কাজ করে আমিনুলের অভিজ্ঞতা হয়েছে কী করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্রিকেটকে ছড়িয়ে দিতে হয় সে ব্যাপারে। দেশের ক্রিকেটেও তিনি তাই করবেন। তিনি ক্রিকেটকে ছড়িয়ে দিতে চান দেশের প্রতিটি কোণে।
তিনি দেশে অঞ্চলভেদে আঞ্চলিক পরিদপ্তরের মতো ক্রিকেট পরিচালনা করতে আগ্রহী। সে কাঠামোয় খেলাটা বিভাগীয় শহরকেন্দ্রিক হয়ে পড়বে না। প্রত্যন্ত অঞ্চলের উঠতি ক্রিকেটাররাও ধাপে ধাপে উঠে এসে যেন জাতীয় দলে সুযোগ পেতে পারেন, সে রাস্তাটা তৈরি করে দিতে চান।
সেজন্য অবশ্য সময় খুবই কম আমিনুলের হাতে। আগামী অক্টোবরে বিসিবি নির্বাচন। তার আগ পর্যন্ত প্রায় ৪ মাসের একটু বেশি সময় হাতে পাবেন তিনি।
হাত দিয়ে গোল করে লালকার্ড পেলেন নেইমার (ভিডিও)
মাঠে ফেরার জন্য নেইমারের সংগ্রাম চলছিল বেশ কিছুদিন থেকেই। ইনজুরি কাটিয়ে ক্লাব ফুটবলে ফিরলেও জাতীয় দলের নেইমারকে পেতে এখনো চলছে অপেক্ষা। তবে ব্রাজিলের নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তি এখনি নেইমারকে সেলেসাওদের হলুদ জার্সিতে ডাকছেন না। পুরো ফিট অবস্থাতেই এই প্লেমেকারকে পেতে চান আনচেলত্তি।
এরইমাঝে নেইমার অবশ্য নতুন করে খবরের শিরোনাম হয়েছেন। ব্রাজিলিয়ান লিগের ১১তম ম্যাচডেতে দেখতে হয়েছে লালকার্ড। সেটাও অবশ্য অদ্ভুত এক কারণে। হাত দিয়ে গোল করে লাল কার্ড পেতে হয়েছে তাকে। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে তার ওই লাল কার্ড দুর্ভাগ্য ডেকে এনেছে সান্তোসের জন্যেও। বোটাফোগোর বিপক্ষে ম্যাচটাই সান্তোস হেরে যায় ১-০ গোলে।
সান্তোসের হয়ে গেল মার্চের পর আজই প্রথম শুরুর একাদশে নেমেছিলেন নেইমার। মাঝে বেশকিছু ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন সাবস্টিটিউট হিসেবে। বেটাফোগোর বিপক্ষে ম্যাচটা তাই ছিল বিশেষ কিছুই। কিন্তু শেষটা হলো লালকার্ড দিয়ে।
ম্যাচের প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ফাউল করে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন নেইমার। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৬ মিনিটে হাত দিয়ে গোল করে দেখেছেন দ্বিতীয় হলুদ কার্ড। সেটাই পরিণত হয় লাল কার্ডে। গনজালো এস্কোবারের পাস ছিল বক্সের দিকে। বোটাফোগোর গোলরক্ষক ভিক্টর সেটা ঠেকিয়ে দেন। রিবাউন্ডে আসা বলটাকে এরপর হাত দিয়েই জালের দিকে ঠেলে দেন নেইমার।
ইচ্ছেকৃত হ্যান্ডবলের কারণে দেখতে হয় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড। নিয়ম অনুসারে সেটা লালকার্ডই বটে। দশজনের সান্তোস এরপর ম্যাচে খাবি খেয়েছে বোটাফোগোর সামনে। ৮৬ মিনিটে আর্তুর গিমারেস গোল করে ম্যাচটাই জিতিয়ে দেন বোটাফোগোকে।
এই হারের পর ব্রাজিলিয়ান লিগের রেলিগেশন জোনেই চলে গিয়েছে সান্তোস। ১১ ম্যাচ থেকে তাদের অর্জন মোটে ৮ পয়েন্ট। আর ১০ ম্যাচ থেকে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের নবম স্থানে বোটাফোগো। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে আরেক ঐতিহ্যবাহী ফ্ল্যামেঙ্গো। ১১ ম্যাচে তাদের অর্জন ২৪ পয়েন্ট।
ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতল পিএসজি
সেই মিউনিখ। ১৯৯৩ সালে এই শহরেই অলিম্পিক মার্শেই জিতেছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা। অনেকগুলো বছর পর ২০২৫ সালে এসে আরও একবার ফ্রান্সের একটা দল মিউনিখ থেকেই বুঝে পেলো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বিজয়ীর খেতাব। ইন্টার মিলানকে একপ্রকার বিধ্বস্ত করে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন।
মিউনিখের এই মাঠে খেলা হলেই নাকি নতুন কোনো দল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জেতে। অলিখিত সেই নিয়মই যেন ধরে রাখল ২০২৫। একপেশে এক ম্যাচে ইন্টারকে ৫-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের ট্রফি ক্যাবিনেটে পিএসজি যোগ করল নতুন এক শিরোপা। সেইসঙ্গে নিশ্চিত হলো তাদের ট্রেবল শিরোপাও।

একসময় লিওনেল মেসি, নেইমার এবং এমবাপেকে নিয়ে যা করতে পারেনি পিএসজি, আজ সেটাই তারা করেছে ডেম্বেলে, হাকিমি, ভিতিনহা, কাভারাৎসখেলিয়া কিংবা দিজেরে দুয়েদের নিয়ে। পুরো ম্যাচে ইন্টার মিলান প্রথম গোলমুখে শট নেয় ৭৪ মিনিটে। বিপরীতে পিএসজি একের পর এক কার্যকরী কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ততক্ষণে আদায় করেছে ৪ গোল।
দলকে পুরো আসরেই বল দখলে রেখে আক্রমণে যাওয়ার পাঠ দিয়েছিলেন কোচ লুইস এনরিকে। ফাইনালেও তাই হলো। শুরু থেকেই পিএসজির টানা আক্রমণের সামনে নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েছিল ইন্টারমিলান। শুরুর ১৫ মিনিটে পিএসজি বল দখল ছিল ৬৩ শতাংশের বেশি। সুযোগই তারাই তৈরি করেছিল/ প্রথম ১০ মিনিটে অন্তত দুইবার দূরপাল্লার শট নিয়েছিল লা প্যারিসিয়ানরা। আর ফলাফল আসে এরপরেই।
১২ মিনিটে ভিতিনহার ডিফেন্সচেরা পাস ডি-বক্সে খুঁজে নেয় দুয়েকে। দারুণ দক্ষতায় বল রিসিভ করেন এই উইঙ্গার। নিজে ছিলেন আনমার্কড। এরপরেই নিঃস্বার্থ পাস দিলেন আশরাফ হাকিমিকে। আলতো টাচে নিজের সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে গোল করেন হাকিমি। আরও একবার নিজেদের ডিফেন্সে ম্যান মার্কিংয়ে ভুলের কারণে গোল হজম করল ইতালিয়ান ক্লাবটি।
এর মিনিট আটেক পর ফের গোল পিএসজির। আগের গোলের যোগানদাতা দুয়ে এবার নিজেই করলেন গোল। ওসমান ডেম্বেলের সঙ্গে বোঝাপড়ায় দারুণ এক আক্রমণ সাজায় দল। এবারেও নিজেদের বাজে মার্কিংয়ের খেসারত দিয়েছে ইন্টার। ফাঁকায় থাকা দুয়ে খানিক সময় নিয়েই শট নিয়েছিলেন। বল ডিমার্কোর পায়ে লেগে কাছের পোস্টে গোল। দলের স্কোরলাইন করেন ২-০।

দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর সেটপিসে ভাল সুযোগ এসেছিল ইন্টারের জন্য। তবে এর কোনোটিই কাজে লাগেনি। দুইদফায় বল তারা রাখতে পারেনি পোস্টে। এমনকি পিএসজিও দারুণ আক্রমণ শানিয়ে ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা চালায়। যদিও কাঙ্ক্ষিত গোল আর আসেনি। ২-০ গোলের লিড নিয়েই পিএসজি ফেরে টানেলে।
বিরতির পর দুই দলেরই খেলা শুরু হয়েছিল কিছুটা ধীরগতিতে। ইন্টার মিলান সমতা ফেরানোর লক্ষ্য নিয়ে বারবারই আক্রমণে উঠতে চেয়েছে। তবে প্যারিসিয়ানদের শক্ত রক্ষণের সামনে তারা ছিল বিবর্ণ। বিপরীতে পিএসজি উপহার দিয়েছে একের পর এক কার্যকরী কাউন্টার অ্যাটাক। যার প্রথম সুফল মেলে ৬৩ মিনিটে।
ওসমান ডেম্বেলের ব্যাকহিল থেকে বল পেয়ে চমৎকার এক মাপা পাস দিয়েছিলেন ভিতিনহা। ফার্স্ট টাচ শটেই আসে গোল। ইয়ান সোমার পারেননি কাছের পোস্টের শট আটকাতে। ৩-০ গোলের লিড পিএসজির। ঘড়ির কাঁটায় ঠিক ঠিক ১০ মিনিট পর আরেকটা গোল পেয়ে যায় পিএসজি। এবারও অ্যাসিস্টে ডেম্বেলে। কাউন্টার অ্যাটাকে সহজ ফিনিশ কাভিচা কাভারাৎসখেলিয়ার।

ব্র্যাডলি বারকোলা ৮১ মিনিটে অবিশ্বাস্য এক সুযোগ মিস না করলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো পিএসজির। তাতে অবশ্য আক্ষেপ থাকছে না। ৮৬ মিনিটে বারকোলার পাস থেকেই সেনি মায়ুলুর গোলে ইতিহাস গড়ে ফেলে তারা। ৫-০ গোলের জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় তুলে নেয় প্যারিসিয়ানরা। ইউরোপিয়ান ফুটবলে নতুন রাজার নাম এখন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন।
মেসিকে নিয়েই অভিনব পন্থায় আর্জেন্টিনার স্কোয়াড ঘোষণা
লাতিন আমেরিকা থেকে সবার আগে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট কেটেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে এখনও বিশ্বকাপ বাছাইয়ে মহাদেশীয় প্রতিটি দলের ৪টি করে ম্যাচ বাকি। জুনের ফিফা উইন্ডোতে দুটি করে ম্যাচ খেলবে কনমেবল অঞ্চলের দলগুলো। আসন্ন দুই ম্যাচের জন্য পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা আর্জেন্টিনা ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। দল ঘোষণায় এবার তারা বেছে নিয়েছে অভিনব পন্থা।
এর আগে বিশ্বকাপের দল ঘোষণায় বেশ কয়েকটি ক্রিকেট দলকে সাধারণ নাগরিক কিংবা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরতদের মাধ্যমে দল ঘোষণা করতে দেখা গেছে। আলবিলেস্তেরাও এবার হেঁটেছে সেই পথে। গত মার্চে আর্জেন্টিনার বন্দর নগরী বাহিয়া ব্লাঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু ও প্রায় ১২০০ মানুষ বাস্তুহারা হয়েছিল। তাদের স্মরণে বাহিয়ার নানা বয়স ও পেশার নাগরিকদের মুখেই এবার আর্জেন্টিনার স্কোয়াড প্রকাশ করা হয়েছে। যদিও সেখান থেকে কয়েকজন বাদ পড়বেন চূড়ান্ত দলে।
চলতি মাসে চিলি ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলবে লিওনেল স্কালোনির দল। এই দুই ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলে ফিরছেন মহাতারকা লিওনেল মেসি। গত মার্চে ফিফা উইন্ডোতে অ্যাডাক্টর পেশির ইনজুরির কারণে তাকে ছাড়াই নেমেছিল আর্জেন্টিনা। যদিও তাতে সমস্যা হয়নি হুলিয়ান আলভারেজ-লাউতারো মার্টিনেজদের। যেখানে তারা শক্তিশালী উরুগুয়ে ও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে হারায়। সেলেসাওদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগেই পরবর্তী বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়ে যায় আলবিলেস্তেদের।
আগামী ৬ জুন সকাল সফরকারী হিসেবে ন্যাশনাল জুলিও মার্টিনেজ স্টেডিয়ামে চিলির মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। ১১ জুন এই উইন্ডোর দ্বিতীয় ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া। বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায় ম্যাচটি হবে আলবিলেস্তেদের ঘরের মাঠ বুয়েন্স আয়ার্সের মাস মনুমেন্তালে। আসন্ন দুই ম্যাচের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে চমক হিসেবে এসেছে দেশীয় ক্লাবে খেলা মারিয়ানো ট্রয়লো ও ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো’র। তবে জায়গা হয়নি নিকোলাস ডমিঙ্গোজ (ইনজুরি), আলেজান্দ্রো গার্নাচো, ভ্যালেন্টিন কাস্তেয়ানোস ও অ্যালেক্সিস ম্যাক-অ্যালিস্টারের (চোটের অস্বস্তি)।
আরও পড়ুন
চূড়ান্ত দলে জায়গা পেলে আসন্ন দুই ম্যাচে তিন তরুণ ফুটবলারের সুযোগ মিলে যেতে পারে। ট্রয়লো ও ফ্রাঙ্কো ছাড়াও কেভিন লোমোনাকো স্কালোনির প্রাথমিক দলে ডাক পেয়েছেন। এ ছাড়া এর আগে জাতীয় দলে ডাক পেলেও এখনও অভিষেক হয়নি ভ্যালেন্সিয়ার মিডফিল্ডার এনজো বারেনেচিয়ার। এবারও তিনি আছেন প্রাথমিক স্কোয়াডে। ঘোষিত দল থেকে কয়েকজনকে বাদ দিয়ে ম্যাচের কয়েকদিন আগে চূড়ান্ত স্কোয়াড দেওয়া হবে।
আর্জেন্টিনার প্রাথমিক স্কোয়াড :
এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ওয়াল্টার বেনিতেজ, জেরোনিমো রুলি, মারিয়ানো ট্রয়লো, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্ডি, নাহুয়েল মোলিনা, লিয়েনার্দো বালের্দি, ভ্যালেন্টিন বার্কো, জন ফয়েথ, কেভিন লোমোনাকো, নিকোলাস তালিয়াফিকো, ফাকুন্দো মেদিনা, লিয়েন্দ্রো পারেদেস, এনজো বারেনেচিয়া, এনজো ফার্নান্দেজ, এজাকুয়েল প্যালাসিওস, থিয়েগো আলমাদা, নিকো পাজ, রদ্রিগো ডি পল, জিওভান্নি লো সেলসো, জিউলিয়ানো সিমিওনে, আনহেল কোরেয়া, হুলিয়ান আলভারেজ, নিকোলাস গঞ্জালেস, ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো, লিওনেল মেসি ও লাউতারো মার্টিনেজ।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য